Friday, August 31, 2018

সৃজনশীল প্রশ্নে ১০ এ ১০ নাম্বার পাবার উপায়

এখনো আমরা অনেকেই জানিনা যে কিভাবে সৃজনশীল  লিখলে ভাল মার্কস পাওয়া যায়।কিন্তু এখন আমাদের পুরো ৭০ মার্কস-ই সৃজনশীলে।
তাই আমি মনে করি যে সৃজনশীল লিখার সঠিক টেকনিকটা  আমাদের সকলের জানা উচিত।
প্রায়ই দেখা যায় যে ৭ টা সৃজনশীল আসার পর থেকে  আমরা অনেকেই সবগুলো প্রশ্নের উত্তর ও সঠিকভাবে  করতে পারিনা যার একমাত্র কারন হচ্ছে সঠিক টেকনিক  না জেনে  নিয়মের বাহিরে গিয়ে লিখা।
এর কারনে দেখা যায় প্রথমের দিকে অনেক বড় বড় করে লিখে শেষের দিকে এসে টাইম থাকেনা।
তাই প্রথমেই আমাদেরকে আগে টাইম ম্যানেজমেন্ট করে নিতে হবে।
 প্রতিটা প্রশ্নের জন্য আমরা ২০ মিনিট করে নিবো।
উদাহরণস্বরূপ আমি এভাবে লিখতাম:
(ক+খ) ৫ মিনিটের মধ্যে লিখা শেষ করতাম।
(গ) ৬ মিনিট এবং (ঘ) ৯ মিনিটে লিখতাম।

আর লিখার দৈর্ঘ্যটা হবে ক+খ এর জন্য প্রথম পেজ অর্থাৎ এক পৃষ্ঠা।

গ হবে এক পৃষ্ঠা+অপর পৃষ্ঠার চার ভাগের এক ভাগ।
আর ঘ হবে ওই পৃষ্ঠা শেষ করা এবং বাকি আরেক পৃষ্ঠা।

মোটকথা একটা সৃজনশীল এর জন্য দুই পাতার বেশী কোনো ভাবেই নেয়া যাবে না।
অনেকে বলেছো যে ভাইয়া লাইন হিসেব করে লিখবো কিনা।

তাদেরকে বলবো নাহ্
লাইন হিসেব করে লিখার কোনোই দরকার নেই।
এমন কোনো টিচার নেই যার কিনা টাইম আছে তুমি কত লাইন লিখলা তা গুনে দেখার।
তাই বলবো লাইন হিসেব করে লিখার কোনোই দরকার নেই।

তোমরা কি জানো সৃজনশীলে ভাল মার্কস কিসের ওপর ডিপেন্ডেন্ট করে!!!

১.টিচার প্রথমেই দেখবেন তুমি সৃজনশীলের নিয়ম ফলো করে লিখেছো কিনা
২.তোমার হাতের লিখার কোয়ালিটি কি রকম (সুন্দর হাতের লিখা)
৩.সবার শেষে যেটি দেখে তা হলো তুমি কতটুকু লিখলা(আমি বানিয়ে বেশী লিখার কথা বলিনি কিন্তু, প্রয়োজনীয় পরিমানে লিখার কথা বলছি)
যাক এতক্ষণ আমরা লিখার সাধারন নিয়মগুলো বললাম।

এবার আমরা আসি ক+খ+গ+গ আমরা কিভাবে লিখবো।

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন "ক" ।

আমরা জানি এটা হলো জ্ঞানমূলক প্রশ্ন। যাতে ১ মার্কস । তুমি এখানে জাস্ট জ্ঞানটা লিখতে পারলেই টিচার তোমাকে ১ দিতে বাধ্য।সেটা যদি এক শব্দেও লিখতে পারো তাহলেও।অনেকে আছে ১ মার্কসের জন্য লিখে ২-৩ লাইন।এরকম করার কোন দরকার নাই।

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন "খ"।

এটা হচ্ছে অনুধাবনমূলক।মার্কস ২।এটা লিখার পার্ট হবে ২ টা।একটা পার্ট হলো জ্ঞানের আর অপর পার্টটা হলো অনুধাবনের।তুমি যদি এর একটা লিখতে পারো বাকিটা না হয় তাইলে তুমি ১ মার্কস পাবে। পুরো ২ পাবেনা।যার দুটি পার্ট ই হবে সেই শুধু পুরো ২ পাবে।এই পার্টদুটো কিন্তু আলাদা করে লিখতে হবে।
প্রশ্নে যেটা বলবে ওটার উত্তরটা জাস্ট ১ লাইনে লিখবা এটাই জ্ঞান।
আর অনুধাবনে এসে তুমি যে
 জ্ঞানটা লিখলা এটাকে জাস্ট ৩-৪ লাইনে ব্যাখ্যা করবা। হয়ে গেলো দুটো পার্ট।ঠিকমতো লিখতে পারলে পেয়ে যাবে পুরো ২ মার্কস।

প্রয়োগ প্রশ্ন "গ"।

এটা হচ্ছে প্রয়োগমূলক।এর মার্কস হলো ৩।আর লিখতেও হবে ৩ টা পার্টে।
এবার আসি কিভাবে লিখবে এই ৩ টা পার্ট।
প্রথম পার্টটা হবে জ্ঞান। অর্থাৎ গ এ যা বলবে ওটার উত্তরটা জাস্ট একবাক্যে লিখে দিবে।মনে করো প্রশ্নে থাকলো যে উদ্দীপকের রহিমের সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের গল্পটির কার সাথে/কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্য আছে।এখানে জ্ঞানটা হবে উদ্দীপকের রহিমের সাথে গল্পের করিমের মিল রয়েছে। এটাই হলো জ্ঞান।
আচ্ছা এবার আসি গ এর অনুধাবন পার্টে এখানে এসে এমন কিছু কথা লিখবা যা তোমার গল্পেও নেই বা উদ্দীপকেও নেই বাট দুটোই রিলেটেড। এটা জাস্ট ২-৩ লাইনে লিখে ফেলবা।হয়ে গেল অনুধাবন।
লাস্টে হলো গ এর প্রয়োগ পার্ট। এ পার্টে এসে তুমি দেখাবা যে উদ্দীপকের করিমের সাথে তোমার গল্পের রহিমের কিভাবে মিল আছে।আগে লিখবা উদ্দীপকের কথা এরপর লিখবা গল্পের কথা।
ব্যাস্ হয়ে গেল গ।প্রতিটি পার্ট তুমি সুন্দরভাবে লিখতে পারলে পেয়ে যাবে পুরো ৩ মার্কস।

উচ্চতর দক্ষতা প্রশ্ন "ঘ"।

এটা হলো উচ্চতর দক্ষতামূলক।যাতে মার্কস হলো ৪।পার্টও হবে ৪ টা।
প্রথম পার্টটা হলো জ্ঞানের।মানে প্রশ্নে যা থাকবে তা তুমি মেনে নিলেই হয়ে যাবে।মনে করো থাকলো যথার্থ কিনা/একমত কিনা।তুমি জাস্ট মেনে নিবে বা না মনে হলে মেনে নিবেনা।উত্তরটা  হবে উক্তিটি লিখে লিখবা যথার্থ /যথার্থ নয়।ব্যাস হয়ে গেলো জ্ঞান।
এবার আসি ঘ এর অনুধাবন।এখানে তুমি জাস্ট এমন কিছু কথা লিখবা যা উদ্দীপক/গল্পে/প্রশ্নে  থাকবে না বাট এই সম্পর্কিত হতে হবে।হয়ে গেলো অনুধাবন।সাবধান গ এর অনুধাবনের কথাগুলো যেন রিপিট না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবে।
এবার ঘ এর প্রয়োগ পার্ট। এ পার্টে এসে তুমি দেখাবা যে উদ্দীপকের  সাথে তোমার গল্পটা কিভাবে মিল বা যথার্থ বা তুমি কেন একমত।আগে লিখবা উদ্দীপকের কথা এরপর লিখবা গল্পের কথা।
আমি এখানে যথার্থ/একমতের কথা বললাম এর মানে কিন্তু এই না যে সব প্রশ্নেই এটা থাকবে।যেখানে যা থাকবে ওখানে ওভাবেই লিখবা।শেষ হলো প্রয়োগ পার্ট।
সবশেষ পার্টটা হলো উচ্চতর দক্ষতার।
তোমরা হয়তো ভাবছো এটা অনেক বড় হবে তাইনা!!😆
বাট নট😎
এটা হবে আরো সবার চেয়ে ছোট।মানে তুমি ৩ টা পার্টে কি লিখলা তার সমাপ্তি টানবা এখানে।যেমন বলবা যে অতএব বলতে পারি যে এই উক্তিটি যথার্থ।ব্যাস্ শেষ হয়ে গেলো।

এভাবে তুমি যদি সবগুলো প্রশ্ন পার্ট বাই পার্ট লিখতে পারো টিচার তোমাকে মার্কস দিতে বাধ্য।
তবে তোমরা মনে রাখবে প্রত্যেকটা প্রশ্নেরই জ্ঞানটা ঠিক লিখবে কারন টিচার খাতা দেখার সময় তোমার সবগুলো উত্তর পড়ে দেখবে না।সে দেখবে যে স্টুডেন্ট জ্ঞানটা ঠিকমতো লিখতে পারলো কিনা।যদি দেখে যে সঠিক লিখছে তাহলে ওটার ওপর ডিপেন্ড করেই মার্কস দিয়ে দিবে।
অনেকে বলতে পারো ভাই,এতো কিছু কি মেইনটেইন করে লিখা যায় নাকি!!বা অনেকে বলতে পারো প্রথমটা এরকম লিখলে লাস্টে আর নিয়ম মেনে লিখতে পারিনা।

আমি তোমাদেরকে বলবো,শোনো ভালো মার্কস পেতে হলে একটু কষ্ট তো করতেই হবে। নিয়ম মেনে লিখতে হবে। তাহলেই শুধু ভাল মার্কস পাবে তুমি।আর এখানেই ভাল এবং খারাপ স্টুডেন্টের পার্থ্ক্য।

সবাই ই তো গধবাঁধা লিখে যায়। তুমি একটু আলাদাভাবে লিখেই দেখোনা!!!
টিচার তোমাকে আলাদাভাবে জাজ করতে বাধ্য থাকবে ইনশাআল্লাহ।😊
তোমরা আজকে এই পোস্টটা শেয়ার করে রেখে দিবে।এবং প্রতিদিন রাতে পড়ার শেষে একটা করে এই নিয়মে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখবে।
প্রথম প্রথম দেখবা ভালো লাগছে না বা টাইম বেশি লাগছে।
বাট কয়েকদিন লিখতে লিখতে দেখবা তুমিও ভালোই লিখতে পারছো।
তখন দেখবা নিজের কাছেই ভালো লাগবে

আমার ছোট্ট একটা ফিলিংস শেয়ার করি তোমাদের অবশ্য গল্পও বলা যায়।
আমাদের সময় তো ৬ টা সৃজনশীল লিখতে হতো।পরীক্ষার সময় যখন লিখতাম তখন এদিক-ওদিক তাকানোর টাইম পেতাম না।

"একবার এক স্যার এসে আমার মাথায় হাত রেখে বলতেছিলো আস্তে লিখ রেজাউল।😁
আমার তখন একটুও মনে ছিলোনা যে স্যার বলছে
আমি ভাবছিলাম ফ্রেন্ড হয়ত😜🙊
বললাম,আরে ব্যাডা সর্😁😁😁🙊🙊🙊
পরে মাথা উঠিয়ে স্যারকে দেখে তো আমি শেষ😆😆😆
পরে স্যার হাসছিলেন আর বলছিলেন আরে সমস্যা নাই লিখ তুই।😊
(আমি স্বার্থপর ছিলাম না কিন্তু 😆
লিখা শেষে সবাইকে হেল্প করার ট্রাই করতাম😊😊✌✌✌)
৬ টা সৃজনশীল ছিলো তাতেই ১-২ টা লিখার পর মনে হতো, ধুর,আর লিখমুই না।😒
আবার মনে মনে ভাবতাম, না লিখতে হবে  তো,না লিখলে তো ভাল রেজাল্ট করা যাবে না।"
 যাইহোক,তোমাদেরকে এটা এজন্যই শেয়ার করলাম যে লিখার সময় যতটা সম্ভব টাইম কম অপচয় করবা সৃজনশীলের সময়।
আর কোনোভাবেই মাথা গরম করা যাবেনা😊😊😊
তোমরা যদি সৃজনশীলের নিয়মটা ফলো করে লিখো, উত্তর একটু খারাপ হলেও টিচার অনেকসময় মার্কস দিয়ে দিবেন।
আশাকরি তোমরা এখন থেকে আর কেউ সৃজনশীলে কম মার্কস পাবে না ইনশাআল্লাহ😊😊😊
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ করে দাও এতে করে তুমি ও যেকোন সময় পোস্টটি পড়তে পারবে।আর এরকম পোস্ট পেতে নিয়মিত ভিজিট করো www.NetPriyo.Ooo

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন for bloggers (এসইও গাইড ২০১৮)

আপনি যদি আপনার সাইট থেকে ট্রাফিক পেতে এবং কন্টেন্ট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার ব্যবসা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুতর হন, তাহলে আপনাকে অবশ্যই ব্লগারদের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের মূল কথাগুলি সম্পর্কে নিখুঁতভাবে জানাতে হবে। এই মেগা-গাইডে, আমি আপনাকে অনুসন্ধানের জন্য আপনার ব্লগের সর্বোত্তম রূপে সাজাতে আপনাকে যা যা প্রয়োজন তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিতে যাচ্ছি।
1) ডোমেইন :-
Building a trust with audience
আপনি যদি একটি ফ্রি ডোমেইন ব্যবহার করেন উদাহরণ: www.example.blogspot.com তাহলে আপনার সাইটে যতই মুল্যবান কন্টেন্ট থাক না কেন ভিজিটর তা গ্রাহ্য করবে না। উদাহরণস্বরূপ: আপনি আপনার সাইটে অপ্টিমাইজ করার একটি নতুন উপায় পেয়েছেন যেটি রাতারাতি কাজ করেছে এবং আপনি এটি আপনার সাইটে পোস্ট করবেন যেটি ভাইরাল করা উচিত কিন্তু এটি হবে না।

কেন ??

তারা মনে করেন আপনি আরো দর্শকদের পেতে মজা করার চেষ্টা করছেন, এমনকি তারা আপনার সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়তেও চাইবে না। শ্রোতা এবং ডোমেনের সাথে  ট্রাস্ট একটি একটি বিশাল প্রভাব তৈরি করে।

Buying the domain includes


কম অক্ষর আছে এমন একটি ডোমেন কিনতে চেষ্টা করুন, ডোমেন অক্ষর যত কম হবে,  তত এটি ভাল  হবে ।
সর্বদা ইউনিক ডোমেইন নাম কিনতে চেষ্টা করুন এবং এটি আপনার ওয়েবসাইট এর সাথে যেন সম্পর্কিত থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। উদাহরণস্বরূপ: যদি আপনার সাইট " এসইও" সম্পর্কে হয়ে থাকে তবে  " এসইও " যেন আপনার ডোমেইন নামের অন্তর্ভুক্ত   থাকে এরকম একটি ডোমেন কেনার চেষ্টা করুন।

2.META DESCRIPTION

মেটা বিবরণ হলো আপনার পোস্ট বা সাইটের সংক্ষিপ্ত বিবরণ।

সাইটের জন্য মেটা বিবরণ আপনার সাইটের সামগ্রিক রুপকে সংক্ষিপ্ত রুপে ইঙ্গিত করে, এটা SEO মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে

স্বতন্ত্র পোস্টগুলির জন্য মেটা বিবরণটি সেই পোস্টের সংক্ষিপ্ত বিবরণকে ইঙ্গিত করে ।

মনে রাখবেন। বেশীরভাগ সময় সার্চ ইঞ্জিনটি আপনার সাইটকে মেটা-বিবরণ ভিত্তিক হিসাবে শ্রেণিতে ভাগ করে, তাই সকল পোস্টগুলিতে একটি মেটা ট্যাগ যোগ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

gmail name change করার জন্য আর অপেক্ষা নয়, এখন থেকে প্রতি মিনিটেই জিমেইল নাম চেঞ্জ করুন




আমরা সবাই প্রায় কমবেশি জিমেইল ব্যবহার  করি

তো অনেক সময় জিমেইল  নাম পরিবর্তন  করার প্রয়োজন হয় কিন্তু চেঞ্জ করতে ভুল হলে বা ৩ বারের বেশি চেঞ্জ করলে আর চেঞ্জ করা যায় না। মাঝে মাঝে ৯০ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় ।
তো আজ আমরা প্রতি ৫ মিনিটে কিভাবে নাম চেঞ্জ  করা যায় সেটা শিখবো।
তো চলুন দেখি শুরু করা যাকঃ-
প্রথমে একটি ব্রাউজার ওপেন করুন।আমি puffin ব্রাউজার দিয়ে দেখালাম।এবার ব্রাউজারের dekstop mode অন করুন।

এখন plus.google.com এ যান
তারপর আপনার ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করুন
প্রোফাইলে যান
দেখুন rony khan নাম দেয়া আছে
এবার আমি নামটি চেঞ্জ করে এর লিমিট শেষ করবো
চেঞ্জ করলাম
আবার চেঞ্জ করলাম
দেখুন এবার লিমিট শেষ,আমি normally আর নাম চেঞ্জ করতে পারবো না।
তো যতই চেঞ্জ করা না যাক,আমরা চেঞ্জ করবোই....
তাহলে সেটিংসে যান
এবার নিচের স্ক্রিনশটের মতো করে মার্ক করে দিন।
কাজ শেষ
এখন আবার নাম চেঞ্জ করলেই হয়ে যাবে।
thanks to read.....
please visit www.NetPriyo.Ooo

[Hot] ডুয়াল ক্যামেরা+ 4000 mph ব্যাটারী+ 18:9 ডিসপ্লে মাত্র 5890 টাকায়

আসসালামু আলাইকুম।
আজকে আমি যে ফোনটি নিয়ে আলোচনা করবো সেটি হচ্ছে Itel P13 plus ফোনটির বাংলাদেশী মূল্য: 5,890 টাকা।
কোথায় পাবেন:- আইটেল শোরুম / নিকটস্থ মোবাইল মার্কেট থেকে। 
Network:২জি এবং ৩জি

ব্যাটারি : 4000 mAh

মোটামুটি ভালোই বলা চলে। যারা আমার মতো  একটানা   ফোন ব্যবহার করেন তাদের জন্য 4000 mAh এর ব্যাটারী নিশ্চইয় হতাশ করবে না ….
Camera Factors (Back) LED Flash, autofocus

Camera Resolution (Back) Dual 5 Megapixel

বিষয়টি আমার কাছে আকর্ষনীয় লেগেছে । এই বাজেটে ডুয়াল ক্যামেরা পাওয়া কম কথা নয়😷😷 ..কিন্তু উভয় ক্যামেরাইয় 5 মেগাপিক্সেল!!! ..তবু এই ক্যামেরা হতাশ করবে না ..এই বাজেটে এর চেয়ে সেরা কী হতে পারে??

ক্যামেরা রেজুলেশন (ফ্রন্ট ) ২ মেগাপিক্সেল
Colors Available Champagne Gold, Piano Black

Display Size & Resolution 5.45 inches, FWVGA 480 x 960 pixels, (168 ppi)
Display Type 18:9 ratio Full-View Touchscreen

এই ডিসপ্লে আপনাকে অন্ধকারে সেরা লুক দিবে। দিনের আলোয়ও ভালরকম দেখা যাবে 😎😎✌
Graphic Processing Unit (GPU) Mali 400

Memory Card Slot MicroSD, up to 32 GB

এসডি কার্ডের মাধ্যমে বাড়ানো যাবে 32 জিবি পর্যন্ত✌✌

Operating System Android Oreo v8.1 (Go Edition)

গো এডিশন+ ওরিও ভার্সন । স্মুথলি চালানো যাবে যেকোন অ্যাপ …
Processor Quad-Core, 1.3 GHz

👉👉এই বাজেটে আর কী আশা করেন??

র‍্যাম ১জিবি

রোম ৮ জিবি
Release Date August 2018
Sensors Accelerometer

SIM Card Type Dual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)

সিম থ্রিজি …যদি 4g হতো আরো ভাল হতো

USB MicroUSB v2.0
Video Recording Yes

Wireless LAN Yes

Other Features – Bluetooth, GPS, A-GPS, MP3, MP4, Radio, GPRS, Edge, Multitouch, Loudspeaker
সর্বোপরী ফোনটা আমাক কাছে জোস লেগেছে …বিশেষ করে go edition এর জন্য ..কারন এতে র্যামে কম চাপ পড়ে ✋✋
কারো কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করুন

Thursday, August 30, 2018

ভালোবাসার আরেক নাম "নীরব যন্ত্রণা"




আমার পৃথিবীজুড়ে শুধু "সকাল" নাম টাই ছিল। তার আমার দূরত্ব ছিল প্রায় তিনশ কিলোমিটারের মত কিন্তু মনের দূরত্ব একদম ই ছিলনা। আমাদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি খুব কম ই ছিল, ছিলনা কোন সন্দেহ, তবে তাকে হারানোর ভয় ছিল অনেক। প্রথম যেদিন সে আমাকে বলেছিল,
"রিয়াদ, আমরা কি একি ছাদের নিচে বাকিটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারিনা"?
সেদিন আমি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলাম তাই তার প্রশ্নের উত্তর সেদিন আমি দিতে পারিনি।
অনেক দিনের জমানো আবেগ আর অনুভূতির সমন্বয়ে তারে দেখার সুযোগ হয়েছিল মাত্র তিন দিনের। প্রথম দিন পাঁচ মিনিট, দ্বিতীয় দিন নয় মিনিট আর তৃতীয় দিন পনের মিনিট। এই হাতে গোনা কয়েকটা মিনিট ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ সময়!!সে এমন একটা মানুষ ছিল যার সামনে গেলে মনে হত পৃথিবীর সকল সুখ আমি হাতের নাগালে পেয়ে গেছি। শুধুমাত্র সুন্দরের প্রশংসা করতে আমি মোটেও পছন্দ করি না তবে যেখানে সৌন্দর্য এবং গুণাগুণের উপস্থিতি যথেষ্ট পরিমাণে থাকে সেখানে আর প্রশংসা না করে থাকতে পারি না।
তারমাঝে দুটোর ই উপস্থিতি ছিল। তার সামনে গেলে মনে হত আমি পরিপূর্ণতা লাভ করেছি। তার মত করে আমাকে আর কেউ কখনো ই বোঝার চেষ্টা করেনি। আস্তে আস্তে আমি তার খাছায় ঘর বাধতে শুরু করলাম, তার মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলাম।একেক করে পরিবারের সবার নজরে আসতে থাকে সে, কেউ তাকে অপছন্দ করার কোন সুযোগ ছিলনা, পরিবারের সবার মন সে মুহূর্তেই জয় করে ফেলতে পারতো। পরিবারের জন্য কিছু কিনতে হলেও তার পছন্দমতো ই কিনতাম কারণ সে ছিল পরিবারের সবার পছন্দের একজন মানুষ। একদিন রাত বারোটা পরে সে আমাকে "কল ওয়েটিং" এ পায়, প্রচণ্ড ঝগড়া হয়, অবশেষে ভাগ্নার বাসায় পায়ে হেটে দুই কিলোমিটার যেয়ে তাকে প্রমান দিয়েছিলাম আমি ভাগ্নার সাথে কথা বলেছি অন্য কার সাথে না।
দশ মিনিট তারে দেখার জন্য তিনশ কিলোমিটার পাড়ি জমানো টা আমার জন্য কোন ব্যাপার ছিলোনা। সে খুব ভালো করেই জানতো, ছোট ছোট সময় ভাগাভাগি করে নেয়ার নাম ই হচ্ছে ভালোবাসা তাই আমাদের মাঝে ভালোবাসার কোন কমতি আমি কখনো ই উপলব্ধি করতে পারিনি কারণ আমি ভালো করেই জানতাম, যেখানে ভালবাসার জন্ম হয় শূন্য থেকে! আর ছড়িয়ে পরে দুর দূরান্তে। যেনতেন ভাবে নয়, ভালবাসার বিদ্যাকে অর্জন করে নিতে হয়। তার ভালোবাসাকে আমি প্রচণ্ড সম্মানের চোখে দেখতাম, আর তাই একসময় বন্ধুদের সাথেও তেমন একটা না মিশে সোজা বাসায় চলে যেতাম, অফিস শেষ করেই মনে হত "আমার জন্য কেউ একজন অপেক্ষা করছে, এক্ষনি তারে একট কল দেয়া উচিৎ, তারে একটু সময় দেয়া উচিৎ"।
অনেক সময় আমার বন্ধুরা আমাকে নিয়ে উপহাস করত আর বলত,
"কি রে, মাত্র একজনের প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে তোর এই অবস্থা?
একদিন আমি তাদের পাল্টা প্রশ্ন করেছিলাম,
"একসাথে দশটা মেয়ের সাথে প্রেম ভালোবাসা না করে একটা মেয়ের সাথে দশটা উপায়ে প্রেম করলে কেমন হয়?
আমাকে মাঝে মাঝে সে বলত,
"তোমার কাছ থেকেই তো ভালোবাসা শিখলাম, তোমার সাথেই যেন পুরোটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারি"।
তারে পাওয়ার জন্য শেষ রাতে সৃষ্টিকর্তার নিকট দুই হাত তুলে প্রায় সময় কান্না করতাম, শেষ রাতে প্রার্থনা করলে সেটা নাকি কবুল হয়। সকল বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে সে যেন আমার হয়, শুধুই আমার, এই প্রার্থনা আমি সব সময় করতাম। খুশির বিষয় হচ্ছে, একসময় আমার পরিবারের সবাই রাজি হয়ে গেলেন, এবার সেই প্রশ্নের উত্তর টা তাকে আমি দিতে চাই, কল করে তাকে বললাম,
"আমরা এক ই ছাদের নিচে থাকতে চাই, আজ আর কোন বাধা নেই, আজ আর কোন আপত্তি নাই, এবার আমাদের বিয়ে টা হয়ে যাবে"
ওপাশ থেকে সে আমাকে উত্তর দিয়েছিলো, eita kunovabei Possible na"
ওর উত্তর শুনে আমি সেদিন বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম, শরীর থেকে প্রচণ্ড ঘাম বের হচ্ছিল, বিশ্বাস হচ্ছিলনা তাই প্রচন্ড জ্বর আর মাথা ব্যাথা নিয়েও তার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাই, তার কাছে গিয়ে বললাম, "এবার বিয়েটা হয়েই যাবে ইনশাল্লাহ, যদি তুমি রাজি থাকো!! সেদিনও তার কাছ থেকে আমি "না-বোধক" উত্তর পেয়েছিলাম।
জীবন এবং জগতের তৃস্না তো মানুষের কখনো মেটেনা, তবু মানুষ আর বাচে কয়দিন। আমারও দিন ফুরচ্ছে, হয়ত আজ না হয় কাল আমিও চলে যাবো তবে কিছু অপূর্ন চাওয়া, আমার না পাওয়া জুড়ে থেকেই যাবে তবে তার কাছ থেকে আমি যা পেয়েছি তাই বা কম কিসের!! বাকি জীবন টা অনায়াসে কাটিয়ে দেয়া কোন ব্যাপার ই না। আমি তার মাঝে ছিলাম, আছি আর থাকবো, কারণ সে ছিল আমার প্রথম ভালোবাসা।
আজকে আমার আকাশ টা অনেক ঝাপসা, কঠিন কিছু মেঘ ভর করে আছে, নিজেকে অনেকটা অসহায় লাগছে আর অসুস্থতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবুও তাকে আমি "অপরাধী" বলবনা, কারণ প্রথম ভালোবাসার মানুষ টা কে দোষারোপ করতে নেই। তবুও কেন জানি মাঝে মাঝে একটা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়াই,,,
"যেহেতে মোবাইলে গেমস খেলেও অনেক "টাইম পাস" করা যায়, সেহেতু মানুষের মন নিয়ে খেলা করে টাইম পাস করার মানে টা কি"?
সবকিছুর পরেও হিসেব বলে দেয় সে অন্য কারো কিন্তু মন বলে সে আমার, এরি নাম হয়ত ভালোবাসা, আর ভালোবাসার আরেক নাম হচ্ছে "নীরব যন্ত্রণা"

মেয়ে মানুষ মানেই Dangerous [ পড়ুন আশা করি ভালো লাগবেই]




যা কখনো হওয়ার ছিল না
তা হয়েই গেল......
সুঁদরী মেয়েদের ফটো
পালাতে হবে...
এই বিয়ে আমি করবো না।
আমি শিওর, আপনারা ভাবছেন যে আমি ১টা মেয়ে এবং আমি আমার প্রেমিকের জন্য বিয়ে করতে চাচ্ছি না।
কিন্তু ভাই ও আপুরা, আই নিতান্তই ১ জন সাধারন ছেলে, এবার আসল গল্পে আসা যাক।
আমি মোহাম্মদ, বয়স ২৮ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা - কানাডার গাধা, মানে কানাডা থেকে M.B.A. করে সবে দেশে ফিরেছি, আর যথারিতি, বাংলার সব Common বাবা-মা এর মত, আমার বাবা-মা ও আমার বিয়ের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু আগের কিছু অভিজ্ঞতার কারনে আমি মেয়েদের খুব ই ভয় পাই। আমার কাছে মেয়ে মানেই Dangerous. এই Dangerous মেয়েদের বিয়ে করা মানেই আরো অধিক Danger এর খপ্পর এ পরা।আমার ঢাকায় কাজ শেষ হওয়ার পর অনিচ্ছাসত্তেও আমি সিলেটের এর উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। আমি সবসময় রাতের টিকেট কাটি, কারণ আমার বরাবর ই ভয় হয় যদি দিনের বেলার টিকেট কাটলে যদি আমার পাশে কোনো মেয়ে পরে!রাতের বেলা সেই সুযোগ কম থাকে, তবে সেই দিন আমার কপাল খারাপ ছিল কিনা জানি না, কিন্তু মহান বিধাতা আমার জন্য বিশেষ কিছু plan করে রেখেছিলেন তা আমি খুব ভাল করে বুঝতে পেরেছিলাম।
তো, আমি বাস এ উঠে কানে হেডফোন লাগিয়ে শান্তিমত জানালার পাশের সিটটা তে বসে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি, তখনি এক দজ্জাল মহিলা এসে দাবি করল যে সিট টা উনার, আমি পুরাই টাসকিত হয়ে গেলাম, পরে টিকেট চেকার এসে টিকেট চেক করে মহিলা কে আমার পেছনের সিট এ পাঠিয়ে দিলেন, আর আমার পাশে এক সুন্দরি ললনা রাগে গজ গজ করতে করতে বসে পরল, আমি আবার ও টাসকিত হলাম। বাস ছাড়ার পর ই মেয়ে আমাক এক রাম ধমক দিয়ে বলে - " তুমি কি জান না যে মেয়েদের জানালার পাশের সিট টা ছেড়ে দিতে হয়?" আমি ও বোকার মত বলে উঠলাম - " দুঃখিত" এবং ফাদে পরলাম। কিভাবে পরলাম সেইটা আপনারা গল্পের শেষেই বুঝতে পারবেন।
মেয়েটাকে আমার সিটটা ছেড়ে দিয়ে কিঞ্চিত দুঃখিত মনে আবার ও ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, তখনি মেয়েটা বাঁজখাই কন্ঠে বলে উঠল -
" রাতে ঘুমানো যাবে না, সারা রাত গল্প করতে হবে"
আমি আবার ও টাসকিত হয়ে গেলাম! মেয়ে তখন আমাকে জিজ্ঞেস করল -
"নাম কি?"
"মোহাম্মদ,
"কি করো,
"আপনার সাথে কথা বলতেছি?
"বুজেছি এভাবে হবে না। আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করবেন না??
"কি নাম???
" কথা গুলোতে রস গস নেই কেন?? অপরাজিতা"
"বাহ! বেশ সুন্দর নাম"
" ওহ! মেয়েদের দেখলেই Flirting শুরু হয়ে যায় না?"
" না! না! মেয়েদের আমি অনেক ভয় পাই"
"কেন?"
"মেয়ে মানুষ Dangerous!"
"কেন! ছ্যাক খাইসো নাকি?"
"হুম, বিশাল বড় একটা!"
"বাহ! ভাল তো কাহিনী টা কি বলা যায়?"
"নাহ!"
"কেন? লজ্জা পাইসো, নাকি কষ্ট লাগে?"
"নাহ, ঠিক আসে, বলছি"
এই ভাবেই অজানা, অচেনা, সুন্দরী ললনা, dangerous এক মেয়ের কাছে আমার অতীত বলা শুরু করলাম।
আমি বাংলাদেশের একটা বেসরকারী বিশ্ববিদ্দ্যালয় এ পরার সময়ই ৬ষ্ঠ সেমিস্টার এ কানাডা চলে যাই, কিন্তু এই বিদেশে যাওয়ার পেছনে বিশাল এক কাহিনী আছে, প্রথম থেকেই শুরু করি।
আমি তখন মাত্র ক্লাস সেভেন এ পড়ি। প্রেম, ভালবাসা সম্পরকে জ্ঞান অনেক কম, তখন ১টা মেয়ে কে দেখে খুব ভাল লেগে যায়, কিন্তু সেই ভাল লাগা টাই যে ভালবাসা তা বুঝেছি S.S.C. পরীক্ষা দেয়ার পর। S.S.C. পরিক্ষার পর একসাথেই ১টা কোচিং সেন্টারে আমি আর সেই মেয়ে টা কম্পিউটার চালানো শিখতাম, তখন সবেমাত্র কৈশরে পা দিয়েছি, তাই আবেগের বশে আগের ভাল লাগাটা এই সময় এ এসে ভালবাসায় রুপান্তরিত হলো। এরপর আমরা একই সাথে একই কলেজে ভর্তি হই। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর সব সময়ই মেয়েটার পেছনে লেগে থাকতাম, এর ই সুবাদে ১ম বর্ষে বন্ধুত্ত ও ২য় বর্ষে আমাদের প্রেমটা ও হয়ে যায়। এই প্রেম শুরু করার পর থেকেই আমার জীবনে প্রথম বুঝতে পারলাম যে মেয়ে মানেই Dangerous.আমি ঠিক মত একটু সিগারেত খেতে পারতাম না, বন্ধুদের সাথে আড্ডা মারতে পারতাম না, খেলতে পারতাম না, ঘুমাতে ও পারতাম না, তবু ও আমার সেই সময় এর দিনগুলো স্বপ্নের মত কাটছিল।
এরপর ২বছর এর কাহিনী অনেক টা একই রকম, তাই সেইগুলো বলে আর বিরক্তি করলাম না, এই ২ বছর এর মধ্যে আমি আর ও ইন্টার পাশ করি এবং ২ টা ভিন্ন ভিন্ন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় এ ভর্তি হই। আমাদের সম্পর্কের ২ বছর পর থেকেই সব গ্যাঞ্জাম শুরু হয়, আগের মত কথা হত না, দেখা হত না, দুই জন ২ জন কে সময় দিতে পারতাম না, অনেক কিছুই পাল্টে গেল, আমরা একে অপরের কাছ থেকে অনেক দূরে সরে গেলাম, এতটাই দূরে যে আমাদের সম্পর্কটা আর জোড়া লাগানো গেলো না, আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল। আমি এতটাই একা হয়ে গেলাম যে এই দেশে আমার পক্ষে আর থাকা সম্ভব হল না, আমি কানাডা চলে গেলাম। আমি ওই মেয়ে কে কোনো দোষ দিব না, সম্ভবত সব ই আমার দোষ, সম্ভবত না!
"এই আমার কাহিনী"
অপরাজিতা তখন বললো -
"খুব ই দুঃখের না হলেও, মোটামুটি দুঃখের বলা যায়"
আমি তখন চিন্তা করি - কী Dangerous মেয়েরে বাবা!
এত্তো দুঃখের ১টা কাহিনী বললাম, তবু ও একটুও খারাপ লাগলো না। মেয়েটার চেহারার দিকে তাকিয়ে দেখি মেয়েটার মুখের উপর চাদের আলো এসে পরছে, আর সেই আলো মেয়েটার চেহারার উপর পরে চেহারা ট কে আরো লাবন্যময়ী করে তুলছে, তবে কি আবার ও কোনো Dangerous মেয়ের খপ্প্ররে পরলাম! মেয়েটা দেখি ওর ব্যাগ থেকে ১ প্যাকেট চুইংগাম বের করে ১টা মুখে দিলো আর আমাকে ও ১টা দিলো, আমি চুইংগাম টা মুখে দিলাম............
এরপর সেই রাতের কথা আর কিছুই মনে নাই, শুধু সকালে কন্ডাক্টার এসে ডাক দিলো, তখন সেই সুন্দরী ললনার কথা মনে পরল এবং আমি তখন ই দেখলাম যে আমার হাতে আমার শখের ঘড়িটা নাই, মানিব্যাগ, মোবাইল, কিছুই নাই, শুধু বুক পকেট এ ১০০ টাকা রাখা, সমব্ভত মেয়েটার আমার গল্পটা শুনে আমার প্রতি একটু দয়া হয়েছিল, তাই টাকাটা রেখে গেছে, আমি আরও এক বার এর মত উপলব্ধি করলাম যে মেয়ে মানুষ খুব ই Dangerous.
এরপরের কিছুদিন দেখতে দেখেতেই চলে গেল, আর আমার বিয়ে ও পাকাপাকি হয়ে গেল। নাহ পাঠক ভাই ও আপুরা, আমি পালাতে পারি নাই, পালাতে যেয়ে ধরা খাইসি। তো বাবা-মা অনেক তা ইমোশোন্যালি ব্ল্যাকমেল করে বিয়েটা দিয়ে দিল। আমি অতটা আগ্রহী ছিলাম না দেখে মেয়ে কে আমি দেখি নাই, কিন্তু মেয়ে মানে, আমার নব-বিবাহীতা স্ত্রী নাকি আমাকে আগেই দেখসে, এবং তার আমাকে পছন্দ হইসে, এই কথা শুনে আমি আমার জিবনের এর সব চেয়ে বড় টাসকি খাইলাম।
তো বিবাহের দিন রাতের বেলা আমি আমার বাসর ঘরে ঢুকলাম, দেখলাম - সুন্দর করে ১টা বিছানা ফুল দিয়ে সাজিয়ে রাখসে, এবং বিছানার উপর একটা মেয়ে ইয়াআআআআআ বড় একটা ঘোমটা দিয়ে বসে আসে। আমি মেয়েটার কাছে যেতেই মেয়েটা ঘোমটার ফাঁক দিয়ে ১টা হাত বের করে দিল। আমি অবাক হয়ে গেলাম, আগে জানতাম যে ছেলেরাই আগে Approach করে, এখন দেখি মেয়েরা ও করে!তো আমি খেয়াল করে দেখি যে মেয়ে টা কি যেন দিতে চাচ্ছে, আমি হাত বাড়িয়ে মেয়েটার হাত থেকে জিনিস টা নেই, দেখি ১টা গিফ্ট প্যাকেট, তো আমি প্যাকেট টা খুললাম, এবং আমার জীবন এর সব চেয়ে অবাক করা গিফ্ট টা পেলাম!
প্যাকেট টা তে ১টা চুইংগাম ও আমার শখের ঘড়ি টা রাখা! তখন ঘুমটাটা সরিয়ে দেখি অপরাজিতা আমার দিকে চেয়ে মিট মিট করে হাশছে! এরপর ওই আমাকে সব কিছু খুলে বলল যে এইগুলা ওদের মানে আমার বাবা-মা ও অপরাজিতার আগেই প্ল্যান করা ছিল। আমি আবার ও উপলব্ধি করলাম যে, মেয়ে মানুষ আসলেই অনেক Dangerous.
এখন আমি আর অপরাজিতা ভালই আছি, আমাদের ঘরে অবশ্য আরো ২টা টুইন Dangerous যুক্ত হইছে, আমি চেয়েছিলাম যে ১টার নাম রাখব Dangerous 1 আর ১টার নাম রাখব Dangerous 2, কিন্তু ওদের Dangerous মায়ের কথা চিন্তা করে নাম ২টা বলার সাহস পাই নাই। কী করব, আমার পরিবার তো পুরাই DANGEROUS!!

রোমান্টিক ভালবাসার গল্প Gangster-2 পার্ট-০৩ শেষ পর্ব


.
.
.
--মা আমি তোমাকে ছাড়া কোথাও যাবো না প্লিজ মা ওদের কে বল প্লিজ।(আবির)
আবিরের মা কোন কথাই বলতে পারছেনা যেন উনি বোবা হয়ে গেছেন।
--আবির আমি ১০ পর্যন্ত গুনবো এর মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে আমরা গুলি ছুরতে বাধ্য হবো। (মাহতাব)
১০ পর্যন্ত গুনার পরও যখন আবির আত্মসমর্পণ করলো না তখন পুলিশ বাড়ির চারিদিক থেকে গুলি ছুরতে থাকে।
হঠাৎ একটা গুলি এসে তার মায়ের বুকে লেগে যায়।সঙ্গে সঙ্গে আবিরের মা মারা যায়।
--মা তুমি আমাকে ছেড়ে যেতে পারো না মা।(চিৎকারের সাথে বলতে লাগলো)
আবিরের মায়ের মৃত্যুর পর আবির সেখানে অজ্ঞান হয়ে যায়।কিছুক্ষন পর পুলিশ বাসার মধ্যে ঢুকে আবিরকে গ্রাপ্তার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।আর আবিরের মাকে দাফন করা হয়।মাহতাব সাহেব পুলিশ ডিপার্টমেন্টকে জানায় যে আবিরের মাও আবিরে র কাজে সঙ্গ দিয়েছিল।
২দিন পর যখন আবিরের জ্ঞান ফিরল সে বুঝতে পারলো যে সে এখন পুলিশের হেফাজতে।
আবিরকে শিকল দিয়ে বেধে রাখা হয়েছিল যাতে সে ছুটতে না পারে।
আবির ছোটার জন্য অনেকটা চেস্টা করলো। কিন্তু ছুটতে পারলো। আবিরের জ্ঞান ফিরেছে বলে মাহতাব সাহেব আবিরের কাছে আসলো।
--শান্ত হও তুমি এখন পুলিশের হেফাজতে। তোমার পক্ষে এখন নিজের ইচ্ছা মতো চলা অসম্ভব। (মাহতাব)।
আবিরকে থানায় নিয়ে আশা হল।
--অনেক অপরাধ করেও থানায় আসিস নি আজ কিন্তু তোকে আসতে হয়েছে। থানার তোকে যা লাগছেনা হেব্বি। (মাহতাব)
আবির রেগে গিয়ে মাহতাব সাহেব এর শার্টের কলারটা চেপে ধরলো।
--খুব হাসি পাচ্ছে না তোর?তোর এই হাসি আমি নিমিষেই শেষ করে দিতে পারি। (আবির)
--কিভাবে?আমার পরিবারকে ধরে আমাকে ব্লাকমেইল করবি?সে সুযোগ তো আর পাচ্ছিস না তুই?(মাহতাব সাহেব কথাটা খুব জোরের সাথে বলল)
--আমি যানি তোকে বা তোর গ্যাংকে ধরলে তুই আবার আমার পরিবারকে ধরে আনবি আর ব্লাকমেইল করবি সেটা ভেবেই আমি আমার পরিবারকে বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে দিয়েছি।(মাহতাব)
--কি ভাবলি আমি এতোটাই বোকা যে তোর পরিবার কে বার বার ধরে এনে তোকে ব্লাকমেইল করবো? না.. না..এবার আমি তোর সামনে তোর পরিবারকে এক এক করে মারবো।শুধু তোর মেয়েকে নীলাদ্রিকে
ছেড়ে দেব কারন তাকে আমি ভালবাসি।(আবির)।.
---হা হা হা আমার পরিবারকে পাবি কোথায় তুই?(মাহতাব)
--আমার অজান্তে কেউ কিছু করবে আর আমি বুঝতেই পারবো না এটা ভাবলি কি করে?(আবির)
--মা...নে মানে কি বলতে চাস তুই?(আমতা আমতা করে কথা বলছেন মাহতাব সাহেব)
--মানে হলে এটাই যে তোর পরিবারকে থাইল্যান্ড থেকে আমার লোকেরা এতক্ষণে বাংলাদেশে নিয়ে এসেছে।(আবির)
--আমাকে বোকা পেয়েছিস যে তুই বললি আর আমি তোকে ছেড়ে দেব?(মাহতাব)।
--ভয় নেই কিছুক্ষণ পরেই তোর ফোনে ফোন আসবে।(বলতে বলতেই মাহতাব সাহেবের ফোনে ফোন এলো।)
--হেলো কে বলছেন?(মাহতাব)
--আবির ভাইকে সাথে নিয়ে ******** এখানে চলে আসেন।(সিয়াম)
--কে বলছেন?
ফোনটা কেটে দিলো।
--কি কথা হলো? (আবির)
--তুমি জানলে কি করে?(মাহতাব)
--সহজ প্রশ্ন সহজ উত্তর। আমি অনেক আগেই জানতান যে তুই একদিননা একদিননা আমাকে গ্রাপ্তার করবি।তাই এই প্লানটা অনেক আগেই বানিয়ে রেখেছিলাম।আমাকে থানায় আনলেই এই প্লান মতো আমার ছেলেরা কাজ শুরু করে দিবে।(আবির)
মাহতাব সাহেব আবিরের কথা বিশ্বাস না করে নিজের স্ত্রীর কাছে ফোন দিতে গেল।
--হেলো তুমি কোথায়?(মাহতাব)
--আমাদের কে বাঁচাও প্লিজ।আমাদেরকে আবিরের ছেলেরা ধরে নিয়ে এসেছে।(মাহতাব এর স্ত্রী)
মাহতাবের স্ত্রীর হাত থেকে ফোনটা নিয়ে নিও সিয়াম।
--আপনাকে যা বলেছি তাই করেন নইলে আপনার পরিবারের কেউ বাঁঁচবেনা বলে দিলাম।(সিয়াম)
--আমি এখনি আসছি।(মাহতাব)
অতপর মাহতাব সাহেব আবিরকে সঙ্গে নিয়ে সিয়ামের দেয়া ঠিকানায় চলে গেলেন।
--এসেছেন তাহলে?আর একটু দেরি করলেই তো........(সিয়াম)
--আমি আবিরকে সঙ্গে নিয়ে এসেছি এখনতো আমার পরিবারকে ছেড়ে দাও প্লিজ।আমি আর কোন দিন আবির ভাইয়ের কাজে বাধা হয়ে দাড়াবো না।আপনারা বললে আমি এই শহর ছেড়ে চলে যাবো। (মাহতাব)
--এই শহর নয় এই পৃথিবী থেকে।(কথা বলেই আবির সিয়ামের হাত থেকে বন্দুকটি নিয়ে মাহতাব সাহেব এর বুকে ছয়টা গুলি করে দিল।)।
মাহতাব এর পরিবার তার লাশের পাশে এসে কান্না বাধিয়ে দিল।
আবির এবং তার দল বল সেখান থেকে বিদায় নিল।
কিছুদিন পর হঠাৎ নীলাদ্রি আবিরের সাথে দেখা করার জন্য আবিরের বাসায় আসে।
--কিছু বলতে এসেছ?(আবির)
--হুম(নীলাদ্রি)
--বল কি বলবে?
--আমাকে বিয়ে করবেন?
--তুমি কি বলছ মাথা ঠিক আছে?
--হুম।আপনি না আমাকে ভালবাসতেন আমাকে বিয়ে করতে চাইতেন এখন বিয়ে করবেন না?না কি এখন আমাকে ভালবাসেন না?
--তোমাকে ভালবেসেছি সারা জীবন বেসেই যাবো।তুমিতো তখব আমাকে ভালবাসতে না। কিন্তু হঠাৎ করে তোমার এমন কথা আমার বিশ্বাস হচ্ছেনা তাই আরকি।
--আমাকে বিয়ে করবেন কিনা সেটা বলেন?
--অবশ্যই বিয়ে করবো।।
অতপত নীলাদ্রির মায়ের সম্মতিতে বিয়ের কাজ সম্পুর্ণ হলো।
আজ আবির আর নীলাদ্রির বাসর রাত।
নীলাদ্রি ঘাটের উপর বসে ছিল আবির দেখে ঘাট থেকে নেমে এসে আবিরকে সালাম করতে গেল কিন্তু আবির তাকে বাধা দিয়ে বুকে জড়িয়ে নিলো।
তারপর আবির নীলাদ্রিকে ঘাটের উপর বসালো।
--আমি ভাবতেই পারছিনা যে আমি তোমাকে আমার বউ হিসাবে পেয়েছি তাও আবার তোমার নিজের সম্মতিতে।(আবির)
--আপনি আরও অনেক কিছুই ভাবতে পারবেন না।(নীলাদ্রি)
--মানে?
--মানে হলো আপনি যেহেতু আমার স্বামী আমার তো অনেক কর্তব্য। সে কর্তব্য পালন করলে আপনি আরও অবাক হবেন।
--ওহ তাই বল
আবির নীলাদ্রির ঠোঁটে ঠোঁট রাখলো। নীলাদ্রিকে খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো।যেন নীলাদ্রি তাকে ছেড়ে কোথাও যেতে না পারে।আবির হঠাৎ তার পেটে ব্যাথা অনুভব করতে লাগলো। আবির বুঝতে পারছে তার আয়ু খুব কম তার এখন যেতে হবে।কারন নীলাদ্রি তার পেটে ছুরি বিদিয়ে দিয়েছে।
--কেমন লাগছে এখন মিস্টার আবির?
--তুমি এমনটা কেন করলে?
--কেন করলাম বুঝতে পারছেন না?কোন মেয়ের সামনে তার বাবাকে যদি মেরে ফেলা হয় তাহলে সেই মেয়ের অবস্তা কেমন হয় বলেন শুনি?আপনি কি করে বুঝবেন মা-বাবার কষ্ট। আপনারতো বাবা-মাই নেই।আপনি যানেন যেই দিন আমার মায়ের চোখের সামনে আমার বাবাকে আপনি মেরে ফেললেন সে দিন আপনারা আসার পর আমার মা সেখানেই আত্মহত্যা করে।আমি আমার বাবা-মায়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিলাম।
--বাহ বাহ একবার জানতেও চাইলেনা আমি তোমার বাবাকে কেন মারছি।
--কি জন্য আর আপনাকে উচিত শাস্তি দিতে চায় বলে।
--নাহ নাহ।তুমি যেই রকম তোমার মা-বাবার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিলে তেমনি আমি আমার মাতের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিলাম।আমিতো তোমার বাবাকে মেরেছি কিন্তু তাকে কোন অপবাদ দেইনি।তোমার বাবা আমার মাকে মেরে তার নামে মিথ্যে অপবাদ দিয়েছে।কি ক্ষতি করেছিলেন আমার মা তোমার বাবাকে?
নীলাদ্রি ব্যপারটা বুঝতে পারলো এটাও বুঝতে পারলো আবিরকে আঘাত করা ঠিক হয়নি।
--সরি আবির আমি বুঝতে পারিনি।আমি তোমাকে বাঁচাবো আবির আমি তোমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবো।
--হা হা হা অনেক দেরি হয়ে গেছে নীলাদ্রি আমার সময় শেষ আজ আমার পাপের সমাপ্তি ঘটলো। আমাকে তোমার বুকে একটু জড়িয়ে ধরবে প্লিজ?আমার এই শেষ ইচ্ছাটা একটু পুরন কর।
নীলাদ্রি আবিরকে তার বুকে জড়িয়ে নিলো ঠিক তার ২সেকেন্ড পর আবির মারা গেল।
-------------------------------সমাপ্তি----------------------------------
ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।পরের গল্প পড়ার জন্য অপেক্ষা করুন।

(গল্প) নিরবতা, পার্ট-০১-০২

"একটু শোনা যাবে?"
,
শিমুল ভাইয়ের দোকানে বসে আনমনে খেলা দেখতেছি। পিছন থেকে কেউ একজন আমায় উপরের কথাটুকু বলল। কন্ঠস্বর শুনে বুঝলাম কোনো এক সুন্দর কন্ঠের অধিকারী মেয়ে। পিছন ফিরে দেখলাম একজন সুন্দর রূপবতী। নীল কালারের কামিজ, ম্যাচিং সেলোয়ার, ম্যাচিং ডুপাট্টা পড়া। কপালে হালকা নীল কালারের ছোট একটি টিপও আছে দেখতেছি, ঠোটে গোলাপী কালারের হালকা ঠোটপালিস লাগিয়েছে সব মিলিয়ে খুব সুন্দরই লাগছিল। মেয়েটাকে ঠিক আমি চিনলাম না। কে তা জানার ইচ্ছে হচ্ছিল কিন্তু জানার চেষ্টা করলাম না। আবার খেলার প্রতি নজর দিলাম। আবার পিছন থেকে মেয়েটি ডাক দিল,
_একটু শুনবেন প্লিজ? (মেয়েটি)
,
আমি অবশ্য আর সাড়া দিলাম না। এখানে তো অনেকেই খেলা দেখতেছে। হয়ত বা অন্য কাউকে ডাকতেছে। তাই সাড়া দিলাম না কিন্তু,
_আরিফ তোকে ডাকতেছে? (নিলয়)
,
_কে? (আমি)
,
_ওই যে নীলপরী।
,
_ধুর। আমায় ডাকতে যাবে কেন?
,
_আরে তোকেই ডাকতেছে। বিশ্বাস হচ্ছে না তোর?
,
_ধুর।
,
আমি আবার খেলায় মনোযোগ দিলাম। আবার মেয়েটি পিছন থেকে ডাক দিল।
_একটু শুনবেন প্লিজ? (মেয়েটি)
,
আমি আর ওদিকে লক্ষ্য দিলাম না।
_এই আরিফ? (নিলয়)
,
_হুম বল? (আমি)
,
_দেখ তোকেই ডাকতেছে।
,
আমি একটু পিছন ফিরে তাকালাম আসলেই তো নিলয়কে ইশারা করে দেখিয়ে দিচ্ছে আমাকে। কে এই মেয়ে? এখানে এত জন আছে তাদের কাউকে না ডেকে আমায় কেন ডাকতেছে? এই মেয়েকে আগে কখনো দেখেছি কি না আমার তো মনে পড়ছে না। আমি একটু মেয়েটির কাছে গেলাম,
_কি সমস্যা? (আমি)
,
_আপনার নাম আরিফ না? (মেয়েটি)
,
এই মেয়ে আমার নাম জানল কি করে? ঠিক মাথা কাজ করল না,
_হুম আমার নাম আরিফ। আপনি কে?
,
_আমি নিলিমা।
,
_নিলিমা। নামটা চেনা চেনা লাগছে।
,
_আরে আমায় চিনতেছেন না?
,
_না ঠিক চিনলাম না। তবে নিলিমা নামে দুই একটা গল্প হয়ত লিখেছি আমি।
,
_হুম, সেই গল্পের নায়িকা আমি।
,
_হুম তো আমার নাম জানলেন কি করে?
,
_আসলে আপনার সাথে আমার ফেসবুকের পরিচয়।
,
_ফেসবুক! ফেসবুকে তো আমার কোনো পিক দেওয়া নেই।
,
_হুম নেই। তবে আমার ইনবক্সে আছে।
,
_মানে?
,
_আপনার কাছে আমি পিক চেয়েছিলাম মনে আছে?
,
_আমার কাছে তো অনেকেই পিক চায়।
,
_আমিও চেয়েছিলাম।
,
_আচ্ছা আমার আই.ডি এর নাম কি বলেন?
,
_শুন্য পাতার লেখক।
,
_আরর আপনার।
,
_মেঘপরী নিলিমা
,
_ওহহ তুমি।
,
_হুম আমিই।
,
_তো হঠাৎ এই দিকে?
,
_একটা দরকারে এসেছি মামার বাড়িতে। তোমাকে দেখলাম খেলা দেখতেছ,।
,
_ওই আরকি।
,
_আমাকে কি একটু সময় দেওয়া যাবে?
,
_কি রকম?
,
_আমায় মামা বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়ার মত সময় যদি তোমার হাতে থেকে থাকে? তাহলে।
,
কিছুক্ষণ নিরবে ভেবে বললাম,
_হুম আছে।
,
_তোমার খেলা?
,
_হাইলাইট দেখে নিব।
,
_আচ্ছা চল তাহলে।
,
_আগে দাড়াও?
,
_কেন?
,
_দুইটা সিগারেট নিয়ে আসি।
,
কথাটা শুনেই যেন নিলিমা আকাশ থেকে পড়ল। সুন্দর হাস্যজ্জল চেহারায় যেন আকাশের ওই কালোমেঘ এসে জমা হলো। নিমিষের মাঝেই যেন সব কিছুই বদলে গেল। বাইরে থেকে স্বাভাবিকভাবে মাথা নারিয়ে হ্যাঁ বোধক ইঙ্গিত দিলেও ভিতর থেকে সে কখনোই এটা প্রশ্রয় দিলো না। তার চেহারা দেখে বুঝলাম সে এটা আশা করে নি।
আমি সিগারেট নিতে শিমূল ভাইয়ের দোকানে গেলাম।
_কে রে মেয়েটা? (নিলয়)
,
_একটা ফেসবুক ফ্রেন্ড। (আমি)
,
_ওহহ।
,
_শিমূল ভাই সিগারেট দিন তো ১ প্যাকেট। (আমি)
,
_এই নে। (শিমূল ভাই)
,
আমি সিগারেটের প্যাকেট খুলে নিলয়ের হাতে ২টা সিগারেট দিয়ে বললাম,
_এই নে? (আমি)
,
নিলয় সিগারেট হাতে নিয়ে বলল,
_কি বলল রে মেয়েটা? (নিলয়)
,
_মেয়েটাকে একটু ওর মামা বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসতে হবে। (আমি)
,
_আচ্ছা যা।
,
আমি নিলয়ের কাছে থেকে চলে এলাম নিলিমার কাছে,
_আচ্ছা চলো। (আমি)
,
আমি হাটা শুরু করলাম, আর আমার পিছন পিছন নিলিমা। নিলিমার মামার বাড়ি কোন দিকে আমার তো জানা নেই।
_আচ্ছা নিলিমা? তোমার মামার বাড়ি কোন দিকে? (আমি)
,
_এই তো সামনেই। (নিলিমা)
,
_আচ্ছা,
,
আমি একটা সিগারেট ধরালাম। হালকা করে নিকোটিনের ধোয়া ভিতরে পাঠাতে লাগলাম সাথে কিছু নিকোটিনের ধোয়া বাইরে ফু দিয়ে বের করে দিতে লাগলাম। পরিবেশটা যে নোংরা করছি তা ঠিকই বুঝতে পারছি।
_আচ্ছা আরিফ একটা কথা বলি? (নিলিমা)
,
_হুম বলো? (আমি)
,
_তুমি কি রেগুলার সিগারেট খোর?
,
ঠিক বুঝতে পারলাম না। রেগুলার সিগারেট খোর মানে?
_মানে?
,
_এই যে তুমি সিগারেট খাচ্ছো। সিগারেট কি রোজই খাও?
,
_হুম খাই। কেন আমাকে দেখে কি মনে হয় না?
,
_আসলে ঠিক তা না। কিন্তু তোমার নিকোটিন গ্রহণ করা দেখে বোঝা যাচ্ছে তুমি সিগারেট রেগুলার খাও না।
,
_আরে না। আমি রেগুলারই খাই।
,
_কোনো গল্পে তো লিখো নি?
,
_আরে গল্পে অসব লেখা যায় নাকি? সবাই খারাপ ভাববে তো।
,
_ওহহ। চলে এসেছি।
,
_এইটা তোমার মামার বাড়ি?
,
_হুম কেন?
,
_আরে এই বাড়ির মালিককে তো আমি চিনি। কি যেন নাম? কি যেন নাম?
,
_মিজান।
,
_হুম মিজান। খুব ভালো মানুষ। আচ্ছা আমি যাই?
,
_এখনি?
,
_হুম এখনি।
,
_ভিতরে আসো?
,
_না থাক আর একদিন।
,
_আচ্ছা।
,
চলে আসতে লাগলাম। আবার একটা সিগারেট ধরালাম। আসলে সিগারেট আমি খেতাম না। সিগারেটের গন্ধও সহ্য করতে পারতাম না। যখন সিগারেটের ধোয়ার মাধ্যমে বিষাক্ত নিকোটিন আমার ভিতরে প্রবেশ করে খুব খারাপ লাগে আমার। আসলে আমি ছিলাম খুব ভালো একটা ছেলে। শান্ত, শিষ্ট, ভদ্র। সবার চোখে সব থেকে ভালো ছেলে এই আমিই ছিলাম। কিন্তু একটা মেয়ের আগমনে আমার জীবনের এমন পরিবর্তন, আমি সেদিকে যেতে চাই না। যে আমি সিগারেটের গন্ধও সহ্য করতে পারতাম না। সেই আমি আজ সিগারেট খাওয়ার বৃথা চেষ্টা করছি। আসলে সবাই বলে সিগারেট খেলে নাকি টেনশন কমে তাই সিগারেট ধরেছি। বেশিদিন হচ্ছে না মাত্র ৩ দিন। এখনও ঠিকমত সিগারেটের গন্ধ সহ্য করতে পারি না। যাক সেই কথা। কিছুদিন পর।
,
_আরিফ? (নিলিমা)
,
…
…
…
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
(চলবে)

(গল্প) নিরবতা, পার্ট-০৩

…………………………………………………………………………
হ্যান্ডসেক করা শেষে বলল,
_আচ্ছা আমরা কি ফ্রেন্ড হতে পারি? (নিলাদ্রী)
,
আমি একটু চুপ থেকে ভাবতে লাগলাম। ভাবতে ভাবতে এটাই ঠিক করলাম,
_হুম কেন নয়? (আমি)
,
_আচ্ছা, আপনার গ্রুপটা যেন কি?
,
_মানবিক গ্রুপ, আপনার?
,
_বিজ্ঞান।
,
_ওহহ আচ্ছা।
,
_আচ্ছা, একটা কথা বলি?
,
_হুম বলুন?
,
_আজ থেকে তো আমরা ফ্রেন্ডস?
,
_হুম।
,
_তাহলে আমাদের মাঝে এখনও কি আপনি চলবে?
,
_না।
,
_তাহলে কি চলবে?
,
_কি চলবে?
,
_এই প্রশ্নই তো আমি করলাম।
,
_আমিও করলাম।
,
_আচ্ছা, তুমি চলবে?
,
_না।
,
_তাহলে?
,
_তুই চলবে?
,
_না।
,
_কেন?
,
_চলবে না ব্যাস।
,
_আরে ফ্রেন্ডস দের মাঝে তো তুইই চলে।
,
_আমাদের ফ্রেন্ডশিপ কি অন্যদের মত হবে নাকি?
,
_কেন হবে না?
,
_আমাদের ফ্রেন্ডশিপ হবে একেবারে আলাদা।
,
_কি রকম?
,
_আমি চাই আমাদের ফ্রেন্ডশিপ অমর হয়ে থাকবে। তবে ব্যতিক্রম ধর্মি।
,
_ওহহ তো এতে তুই ব্যবহার করলে সমস্যা কই?
,
_তুমি ব্যবহার করলেই বা সমস্যা কই?
,
_তুমি ব্যবহার করলে একটু অন্য রকম লাগে না?
,
_আরে আমি সেটাই তো চাই।
,
_আচ্ছা, এটাই ফাইনাল। আজকে আসি।
,
_আচ্ছা বাই।
।
এভাবেই কিছুদিন খুব ভালোই কাটল সময়গুলো। যেন স্বপ্নিল আকাশে ডানামেলে উড়ছিলাম আমরা দুজন। খুবই কাছাকাছি চলে এসেছিলাম। ডানাহীন পাখির মত উড়তেছিলাম। মনে হচ্ছিল না আমি পৃথিবীতে আছি। তবে সময়গুলো যেন খুব দুরুতই চলছিল।
দেখতে দেখতে আমাদের প্রথম সেমিস্টার এর পরিক্ষা চলে আসল। অথচ আমি জানলাম না বইগুলো কেমন? আমি তো ডানাহীন পাখির মত স্বপ্নের আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছিলাম। তাই বইগুলো খোলার সময় পাইনি।
তারপরেও কোনো রকমে টেনেটুনে, পাশের ব্রেঞ্চের ছাত্রের হেল্প নিয়ে পাশ করে গেলাম। যেদিন প্রথম সেমিস্টার এর রেজাল্ট দিল সেদিন,
_মিষ্টি খাও? (নিলাদ্রী)
,
আমি তো অবাক হয়ে নিলাদ্রীর দিকে তাকিয়ে থাকলাম। কিসের মিষ্টি খাওয়াচ্ছে নিলাদ্রী তাও তো জানি না। অথচ সে আমার বেষ্ট ফ্রেন্ডস। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম,
_কিসের মিষ্টি? (আমি)
,
_আমি এবার প্রথম সেমিস্টার পরিক্ষায় মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছি, তাই মিষ্টি খাওয়াচ্ছি।
,
আমি অবাক হয়ে ভাবতে থাকলাম। একসাথে দুজনই ছিলাম। পড়ালেখা করার সময় আমি পেলাম না। অথচ নিলাদ্রী প্রথম সেমিস্টার পরিক্ষায় মেধা তালিকায় প্রথম। হয়তবা আমার আলসেমি এর কারণেই আজ এঈ অবস্থা।
,
_আরিফ? (নিলাদ্রী)
,
ভাবনার সাগর থেকে ফেরত এলাম নিলাদ্রীর ডাকে,
_হুম।।। (আমি)
,
_মিষ্টি নাও?
,
_আচ্ছা দাও।
,
মিষ্টিমুখ করে আর এক মুহুর্তও সেখানে থাকলাম না। চলে এলাম বাড়িতে। পিছনে নিলাদ্রী ডাকতেছিল হয়ত। কিন্তু সেদিন নিলাদ্রীর কোনো ডাকই আমার কানে এসে পৌঁছায় নি। তাই সাড়াও দেয় নি।
,
সন্ধ্যে বেলা,
নিলাদ্রী ফোন করল,
_আরিফ? (নিলাদ্রী)
,
_হুম বলো? (আমি)
,
_আচ্ছা তখন তুমি ওভাবে চলে গেলে কেন?
,
_এমনিতেই? কি বলবে বলো?
,
_জানো, তোমাকে পিছন থেকে কত ডেকেছি?
,
_শুনতে পাই নি।
,
_আচ্ছা তুমি কি বিজি আছো?
,
_হুম, একটু।
,
_আচ্ছা, তাহলে রাখি।
,
_আচ্ছা।
।
ফোন কেটে দিলাম। খুবই খারাপ লাগতেছিল। কিন্তু একটা বিষয় ভেবে খুবই ভালো লাগতেছিল। নিলাদ্রী কত ভালো ছাত্রী? আমার পিছে এত সময় ব্যয় করেও মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছে। খুবই ভালো।
,
পরের দিন,
কলেজে যেতে আমার একটু দেরি হয়ে গেল। কারণ ফারিয়া নামের চাচাতো বোনকে তার নানা বাড়িতে রেখে আসতে হয়েছিল সেদিন। প্রথম ক্লাস মিস করে ফেললাম। এ নিয়েই নিলাদ্রী আমার সাথে রাগারাগি শুরু করে দিল,
_আরিফ? (নিলাদ্রী)
,
_হুম বলো? (আমি)
,
_আচ্ছা ওই মেয়েটা কে ছিল?
,
_কোন মেয়েটা?
,
_আজকে যার জন্য এত দেরি করে এলে?
,
_মানে?
,
_কি ভেবেছ? আমিও কিছুই বুঝি না?
,
_কিছু বুঝতেছি না। কি হয়েছে বলবে একটু?
,
_ও, এখন তো কিছুই বুঝবে না তুমি?
,
_নিলাদ্রী? কি হয়েছে বলবে তো?
,
_ওই মেয়েটা কে ছিল?
,
_আরে কোন মেয়েটা?
,
_যাকে নিয়ে আজ বাইকে করে ঘুরতে গিয়েছিলে।
,
_আরে ও তো আমার চাচাতো বোন।
,
_সত্যি বলছো তো?
,
_হুম বাবা। সত্যি বলছি।
,
_ওহহ আচ্ছা। চলো?
,
_কোথায়?
,
_চলোই না।
,
_ক্লাস?
,
_বাদ দাও।
,
বলেই টানতে টানতে নিয়ে গেল আমায় একটা রোমান্টিক জায়গায়। হুম রোমান্টিকতার সাথেই নিলাদ্রী বলতে লাগল,
_আরিফ? (নিলাদ্রী)
,
_হুম বলো? (আমি)
,
_আচ্ছা তোমার কি মনে হয় না?
,
_কি মনে হয় না?
,
_আমাদের ফ্রেন্ডশিপ আর ফ্রেন্ডশিপ এর জায়গায় নেই।
,
_হুম, একটু একটু।
,
_শুধুই কি একটু একটু?
,
_মনে তো তাই হচ্ছে।
,
_আমার তো তাই মনে হচ্ছে না।
,
_তাহলে?
,
_আমার মনে হচ্ছে সম্পূর্ণটাই।
,
_হুম।
,
_তাহলে?
,
_তাহলে কি?
,
_তুমিই বলো না?
,
_আরে তুমিঈ বলো।
,
_জানলে তো বলব।
,
_আরে বলই না।
,
_তুমি কি বলবে? না আমি চলে যাব।
,
_এই না না।
,
_তাহলে বলো?
,
_আসলে।
,
_হুম বলো।
,
_আমার না খুব লজ্জা করছে।
,
_থাক তাহলে বলতে হবে না।
,
_আরে না না।
,
_বলো।
,
_তুমিই বলো না।
,
_আবার?
,
_আচ্ছা বলছি,
,
_হুম বলো?
,
নিলাদ্রী একটু লজ্জা মাখা মুখ নিয়ে,
_প্রপোজ করো আমায়?
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
(#চলবে)

(গল্প) নিরবতা, পার্ট-০৪


…………………………………………………………………………
নিলাদ্রী একটু লজ্জা মাখা মুখ নিয়ে বলল,
_প্রপোজ করো আমায়? (নিলাদ্রী)
,
আমি তো অবাক হয়ে নিলাদ্রীর মায়াবী মুখের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলাম। কি বলছে এসব নিলাদ্রী? প্রপোজ করব মানে? আমরা না ফ্রেন্ডস? মানলাম নিলাদ্রী মেয়ে তাই বলে কি? 
_কি হলো আরিফ? (নিলাদ্রী)
,
নিলাদ্রীর কথা শুনে নিলাদ্রীর মায়াবী চেহারার উজ্জল মুখ থেকে আমার দৃষ্টি সরিয়ে নিয়ে বললাম,
_কি? (আমি)
,
_কি দেখলে অমন করে?
,
_কি দেখলাম?
,
_তুমি আমার মুখের দিকে অমন করে তাকিয়ে ছিলে কেন?
,
_না এমনিতেই।
,
_ওহহ, তো প্রপোজ কর আমায়?
,
_জানো ণিলাদ্রী? আজ তোমায় দেখে আমার কোনো এক মনুষীর কথা মনে পড়ছে?
,
_মানে?
,
_কোনো এক মনুষী বলেছিলেন।
,
_কি বলেছিলেন?
,
_'একটি ছেলে আর একটি মেয়ে কখনোই বন্ধু হতে পারে না।'
,
_কেন?
,
_তার প্রমাণ তো তুমি নিজেই। মনুষী আরোও বলেছিলেন, 'একটি ছেলে এবং একটি মেয়ের মাঝে যদিওবা বন্ধুত্ব হয় তবে, বন্ধুত্ব বেশিদিন টিকে থাকে না। হয় ছেলেটি মেয়েটির প্রেমে পড়বে, না হয় মেয়েটি ছেলেটির প্রেমে পড়বে'। 
,
_হুম, কিন্তু হঠাৎই এই কথা মনে পড়ল কেন?
,
_তা তো বলতে পারব না। তবে তার প্রমাণ আজ আমি নিজ হাতেই পেলাম। তুমি এসেছিলে আমার জীবনে বন্ধু হিসেবে। দেখ, সেই তুমি আজ আমার প্রেমিকা হতে চাচ্ছো।
,
_হুম চাচ্ছি।
,
আমি নিরব হয়ে থাকলাম। কি করব বুঝে উঠতে পারতেছি না। আমার কি নিলাদ্রীর ভালোবাসা গ্রহণ করা উচিৎ নাকি না?
_আরিফ? (নিলাদ্রী) 
,
_হুম।
,
_কি হলো? কি ভাবছো অত?
,
_ভাবছি। আমার কি তোমাকে প্রপোজ করা উচিৎ?
,
আমার কথা শুনে নিলাদ্রীর হাস্যজ্জল মুখ থেকে কেন জানি না তার হাসির ছাপ নিমিষেই মিলিয়ে গেল। হয়তবা কথা শুনে তার মন খারাপ হয়ে গেছে।
_ওমা, তুমি আবার মন খারাপ করলে কেন? (আমি)
,
_মন খারাপ হবে না?
,
_কেন হবে?
,
_যদি তুমি আমার প্রপোজ একচেপ্ট না করো।
,
_আরে বাবা, আমি কি এখনও বলছি তোমায়?
,
_তারমানে তুমি রাজি?
,
_হুম রাজি!
,
_সত্যি।
,
_হুম সত্যি।
,
_আই লাভ ইউ সো মাচ।
,
বলেই নিলাদ্রী আমাকে জড়িয়ে ধরল। 
_জানো আরিফ? (নিলাদ্রী)
,
_কি? (আমি)
,
_আমি এতদিন এই দিনটার জন্যই অপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু কোনোদিনও ভাবিনি আমার স্বপ্ন এভাবে পূরণ হবে। আমি আজ খুবই খুশি। জানো খুবই খুশি।
,
_আচ্ছা, এবার ছাড়ো আমায়?
,
_না ছাড়ব না?
,
_আরে ছাড়ো তো। কেউ দেখে ফেলবে?
,
_দেখলে দেখুক।
,
_নিলাদ্রী?
,
_হুম বলো?
,
_ছাড়ো প্লিজ।
,
_আচ্ছা।
,
নিলাদ্রী ছেড়ে দিল। আমি নিলাদ্রীর চেহারার দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। সেদিন এর মত কোনোমতে নিলাদ্রী এর কাছে থেকে চলে এলাম। 
,
এভাবে আমাদের প্রেমের প্রায় ২ বছর চলে গেল।
এইচ এস সি তেও তেমন একটা ভালো রেজাল্ট হলো না। তাই ঠিক করলাম আর পড়ালেখা করব না। কিন্তু আমায় জোড় করেই বি এ তে ভর্তি করিয়ে দিল বাবা। আর নিলাদ্রী ইংলিশ নিয়ে অনার্সে সরকারি একটা ইউনিভার্সিটি তে সুযোগ পেল। ভালোই পড়ালেখা চলছে তার।
,
আমাদের মাঝে দুরুত্বটা বাড়তে থাকল এইচ এস সি রেজাল্ট এর পর থেকেই। নিলাদ্রী মাঝে মাঝে ফোন করত। হয়তবা আমি ব্যস্ত থাকতাম তাই রিসিভ করতে পারতাম না। কিন্তু আমি যখন ফোন দিতাম তখন নিলাদ্রী রিসিভ করত না। এভাবেই। চলছিল আমাদের রিলেশন।
,
সময় যতই সামনে এগিয়ে যেতে লাগল। আমার আর নিলাদ্রীর মাঝে দুরুত্ব ততই বাড়তে লাগল। মাঝে মাঝে তো নিলাদ্রী অল্পতেই রাগারাগি করত। পান থেকে চুন খশতে দিত না। একদিন তো নিলাদ্রী ফোনে বলেই দিল,
_আরিফ? (নিলাদ্রী)
,
_জ্বী বলো? (আমি)
,
_তুমি কি আমার সাথে দেখা করতে পারবে?
,
_কখন?
,
_এখনই?
,
_আচ্ছা, কোথায় আসব?
,
_যেখান থেকে আমাদের প্রেমের শুরু হয়েছিল।
,
_আচ্ছা আমি আসতেছি।
,
নিলাদ্রী ওপাশ থেকে ফোন কেটে দিল। আমি চলে গেলাম সেই জায়গায়, যে জায়গায় নিলাদ্রী আমায় নিজে থেকে প্রপোজ করেছিল। আমি প্রপোজ একচেপ্ট করব না ভেবে নিলাদ্রীর চোখে অশ্রু টলমল করছিল। আমি হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে সে মনের কথাগুলো বলতে ভয় পাচ্ছিল। 
,
সেই পুরোনো নিলাদ্রী আর এখনকার নিলাদ্রীর মধ্যে অনেক পার্থক্য। অতীতের স্মৃতিগুলো মনে মনে পড়তেই আমার দুচোখের কোনো অশ্রু জমা হলো। ইচ্ছে করছে অঝোর ধারায় কাঁদি। কিন্তু ছেলেদের যে কাঁদতে মানা। ছেলেরা কাঁদলে তো সব কিছুই ধব্বংশ হয়ে যেতে চায়। তাই চোখের কোণে অশ্রু জমে থাকলেও কাঁদতে নেই ছেলেদের। পিছন থেকে আমার নাম ধরে ডাকল।
,
_আরিফ? (নিলাদ্রী)
,
কন্ঠ শুনেই বুঝলাম নিলাদ্রী। এই সেই চেনা কন্ঠ। যে কন্ঠস্বর না শুনলে আগে আমার দিনটাই ভালো কাটত না।
,
_হুম নিলাদ্রী? (আমি)
,
_আমি তোমাকে কিছু কথা বলতে চাই?
,
_হুম বলো?
,
_কিন্তু আমি ভেবে পাচ্ছি না, তোমাকে কথাগুলো কিভাবে বলব?
,
_তুমি নির্দিধায় বলো?
,
_আসলে আরিফ?
,
_হুম বলো?
।
।
।
।
।
।
।
।
(শেষ পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন)

ছেঁকা খাওয়ার শখ Bangla Stoy

আমি আনহা আর এখন আমি ব্যস্ত আছি । কোন বিষয়ে জানেন ? কেমনে ছেঁকা খাওয়া যায় এ নিয়ে ?
.
আমার বেস্টু একটু আগে ছেঁকা খাইলো । আমি একটু মজা করতেই সে কইলো আমি নাকি তার কষ্ট বুঝবো না । তার কষ্ট বুঝতেই আমি এখন একটা রিলেশন করমু । তারপর ব্রেকআপ ও যেনো বুঝি ছেঁকা আসলে কি ?
.
হায় কপাল কাল অব্দি কতো পোলা প্রোপজ করলো আর রিজেক্ট মারলাম । এখন যখন দরকার কেউ প্রপোজ করে না কিনু ?
.
বাহ সামনে দেখতাছি ২ দিন আগে প্রপোজ করা রিফাত ভাইয়া । পোলাডা খুব ভালা দেখি একটু কথা কইয়া এখনো লাইন মারে নাকি ।
.
আমি : আরে রিফাত ভাইয়া যে
রিফাত : বইন আর কিছু বলিস না । আর তোকে জ্বালাবো না । তাও আমার বাপ কে বলিস না ।
আমি : ( এমা ভুলেই গেছিলাম । হের বাপেরে আমি কইয়া দিছিলাম প্রপোজের কথা ) না না ভাইয়া সরি গো । আমি রেগে ছিলাম আর কি ।
রিফাত : বইন আমি যাই কাম আছে ।
.
রিফাত ভাইয়া চলে গেলো । আম্মু আমার প্রথম চেষ্টা বিফল । আমি ছেঁকা কখন খাবো ????
.
বাড়ি যাই যাইয়া প্লান করি । 
.
বাড়ি আইসা মনে পড়লো ছাদে গেলে পাশের বাড়ির পোলাটার দেখা পামু । সেও প্রপোজ করছিলো কতোদিন ঘুরছিলো পিছু পিছু । আইজকা পোলাডারে হ্যা কমু ।
.
যাইয়া দেখি রাজ ভাইয়া আছে । কিন্তু ফোনে কথা বলছে ।
.
১০ মিনিট গেলো । তবুও সে ফোনেই কথা কইতাছে । আরও ৫ মিনিট পর আমি আগায় গেলাম কথা শুনতে । শুইনা বুঝলাম ব্যাটা প্রেম করতাছে ।
.
আল্লাহ গো এই শালা দেখি এক্কান হারামি । দুইদিন যাইতে না যাইতে । 
(ওই টাইমে আমার অবস্থা আমি বুঝতেছিলাম)
.
রাগের মাথায় হেরে গালি দিয়া আইলাম ।
.
(রাজ ভাবছে আমি কি করলাম ? আজ তো আর জ্বালালাম ও না । কি যে আমি ফোনে কথা বলি)
রাজ : না জানু সামনে চিল্লাচিল্লি হচ্ছে ।
.
নিচে আসলাম । রাগ চড়ছে আমার । এমনে হচ্ছে কেন ? মনে পড়ছে কলেজের একটা পোলাও আমারে নাকি ভালোবাসে । বাহ কাল কলেজে একটু সাজে গুজে যাবো আহা আমিও বুঝমু ছেঁকা কি ? ভাবতেও মজা লাগছে ।
.
রাতে মিমি রে কল দিলাম "জানু আমিও ছেঁকা খামু তাইলে বুঝুম তোর কষ্ট । কি মজা তাই না"
মিমি : ভাগ তুই
.
কাটে দিলো । এমা কি কইলাম । হের লেইগাই তো এতো কিছু । যাক পরে ওয় জানলে খুশি হইবো । আহা কাল কখন হবে ?
.
.
পরেরদিন.....
সেই ফুর্তি নিয়ে যাচ্ছি সেই একটা এক্সপ্রেশন । 
.
যাইয়া দেহি আর‌ কি বলবো ? যেই পোলা আমার পিছে ঘুরতো সে নাকি প্রেম করবে না বলে ফিক্স করছে । এইটা এক ফ্রেন্ডের কাছে শুনলাম । আমার কষ্টে এক বালতি পানি তে ডুবে মরতে ইচ্ছা করছিলো‌।
মনের মাঝে হেরেও কয়েকটা গালি দিলাম । ("ইতোর , বদমাশ এখন ব্রত নিতে কে বললো তোরে । তোর বিয়াই হবে না শালা বান্দর" মনে মনে)
.
মন খারাপ হইয়া কলেজ শেষে বাড়ি যাচ্ছিলাম । এক পোলা প্রপোজ করলো । বিশ্বাস করুন এতো খুশি হচ্ছিলো আমার । আমি বীরের মতো শুধু হ্যা বলতে যাবো কই থেকে জানি রিফাত ভাইয়া টপকাইলো । পোলাডা নাকি হের কাজিন ।
রিফাত : ভাই এরে কিছু কইস না 
নীল : (তার নাম নীল) কেনো ?
রিফাত : এই সে যার জন্য আব্বা আমারে স্যান্ডেল খুইলা পিডাইছে ।
নীল : এমা 
বইন আপু আমাকে মাফ করে দাও । আমি তো তোমার ছোডো ভাই এর মতো। সরি চাচা রে কিচ্ছু বইলো না ।
আমি : ( ইচ্ছা করছিলো দুইটারে জুতা খুইলা পিডাই । কিন্তু কিছু কইলাম না ) না ব্যাপার না ভাইয়া । 
.
"আল্লাহ রশি ফেলাও" এই ডায়লগ টা মনে পড়ছিলো তখন ।
.
বাড়ি আইয়া রুমে ঢুকে কান্না করতে মন চাচ্ছিলো । কিন্তু আজ চোখের পানি গুলোও মনে হয় হরতালে গেছে । হুর আমার সাথে এমন হচ্ছে কেনো ?
.
হঠাৎ মাথায় আমার আইডিয়া আইলো । ফেসবুকে দেহি কাউকে পাই নাকি । 
.
যা বলা সেই কাজ । ফেসবুকে ঢুকেই দেখি কয়েকটা ইন এ রিলেশন এর স্ট্যাটাস । অন্যান্য দিন আমি কতো কিছু লিখে কমেন্ট করি । কতো ভালো জিনিস । আজ এগুলো দেইখা গালি মনে পড়তাছে ।
.
ইনবক্সে গেলাম । পছন্দ করলাম কিছু পোলা । এখন রিপ্লাই দিলাম ।
.
আহা জমে উঠলো চ্যাট । একটা পোলারে সেই পছন্দ হইলো ।‌
.
রাত দিন চ্যাটিং শুরু করলাম । কতো চ্যাট । আমার তো মনে হইলো এইবাে প্রেম হইবোই । 
.
কিছুদিন পর পোলা কয়....
আকাশ : একটা কথা বলবো তোমাকে ?
আমি : (এক্সাইটেড হয়ে) হুম বলো ।
আকাশ : আসলে কিভাবে বলবো ভাবছি ।
আমি : আরে বলে ফেলো ।
আকাশ : এই মেয়েটাকে (একটা মেয়ের পিক দিয়া) পটাইতে আমার হেল্প করো প্লিজ । তুমি তো আমার ছোট ভাইয়ের মতো প্লিজ বোন ভাইয়ের জন্য এটা করো ।
আমি : হালারপো মর তুই ।
.
ব্লক দিয়া দিলাম ।
.
আমি প্রেম করমু কখন আর‌ ছেঁকা খামু কখন ?
.
.
সালার আমি প্রেম করবো কি না ।
.
পরের দিন কষ্টে নদীর পানি দেখতেছিলাম । কে জানি আসলো ।
ছেলেটি : বিশ্বাস করো অনেক ভালোবাসি তোমাকে । বলতে পারি না । এতোটা প্রকাশ করতে পারবো না । তুমি আমার রাজ্যের রানি বিশ্বাস করো । প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিও না মরে যাবো ।
আমি : (খুশি মনে ঘুরলাম পিছনে)
ছেলে : আপু সরি তোমাকে না আমি তো জরিনা কে বলতে চাচ্ছিলাম । আপনি এখানে দেখি নি ভাবছি ও আছে ।
.
আমি : ( এতোদিনের রাগ ওই পোলার উপর ঝাড়লাম) 
.
জুতা খুইলা পিডানো শুরু করলাম ।
.
পোলা ভয়ে দৌড় ।
.
.
আমি ফিক্স করলাম আমি আর খুজমুই না । আমি যেমন ছিলাম তেমনি ভালো । 
.
এক রাশ কষ্ট নিয়া বাড়ি যাইতেছি আর মনে মনে ভাবছি "ওরে বেস্টু রে আমি তোর কষ্ট বুঝলাম না । ছেঁকা খাওয়া কেমন জানলাম ও না"
.
..........সমাপ্ত..........
......কাল্পনিক_পুরোটাই.....
এরকম আরো  গল্প পেতে আমাদের সাইট নিয়মিত ভিজিট করুন। www.NetPriyo.Ooo
Written by Avantika Anha