Showing posts with label LifeStyle. Show all posts
Showing posts with label LifeStyle. Show all posts

Wednesday, February 13, 2019

মানবদেহ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ যা সবার জেনে রাখা উচিত। সবাই বেশি বেশি শেয়ার করুন।


১। রক্তে হিমোগ্লোবিন এর কাজ কি?
উত্তরঃ-অক্সিজেন পরিবহন করা।

২। শ্রবণ ছাড়া কানের অন্যতম কাজ কি?
উত্তরঃ-দেহের ভারসাম্য রক্ষা করা।

৩।মানবদেহ গঠনে কিসের প্রয়োজন বেশি?
উত্তরঃ-আমিষ।

৪। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহে কি পরিমাণ রক্ত থাকে?
উত্তরঃ-৫-৬ লিটার।
৫। মানবদেহে সবচেয়ে লম্বা অস্থির নাম কি?
উত্তরঃ-ফিমার।

৬। রক্তে হিমোগ্লোবিন সাহায্য করে কে?
উত্তরঃ-আমিষ।

৭।মানুষের মেরুদন্ডে অস্থি কয়টি?
উত্তরঃ-৩৩ টি।

৮। মানবদেহে রাসায়নিক দূত হিসেবে কাজ করে কোনটি?
উত্তরঃ-হরমোন।

৯। কোন গ্রুপ সব গ্রুপ কে রক্ত দিতে পারে?
উত্তরঃ-O+

১০। মানবদেহে খণিজ লবণের পরিমাণ কত?
উত্তরঃ-4%
Extra


১। হাড় সংখ্যা – ২০৬
২। পেশী সংখ্যা – ৬৩৯
৩। কিডনি সংখ্যা – ২
৪। দুধ দাঁতের সংখ্যা – ২০
৫। পাঁজড় সংখ্যা – ২৪ (১২ জোড়া)
৬। হৃদয়ের চেম্বার সংখ্যা – ৪
৭। স্বাভাবিক রক্তচাপ – ১২০/৮০
৮। রক্তের PH – ৭.৪
৯। মেরুদন্ড মেরুদন্ডের সংখ্যা – ৩৩
১০। নেক মধ্যে #Vertebrae সংখ্যা – ৭ টি
১১। মাঝারি কানের হাড়ের সংখ্যা – ৬
১২। মুখে হাড় #সংখ্যা – ১৪
১৩। স্কাল মধ্যে হাড় সংখ্যা – ২২
১৪। বুকে হাড় সংখ্যা – ২৫
১৫। অস্ত্র হাড় সংখ্যা – ৬
১৬। মানুষের প্রতিটি কানের ভিতরে ৩টি করে হাড় থাকে। এগুলোর নাম হলঃ ম্যালিয়াস, ইনকাস, স্টেপিস (কানের বাহির থেকে ভিতরের দিকে সিরিয়াল অনুযায়ী। মনে রাখার সূত্র: MIS।) ২ কানে মোট ৬ টি হাড় থাকে। এগুলোর মধ্যে স্টেপিস হল মানব দেহের ক্ষুদ্রতম হাড়।
১৭। মানুষের বাহুতে পেশীর সংখ্যা – ৭২
১৮। হৃদয়ের পাম্প সংখ্যা – ২
১৯। বৃহত্তম #অঙ্গ – চামড়া
২০। বৃহত্তম গ্রান্তি – লিভার
২১। ছোট কোষ – রক্তের কোষ
২২। বৃহত্তম #কোষ – ডিম সেল (ডিম্ব)
২৩। ছোট হাড় – স্ট্যাপ
২৪। সর্বাধিক #ধমনী – বারোটাবারোটা
২৫। আমাদের দেহের রক্তে একটি সমুদ্রের সম পরিমাণ লবন রয়েছে।
২৬। দৈনিক আমাদের হৃদপিণ্ড ১০০বার করে আমাদের দেহে রক্ত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রবাহিত করে।
২৭। আমাদের চোখের একটি পাপড়ি ১৫০ দিন বেঁচে থাকে। এর পর নিজে থেকেই ঝড়ে পড়ে।
২৮। আমাদের চোখের ওপর ভ্রুতে তে ৫০০ টি লোম আছে।
২৯। ১০০ বিলিয়ন এর অদিক নার্ভ সেল নিয়ে আমাদের দেহ গঠিত।
৩০। মানুষ চোখ খুলে হাঁচি দিতে পারেনা।
৩১। পাথর থেকে মানুষের দেহের হাড় ৪ গুণ বেশি শক্তিশালী।
৩২। আমরা যখন খাবার খাই আমাদের মুখে সে খাবারের স্বাদ ১০ দিন পর্যন্ত থাকে।
৩৩। মানুষ হাঁটুর ক্যাপ ছাড়া জন্মগ্রহণ করে এবং তা ২ থেকে ৬ বছর পর্যন্ত দেখা যায়না।
৩৪। মানব শিশু বসন্ত কালে দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
৩৫। আমাদের চোখ সবসময় একই রকম থাকে কিন্তু কান ও নাক বৃদ্ধি পাওয়া কখনোই থেমে থাকেনা।
৩৬। আমরা জন্মগ্রহণ করি ৩০০ হাড় নিয়ে কিন্তু প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর আমাদের দেহে ২০৬ টি হাড় থাকে।
৩৬। আমাদের মাথার খুলি ২৬ ধরণের ভিন্ন ভিন্ন হাড় দিয়ে তৈরি।
৩৮। আমাদের হাতের নখে যেই পদার্থ আছে ঠিক সেই পদার্থ দিয়ে আমাদের চুল তৈরি হয়ে থাকে, ফলে হাত এবং চুল উভয়ই একই জিনিস তবে দুইটির ঘনত্ব আলাদা।
৩৯। অবাক হবেন না, আমরা যখন হাঁচি দেই তখন আমাদের শরীরের ভিতর সমস্ত ধরণের কাজ বন্ধ হয়ে যায় এমনকি হার্টবীটও থেমে যায়।
৪০। মানুষের দেহের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশি হচ্ছে জিহ্বা।
৪১। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ প্রতিদিন ৬ বার বাথরুমে যায়।
৪২। আমাদের মুখ থেকে পেটে খাদ্য পৌছাতে মাত্র ৭ সেকেন্ড সময় লাগে।
৪৩। প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে শিশুদের মুখে যেকোন খাবারের স্বাদ থাকে বেশি।
৪৪। মানুষ হাঁচি দিলে যে বাতাস বের হয় তা প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মাইল গতিতে বাহির হয়।
৪৫।মানব দেহের সবচেয়ে বড় হাড় হল উরুর হাড় (Thighbone)। এর নাম হল ফিমার।
৪৬। আমাদের শরীরের ক্ষুদ্রতম হাড় হল কানের হাড়।
৪৭। রাতের তুলনায় সকালে আমাদের দেহ লম্বা হয় দ্রুত।
৪৮।মুত্র প্রস্তুত হয় কিডনীতে। মুত্র হলুদ দেখায় বিলিরুবিনের জন্য।
৪৯। নার্ভের মাধ্যমে প্রবাহিত আবেগের গতি প্রতি সেকেন্ডে ১২৫ মিটার।
৫০। একজন সুস্থ মানুষের একটি হৃদ কম্পন সম্পূর্ণ হতে কত সময় ০.৪ সেকেন্ড।

Monday, February 11, 2019

পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি বাবার চিঠি






মা'রে
শুরুটা কিভাবে করবো বুজে উঠতে পারছিলাম না। যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে নিজের মা হারানোর ব্যাথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তোর মাকেও কোনদিন মা ছাড়া অন্য নামে ডাকেতে শুনিনি। স্কুলে প্রথম দিন শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন। তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতে তোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম। আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসতে ছিলো। তাই চিঠির উপরে তোর নামের জাগায় মা লিখেছি। হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুজতেই পারিনি। ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিল কখন তুই দরজা খুলে বাইরে বের হয়ে আসবি। আমি তখন ভেতরে বসে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছিলাম আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না। তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি। আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতীর কাছে কি করে মুখ দেখাব। জানিস মা তুই তোর তিন বছরের ভালবাসা খুজে পেয়েছিস। কিন্তু আমার জীবন থেকে বিশ বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে। মা'রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত পানি করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে। তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে। বাবাদের ভালবাসা শামুকের খোলসের মতো মা, বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা খুব নরম হয়ে থাকে। বাবারা সন্তানদের কতটা ভালবাসে তা বুঝাতে পারেনা, তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে। জানি মা আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে। কি করবো বল? তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা করে প্রেম করিস। কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করেছিস সেদিন বুজতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি, ল্যাংড়া না বোবা হবি,কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই তোর প্রেমে পরেছিলাম তাই এতকিছু লিখলাম। আমি জানি মা তোদের সব সন্তানদের একটা প্রশ্ন বাবারা কেন তাদের ভাললাগাটাকে সহজে মানতে চায় না। উত্তর টা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো,তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তর টা পেয়ে যাবি।তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না। কিন্তু একটা বাবা বুঝে তার জীবনে নিজের মেয়েটার কতটা প্রয়োজন। যেদিন তোর দাদুর কাছ থেকে তোর মাকে গ্রহন করেছিলাম সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে, যদি মেয়ে হয় তাহলে, নিজের মেয়েটাকে তার স্বামীর হাতে তুলে দিয়ে কণ্যাদানের দায়িত্ব থেকে নিজেকে হালকা করবো। তাই তোর প্রতি এত অভিমান। মারে বাবার উপর রাগ করিসনা। তোরা যদি অল্প দিনের ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে পালাতে পারিস, তবে আমরা বিশ বছরের ভালবাসার জন্য বেপরোয়া হব না কেন? বাবারা মেয়ে সন্তানের জন্মের পর চিন্তা করতে থাকে নিজের মেয়েটাকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পারবে তো। আর যৌবনে পা রাখার পর চিন্তা করে কোন প্রতারনার ফাঁদে পরে পালিয়ে যাবে না তো। তাই মেয়েদের প্রতি প্রত্যেকটা বাবার এতটা নজরদারী। যদি মন কাঁদে চলে আসিস বুক পেতে দেব। হয়তো তোর মায়ের মতো তোকে পেটে ধরিনি, তবে পিঠে ধরার যন্ত্রণাটা সহ্য করতে পারছিনা।

ইতি
তোর জন্মদাতা "পিতা"






















Mother
I could not start how to get started. From the day you left the existence of your mother, I started calling you mother. You forgot the pain of losing your mother while you were calling your mother. Your mother never heard of a call other than mother. The teacher asked your name on the first day at school. I forgot your nick name to call you mother. I did not have to say your name, so everyone laughs about me. So your mother's name was written on the letter's name. Suddenly, I could not live up to this. The day the boy was waiting for you in the bag outside when you opened the door and you came out. I was praying to God sitting inside and how much you love, you will not leave me. If you could not go today, you were sitting in the house, it would have been shortened to the boy. And I was thinking about how you would face your father's family when you left. I know you have found love for your three years. But my life has lost 20 years of love. Mother knows every father knows how to build blood water, she will go to someone else's house one day. Still there is nothing stinginess in the father's house. Father's love is like a snail's mother, but the outside is tough, but the inside is very soft. Parents can not understand how much they love children, but they can love a lot. You know, my mother may feel bad about reading my writings. What do you say? If you are young, you will love the eyes, the nose, the ears, and everything else. But on the day that you know that you have stayed in your mother's womb, you did not know that you will not be black or white, you will not be dumb or dumb, without waiting for anything, I was in love with you so I wrote so much. I know mother is a question to all your children why do not they want to accept their well being easily. The answer was taken on your neck, on the day you mother, on the day itself, she will get the answer herself. When she gets away with the hand of a boy, then no one lives in life without the boy. But a father understands how much his girl needs in her life. On the day you received your mother from your grandfather, I promised that if she is a girl, I will lighten myself with the responsibility of giving her daughter to her husband. So so proud of you. Do not be angry with my father. If you can leave the house for a little love, but we will not be desperate for love for twenty years? Baba, after the birth of a baby girl, will be able to give up his daughter in a handsome manner. After thinking of youth, after thinking of the trap of cheating, they will not run away. So every father has so much surveillance towards girls. If you go crying, let's get it. Maybe your mother did not like you in your stomach, but I can not bear the pain on the back.

Yours
Your father "Father"

Saturday, February 9, 2019

কবিতা : ব্যাথাতুর হৃদয়ের স্পন্দন










আকাশে বাতাসে আজি কানাকানি,
জাগে বনে বনে নব
যাতনার বাণী
কাঁদিছে তব আমাদের স্কুল প্রাংগনালয়,,
জোছনার লাগি যেমনি কাঁদে চাঁদের হৃদয়।
করুণ সুরে মুখরিত কুঞ্জে বাজিছে আজ বেণু
বিদায়ের আমেজে সজল যেনো সহস্র ফুলের রেণু…

প্রষ্ফুটিত ফুল গুঞ্জনরত অলিকুলেরা
বিদায়েরি সুরে প্রিয়জনের অংগনে মোরা
আজি বিদায় জাগ্রত দ্বারে
তব অব কুঞ্চিত কুন্ঠিত জীবনে করিয়োনা হেলা তারে,,
আজি খুলিও হৃদয়দল খুলিও
আজি ভুলিয়ো,
বিষাদ বেদনা ভুলিয়ো।

যদি সেদিন চোখে আসে জল
লুকাতে সে জল করিয়োনা ছল
হৃদয়ের বেদনামথিত সুর বাজে মনে প্রাণে,
ব্যাথাতুর মনে তোলে চলে যাও দীর্ঘশ্বাসের ঝড়
যে নামে ডাকিতে মোদের
সে নামে বারেক ডাকিয়ো
চাহিতে যামন আগেরো দিনে
তেমনি মোদের চোখে চাহিও
অনন্ত বেদনা বাজে
তব হও রে আগুয়ান
ডাকছে আগামী তব শুনরে পাতিয়া কান
বাজুক তব তোমার জীবনে সুন্দর যতো গান

Thursday, February 7, 2019

বিয়ার গ্রিলসের জীবনের হার না মানা একটি ছোট গল্প...

চ্যানেলে ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড অনুষ্ঠানটি দেখেননি এমন লোক কমই পাওয়া যাবে । অনুষ্ঠানটি
যার কারণে সারা বিশ্বে এতো
জনপ্রিয়তা পেয়েছে তিনি হচ্ছেন
এডওয়ার্ড মাইকেল বিয়ার গ্রিলস
(Bear Grylls) । সবার কাছে
বিয়ার গ্রিলস নামেই পরিচিত।
.

.
তিনি একাধারে একজন লেখক,
টেলিভিশন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক,
সাবেক সেনা কমান্ডো ও বর্তমানে
বিশ্ব স্কাউট সংস্থার চীফ অব
স্কাউট । শুধু টিভির পর্দায়ই নন,
ডিসকভারি তার ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রামও হার মানায় ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ডের রোমাঞ্চকে ।
.
পাই ফিঙ্গার্স মোটিভেশনের
এবারের আয়োজনে থাকছে বিয়ার
গ্রিলসের হার না মানা জীবনের
গল্প । বিয়ার গ্রিলস ১৯৭৪
সালের ৭ জুন নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা স্যার মাইকেল গ্রিলস ছিলেন কনজারভেটিভ পার্টির রাজনীতিবিদ এবং মা লেডি গ্রিলস ।
.

.
তিনি ইটন হাউস, লুগ্রোভ স্কুল এবং ইটন কলেজে পড়াশোনা করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন । গ্রিলস ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ইউনাইটেড কিংডম স্পেশাল
ফোর্স রিজার্ভে কাজ করেন
ছেলেবেলা থেকেই বিয়ার গ্রিলস
ছিলেন ডানপিটে। বাবার কাছ থেকে নৌকা চালানো আর
পাহাড়ে চড়া শিখেছেন একেবারে
ছোটবেলায়। যখন তার বয়স আট তখনই তিনি কাব স্কাউট হন। সেই সময়েই বেয়ারের বাবা মাউন্ট এভারেস্টের ছবি দেখিয়ে বলেছিলো, এর চুড়ায় উঠতে পারবে তুমি? ছেলেটি বুঝেই
হোক আর না বুঝেই হোক, সেদিন
বলেছিলো সে পারবে ।
.
তখন থেকেই স্বপ্ন দেখতেন এভারেস্ট জয়ের । এই স্বপ্ন থেকেই
অ্যাডভেঞ্চারের বীজ বপন হয় তার মনে । কিন্তু এর ভেতরই একদিন ঘটে গেলো একটি দুর্ঘটনা।
.
জাম্বিয়াতে ফ্রি ফল প্যারাশুটিং
করার সময় মারাত্মক আঘাত পায় সে, শিরদাঁড়ার তিনটা কশেরুকা ভেঙে যায় । ডাক্তার জানিয়ে দেয়, এজীবনে আর সে হাঁটতে পারবেনা কোনোদিন। হুইলচেয়ারে কাটিয়ে দিতে হবে বাকিটা জীবনটা । তখন
আর্মির চাকরিও চলে যায় তার ।
.

.
সামনে তখন বাকিটা জীবনটা
পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে কাটিয়ে
দেয়ার অপেক্ষা । কিন্তু মনের ভেতর হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে দাঁড়িয়ে বিজয়ীর চিৎকার দেয়ার ইচ্ছেটা তখনো দমে যায়নি ।
স্রেফ অদম্য ইচ্ছাশক্তি থেকে
ছেলেটা ১ বছরের ভেতর হুইলচেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়, হাঁটতে শুরু করে সে । এরপর দৌঁড়ানো শুরু করে। ডাক্তারদের সব ভবিষ্যৎবাণী মিথ্যে প্রমাণ করে দেয় । উঠে দাঁড়ানোর মাত্র ৬ মাসের মাথায় তার ২৩ বছর বয়সে ছেলেটি মাউন্ট এভারেস্ট জয় করে ফেলে । সেই ছেলেটিকে আমরা সকলেই চিনি তুমুল জনপ্রিয় Man Vs Wild
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে । প্রতিনিয়ত বন বাদাড়ে, সমুদ্রে, আকাশ চষে বেড়িয়ে দেখাচ্ছেন এই কশেরুকা ভেঙে যাওয়া বেয়ার গ্রীলস । স্যালুট তাকে । আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন, জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য শুধুমাত্র অদম্য ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ঠ ।
.

.
আর জীবনে একটি দুইটি ঝড় এসে সব ভেঙ্গে চুরে আপনাকে ব্যর্থতার
আস্তাকুরে ছুঁড়ে ফেলে দিল? আপনি খড়কুটোর মতো উড়ে গেলেন । মানুষ ভাঙতে ভাঙতে গড়ে, পড়তে পড়তে হাটতে শিখে- এটাই মানুষকে অন্য সব প্রাণী থেকে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে দাঁর করিয়েছে । চাকরি পাচ্ছেন না, ব্যবসা করতে গিয়ে সর্বশান্ত হয়ে গেছেন, গার্লফ্রেন্ড ছেড়ে গেছে, বউ ডিভোর্স দিয়েছে, ব্যাস এটুকুতেই কাত হয়ে গেলেন আপনি ? আহত বাঘের মত শেষ একটা থাবা বসান নিজের লক্ষ্যে আবারো । একটা মানুষ হুইলচেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ানোর ৬ মাসের মাথায় মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছে । আর আপনি শুধু বুদ্ধিমানের মত ঠান্ডা মাথায় নিজের সমস্যার সমাধান করে আবারো জীবনে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না নতুন করে ?

Tuesday, January 29, 2019

৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ যা আপনার জীবনকে বদলে দেবে-





.
১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক ) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ ) আছর থেকে মাগরিব এবং
গ ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
.
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না। যেমন
যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের
গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে।
.
৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না যারা ঘুমানোর
পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
.
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত
থাকুন।
.
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া
পরিহার করুন।
.
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
.
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
.
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন
না।
.
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
.
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাঝবেন না।
.
১১। প্যান্ট বা ট্রাউজার পা পায়জামা বসে ডান পা আগে
পরিধান করুন।
.
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার_ঠাণ্ডা করবেন না।
প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
.
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
.
১৫। ইকামাহ এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে
কথা বলবেন না ।
.
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
.
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো
কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান
খারাপ কিছু বের করে দেবে!
.
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকুলতা সৃষ্টি করবেন না।
.
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
.
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
.
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
.
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না । ঠাট্টা করেও নয়।
.
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুকবেন না ।
.
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন যাতে লোকজন
সহজে বুঝতে পারে।
.
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না । দুইয়ের অধিক বা
সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
.
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন
কারো সাথে পরামর্শ করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে
আপনার!
.
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
.
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা
পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায়
করুন।
.
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্
পাকের সাজে।
.
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না ।
.
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালো
মতো আপ্যায়ন করুন ।
.
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
.
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
.
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং
অনুসূচনা করুন।
.
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও
ভালো আচরণ করুন।
.
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন।
আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া
আদায় করুন।
.
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না , এতে স্মৃতিশক্তি লোপ
পাবে।
.
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার
আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন ।
আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন!
.
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
.
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ
ভর্তি করে খেতে দিবেন না।
.
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই
উপদেশ মূলক বাণী গুলো মেনে চলার
তাওফীক দান করুক। (আমীন).........

Thursday, January 10, 2019

মেয়েদের আরো বেশি আকর্ষণীয় হওয়ার উপায়





প্রত্যেকটি মেয়েই আলাদাভাবে সুন্দর। কারো চোখ সুন্দর তো কারো হাসি। কারো চুল সুন্দর তো কারো গায়ের রং। এ তো গেল বাহ্যিক সৌন্দর্য। কিছু আচরণও রয়েছে, যা মেয়েদের অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। জানতে চান কী সেগুলো? তাহলে বোল্ডস্কাই ওয়েবসাইটের লাইফস্টাইল বিভাগের এই তালিকাটি একবার দেখে নিতে পারেন।

১. লাল রঙের লিপস্টিক। মেয়েরা যখন ঠোঁটে গাঢ় করে লাল রঙের লিপস্টিক দেয়, তখন তাদের অনেক বেশি সুন্দর ও আকর্ষণীয় লাগে।



২. যে কারো সঙ্গে কথা বলার সময় মেয়েরা যখন মুচকি হাসে, তখন তাকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়। এই অভ্যাস সব মেয়ের মধ্যে থাকে না।

৩. কথা বলার সময় নিজের চুল নিয়ে খেলা করা। মেয়েদের এই আচরণ ছেলেদের অনেক পছন্দ। এই অভ্যাসটি মেয়েদের অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে।

৪. মেয়েরা যখন কোনো বিষয় লজ্জা পায়, তখন অনেক বেশি আকর্ষণীয় লাগে। এই সময় অনেক ছেলেই মেয়েদের প্রেমে পড়ে যায়।

৫. যেসব মেয়েরা কথায় কথায় হালকাভাবে নিচের ঠোঁট কামড়ায়, তাদের অনেক বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়। সাধারণত মেয়েরা যখন কোনো কিছু বুঝতে পারে না তখন এই আচরণটি করে।

আপনার কি মন খারাপ?? এক সেকেন্ডে মন ভালো করুন।



মানুষের মন-মানসিকতা সব সময় ভালো যায় না। বরং বলা যায়, আমাদের জীবনযাপনের বেশিরভাগ সময়ই দুশ্চিন্তা, মন খারাপ আর হতাশা থেকেই যায়। এর মাঝেও অনেক কিছুই রয়েছে যা এক ঝলক সুখের পরশ বুলিয়ে দেয়। ভালো না লাগার কারণ যাই থাক, তৎক্ষণাৎ মনটাকে ভালো করে নেওয়ার ৭টি উপায় তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. হাসুন
কী আপনার মুখে হাসি ফোটায়? কোনো কৌতুকপূর্ণ সিনেমা বা ভালো কোনো খবর বা অনেক কিছু হতে পারে। মন খারাপের সময় প্রথম যে কাজটি করার চেষ্টা করবেন তা হলো হাসবেন। ওই মুহূর্তে ভালো কিছু না থাকলে পুরোনো স্মৃতি হাতড়ে এমন কিছু বের করে আনুন যা হাসির খোরাক যোগাবে।
২. বর্তমান উপলব্ধি করুন
যে কারণেই মন বেজার থাক, বর্তমান সময়ে আপনার চারপাশে নজর দিন। চোখ বুলান চারদিকে, দেখবেন অনেক উপলক্ষ পাবেন যেখানে আনন্দদায়ক উপাদান রয়েছে। দেখবেন, জীবনে যা নিয়ে চিন্তা করেননি তাই হয়তো চোখের সামনে রয়েছে। মজার খাবার খোঁজা থেকে শুরু করে পাখির উড়ে যাওয়া আপনার কাছে সুখকর হতে পারে। বর্তমানের স্থির পরিবেশ উপভোগ করুন, ভবিষ্যত দূরের বিষয়।
৩. ভিন্ন কিছুর জন্য কৃতজ্ঞ থাকুন
প্রতিদিনের কিছু কাজ বা প্রাপ্তির জন্য বহু মানুষ সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। আপনার জীবনে অনেক প্রাপ্তি রয়েছে যাকে আপনি গুরুত্ব দিয়ে অনুধাবন করেননি। সেগুলোকে চিন্তায় আনুন। ভালো বোধ করবেন। তখন মনে হবে, জীবনে অনেক আর্শীবাদ রয়েছে যা ভালো থাকার জন্য যথেষ্ট।

৪. কারো সঙ্গে যোগাযোগ করুন
মন ভালো করতে আরেকজন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের মতো ভালো কিছু আর হতে পারে না। বন্ধু-বান্ধব বা কাছের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করুন। একটু কথা বলুন, শেয়ার করুন, দেখবেন মন ভালো হতে বাধ্য।
৫. নিজের প্রতি মনযোগ দিন
নিজেকে নিয়ে চিন্তা করুন। নিজের যত্ন নিন। আপনজনদের সঙ্গ উপভোগ করুন। দরকারি কোনো কাজে ধ্যান দিন। দেখবেন অন্তত মন খারাপ নিয়ে সময় কাটানোর চেয়ে ওই কাজটি করতে ভালো লাগছে।

৬. বেড়াতে যান
প্রকৃতির কাছে গেলে মন ভালো না থেকে পারে না। সতেজ প্রকৃতি আর শুদ্ধ বাতাস আমাদের মন ভালো করে দেয়।

৭. কারো উপকার করুন
কেউ একজন বলেছিলেন, ‘যে হাতে গোলাপ উপহার দেওয়া হয়, সে হাতে তার সুঘ্রাণ থেকে যায়।’ কারো উপকার হয় এমন কিছু করুন, দেখবেন আত্মতৃপ্তি বোধ করছেন। খারাপ মন ভালো হয়ে যাবে। কারো জন্য নিঃশর্তে কিছু করতে পারলে সত্যিই ভালো লাগে।

সংগ্রহিতঃ কালের কণ্ঠ

Tuesday, December 18, 2018

যে ১০টি ওষুধ সবসময় আপনার বাসায় রাখবেন... বিপদ কখনো বলে আসে না।



যে ১০টি ওষুধ সবসময় আপনার বাসায় রাখবেন
এই ১০টি ওষুধ সবসময় আপনার বাসায় রাখবেন;
১. প্যারাসিটামল (Paracetamol)
২. ট্রামাডল (Tramadol)
৩. টাইমনিয়াম মিথাইলসালফেট (Tiemonium Methylsulfate)
৪. এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/omeprazole)
৫. অ্যালুমিনিয়াম হাইডঅক্সাইড (Aluminium hydroxide suspension)
৬. ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Saline)
৭. ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটাডিন (Fexofenadine/ Rupatadine)
৮. সিলভার সালফাডায়াযিন অয়ন্টমেন্ট (Silver sulfadiazine ointment)
৯. পোভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment)
১০. অ্যাসপিরিন (Aspirin)
প্যারাসিটামল (Paracetamol) জ্বরের জন্য প্রথমে একটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। জ্বর বাড়লে (<১০৩F) বা ৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখান। তবে পেটে ব্যাথা, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া বা জন্ডিসের অন্য কোন উপসর্গ দেখলে প্যারাসিটামল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
ট্রামাডল (Tramadol) কোন প্রকার ঝুঁকি ছাড়াই ট্রামাডল পেইনকিলার হিসেবে নেয়া যায়; এমনকি অ্যাসমা রোগীরাও এটি নিতে পারবেন।
টাইমোনিয়াম সালফেট (Tiemonium sulphate) যেকোন প্রকার পেটে ব্যাথার ক্ষেত্রে বিশেষ করে পিরিয়ডের প্রথম কয়েক দিনের ব্যাথার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি ওষুধ। (আরও জানতে দেখুন কষ্টকর ঋতুস্রাব ও বাড়িতে বসে কষ্টকর স্রাবের নিরাময়)
এসোমিপ্রাযল/ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/Omeprazole)অধিকাংশ মানুষই কোন না কোন সময় বুক জ্বলা বা গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে হয়; বিশেষ করে ভরপেট খাওয়ার পর। এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল পাকস্থলীতে অ্যাসিড গঠন কমিয়ে বুক জ্বলা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় গ্যাসের জন্য অনেকটা হার্ট অ্যাটাকের মত বুকে ব্যাথা হয়, এজন্য ৩০ মিনিটের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করুন।অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন (Aluminum hydroxide suspension) বুক জ্বলা এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ২ চামচ করে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন খেতে পারেন। সাস্পেনশন্টি ফ্রিজে রাখতে পারবেন এবং ঠাণ্ডা খেলেই বেশি আরাম পাবেন। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কয়েকবার পাতলা পায়খানা হতে পারে, এতে চিন্তার কিছু নেই।
ওরস্যালাইন(Oral Rehydration Saline) ডায়রিয়ার সময় খুব সহজেই শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। প্রত্যেকবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর স্যালাইন খাওয়া উচিত। শরীরে পানিশূন্যতা হলে নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনতিবিলম্বে ডাক্তার দেখান যদি;
●  ডায়রিয়ার সাথে জ্বরও হয়
● ২ দিনের বেশি সময় ডায়রিয়া থাকে
● মুখ শুকিয়ে গিয়ে পিপাসা লাগে
● খুব কম অথবা একেবারেই পেশাব না হলে
● প্রচণ্ড পেটে ব্যাথা হলে
● পায়খানার সাথে রক্ত গেলে
আপনার উচ্চ রক্তচাপ (hypertension) থাকলে ওরস্যালাইন খাওয়ার আগে রক্তচাপ মেপে নেয়া ভাল।
ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটিডিন (Fexofenadine/Rupatadine) এই অ্যান্টিহিস্টামিনগুলো তুলনামুলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। যাদের অ্যালারজিক রাইনিটিস (ধুলা, পরাগ, তেলাপোকা ইত্যাদির সংস্পর্শে আসলে হাঁচি হওয়া) আছে তারা রাতে একবার ফেক্সোফেনাডিন বা রুপাটিডিন নিলে হাঁচি ও নাক থেকে পানি পড়ার উপশম হবে।
সিল্ভার সালফাডিয়াযিন (Silver sulfadiazine) হালকা পুড়ে গেলে প্রথমে পোড়া জায়গাটি কলের পানির নিচে ধরুন। পানি শুকিয়ে গেলে যত্ন সহকারে পোড়া জায়গায় সিলভার সালফাডিয়াযিন অয়ন্টমেন্ট দিন। ফোসকা পড়লে সেটা উঠানোর চেষ্টা করবেন না। তবে বেশি পুড়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ করুন।
পভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment)হালকা রক্তপাত সহ ছোটখাটো কাটা-ছেড়ার ক্ষেত্রে ক্ষতটি শুকনা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে চেপে ধরে রাখুন। রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেলে কাটা জায়গায় পভিডন-আয়োডিন অয়ন্টমেন্ট দিন। এসব ক্ষেত্রে স্যাভলন দিয়ে পরিষ্কার না করাই ভাল। আপনি যদি কোন প্রকার ব্লাড থিনার (যেসব ওষুধের কারণে রক্ত জমাট বাধার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়) নিয়ে থাকেন অথবা অনেক বেশি কেটে গেলে বা প্রচুর রক্তপাত হলে আপনার ডাক্তারের সাহায্য লাগতে পারে।
অ্যাসপিরিন (Aspirin) আকস্মিক বুকে ব্যথা এবং পরবর্তীতে বাম হাত, চোয়াল বা গলার বাম দিকে ব্যথা হওয়া হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। হার্ট অ্যাটাকের যেকোন লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ২/৩ টি বেবি অ্যাসপিরিন খেয়ে নিন এবং যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যাওয়ার চেষ্টা করুন। উল্লিখিত কোন ওষুধে আপনার অ্যালারজি থাকলে সেটি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এবং গর্ভাবস্থার সময় অনেক ওষুধই খাওয়া যায় না, এ বিষয়ে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন...

যে ওষুধ সবসময় হাতের কাছে রাখবেন+ওষুধ সেবনে সতর্কতা ও পাশ্বপ্রতিক্রিয়া রোধের উপায়।





আসসালামু আলাইকুম
সকলকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের টপিক।
বাংলাদেশ এ মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ এর কারনে হঠাৎ শীতকালে আষাঢ়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এসময় নানান রোগ দেখা দেয়। বিশেষ করে জ্বর সর্দি। বিপদ এড়াতে
যে ওষুধ সবসময় আপনার বাসায় বা হাতের কাছে
রাখবেন + ওষুধ সেবনে সতর্কতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রোধের উপায়…… ছোটখাটো সমস্যাগুলো যা
নিজেই জরুরি কিছু ওষুধের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব!!!
💊💊এন্টিসেপটিক সল্যুশন (যেমন বিটাডিন/স্যাভলন/ডেটল ইত্যাদি)।
প্যারাসিটামল (Paracetamol)- ( নাপা, এইস,এক্সেল, প্যারাপাইরল, জেরিন প্যারাসেট,প্যানাডল…।) জ্বরের জন্য প্রথমে একটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। জ্বর বাড়লে (<১০৩F)বা ৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখান। তবে পেটে ব্যাথা, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে
যাওয়া বা জন্ডিসের অন্য কোন উপসর্গ দেখলে প্যারাসিটামল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।… নোটঃঅধিক ব্যবহার যকৃতের জন্য ক্ষতিকর।দৈনিক সর্বোচ্চ
4000 mg (৪ গ্রাম) পর্যন্ত গ্রহণ করা যায় এর বেশি না।
💊💊ট্রামাডল (Tramadol) কোন প্রকার ঝুঁকি ছাড়াই ট্রামাডল পেইনকিলার হিসেবে নেয়া যায়; এমনকি অ্যাসমা রোগীরাও এটি নিতে পারবেন। সিল্ভার সালফাডিয়াযিন (Silver sulfadiazine)
হালকা পুড়ে গেলে প্রথমে পোড়া জায়গাটি কলের পানির নিচে ধরুন। পানি শুকিয়ে গেলে যত্ন সহকারে পোড়া জায়গায় সিলভার সালফাডিয়াযিন অয়ন্টমেন্ট দিন। ফোসকা পড়লে সেটা উঠানোরনচেষ্টা করবেন না। তবে বেশি পুড়ে গেলে অবশ্যই
ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ করুন।
💊💊 পভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment) হালকা রক্তপাত সহ ছোটখাটো কাটা-ছেড়ার ক্ষেত্রে ক্ষতটি শুকনা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে চেপে ধরে রাখুন। রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেলে কাটা জায়গায় পভিডন-আয়োডিন অয়ন্টমেন্ট দিন। এসবক্ষেত্রে স্যাভলন দিয়ে পরিষ্কার না করাই ভাল। আপনি যদি কোন প্রকার ব্লাড থিনার (যেসব
ওষুধের কারণে রক্ত জমাট বাধার প্রক্রিয়া
বাধাগ্রস্থ হয়) নিয়ে থাকেন অথবা অনেক বেশি কেটে গেলে বা প্রচুর রক্তপাত হলে আপনার ডাক্তারের সাহায্য লাগতে পারে।
💊💊এন্টিবায়োটিক ওয়েস্টম্যান (যেমন
ব্যাকট্রোবেন)।
💊💊 স্যালাইন (ছোট বোতল)।
💊💊 সালফা ডায়াজিন (সিল্ক ক্রিম), পোড়া
বা ক্ষতের জন্য। হাইড্রোকর্টিসন ক্রিমপোকায় কামড়ের চিকিৎসায় কাজে লাগে।
জ্বর ও মাথাব্যথার জন্য_প্যারাসিটামল সিরাপ,ট্যাবলেট ও সাপোজিটরি।
এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ_ঠাণ্ডা,
💊💊অ্যালার্জির জন্য (যেমন অ্যালাট্রল/এভিল/লরাটিডিন)।
💊💊 ভাব বা বমি রোধের জন্য_ডমপেরিডন
ট্যাবলেট,সাপোজিটরি, সিরাপ।
💊💊ডায়রিয়ার জন্য মুখে খাবার স্যালাইন।
এসিডিটি রোধের জন্য এন্টাসিড ট্যাবলেট,
সিরাপ।এ ছাড়াও পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনভিত্তিক
কিছু ওষুধ যোগ করা যেতে পারে। যেমন তীব্র
ব্যথানাশক হিসাবে আইবুপ্রোফেন রাখা যেতে পারে।
💊💊টাইমোনিয়াম সালফেট (Tiemonium sulphate)
যেকোন প্রকার পেটে ব্যাথার ক্ষেত্রে বিশেষ
করে পিরিয়ডের প্রথম কয়েক দিনের ব্যাথার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি ওষুধ। (আরও জানতে দেখুন কষ্টকর ঋতুস্রাব ও বাড়িতে বসে কষ্টকর স্রাবের নিরাময়)
💊💊এসোমিপ্রাযল/ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/ Omeprazole)
অধিকাংশ মানুষই কোন না কোন সময় বুক জ্বলা বা গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে হয়; বিশেষ করে ভরপেট খাওয়ার পর। এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল পাকস্থলীতে অ্যাসিড গঠন কমিয়ে বুক জ্বলা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় গ্যাসের জন্য অনেকটা হার্ট অ্যাটাকের মত বুকে ব্যাথা হয়, এজন্য ৩০ মিনিটের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে দ্রুত
নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করুন।
💊💊অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন
(Aluminum hydroxide suspension)
বুক জ্বলা এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ২
চামচ করে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন খেতে পারেন। সাস্পেনশন্টি ফ্রিজে রাখতে পারবেন এবং ঠাণ্ডা খেলেই বেশি আরাম পাবেন। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কয়েকবার পাতলা পায়খানা হতে পারে, এতে চিন্তার কিছু নেই।
💊💊ওরস্যালাইন(Oral Rehydration Saline) ডায়রিয়ার সময় খুব সহজেই শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। প্রত্যেকবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর স্যালাইন খাওয়া উচিত। শরীরে পানিশূন্যতা
হলে নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে।
অনতিবিলম্বে ডাক্তার দেখান যদি;আপনার
ডায়রিয়ার সাথে জ্বরও হয় ২ দিনের বেশি সময় ডায়রিয়া থাকে, মুখ শুকিয়ে
গিয়ে পিপাসা লাগে , খুব কম অথবা একেবারেই পেশাব না হলে ,প্রচণ্ড পেটে ব্যাথা হলে ,পায়খানার সাথে রক্ত গেলে
আপনার উচ্চ রক্তচাপ (hypertension) থাকলে ওরস্যালাইন খাওয়ার আগে রক্তচাপ মেপে নেয়া ভাল।
💊💊ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটিডিন (Fexofenadine/Rupatadine)
এই অ্যান্টিহিস্টামিনগুলো তুলনামুলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। যাদের অ্যালারজিক রাইনিটিস (ধুলা,পরাগ, তেলাপোকা ইত্যাদির সংস্পর্শে আসলে হাঁচি হওয়া) আছে তারা রাতে একবার
ফেক্সোফেনাডিন বা রুপাটিডিন নিলে হাঁচি ও
নাক থেকে পানি পড়ার উপশম হবে।
💊💊অ্যাসপিরিন (Aspirin)
আকস্মিক বুকে ব্যথা এবং পরবর্তীতে বাম হাত,চোয়াল বা গলার বাম দিকে ব্যথা হওয়া হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। হার্ট অ্যাটাকের যেকোন লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ২/৩ টি বেবি অ্যাসপিরিন খেয়ে নিন এবং যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যাওয়ার চেষ্টা করুন।
হাঁপানির রোগীদের জন্য ইনহেলার, নেবুলাইজার, নাকের ওষুধ এখন থেকেই গুছিয়ে রাখা দরকার। ওষুধ সেবনে সতর্কতা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রোধ…
আপনার সামান্য একটু অসাবধানতা … অনেক বড় ঝুকি
নিয়ে আসতে পারে আপনার অজান্তেই … তাই জেনে নিন … ঔষধ কখন খাবেন …কিভাবে খাবেন এবং এর পরবর্তীতে কি কি খাওয়া উচিত আর কি উচিত না !
রোগ সারাতে ওষুধ খেতেই হয়।ওষুধ সেবনের জন্য আমাদের মনে বেশ কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খায়। কোন ওষুধ কখন সেবন করতে হবে? খাবারের আগে না পরে?
নোটঃ
✮ কিছু কিছু ওষুধ আছে, যেগুলো খাবারের আগে
সেবন করা একেবারেই মানা। এমন ওষুধের মধ্যে ব্যথানাশক ওষুধ অন্যতম। ব্যথানাশক ওষুধ,যেমনঃ—ডাইক্লোফেনাক সোডিয়াম,
ন্যাপ্রোক্সেন, আইবুপ্রোফেন, অ্যাসপিরিন,
কিটোরোলাক।কিটোরোলাক খালি পেটে গ্রহণ করলে অন্ত্র ফুটো হয়ে যেতে পারে।
এ ওষুধগুলো তাই খাবারের পর গ্রহণ করাই শ্রেয়।
✮ আবার ব্যথানাশক ওষুধের সঙ্গে সেবন করতে হবে
প্রোটন পাম্প ইনহেবিটরজাতীয় ওষুধ।
যেমনঃ- ওমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল,
ইসোমেপ্রাজল।
তবে এসব ওষুধ সেবন করতে হবে খাবারের আগে।
✮ আবার ঠান্ডা-সর্দি বা অ্যালার্জিজনিত রোগে
নির্দেশিত ব্যবস্থাপত্র অ্যান্টিহিস্টামিন খেতে
হয়।
যেমন : লোরাটাডিন, সেটিরিজিন,
ফেক্সোফেনাডিন এগুলো খালি পেটে গ্রহণ করলে
এর কার্যকারিতা বেশি হয়।
✮ অ্যান্টাসিড খাবারের পরপরই না খেয়ে ৩০ মিনিট
পর খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
✮ সিপ্রোফ্লোক্সাসিন সেবন করেননি এমন লোকের সংখ্যা কম। এটি খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি দিয়ে সেবন করাই ভালো। সিপ্রোফ্লোক্সাসিন গ্রহণের দুই ঘণ্টার মধ্যে দুগ্ধজাত খাবার বা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, আয়রন বা জিংকযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো।
কারণ, এসব উপাদানের সঙ্গে আন্তক্রিয়ার কারণে রক্তে ওষুধের মাত্রা কমে যায়। ফলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। এ কারণে ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট, আয়রন ট্যাবলেট, মাল্টিভিটামিন সিপ্রোফ্লোক্সাসিন সেবনের বেশ কয়েক ঘণ্টা আগে বা পরে সেবন করতে পারেন।
✮ আবার পেনিসিলিন খালি পেটে সেবন করাই
ভালো। অতিরিক্ত প্রোটিনযুক্ত খাবার রক্তে
প্রোপ্রানোললের শোষণ ও মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
তাই কাঙ্ক্ষিত মাত্রার চেয়ে বেশি শোষণের ফলে
বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আবার
গ্রাইসিওফালভিন (একটি অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ)
উচ্চ চর্বিজাতীয় খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করলে এর শোষণমাত্রা বহুলাংশে বেড়ে যায়। তাই
চর্বিজাতীয় খাবারের সঙ্গে এটি গ্রহণ করলে বেশি কাজে আসে।