Showing posts with label Android root. Show all posts
Showing posts with label Android root. Show all posts

Sunday, December 16, 2018






Root করা ফোনের Bootanimation পরিবর্তন করে নিন

ROOT করা ফোন লাগবে । আপনার এন্ড্রয়েড ফোন চালু করার সময় লাইট জ্বলে স্ক্রিনে প্রথম যে চিত্রটি ফুটে ওঠে সেটি হলো আপনার ফোনের Boot লগ এবং চালু হওয়ার সময় যে Animation টি দেখা যায় তাই হল Bootanimation.
Custom Bootanimations এপটি Download & install & Open করুন (Mobile Data off না করেই) । এবার বিভিন্ন ধরণের Bootanimation দেখতে পাবেন ।

পছন্দমত একটাতে টাচ করে টিক চিহ্নগুলি দিয়ে দিন এরপর Install এ ক্লিক করে নিন ।

এবার Reboot দিন । এবার দেখুন আপনার bootanimation পরিবর্তিত হয়েছে। 
আপনার আগের bootanimation টি phone memory তে custom boot নামের ফোল্ডারে পাবেন। ফাইলের নামের শেষের. bak rename করে . bak অংশটা কেটে ফেললেই আপনার আসল bootanimation পেয়ে যাবেন।
Custom boot দিয়ে যাদের কাজ হয়না তারা এই এপ ব্যবহার করুন। 
Install করে Open করুন। 

Skip এ ক্লিক করুন।
এবার যেকোনো একটি বুটএনিমেশন-এ ক্লিক করুন।

এবার play বাটনে ক্লিক করুন। preview দেখাবে।

পছন্দ হলে (+) প্লাস-এ ক্লিক করে install এ যান। 
Root পারমিশন চাইলে দিয়ে দিবেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। নটিফিকেশন বারে দেখুন installed লেখা এসেছে। কাজ শেষ। Reboot দিন আর উপভোগ করুন।

[Root] ফোনের বাংলা ফন্ট পরিবর্তন করার জন্য অসাধারণ একটি এপ





[Root] ফোনের বাংলা ফন্ট পরিবর্তন করার জন্য অসাধারণ একটি এপ


Download and install now

দেখুন কিভাবে বাংলা ফন্ট পরিবর্তন করবেনঃ-
এপটি Open করুন। 
root পারমিশন চাইলে grant দিন। 




এবার আপনার পছন্দের ফন্টের ডানপাশের (ইন্সটল) বাটনে ক্লিক করুন। এরপর Yes দিন। রিবুট চাইলে দিয়ে দিন। কাজ শেষ। enjoy…

[Basic]Root কি?কেন করবেন?রুট করলে কি হয়?





আসসালামু আলাইকুম

আজকের টপিক→রুট কি? কেনো করবেন।রুট করলে কি হয়?
লেখাটা একটু বড় তবে খুব সহজ ভাবে লেখা সবাই বুঝবেন আশা করি।এই লেখাটি তাদের জন্যই যাদের রুট নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই। আমি চেষ্টা করবো একেবারে খুটিনাটি পর্যন্ত জানাতে।
চলুন জেনে নিই →

রুট কী


রুট বলতে মূলকে বুঝায় মানে গাছের মূল। কিন্তু স্মার্টফোনে রুট চ্ছে একটি পারমিশন বা অনুমতি। এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী সেই ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন আনরুট মানে আপনাকে একটা বদ্ধ ঘরে আটকানো রুট করলে আপনি উন্মুক্ত।উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেন না (যেগুলো সাধারণত সি ড্রাইভে থাকে)
লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজগুলো করা যায় না। যিনি লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন অথবা যার সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই রুট ইউজার বলা হয়।

আপনার ডিভাইসকে কেনো রুট করবেন?


ডিভাইস রুট করার কারণ একেক জনের একেক রকম হয়ে থাকে। কেউ ডিভাইসের পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য বা ইন্টারনাল মেমোরি খালি করার জন্য রুট করে থাকেন, কেউ ওভারক্লকিং করার মাধ্যমে ডিভাইসের গতি বাড়ানোর জন্য রুট করেন,কেউ স্বাধীনভাবে কাজ করা ডেভেলপারদের তৈরি বিভিন্ন কাস্টম রম ব্যবহার করার জন্য,কেউ বা আবার রুট করার জন্য রুট করে থাকেন। অনেকে না জেনে প্রথম রুট করে কোনো কারণ ছাড়াই।

রুট করলে যা যা সুবিধা পাবেন

① পারফরমেন্স বাড়ানোঃ বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিভাইসের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা। অনেক অ্যাপস আছে যারা স্ক্রিন অফের পর ও কাজ করে রুট থাকলে অন্য অ্যাপস দিয়ে সহজেই ফোর্স স্টপ করে রাখা যায়। ব্যাটারির ব্যাকআপ অনেক বেড়ে যাবে।
② ওভারক্লকিং করাঃ সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়।
③ আন্ডারক্লকিং করাঃ যখন ডিভাইস এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা। এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব।
④ কাস্টম ইউআই: আপনার ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন একটা সময় পর আর ভালো নাও লাগতে পারে। তখন আপনি ডিভাইসে নতুনত্ব আনতে পারবেন নতুন সব কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে। এগুলোকে অন্যভাবে রমও বলা হয়।
⑤ কাস্টম রম: ইন্সটল করার সুবিধা। অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিভাইসের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার ফোনকে সম্পূর্ণ নতুন একটি ফোনে রূপ দিতে পারবেন এর মানে এই না যে সিম্ফনি আইফোন হবে মানে ইউজার ইন্টারফেস পরিবর্তন হবে । বাইরে থেকে অবশ্যই এর ডানা-পাখনা গজাবে না বা ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল থেকে ৩০ মেগাপিক্সেল হবে না, কিন্তু ভেতরের ডিজাইন ও ক্ষেত্রবিশেষে পারফরম্যান্সেও আসবে বেশ পরিবর্তন।
⑥ এমন কিছু অ্যাপস আছে যা ব্যবহার করতে অবশ্যই আপনাকে রুট ইউজার হতে হবে। সেটা হয়তো এতো দিনে বুঝে ফেলেছেন। যেমন Lucky patcher, কিংবা wifi হ্যাকিং।

রুট করার ফলে যা অসুবিধা হয়


① ওয়ারেন্টি হারানোঃ ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক সেট আবার আনরুট করা যায়। আর সেট আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া এড়ানোর উপায় নেই।
② ফোন ব্রিক করাঃ ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা। অর্থাৎ, এর কাজ করার ক্ষমতা হারানো। রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় একটু এদিক-সেদিক হলেই ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে তবে না হবার সম্ভাবনা ই বেশি🤗। আপনার ফোনের প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যেন এর কিছু নির্দিষ্ট স্টেপের বাহিরে না যেতে পারেন । রুট করলে স্টেপ ভেঙ্গে ফেলছেন।

বি.দ্রঃ সব অ্যান্ড্রোয়েড ডিভাইস ই রুট করতে পারবেন।রুটের অসুবিধার থেকে সুবিধাই বেশি।

Rooted ফোনের জন্য প্রয়োজনীয় ২০ টি এপস





1) Root Checker Pro
Download

এর সাহায্যে দেখতে পারবেন আপনার ফোন root হলো কি না।

2) Xposed Installer
Download

এর সাহায্যে বিভিন্ন মডিউল (যেমনঃ Gravitybox,Greenify etc.) ইন্সটল করে ফোনে অনেক নতুন নতুন ফিচার যোগ করতে পারবেন।

3) Root Explorer
Download 

এর সাহায্যে ফোনের system ফাইল ও ফোল্ডার দেখতে ও মোডিফাই করতে পারবেন।

4)Apk Editor Pro
Download

এর সাহায্যে এন্ড্রয়েড এপ এডিট করতে পারবেন।

5)Bangla Font Installer
Download

এর সাহায্যে ফোনের বাংলা ফন্টের স্টাইল পরিবর্তন করতে পারবেন। কিভাবে বাংলা ফন্ট স্টাইল পরিবর্তন করবেন তা এখানে গিয়ে দেখুন।

6)Root cloak
Download

এর সাহায্যে ওই এপগুলো চালাতে পারবেন যে সকল এপ রুট করা ফোনে চলে না। যেমনঃ Bkash, Nexus Pay etc.

7) Titanium backup
Download

এর সাহায্যে যেকোনো এপকে Data সহ Backup করে রাখতে পারবেন আবার Restore করতে পারবেন।

8) Flashify
Download

এর সাহায্যে আপনার ফোনের boot.img এবং recovery.img backup করতে পারবেন।
9) Es File Explorer
Download

এটি আমার দেখা সেরা File Manager এপ। এর সাহায্যে সহজেই Duplicate file এবং Empty File/Folddr Delete করা যায়। তাছাড়া zip ফাইল বানানো যায়, zip ফাইল extractl ও করা যায়। তাছাড়া একসাথে এক ফোল্ডারের সব ফাইল rename করা যায়। এতে root explorer ও রয়েছে। সাথে আছে চরম একটা Text Editor. এছাড়া আরো অনেক ফিচার রয়েছে এতে।

10) Blackmart
Download

এর সাহায্যে বিনামুল্যে অনেক পেইড এপ ডাউনলোড করতে পারবেন।

11) Busybox pro
Download

এর সাহায্যে ফোনে busybox ইন্সটল করতে পারবেন। এরপর ১৩ নং এপ (Ram Manager pro) দিয়ে ফোনের র‍্যাম বাড়াতে পারবেন।

12) Rom Toolbox pro
Download

এর ফিচারগুলো দেখতে এখানে যান।

13) Ram Manager Pro
Download

এর সাহায্যে আপনার ফোনে ভার্চুয়াল র‍্যাম তৈরী করতে পারবেন ফলে আপনার ফোন আরো স্মুথলি চলবে ।

14) Xstana for Xposed
Download

এর সাহায্যে ফোনের, Status Bar ও Navigation বার এর আইকনগুলো change করতে পারবেন।

15) Prevent Running for xposed
Download

এর সাহায্যে আপনার রুটেড ডিভাইসে পাবেন ২ গুণ বেশি স্পিড এবং আরো বেশী ব্যাটারি লাইফ।

16) Greenify for Xposed
Download

এর সাহায্যে background এ চালু থাকা এপসকে hibernet করে দিতে পারবেন। এতে আপনার র‍্যাম + ব্যাটারি দুইটাই বেঁচে যাবে।

17) Lucky Patcher
Download

এর সাহায্যে এন্ড্রয়েড এপকে ইচ্ছামত crack and patch করতে পারবেন। যেকোনো এপকে system এপে রুপান্তর করতে পারবেন। এছাড়া আরো অনেক ফিচার রয়েছে এপটিতে।

18) Uret/jasi Patcher
Download

এর কাজ অকেকটা lucky patcher এর মতই।

19) System app Uninstaller
Download

এর সাহায্যে অপ্রয়োজনীয় system app গুলোকে uninstall করে দিতে পারবেন। be Careful. আপনার ফোনের কোনো সমস্যার জন্য আমি দায়ী থাকতে পারবো না।

20) GravityBox for Xposed
Download for Kitkat
Download For Lollipop
Download For Marshmallow
Download for Nougat
Download for Oryo

এটাকে “ফিচারের ডিব্বা” বলতে পারেন। এর সাহায্যে আপনার status bar, Notification Bar, Navigation bar এর স্টাইল পরিবর্তন করতে পারবেন। পাওয়ার মেনুতে নতুন মেনু যোগ করতে পারবেন। Navigation bar enable করতে পারবেন। all rotation enable করতে পারবেন। এছাড়া আরো অনেক ফিচার রয়েছে এতে।

Rooted ফোনে Navigation Bar এনাবল করে নিন




প্রথমে দেখুন Navigation Bar কোনটি।
Rom toolbox pro ডাউনলোড + ইন্সটল করুন। ওপেন করুন। Performance এ ক্লিক করুন ।

Buildprop editor এ যান ।

🔎 Search icon এ ক্লিক করুন।
এবার সার্চবারে লিখুন qemu.
এবার qemu.hw.mainkeys লেখাতে ক্লিক করুন।

এবার property value থেকে 1 কেটে 0 দিন। ok দিন। reboot চাইবে ok দিন। root permission চাইলে Allow দিবেন।
কাজ শেষ। এবার ফোন চালু হলেই Navigation Bar দেখতে পারবেন।

Sunday, December 9, 2018

Rooted Marshmallow+ ফোনে Multi Window এনাবল করে নিন



Multi Window করতে চাইলে আপনার ফোন অবশ্যই Android 6.0 বা এর বেশী হতে হবে।
এজন্য প্রথমে Rom toolbox pro ডাউনলোড + ইন্সটল করুন। ওপেন করুন। Performance এ ক্লিক করুন ।

Buildprop editor এ যান ।

🔎 Search icon এ ক্লিক করুন।
এবার সার্চবারে লিখুন ro.build.type
এবার ro.build.type লেখাতে ক্লিক করুন।

এবার property value তে user লেখা দেখতে পাবেন। এটিকে user থেকে userdebug করে দিন। ok দিন। reboot দিন। root permission চাইলে সবসময় Allow দিবেন।
এবার ফোন অন হওয়ার পর Settings এ গিয়ে Developer Options এ যান।

এবার Multi Window Mode Enable করে দিন।
কাজ শেষ। এবার যেকোনো ২ টি এপ ওপেন করুন।
এবার ⬜ recent key তে চাপ দিন।

এবার উপরের লাল চিহ্ন দেওয়া আইকনে ক্লিক করুন।

এবার উপরের লাল চিহ্ন দেওয়া আইকনে ক্লিক করুন। Enjoy……
আবার সিঙ্গেল উইন্ডোতে ফিরে আসতে চাইলে recent key তে গিয়ে নিচের ফটোতে দেখানো আইকনে ক্লিক করুন।
Note:- সেটিংসে গিয়ে Developer option খুজে না পেলে। Settings >> About Phone এ গিয়ে Build Number এ তাড়াতাড়ি করে একটানা ৭-৮ টা ক্লিক করুন। এবার Settings এ গিয়ে দেখুন Developer options চলে এসেছে।