Showing posts with label Others. Show all posts
Showing posts with label Others. Show all posts

Saturday, February 9, 2019

কবিতা : ব্যাথাতুর হৃদয়ের স্পন্দন










আকাশে বাতাসে আজি কানাকানি,
জাগে বনে বনে নব
যাতনার বাণী
কাঁদিছে তব আমাদের স্কুল প্রাংগনালয়,,
জোছনার লাগি যেমনি কাঁদে চাঁদের হৃদয়।
করুণ সুরে মুখরিত কুঞ্জে বাজিছে আজ বেণু
বিদায়ের আমেজে সজল যেনো সহস্র ফুলের রেণু…

প্রষ্ফুটিত ফুল গুঞ্জনরত অলিকুলেরা
বিদায়েরি সুরে প্রিয়জনের অংগনে মোরা
আজি বিদায় জাগ্রত দ্বারে
তব অব কুঞ্চিত কুন্ঠিত জীবনে করিয়োনা হেলা তারে,,
আজি খুলিও হৃদয়দল খুলিও
আজি ভুলিয়ো,
বিষাদ বেদনা ভুলিয়ো।

যদি সেদিন চোখে আসে জল
লুকাতে সে জল করিয়োনা ছল
হৃদয়ের বেদনামথিত সুর বাজে মনে প্রাণে,
ব্যাথাতুর মনে তোলে চলে যাও দীর্ঘশ্বাসের ঝড়
যে নামে ডাকিতে মোদের
সে নামে বারেক ডাকিয়ো
চাহিতে যামন আগেরো দিনে
তেমনি মোদের চোখে চাহিও
অনন্ত বেদনা বাজে
তব হও রে আগুয়ান
ডাকছে আগামী তব শুনরে পাতিয়া কান
বাজুক তব তোমার জীবনে সুন্দর যতো গান

আনস্মার্ট সেই ছেলেটি বিদেশে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক







কে, কি বলছে এতে কিছু যায় আসে না। তোমার রেজাল্ট খারাপ কিংবা জিপিএ কম, এজন্য তুমি হয়ত ভাবছ, তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না! হয়ত নামী-দামী কোন স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছ না তুমি। এজন্য তোমার মনে হচ্ছে, আমারতো কোন ভবিষ্যৎ নেই! তোমার কথা বলার ধরনে হয়ত আঞ্চলিকতা আছে। পুরোপুরি শুদ্ধ করে হয়ত কথা বলতে পারছ না। বন্ধু-বান্ধবরা তোমাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে। তুমি হয়ত ভাবছ- নাহ, আমাকে দিয়ে কিছু হবে না! তুমি হয়ত ক্লাসের অন্য বন্ধু-বান্ধবরা যেভাবে ইংরেজদের মতো করে ইংরেজিতে কথা বলে, সেভাবে ইংরেজি বলতে পারছ না। তাই তোমার মনে হচ্ছে-আমি আসলে কোথাও মানানসই না!

অন্য বন্ধু-বান্ধবদের মতো তুমি হয়ত একেক দিন একেক ব্র্যান্ডের হাল ফ্যাশনের জামা-কাপড় পড়তে পারছ না; তোমার হয়ত মনে হচ্ছে- আমি একটা ক্ষেত, আমার কোন ভবিষ্যৎ নেই!

এক ছেলে আমাকে টেক্সট করে লিখেছে,
– স্যার আমার রেজাল্ট খারাপ। জিপিএ কম, ক্লাসের কেউ আমার সঙ্গে ভালোভাবে মিশে না! আমার আজকাল প্রায়ই মনে হয়- আমার কোন ভবিষ্যৎ নেই! পড়াশোনা করে আর কী হবে! এই ছেলেটা যে কথগুলো লিখেছে, আমি মোটামুটি নিশ্চিত স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলে অনেক ছাত্র-ছাত্রী তাদের পড়াশোনার কোন না কোন পর্যায়ে হয়ত এমন চিন্তা ভাবনার মাঝ দিয়ে গিয়েছে। আর কেউ গিয়েছে কিনা জানি না, অন্তত আমি এমন চিন্তার মাঝ দিয়ে গিয়েছি।

আমি বরং আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি।
স্কুলে থাকতে যেই ছেলে-পেলেগুলো ক্লাসে প্রথম দশ জনের মাঝে থাকতো, এদের মাঝে অন্তত চার জনের কথা আমি জানি! এদের কেউ ইন্টারমিডিয়েট অর্থাৎ এইচএসসি পাশ করতে পারেনি! অথচ এসএসসিতে এরা সবাই অনেক ভালো নাম্বার পেয়ে ভালো ভালো কলেজেই ভর্তি হয়েছিল!

কিন্তু ভালো কলেজে ভর্তি হওয়ার পর হয় এদের মাঝে- “আমি বিশাল কিছু” এমন একটা ভাব চলে এসছিল কিংবা এদের অনেকে’ই নানা সব “বাজে অভ্যাসের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়াতে শেষমেশ আর পড়াশোনাটাই আর শেষ করতে পারেনি।

আমি যখন ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি, যেই ছেলে-পেলেগুলো ক্লাসে সব সময় প্রথম দিকে থাকতো, এদের অনেকেই ভালো কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে’ই চান্স পায়’নি! অথচ এদের রেজাল্ট কিন্তু ভালো ছিল।

কারণ, এরা হয়ত ভেবে বসেছিল ভালো রেজাল্টতো করেছিই, চান্স হয়ে যাবে! এমনকি দুই-এক জনকে জানি, যারা ইন্টারমিডিয়েটের পর আর পড়াশোনাই করেনি!

আর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর, যেই ছেলে-পেলেগুলো রেজাল্ট প্রথম দিকে ছিল, যারা ক্লাসে নানা উপায়ে ভাব নেয়ার চেষ্টা করত, নিজেদের স্মার্ট দাবি করে! তাদের সবার স্মার্টনেস পরবর্তী জীবনে আর দেখা যায়নি!

এই যেমন কেউ হয়ত ভালো ইংরেজি বলে, কারো হয়ত রেজাল্ট ভালো, কেউ হয়ত দেখতে শুনতে ভালো কিংবা একেক দিন একে জামা কাপড় পড়ে আসে; কারো হয়ত স্যারদের সঙ্গে বিশাল ভাব! উঠতে বসতে অমুক স্যার, তমুক স্যারের রেফারেন্স দিয়ে বেড়ায়!

দেখা গেলো এদের অনেকেই ঠিক সময়ে পড়াশোনা শেষ করতে পারেনি কিংবা শেষ করলেও চাকরি পাচ্ছে না। কিংবা কোন ভাবে একটা চাকরি জুটিয়ে এদের দিন চলছে!
আমি আমার কথা বলি, আমার ক্লাসে একটা গ্রুপ ছিল, এদেরকে দেখলে মনে হত- এদের মাটিতে পা পড়তে চায় না!

আমি মোটামুটি ভালোই বাস্কেটবল খেলতাম! এখনও খেলি এবং সেটা মোটামুটি বেশ ভালো লেভেলের! তো, ইউনিভার্সিটিতে ইন্টার-ডিপার্টমেন্টাল বাস্কেটবল খেলা হচ্ছে। অর্থাৎ সবগুলো ডিপার্টমেন্ট একে-অপরের সঙ্গে বাস্কেটবল খেলবে। স্বাভাবিকভাবে আমার বিভাগ থেকে আমার খেলা নিশ্চিত হওয়ার কথা। কারণ সেই অর্থে আমাদের ডিপার্টমেন্টে কেউ বাস্কেট বল খেলা পারতই না।

তো খেলার দিন হঠাৎ অবিস্কার করলাম, সেই স্মার্ট গ্রুপের সবাই খেলতে নেমে গেছে! এদের কেউ হয় রাজনীতি করে, কারো হয়ত স্যারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক কিংবা কেউ হয়ত গায়ের জোরেই নেমে গিয়েছে খেলতে! অথচ অনেকেই হয়ত সেই অর্থে কোন দিন বাস্কেটবলই খেলেনি! তারা হয়ত অন্য খেলায় ভালো হতেই পারে, কিন্তু তাই বলে সব খেলায় তারা ভালো হবে, ব্যাপারটা তো এমন না! কিন্তু এরা গায়ের জোরেই খেলতে নেমে গেল! আর আমি থেকে গেলাম সাইড লাইনে! কি অবাক কাণ্ড!

এই উদাহরণটা এই কারণে দিলাম- এই স্মার্ট গ্রুপের এরা সবাই কিন্তু তাদের পরবর্তী জীবনে স্মার্ট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি! শুধু আমার ডিপার্টমেন্টে না, বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে আমি মোটামুটি সব ডিপার্টমেন্টে’র সব ছেলে-পেলের সঙ্গেই মেলামেশা করতাম। অন্তত আমার ব্যাচে সকল ডিপার্টমেন্টের এমন কোন ছেলে পেলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে পাওয়া যাবে না, যারা আমাকে চিনবে না!

আমি নানান ক্লাব (টুরিস্ট ক্লাব, ডিবেট ক্লাব ইত্যাদি) করতাম, ঘুরে বেড়াতাম, খেলাধুলা করতাম, গান-বাজনা করতাম। অর্থাৎ, আমি নিজেও কিন্তু খানিকটা স্মার্ট গ্রুপেরই সদস্য ছিলাম!

আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, আমার ক্লাসে কিংবা অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের যেই ছেলে-পেলে গুলোর হয়ত খুব একটা ভালো রেজাল্ট ছিল না, ভালো করে হয়ত শুদ্ধ করে কথাও বলতে পারত না, স্মার্ট বলতে আমাদের যেই তথাকথিত সংজ্ঞা আছে, সেই সংজ্ঞা অনুযায়ী তারা হয়ত তেমন স্মার্টও ছিল না!

অথচ অবাক হয়ে আবিষ্কার করেছি বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করার পর এরাই কেউ বিসিএস পাশ করে বড় বড় ক্যাডার হয়েছে, কেউ নামী-দাবী ব্যাংকে চাকরি করছে কিংবা ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের উঠবস এখন!

আমি নিজে ঢাকা শহরের নামী-দামী স্কুল কলেজে পড়াশোনা করেছি, রেজাল্টও হয়ত ভালোই ছিল, পারাবারিকভাবেও হয়ত মোটামুটি বেশ প্রতিষ্ঠিত, চেনা-জানা পরিবার থেকেই উঠে এসছি; কিন্তু কখনো সেটা প্রকাশ করতে যাইনি কিংবা জাহির করে বেড়াইনি! কারণ আমার বাবা-মা ছোট বেলা থেকেই আমাদের ছয় ভাই-বোনকে একটা বিষয় খুব ভালো করে শিখিয়ে দিয়েছেন- দিন শেষে আমরা সবাই মানুষ! সবাইকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

তখন ক্লাস ফাইভ কি সিক্সে পড়ি, একদিন আমাদের বাসায় কাজের ছেলেটার সঙ্গে একটু উঁচু গলায় কথা বলেছিলাম, আমার বাবা সেটা শুনতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে এসে আমাকে বলেছেন,
-তুমি ওর সঙ্গে এভাবে কথা বলতে পারো না। এক্ষুনি ওর কাছে ক্ষমা চাও!
ওই বয়েসে কাজের ছেলের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লাগেনি। আমি ক্ষমা চাইনি!
আমার বাবা আমাকে কিছু না বলে দীর্ঘ এক মাস আমার সঙ্গে কোন কথা বলেননি!
আমার জন্মদিন কাছে চলে আসায়, এরপর আমি ভাবলাম এই জন্মদিনে তো তাহলে কোন অনুষ্ঠান হবে না! বাবাতো আমার সঙ্গে কথাই বলছে না!

শেষমেশ আমি বাবাকে গিয়ে বলেছি,
-আমি এই ছেলের কাছে ক্ষমা চাইব!
আমি ক্ষমা চাওয়ার পরই কেবল আমার বাবা আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। সেদিন আমার বাবা আমাকে বলেছিলেন,
-এই ছেলের ভাগ্য খারাপ, এই জন্য তাকে বাসায় কাজ করতে হচ্ছে! ওর জায়গায় তোমার ভাগ্যও এমন হতে পারত! তাই কারো সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করা যাবে না!
সেই দিনের পর আজ পর্যন্ত আমার মনে হয় না, আমি খুব একটা কারো সঙ্গে উঁচু গলায় কথা বলেছি! কোন দিনও না। সেদিন যেই শিক্ষা আমি নিয়েছি, বাদ বাকী জীবনে সেটা মেনে চলেছি।

যার কারণে আমি কখনোই জীবনের কোন পর্যায়ে নিজের আর্থিক, সামাজিক কিংবা অন্য যে কোন অবস্থানের জন্য আশপাশের অন্য মানুষকে ছোট করে দেখেছি বলে মনে হয় না। পারলে নিজেই ছোট হয়ে চলার চেষ্টা করি। তবে সবাই তো আর এমন হবে না। সমাজে বেশির ভাগ মানুষ’ই নিজেদের স্মার্ট মনে করে অন্যদের ছোট করার কাজে মহা ব্যস্ত।

এইতো বিদেশেই আমি যেই শহরে থাকি, সেখানে সব মিলিয়ে চারটা ইউনিভার্সিটি আছে। এর মাঝে আমি যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই, সেটি অন্য আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাইতে ছোট এবং হয়ত কিছুটা কম পরিচিত। তো বাংলাদেশ থেকে পড়তে আসা ছাত্র-ছাত্রী যারা ওই বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, তারা এই একই শহরে থাকা অন্য ছোট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের উঠতে বসতে ছোট করে বেড়ায়।

ভাবখানা এমন- এরা হচ্ছে জগতের সব চাইতে স্মার্ট! মজার বিষয় হচ্ছে- আমি আবার ওই বড় বিশ্ববিদ্যালয়েও পার্ট টাইম শিক্ষক হিসেবে পড়াই এবং আমার অভিজ্ঞতা আমাকে জানান দিচ্ছে এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে খুব একটা কোন তফাত নেই!

আমারতো ধারণা এরা সবাই দেশ-বিদেশের নানা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ারই যোগ্যতা রাখে!
কিন্তু আমারা বাংলাদেশি বলে কথা। ভাব নিতে হবে না। আমি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি, এটা বলে আলদা একটা ভাব না নিলে চলবে কেন?

এখন ব্যাপারটা হচ্ছে- এই যে আলাদা ভাব কিংবা স্মার্টনেস, বাস্তব জীবনে এসবের কোন মূল্য নেই। আমার ক্লাসে যে ছেলেটা ভালো করে ইংরেজি বলতে পারত না, সে এখন কোর্টের বিচারক হিসেবে উঠতে-বসতে ইংরেজি বলছে।

যে ছেলেটাকে দেখতাম রোজ এক কাপড় পড়ে কলেজে আসছে, সেই ছেলেটা এখন নামী একটা পোশাক কোম্পানির বড় ম্যানেজার। একেক দিন একেক ড্রেস পড়ে ছবি তুলছে!
যেই ছেলেটার কথার মাঝে আঞ্চলিকতা ছিল, সব সময় চুপচাপ থাকতো- পাছে না বন্ধু-বান্ধবরা ওকে নিয়ে হাসাহাসি করে; সেই ছেলেটা এখন বড় একটা ব্যাংকের কর্তা হয়ে দিন রাত মানুষের সঙ্গে কথা বলছে।

যে ছেলেটার জিপিএ খুব একটা ভালো ছিল না; সে ছেলেটাই দেখছি এখন বিসিএস দিয়ে বড় ক্যাডার হয়ে গিয়েছে। এই যে আমি, যেই আমাকে স্মার্ট ছেলের দল ডিপার্টমেন্টর হয়ে বাস্কেটবল খেলতে দেয়নি, সেই আমিই দেশে বিদেশে নানান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি ও পড়াচ্ছি এবং এইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে বাস্কেটবলও খেলেছি।

এমনকি বিদেশে এসে যেই ছেলে-পেলেগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে বা দেশের বড় কোন ইউনিভার্সিটিতে পড়ে এসছে বলে ভাব নিত; এদের অনেককেই এখন দেখি হোটেল-রেস্টুরেন্টে কাজ করছে (কোন কাজই খারাপ না, জাস্ট উদাহরণ দেয়ার জন্য বললাম)

সুতরাং জীবনে কোন পর্যায়েই এটা ভাবা যাবে না- আমাকে দিয়ে কিছু হবে না!
মানুষ হিসবে জন্মানোর সুবিধা হচ্ছে- আমরা যদি খুব করে চাই, তাহলে যে কোন কিছু অর্জন করা সম্ভব। যেই ছেলেটাকে তোমার আজ স্মার্ট মনে হচ্ছে, পাঁচ বছর পর তাকেই হয়ত তোমার ব্যাক-ডেটেড মনে হবে। কারণ এই পাঁচ বছরে তুমি যা অর্জন করেছে, সে হয়ত তার কিছুই অর্জন করেনি, স্রেফ নিজের স্মার্টনেসটা জাহির করে বেড়িয়েছে!

তাই নিজের কাজটা স্রেফ করে যেতে হবে! কে কি বলছে, তাতে কিছু’ই যায় আসছে না!

আমিনুল ইসলাম
শিক্ষক, ইউরোপ
সাবেক শিক্ষার্থী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

Thursday, February 7, 2019

বিয়ার গ্রিলসের জীবনের হার না মানা একটি ছোট গল্প...

চ্যানেলে ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড অনুষ্ঠানটি দেখেননি এমন লোক কমই পাওয়া যাবে । অনুষ্ঠানটি
যার কারণে সারা বিশ্বে এতো
জনপ্রিয়তা পেয়েছে তিনি হচ্ছেন
এডওয়ার্ড মাইকেল বিয়ার গ্রিলস
(Bear Grylls) । সবার কাছে
বিয়ার গ্রিলস নামেই পরিচিত।
.

.
তিনি একাধারে একজন লেখক,
টেলিভিশন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক,
সাবেক সেনা কমান্ডো ও বর্তমানে
বিশ্ব স্কাউট সংস্থার চীফ অব
স্কাউট । শুধু টিভির পর্দায়ই নন,
ডিসকভারি তার ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রামও হার মানায় ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ডের রোমাঞ্চকে ।
.
পাই ফিঙ্গার্স মোটিভেশনের
এবারের আয়োজনে থাকছে বিয়ার
গ্রিলসের হার না মানা জীবনের
গল্প । বিয়ার গ্রিলস ১৯৭৪
সালের ৭ জুন নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা স্যার মাইকেল গ্রিলস ছিলেন কনজারভেটিভ পার্টির রাজনীতিবিদ এবং মা লেডি গ্রিলস ।
.

.
তিনি ইটন হাউস, লুগ্রোভ স্কুল এবং ইটন কলেজে পড়াশোনা করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন । গ্রিলস ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ইউনাইটেড কিংডম স্পেশাল
ফোর্স রিজার্ভে কাজ করেন
ছেলেবেলা থেকেই বিয়ার গ্রিলস
ছিলেন ডানপিটে। বাবার কাছ থেকে নৌকা চালানো আর
পাহাড়ে চড়া শিখেছেন একেবারে
ছোটবেলায়। যখন তার বয়স আট তখনই তিনি কাব স্কাউট হন। সেই সময়েই বেয়ারের বাবা মাউন্ট এভারেস্টের ছবি দেখিয়ে বলেছিলো, এর চুড়ায় উঠতে পারবে তুমি? ছেলেটি বুঝেই
হোক আর না বুঝেই হোক, সেদিন
বলেছিলো সে পারবে ।
.
তখন থেকেই স্বপ্ন দেখতেন এভারেস্ট জয়ের । এই স্বপ্ন থেকেই
অ্যাডভেঞ্চারের বীজ বপন হয় তার মনে । কিন্তু এর ভেতরই একদিন ঘটে গেলো একটি দুর্ঘটনা।
.
জাম্বিয়াতে ফ্রি ফল প্যারাশুটিং
করার সময় মারাত্মক আঘাত পায় সে, শিরদাঁড়ার তিনটা কশেরুকা ভেঙে যায় । ডাক্তার জানিয়ে দেয়, এজীবনে আর সে হাঁটতে পারবেনা কোনোদিন। হুইলচেয়ারে কাটিয়ে দিতে হবে বাকিটা জীবনটা । তখন
আর্মির চাকরিও চলে যায় তার ।
.

.
সামনে তখন বাকিটা জীবনটা
পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে কাটিয়ে
দেয়ার অপেক্ষা । কিন্তু মনের ভেতর হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে দাঁড়িয়ে বিজয়ীর চিৎকার দেয়ার ইচ্ছেটা তখনো দমে যায়নি ।
স্রেফ অদম্য ইচ্ছাশক্তি থেকে
ছেলেটা ১ বছরের ভেতর হুইলচেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়, হাঁটতে শুরু করে সে । এরপর দৌঁড়ানো শুরু করে। ডাক্তারদের সব ভবিষ্যৎবাণী মিথ্যে প্রমাণ করে দেয় । উঠে দাঁড়ানোর মাত্র ৬ মাসের মাথায় তার ২৩ বছর বয়সে ছেলেটি মাউন্ট এভারেস্ট জয় করে ফেলে । সেই ছেলেটিকে আমরা সকলেই চিনি তুমুল জনপ্রিয় Man Vs Wild
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে । প্রতিনিয়ত বন বাদাড়ে, সমুদ্রে, আকাশ চষে বেড়িয়ে দেখাচ্ছেন এই কশেরুকা ভেঙে যাওয়া বেয়ার গ্রীলস । স্যালুট তাকে । আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন, জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য শুধুমাত্র অদম্য ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ঠ ।
.

.
আর জীবনে একটি দুইটি ঝড় এসে সব ভেঙ্গে চুরে আপনাকে ব্যর্থতার
আস্তাকুরে ছুঁড়ে ফেলে দিল? আপনি খড়কুটোর মতো উড়ে গেলেন । মানুষ ভাঙতে ভাঙতে গড়ে, পড়তে পড়তে হাটতে শিখে- এটাই মানুষকে অন্য সব প্রাণী থেকে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে দাঁর করিয়েছে । চাকরি পাচ্ছেন না, ব্যবসা করতে গিয়ে সর্বশান্ত হয়ে গেছেন, গার্লফ্রেন্ড ছেড়ে গেছে, বউ ডিভোর্স দিয়েছে, ব্যাস এটুকুতেই কাত হয়ে গেলেন আপনি ? আহত বাঘের মত শেষ একটা থাবা বসান নিজের লক্ষ্যে আবারো । একটা মানুষ হুইলচেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ানোর ৬ মাসের মাথায় মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছে । আর আপনি শুধু বুদ্ধিমানের মত ঠান্ডা মাথায় নিজের সমস্যার সমাধান করে আবারো জীবনে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না নতুন করে ?

Saturday, February 2, 2019

★ General Knowledge ★

# নিউইয়র্ক কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- হাডসন নদী

- # লন্ডন কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- টেমস্ নদী

- # প্যারিস কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- সীন নদী

- # আগ্রা কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- যমুনা নদী

- # মস্কো কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- মস্কোভা নদী

- # কলকাতা কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- হুগলী নদী

- # করাচি কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- সিন্ধু নদী

- # বেইজিং কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- হোয়াংহো নদী

- # বাগদাদ কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- টাইগ্রীস নদী

> বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচিত্র - মুখ ও মুখোশ ।

> উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র - জামাই ষষ্ঠী ।

> সর্ব প্রথম চলচ্চিত্র নির্মান করা হয় - ১৮৯৫ সালে ।

> উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক - হীরালাল সেন ।

> বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জনক - আব্দুল জব্বার খান ।

> বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকার -জহির রায়হান ।
■■■■■■■■■■■■■■■■■




Tuesday, January 8, 2019

Best News 2019 China will set artificial moon in the sky

The night sky is going to get a new partner soon. Chinese scientists are planning to set up artificial moons in the sky to illuminate night city by 2020.

It is reported from a report published in US-based news magazine 'Time'.

According to Chinese state media, the time has been told that scientists plan to set up a man-made moon in the sky of Chengdu, the capital of the southwestern Sichuan Province. The artificial moon will be used in such a way that the sunlight reflects the light of the night as the original moon. The moon is basically a satellite.

If the artificial moon is installed, it will not be necessary to build chaos in the city of Chengdu at night and to make roads. According to the scientists, it is eight times more bright than the original moon in the eyes of ordinary people. And the road lights will be brighter than the lamp five times less.

It will rotate just five hundred kilometers away from the Earth. Where the original moon located 3 million 80 thousand kilometers away from the Earth.

Chief Chinese scientist Yu Chanfeng told the Daily Telegraph of China's Tian Fu Area Science Society that the ambitious project would not be able to illuminate the night sky all through the project. Not even whole China. Under this, only Chengdu city will be located.


If the artificial moon is set up, according to the annual estimates, more than 17 million US dollars will be spent on energy consumption in Chengdu City. Not only that, it will be very useful in the dark or in a natural disaster, he said. If this program is successfully completed, he will be setting up three more artificial moons in the sky by 2022, he said.

Chapfeng said that there should be some more examinations to ensure that the work is successfully taken out and there is no adverse impact on nature.

'We will carry out our experiments in an uncharted desert. So that the light of artificial moon cannot harm humans or anything, "said the scientist.


This is not the first such ambitious project like China on the asteroid. According to the New York Times, according to the New York Times, the country had planned to reflect the light of the sun in some of the northern Russian cities that had not received light in the 1990s. That is why they set a special mirror in the sky, which was able to reflect the sun's light. But later, the project was canceled in 1999 after the loss of the mirror on the impact of the atmosphere.

Not only that, in January this year, the US 'Rocket Lab' installed an artificial star in the sky. But scientists have criticized the man-made stars for the purpose of creating hydrocarbons in the orbit of Earth orbit.

Thursday, December 20, 2018

আপনার মোবাইলের ইন্টরনেটের স্পিড বাড়িয়ে নিন আগের থেকে দ্বীগুন তাও আবার (Default)ভাবে।গোপন সেটিংস ৯৮% মানুষ জানে না।


আজকে আমি আপনাদের মাঝে দারুণ একটা সেটিংস নিয়ে হাজির হয়েছি।আশা করি সেটিংসটির
মাধ্যেমে উপকারিত হবেন।
সেটিংস হচ্ছে যে আপনার মোবাইলের ইন্টরনের স্পিড আগের থেকে দ্বীগুন স্পিড পাবেন তা ও আবার (Default)ভাবে,কোন ধরনের আপনাকে স্পিড বোস্টার ব্যবহার করা লাগবে না শুধু সেটিং টা এনাবেল করে দিবেন।এটা একটি গোপম সেটিংস ৯৮% মানুষ সেটিং টা জানে না।আমাদের অনেকের এলাকায় ইন্টরনেট স্পিড একটু কম পাই সেক্ষেত্রে আপনি এই গোপন সেটিং টা ব্যবহার করলে আপনি ইন্টরনের স্পিড আগের থেকে একটু বেশিই পাবেন।

তো চলুন শুরু করা যাক প্রথমে আপনি আপনার মোবাইল Settings এ যান।তারপর Developer Options এ যান তারপর একটু নিচে গিয়ে সেটিংটটি অন করে দিন।
স্কিনসটি দেখুন

ব্যাস কাজ শেষ এখন ইন্টরনেট চালান আর দেখুন
আগের থেকে অনেক স্পিড বেশি।

Tuesday, December 18, 2018

যে ওষুধ সবসময় হাতের কাছে রাখবেন+ওষুধ সেবনে সতর্কতা ও পাশ্বপ্রতিক্রিয়া রোধের উপায়।





আসসালামু আলাইকুম
সকলকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আজকের টপিক।
বাংলাদেশ এ মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ এর কারনে হঠাৎ শীতকালে আষাঢ়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এসময় নানান রোগ দেখা দেয়। বিশেষ করে জ্বর সর্দি। বিপদ এড়াতে
যে ওষুধ সবসময় আপনার বাসায় বা হাতের কাছে
রাখবেন + ওষুধ সেবনে সতর্কতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রোধের উপায়…… ছোটখাটো সমস্যাগুলো যা
নিজেই জরুরি কিছু ওষুধের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব!!!
💊💊এন্টিসেপটিক সল্যুশন (যেমন বিটাডিন/স্যাভলন/ডেটল ইত্যাদি)।
প্যারাসিটামল (Paracetamol)- ( নাপা, এইস,এক্সেল, প্যারাপাইরল, জেরিন প্যারাসেট,প্যানাডল…।) জ্বরের জন্য প্রথমে একটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। জ্বর বাড়লে (<১০৩F)বা ৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখান। তবে পেটে ব্যাথা, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে
যাওয়া বা জন্ডিসের অন্য কোন উপসর্গ দেখলে প্যারাসিটামল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।… নোটঃঅধিক ব্যবহার যকৃতের জন্য ক্ষতিকর।দৈনিক সর্বোচ্চ
4000 mg (৪ গ্রাম) পর্যন্ত গ্রহণ করা যায় এর বেশি না।
💊💊ট্রামাডল (Tramadol) কোন প্রকার ঝুঁকি ছাড়াই ট্রামাডল পেইনকিলার হিসেবে নেয়া যায়; এমনকি অ্যাসমা রোগীরাও এটি নিতে পারবেন। সিল্ভার সালফাডিয়াযিন (Silver sulfadiazine)
হালকা পুড়ে গেলে প্রথমে পোড়া জায়গাটি কলের পানির নিচে ধরুন। পানি শুকিয়ে গেলে যত্ন সহকারে পোড়া জায়গায় সিলভার সালফাডিয়াযিন অয়ন্টমেন্ট দিন। ফোসকা পড়লে সেটা উঠানোরনচেষ্টা করবেন না। তবে বেশি পুড়ে গেলে অবশ্যই
ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ করুন।
💊💊 পভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment) হালকা রক্তপাত সহ ছোটখাটো কাটা-ছেড়ার ক্ষেত্রে ক্ষতটি শুকনা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে চেপে ধরে রাখুন। রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেলে কাটা জায়গায় পভিডন-আয়োডিন অয়ন্টমেন্ট দিন। এসবক্ষেত্রে স্যাভলন দিয়ে পরিষ্কার না করাই ভাল। আপনি যদি কোন প্রকার ব্লাড থিনার (যেসব
ওষুধের কারণে রক্ত জমাট বাধার প্রক্রিয়া
বাধাগ্রস্থ হয়) নিয়ে থাকেন অথবা অনেক বেশি কেটে গেলে বা প্রচুর রক্তপাত হলে আপনার ডাক্তারের সাহায্য লাগতে পারে।
💊💊এন্টিবায়োটিক ওয়েস্টম্যান (যেমন
ব্যাকট্রোবেন)।
💊💊 স্যালাইন (ছোট বোতল)।
💊💊 সালফা ডায়াজিন (সিল্ক ক্রিম), পোড়া
বা ক্ষতের জন্য। হাইড্রোকর্টিসন ক্রিমপোকায় কামড়ের চিকিৎসায় কাজে লাগে।
জ্বর ও মাথাব্যথার জন্য_প্যারাসিটামল সিরাপ,ট্যাবলেট ও সাপোজিটরি।
এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ_ঠাণ্ডা,
💊💊অ্যালার্জির জন্য (যেমন অ্যালাট্রল/এভিল/লরাটিডিন)।
💊💊 ভাব বা বমি রোধের জন্য_ডমপেরিডন
ট্যাবলেট,সাপোজিটরি, সিরাপ।
💊💊ডায়রিয়ার জন্য মুখে খাবার স্যালাইন।
এসিডিটি রোধের জন্য এন্টাসিড ট্যাবলেট,
সিরাপ।এ ছাড়াও পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনভিত্তিক
কিছু ওষুধ যোগ করা যেতে পারে। যেমন তীব্র
ব্যথানাশক হিসাবে আইবুপ্রোফেন রাখা যেতে পারে।
💊💊টাইমোনিয়াম সালফেট (Tiemonium sulphate)
যেকোন প্রকার পেটে ব্যাথার ক্ষেত্রে বিশেষ
করে পিরিয়ডের প্রথম কয়েক দিনের ব্যাথার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি ওষুধ। (আরও জানতে দেখুন কষ্টকর ঋতুস্রাব ও বাড়িতে বসে কষ্টকর স্রাবের নিরাময়)
💊💊এসোমিপ্রাযল/ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/ Omeprazole)
অধিকাংশ মানুষই কোন না কোন সময় বুক জ্বলা বা গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে হয়; বিশেষ করে ভরপেট খাওয়ার পর। এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল পাকস্থলীতে অ্যাসিড গঠন কমিয়ে বুক জ্বলা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় গ্যাসের জন্য অনেকটা হার্ট অ্যাটাকের মত বুকে ব্যাথা হয়, এজন্য ৩০ মিনিটের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে দ্রুত
নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করুন।
💊💊অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন
(Aluminum hydroxide suspension)
বুক জ্বলা এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ২
চামচ করে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন খেতে পারেন। সাস্পেনশন্টি ফ্রিজে রাখতে পারবেন এবং ঠাণ্ডা খেলেই বেশি আরাম পাবেন। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কয়েকবার পাতলা পায়খানা হতে পারে, এতে চিন্তার কিছু নেই।
💊💊ওরস্যালাইন(Oral Rehydration Saline) ডায়রিয়ার সময় খুব সহজেই শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। প্রত্যেকবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর স্যালাইন খাওয়া উচিত। শরীরে পানিশূন্যতা
হলে নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে।
অনতিবিলম্বে ডাক্তার দেখান যদি;আপনার
ডায়রিয়ার সাথে জ্বরও হয় ২ দিনের বেশি সময় ডায়রিয়া থাকে, মুখ শুকিয়ে
গিয়ে পিপাসা লাগে , খুব কম অথবা একেবারেই পেশাব না হলে ,প্রচণ্ড পেটে ব্যাথা হলে ,পায়খানার সাথে রক্ত গেলে
আপনার উচ্চ রক্তচাপ (hypertension) থাকলে ওরস্যালাইন খাওয়ার আগে রক্তচাপ মেপে নেয়া ভাল।
💊💊ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটিডিন (Fexofenadine/Rupatadine)
এই অ্যান্টিহিস্টামিনগুলো তুলনামুলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। যাদের অ্যালারজিক রাইনিটিস (ধুলা,পরাগ, তেলাপোকা ইত্যাদির সংস্পর্শে আসলে হাঁচি হওয়া) আছে তারা রাতে একবার
ফেক্সোফেনাডিন বা রুপাটিডিন নিলে হাঁচি ও
নাক থেকে পানি পড়ার উপশম হবে।
💊💊অ্যাসপিরিন (Aspirin)
আকস্মিক বুকে ব্যথা এবং পরবর্তীতে বাম হাত,চোয়াল বা গলার বাম দিকে ব্যথা হওয়া হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। হার্ট অ্যাটাকের যেকোন লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ২/৩ টি বেবি অ্যাসপিরিন খেয়ে নিন এবং যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যাওয়ার চেষ্টা করুন।
হাঁপানির রোগীদের জন্য ইনহেলার, নেবুলাইজার, নাকের ওষুধ এখন থেকেই গুছিয়ে রাখা দরকার। ওষুধ সেবনে সতর্কতা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রোধ…
আপনার সামান্য একটু অসাবধানতা … অনেক বড় ঝুকি
নিয়ে আসতে পারে আপনার অজান্তেই … তাই জেনে নিন … ঔষধ কখন খাবেন …কিভাবে খাবেন এবং এর পরবর্তীতে কি কি খাওয়া উচিত আর কি উচিত না !
রোগ সারাতে ওষুধ খেতেই হয়।ওষুধ সেবনের জন্য আমাদের মনে বেশ কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খায়। কোন ওষুধ কখন সেবন করতে হবে? খাবারের আগে না পরে?
নোটঃ
✮ কিছু কিছু ওষুধ আছে, যেগুলো খাবারের আগে
সেবন করা একেবারেই মানা। এমন ওষুধের মধ্যে ব্যথানাশক ওষুধ অন্যতম। ব্যথানাশক ওষুধ,যেমনঃ—ডাইক্লোফেনাক সোডিয়াম,
ন্যাপ্রোক্সেন, আইবুপ্রোফেন, অ্যাসপিরিন,
কিটোরোলাক।কিটোরোলাক খালি পেটে গ্রহণ করলে অন্ত্র ফুটো হয়ে যেতে পারে।
এ ওষুধগুলো তাই খাবারের পর গ্রহণ করাই শ্রেয়।
✮ আবার ব্যথানাশক ওষুধের সঙ্গে সেবন করতে হবে
প্রোটন পাম্প ইনহেবিটরজাতীয় ওষুধ।
যেমনঃ- ওমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল,
ইসোমেপ্রাজল।
তবে এসব ওষুধ সেবন করতে হবে খাবারের আগে।
✮ আবার ঠান্ডা-সর্দি বা অ্যালার্জিজনিত রোগে
নির্দেশিত ব্যবস্থাপত্র অ্যান্টিহিস্টামিন খেতে
হয়।
যেমন : লোরাটাডিন, সেটিরিজিন,
ফেক্সোফেনাডিন এগুলো খালি পেটে গ্রহণ করলে
এর কার্যকারিতা বেশি হয়।
✮ অ্যান্টাসিড খাবারের পরপরই না খেয়ে ৩০ মিনিট
পর খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
✮ সিপ্রোফ্লোক্সাসিন সেবন করেননি এমন লোকের সংখ্যা কম। এটি খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি দিয়ে সেবন করাই ভালো। সিপ্রোফ্লোক্সাসিন গ্রহণের দুই ঘণ্টার মধ্যে দুগ্ধজাত খাবার বা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, আয়রন বা জিংকযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো।
কারণ, এসব উপাদানের সঙ্গে আন্তক্রিয়ার কারণে রক্তে ওষুধের মাত্রা কমে যায়। ফলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। এ কারণে ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট, আয়রন ট্যাবলেট, মাল্টিভিটামিন সিপ্রোফ্লোক্সাসিন সেবনের বেশ কয়েক ঘণ্টা আগে বা পরে সেবন করতে পারেন।
✮ আবার পেনিসিলিন খালি পেটে সেবন করাই
ভালো। অতিরিক্ত প্রোটিনযুক্ত খাবার রক্তে
প্রোপ্রানোললের শোষণ ও মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
তাই কাঙ্ক্ষিত মাত্রার চেয়ে বেশি শোষণের ফলে
বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আবার
গ্রাইসিওফালভিন (একটি অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ)
উচ্চ চর্বিজাতীয় খাবারের সঙ্গে গ্রহণ করলে এর শোষণমাত্রা বহুলাংশে বেড়ে যায়। তাই
চর্বিজাতীয় খাবারের সঙ্গে এটি গ্রহণ করলে বেশি কাজে আসে।

Sunday, December 16, 2018

৫০০ টি চমৎকার আরবী নাম এবং নামের বাংলা অর্থ [ For Girls ]






মেয়ে শিশুর চমৎকার ৫০০ টি আরবী নামের বাংলা অর্থ


১) আফরা  =  সাদা
২) সাইয়ারা  =  তারকা
৩) আফিয়া =  পুণ্যবতী
৪) মাহমুদা  =  প্রশংসিতা
৫) রায়হানা  =  সুগন্ধি ফুল
৬) রাশীদা  =  বিদুষী
৭) রামিসা  =  নিরাপদ
৮) রাইসা =  রাণী
৯) রাফিয়া  =  উন্নত
১০) নুসরাত  =  সাহায্য
১১) নিশাত  =  আনন্দ
১২) নাঈমাহ  =  সুখি জীবন
যাপনকারীনী
১৩) নাফীসা  =  মূল্যবান
১৪) মাসূমা  =  নিষ্পাপ
১৫) মালিহা  =  রুপসী
১৬) হাসিনা  =  সুন্দরি
১৭) হাবীবা  =  প্রিয়া
১৮) ফারিহা  =  সুখি
১৯) দীবা  =  সোনালী
২০) বিলকিস  =  রাণী
২১) আনিকা =  রুপসী
২২) তাবিয়া = অনুগত
২৩) তাবাসসুম =  মুসকি হাসি
২৪) তাসনিয়া  =  প্রশংসিত
২৫) তাহসীনা  =  উত্তম



২৬) তাহিয়্যাহ  =  শুভেচ্ছা
২৭) তোহফা  =  উপহার
২৮) তাখমীনা  =  অনুমান
২৯) তাযকিয়া  =  পবিত্রতা
৩০) তাসলিমা  =  সর্ম্পণ
৩১) তাসমিয়া =  নামকরণ
৩২) তাসনীম  =  বেহেশতের ঝর্ণা
৩৩) তাসফিয়া =  পবিত্রতা
৩৪) তাসকীনা =  সান্ত্বনা
৩৫) তাসমীম =  দৃঢ়তা
৩৬) তাশবীহ =  উপমা
৩৭) তাকিয়া শুদ্ধ চরিত্র
৩৮) তাকমিলা =  পরিপূর্ণ
৩৯) তামান্না  =  ইচ্ছা
৪০) তামজীদা  =  মহিমা কীর্তন
৪১) তাহযীব  =  সভ্যতা
৪২) তাওবা  =  অনুতাপ
৪৩) তানজীম  =  সুবিন্যস্ত
৪৪) তাহিরা  =  পবিত্র
৪৫) তবিয়া  =  প্রকৃতি
৪৬) তরিকা  =  রিতি-নীতি
৪৭) তাইয়্যিবা  =  পবিত্র
৪৮) তহুরা  =  পবিত্রা
৪৯) তুরফা  =  বিরল বস্তু
৫০) তাহামিনা  =  মূল্যবান
৫১) তাহমিনা  =  বিরত থাকা
৫২) তানমীর ক্রোধ প্রকাশ করা
৫৩) ফরিদা =  অনুপম
৫৪) ফাতেহা =  আরম্ভ
৫৫) ফাজেলা =  বিদুষী
৫৬) ফাতেমা =  নিষ্পাপ
৫৭) ফারাহ =  আনন্দ
৫৮) ফারহানা =  আনন্দিতা
৫৯) ফারহাত =  আনন্দ
৬০) ফেরদাউস = বেহেশতের নাম
৬১) ফসিহা =  চারুবাক
৬২) ফাওযীয়া =  বিজয়িনী
৬৩) ফারজানা =  জ্ঞানী
৬৪) পারভীন =  দীপ্তিময় তারা
৬৫) ফিরোজা =  মূল্যবান পাথর
৬৬) ফজিলাতুন =  অনুগ্রহ কারিনী
৬৭) ফাহমীদা =  বুদ্ধিমতী
৬৮) ফাবিহা বুশরা =  অত্যন্ত ভাল
শুভ নিদর্শন
৬৯) মোবাশশিরা = সুসংবাদ বাহী
৭০) মাজেদা =  সম্মানিয়া
৭১) মাদেহা =  প্রশংসা
৭২) মারিয়া =  শুভ্র
৭৩) মাবশূ রাহ =  অত্যাধিক সম্পদ
শালীনী,
৭৪) মুতাহাররিফাত =  অনাগ্রহী
৭৫) মুতাহাসসিনাহ =  উন্নত
৭৬) মুতাদায়্যিনাত =  বিশ্বস্ত
ধার্মিক মহিলা,
৭৭) মাহবুবা =  প্রেমিকা
৭৮) মুহতারিযাহ =  সাবধানতা
অবলম্বন কারিনী
৭৯) মুহতারামাত =  সম্মানিতা
৮০) মুহসিনাত =  অনুগ্রহ কারিনী
৮১) মাহতরাত =  সম্মিলিত
৮২) মাফরুশাত =  কার্ণিকার
৮৩) মাহাসানাত =  সতী-সাধবী
৮৪) মাহজুজা =  ভাগ্যবতী
৮৫) মারজানা =  মুক্তা
৮৬) আমিনা =  নিরাপদ
৮৭) আনিসা = কুমারী
৮৮) আদীবা = মহিলা সাহিত্যিক
৮৯) আনিফা = রুপসী
৯০) আতিয় = আগমনকারিণী
৯১) আছীর = পছন্দনীয়
৯২) আহলাম =  স্বপ্ন
৯৩) আরজা = এক
৯৪) আরজু =  আকাঙ্ক্ষা
৯৫) আরমানী = আশাবাদী
৯৬) আরীকাহ = কেদারা
৯৭) আসমাহ =  সত্যবাদীনী
৯৮) আসীলা =  চিকন
৯৯) আসিফা =  শক্তিশালী
১০০) আসিলা =  নিখুঁত
১০১) আদওয়া =  আলো
১০২) আতিকা =  সুন্দরি
১০৩) আফনান =  গাছের শাখা-
প্রশাখা
১০৪) আসিয়া =  শান্তি
স্থাপনকারী
১০৫) মাছুরা =  নল
১০৬) মাহেরা =  নিপুনা
১০৭) মোবারাকা =  কল্যাণীয়
১০৮) মুবতাহিজাহ =  উৎফুল্লতা
১০৯) মাবশূ রাহ =  অত্যাধিক সম্পদ শালীনী
১১০) মুবীনা =  সুষ্পষ্ট
১১১) মুতাহাররিফাত =  অনাগ্রহী
১১২) মুতাহাসসিনাহ =  উন্নত
১১৩) মুতাদায়্যিনাত =  বিশ্বস্ত
ধার্মিক মহিলা
১১৪) মুতাকাদ্দিমা =  উন্নতা
১১৫) মুজিবা =  গ্রহণ কারিনী
১১৬) মাজীদা =  গোরব ময়ী
১১৭) মহাসেন =  সৌন্দর্য
১১৮) মুহতারিযাহ =  সাবধানতা
অবলম্বন কারিনী
১১৯) মুহতারামাত =  সম্মানিতা
১২০) মুহসিনাত =  অনুগ্রহ
১২১) শান্তা =  শান্ত
১২২) তানিয়া =  রাজকণ্যা
১২৩) শামীমা =  সুগন্ধি
১২৪) তাহিয়া =  সম্মানকারী
১২৫) ইসরাত =  সাহায্য
১২৬) জুঁই একটি ফুলের নাম
১২৭) নাজমা =  দামী
১২৮) সায়মা =  রোজাদার,
১২৯) শারমিন =  লাজুক
১৩০) জাকিয়া =  পবিত্র
১৩১) হামিদা =  প্রশংসিত
১৩২) নাদিয়া =  আহবান
১৩৩) তানজুম
=  তারকা
১৩৪) মুনতাহা =  পরিক্ষিত
১৩৫) লতিফা =  ঠাট্টা
১৩৬) রিমা =  সাদা হরিণ
১৩৭) পাপিয়া =  সুকণ্ঠি নারী
১৩৮) নাসরিন =  সাহায্যকারী
১৩৯) মনিরা =  জ্ঞানী
১৪০) আফসানা =  উপকথা
১৪১) জারা =  গোলাম
১৪২) ফারিয়া =  আনন্দ
১৪৩) ইরতিজা =  অনুমতি
১৪৪) সুলতানা =  মহারানী
১৪৫) নাদিরা =  বিরল
১৪৬) হালিমা =  দয়ালু
১৪৭) শিরিন =  সুন্দরী
১৪৮) আক্তার =  ভাগ্যবান
১৪৯) সামিয়া =  রোজাদার
১৫০) শাহিনুর =  চাঁদের আলো
১৫১) ইয়াসমিন =  ফুলের নাম
১৫২) হাবিবা =  প্রেমিকা
১৫৩) রোমানা =  ডালিম
১৫৪) মমতাজ =  উন্নত
১৫৫) শাকিলা =  সুন্দরী
১৫৬) পারভেজ =  বিজয়
১৫৭) সাইমা =  উপবাসী
১৫৮) আয়েশা =  সমৃদ্ধিশালী
১৫৯) নাহিদা =  উন্নত
১৬০) মাহিয়া =  নিবারণকারীনি
১৬১) সানজিদা =  বিবেচক
১৬২) জেসমিন =  ফুলের নাম।
১৬৩) নূসরাত =  সাহায্য।
১৬৪) নাজীফা =  পবিত্র।
১৬৫) নাইমাহ =  সুখি
জীবনযাপনকারীনী।
১৬৬) নাফিসা =  মূল্যবান।
১৬৭) মুরশীদা =  পথর্শিকা।
১৬৮) মাসূদা =  সৌভাগ্যবতী।
১৬৯) আসিয়া =  শান্তি
স্থাপনকারী।
১৭০) আশরাফী =  সম্মানিত।
১৭১) আনিসা =  কুমারী।
১৭২) আনিফা =  রূপসী।
১৭৩) আনওয়ার =  জ্যোতিকাল।
১৭৪) আরিফা =  প্রবল বাতাস।
১৭৫) আয়িশা =  জীবন যাপন
কারিণয়
১৭৬) আমীনা =  আমানত
রক্ষাকারণী।
১৭৭) আফরোজা =  জ্ঞানী।
১৭৮) আয়মান =  শুভ।
১৭৯) আকলিমা =  দেশ।
১৮০) ইসমাত আফিয়া =  পূর্ণবতী।
১৮১) কামরুন =  ভাগ্য
১৮২) রীমা =  সাদা হরিণ।
১৮৩) সায়িমা =  রোজাদার।
১৮৪) শাহানা =  রাজকুমারী।
১৮৫) শাফিয়া =  মধ্যস্থতাকারিনী
।
১৮৬) সাজেদা =  ধার্মিক।
১৮৭) সাদীয়া =  সৌভাগ্যবর্তী!
১৮৮) সালমা =  প্রশন্ত।
১৮৯) তাসনিম =  বেহশতী ঝর্ণা।
১৯০) হুমায়রা =  রূপসী
১৯১) লাবীবা =  জ্ঞানী
১৯২) ফাহমিদা =  বুদ্ধিমতী
১৯৩) নার্গিস =  ফুলের নাম
১৯৪) আফিফা =  সাধ্বী
১৯৫) সাদিয়া =  সৌভাগ্যবতী।
১৯৬) জাবিরা= রাজিহওয়া।
১৯৭) জাদিদাহ= নতুন।
১৯৮) জাদওয়াহ= উপহার।
১৯৯) জাহান= পৃথিবী।
২০০) জালসান= বাগান।
২০১) জমিমা= ভাগ্য।
২০২) আমিনা=  বিশ্বাসী।
২০৩) আনজুম=  তারা।
২০৪) আকিলা=  বুদ্ধিমতি।
২০৫) সাইদা= নদী
২০৬) সালীমা= সুস্থ
২০৭) সালমা আফিয়া=  প্রশান্ত
পূণ্যবতী
২০৮) সালমা আনিকা = প্রশান্ত
সুন্দরী
২০৯) সালমা আনজুম =  প্রশান্ত
তারা
২১০) সালমা ফারিহা =  প্রশান্ত
সুখী
২১১) সালমা ফাওজিয়া =  প্রশান্ত
সফল
২১২) সালমা মাহফুজা=  প্রশান্ত
নিরাপদ
২১৩) ফারযানা =  কৌশলী
২১৪) দিলরুবা =  প্রিয়তমা
২১৫) নওশীন =  মিষ্টি
২১৬) তূবা =  সুসংবাদ
২১৭) জুলফা =  বাগান
২১৮) যীনাত =  সৌন্দর্য
২১৯) ঈশাত =  বসবাস
২২০) রওশন =  উজ্জ্বল
২২১) জেবা =  যথার্থ।
২২২) শাবানা =  রাত্রিমধ্যে।
২২৩) রহিমা =  দয়ালু।
২২৪) আসমা =  অতুলনীয়।
২২৫) দীনা =  বিশ্বাসী।
২২৬) লায়লা =  শ্যামলা।
২২৭) মুমতাজ =  মনোনীত।
২২৮) মায়মুনা =  ভাগ্যবতী।
২২৯) রশীদা =  বিদূষী।
২৩০) রাওনাফ =  সৌন্দর্য।
২৩১) রোশনী =  আলো।
২৩২) রুমালী =  কবুতর।
২৩৩) রুম্মন =  ডালিম।
২৩৪) সাবিহা =  রূপসী।
২৩৫) সাকেরা = কৃতজ্ঞ।
২৩৬) সাইদা =  নদী।রা।
২৩৭) আমীরাতুন নিসা = 
নারীজাতির নেত্রী।
২৩৮) ইসমাত আফিয়া =  পূর্ণবতী।
২৩৯) কামরুন =  ভাগ্য
২৪০) সুফিয়া =  আধ্যাত্মিক
সাধনাকারী।
২৪১) জামিলা= সুন্দরী।
২৪২) আনতারা=  বীরাঈনা।
২৪৩) সাগরিকা =  তরঙ্গ
২৪৪) সহেলী =  বান্ধবী
২৪৫) সাহিরা=  পর্বত
২৪৬) সাইদা =  নদী
২৪৭) মিনা =  স্বর্গ
২৪৮) রুকাইয়া =  উচ্চতর
২৪৯) রাবেয়া =  নিঃস্বার্থ
২৫০) জোহরা =  সুন্দর
২৫১) রাফা =  সুখ
২৫২) নাঈমা =  সুখ
২৫৩) আতিয়া =  উপহার
২৫৪) আতিকা =  সুন্দরী
২৫৫) আদিবা =  লেখিকা
২৫৬) সুমাইয়া =  উচ্চউন্নত।
২৫৭) মেহেরিন =  দয়ালু।
২৫৮) মেহজাবিন =  সুন্দরি।
২৫৯) মালিহা =  সুন্দরি।
২৬০) ফাহিমা =  জ্ঞানী
২৬১) আফরিন =  ভাগ্যবান
২৬২) ফেরদৌস =  পবিত্র
২৬৩) শাহিদা =  সৌরভ সুবাস
২৬৪) নুসাইফা =  ইনসাফ
২৬৫) উমায়ের =  দীর্ঘায়ু বৃক্ষ
২৬৬) মাইমুনা =  ভাগ্যবতী
২৬৭) নাবীলাহ =  ভদ্র
২৬৮) নাফিসা আতিয়া = মুল্যবান
উপহার
২৬৯) নাফিসা আয়মান =  মুল্যবান শুভ
২৭০) নাফিসা গওহার =  মুল্যবান
মুক্তা
২৭১) নাফিসা লুবাবা =  মুল্যবান
খাঁটি
২৭২) নাফিসা লুবনা =  মুল্যবান বৃক্ষ
২৭৩) নাফিসা মালিয়াত = 
মুল্যবান সম্পদ
২৭৪) নাফিসা নাওয়াল =  মুল্যবান
উপহার
২৭৫) নাফিসা রায়হানা =  মুল্যবান
সুগন্ধী ফুল
২৭৬) নাফিসা রুমালী =  মুল্যবান
কবুতর
২৭৭) নাফিসা রুম্মান = মুল্যবান
ডালিম
২৭৮) নাফিসা শাদাফ =  মুল্যবান
ঝিনুক
২৭৯) নাফিসা শামা = মুল্যবান
মোমবাতী
২৮০) নাফিসা শামীম = মুল্যবান
সুগন্ধী
২৮১) নাফিসা তাবাসসুম = পবিত্র
হাসি
২৮২) নাহলা = পানি
২৮৩) নায়লা = অর্জন কারিনী
২৮৪) নাসেহা = উপদেশ কারিনী
২৮৫) নাওশিন আনবার = সুন্দর ও
সুগন্ধী
২৮৬) নাওশিন আনজুম = সুন্দর তারা
২৮৭) নাওশিন আতিয়া = সুন্দর
উপহার
২৮৮) নাওয়াল গওয়ার = সুন্দর মুক্তা
২৮৯) নাওশিন রুমালী = সুন্দর ফুল
২৯০) নাওশিন সাইয়ারা = সুন্দরী
তারা
২৯১) নাজীবাহ = ভত্র গোত্রে
২৯২) নিবাল = তীর
২৯৩) নীলূফা = পদ্ম
২৯৪) নিশাত আফাফ =  চারিত্রিক
শুদ্ধতা
২৯৫) নিশাত আফলাহ = আনন্দ
অধিককল্যাণকর
২৯৬) নিশাত আনান = আনন্দ মেঘ
২৯৭) নিশাত আনবার = আনন্দ সুগন্ধী
২৯৮) নিশাত আনজুম = আনন্দ তারা
২৯৯) নিশাত আতিয়া = আনন্দ
উপহার
৩০০) নিশাত ফরহাত = আনন্দ উল্লাস
৩০১) নিশাত গওহার = আনন্দ মুক্তা
৩০২) নিশাত লুবনা = আনন্দ বৃক্ষ
৩০৩) নিশাত মালিয়াত = আনন্দ
সম্পদ
৩০৪) নিশাত মুনাওয়ারা = আনন্দ
দিপ্তীমান
৩০৫) নিশাত নাবিলাহ =  ভদ্র
৩০৬) নিশাত =  সাদা হরিণ
৩০৭) হাসনা =  সুন্দরী
৩০৮) সুরাইয়া =  বিশেষ একটি নক্ষত্র
৩০৯) রামলা =  বালিময় ভূমি
৩১০) মাশকুরা=  কৃতজ্ঞতাপ্রাপ্ত
৩১১) নাফিসা=  মূল্যবান।
৩১২) নাওয়ার=  সাদা ফুল।
৩১৩) গওহর=  মুক্তা।
৩১৪) বশীরা=  উজ্জ্বল।
৩১৫) সাহেবী=  বান্ধবী।
৩১৬) কানিজ =  অনুগতা
৩১৭) আজরা রায়হানা=  কুমারী
সুগন্ধী ফুল
৩১৮) আজরা রাশীদা = কুমারী
বিদুষী
৩১৯) আজরা রুমালী = কুমারী কবুতর
৩২০) আজরা সাবিহা = কুমারী
রূপসী
৩২১)  আজরা সাদিয়া = কুমারী
সৌভাগ্যবতী
৩২২) আজরা সাদিকা=  কুমারী
পুন্যবতী
৩২৩) আজরা সাজিদা = কুমারী
ধার্মিক
৩২৪) আজরা শাকিলা= কুমারী
সুরূপা
৩২৫)  আজরা সামিহা = কুমারী
দালশীলা
৩২৬) আজরা তাহিরা = কুমারী
সতী
৩২৭) আফিয়া আবিদা = পুণ্যবতী
ইবাদতকারিনী
৩২৮) আফিয়া আদিবা = পুণ্যবতী
শিষ্টাচারী
৩২৯) আফিয়া আদিলাহ = পুণ্যবতী
ন্যায়বিচারক
৩৩০) আফিয়া আফিফা = পুণ্যবতী
সাধ্বী আফিয়া
৩৩১) আয়েশা=  পুণ্যবতী সমৃদ্ধি
শালী
৩৩২) আফিয়া আমিনা = পুণ্যবতী
বিশ্বাসী
৩৩৩) আফিয়া আনিসা = পুণ্যবতী
কুমারী
৩৩৪) আফিয়া আনজুম=  পুণ্যবতী
তারা
৩৩৫) আফিয়া আনতারা=  পুণ্যবতী
বীরাঙ্গনা
৩৩৬) আফিয়া আকিলা = পুণ্যবতী
বুদ্ধিমতী
৩৩৭) আফিয়া আসিমা = পুণ্যবতী
সতী নারী
৩৩৮) আফিয়া আয়মান = পুণ্যবতী শুভ
৩৩৯) আফিয়া আজিজাহ=  পুণ্যবতী
সম্মানিত
৩৪০) আফিয়া বিলকিস=  পুণ্যবতী
রানী
৩৪১) আফিয়া ফাহমিদা = পুণ্যবতী
বুদ্ধিমতী
৩৪২) আফিয়া হামিদা=  পুণ্যবতী
প্রশংসাকারিনী
৩৪৩) আফিয়া হুমায়রা = পুণ্যবতী
রূপসী
৩৪৪) আফিয়া ইবনাত = পুণ্যবতী
কন্যা
৩৪৫) আফিয়া মাহমুদা = পুণ্যবতী
প্রশংসিতা
৩৪৬) আফিয়া মালিহা = পুণ্যবতী
রূপসী
৩৪৭) আফিয়া মাসুমা = পুণ্যবতী
নিষ্পাপ ‘
৩৪৮) আফিয়া মাজেদা = পুণ্যবতী
মহতি
৩৪৯) আফিয়া মুবাশশিরা = পুণ্যবতী
সুসংবাদ বহনকারী
৩৫০) আফিয়া মুকারামী = পুণ্যবতী
সম্মানিতা
৩৫১) আফিয়া মুনাওয়ারা = পুণ্যবতী
দিপ্তীমান
৩৫২) আফিয়া মুরশিদা = পুণ্যবতী পথ
প্রদর্শিকা
৩৫৩) আফিয়া মুতাহারা = পুণ্যবতী
পবিত্র
৩৫৪) আফ;য়া নাওয়ার = পুণ্যবতী ফুল
৩৫৫) আফিয়া সাহেবী = পুণ্যবতী
বান্ধবী
৩৫৬) আফিয়া সাইয়ারা=  পুণ্যবতী
তারা
৩৫৭) আফরা আনিকা = সাদা রূপসী
৩৫৮) আফরা আনজুম = সাদা তারা
৩৫৯) আফরা আসিয়া=  সাদা স্তম্ভ
৩৬০) আফরা বশীরা = সাদা উজ্জ্বল
৩৬১) আফরা গওহর = সাদা মুক্তা
৩৬২) আফরা ইবনাত = সাদা কন্যা
৩৬৩) আফরা নাওয়ার=  সাদা ফুল
৩৬৪) আফরা রুমালী = সাদা কবুতর
৩৬৫) আফরা সাইয়ারা = সাদা
তারা
৩৬৬) আফরা ওয়াসিমা = সাদা
রূপসী
৩৬৭) আফরা ইয়াসমিন = সাদা
জেসমিন ফুল
৩৬৮) আইদাহ = সাক্ষাৎকারিনী
৩৬৯) আশেয়া = সমৃদ্ধিশীল
৩৭০) আমিনাহ=  বিশ্বাসী
৩৭১) আনবার উলফাত = সুগন্ধী
উপহার
৩৭২) অনিন্দিতা = সুন্দরী
৩৭৩) আনিকা=  রূপসী
৩৭৪) আনিসা=  বন্ধু সুলভ
৩৭৫) আনিসা বুশরা = সুন্দর শুভ
নিদর্শন
৩৭৬) আনিসা গওহর = সুন্দর মুক্তা
৩৭৭) আনিসা নাওয়ার = সুন্দর ফুল
৩৭৮) আনিসা রায়হানা=  সুন্দর
সুগন্ধী ফুল ‘
৩৭৯) আনিসা শামা = সুন্দর
মোমবাতি
৩৮০) আনিসা শার্মিলা = সুন্দর
লজ্জাবতী
৩৮১) আনিসা তাবাসসুম=  সুন্দর
হাসি
৩৮২) আনিসা তাহসিন =  সুন্দর উত্তম
৩৮৩) আনতারা আসীমা =
বীরাঙ্গনা সতীনারী
৩৮৪) আনতারা আনিকা =
বীরাঙ্গনা সুন্দরী
৩৮৫) আনতারা আনিসা= 
বীরাঙ্গনা কুমারী
৩৮৬) আনতারা আজিজাহ =
বীরাঙ্গনা সম্মানিতা
৩৮৭) আনতারা বিলকিস= 
বীরাঙ্গনা রানী
৩৮৯) আফিয়া শাহানা = পুণ্যবতী
রাজকুমারী
৩৯০) আফিয়া জাহিন = পুণ্যবতী
বিচক্ষন
৩৯১) আফিয়া যয়নাব = পুণ্যবতী
রূপসী
৩৯২) আফিফা সাহেবী = সাধবী
বান্ধবী
৩৯৩) আফরা আবরেশমী = সাদা
সিল্ক
৩৯৪) আনতারা ফাহমিদা =
বীরাঙ্গনা বুদ্ধিমতী
৩৯৫) আনতারা ফায়রুজ =
বীরাঙ্গনা সমৃদ্ধিশালী ‘
৩৯৬) আনতারা হামিদা =
বীরাঙ্গনা প্রশংসাকারিনী
৩৯৭) আনতারা হোমায়রা= 
বীরাঙ্গনা সুন্দরী
৩৯৮) আনতারা খালিদা=
বীরাঙ্গনা অমর
৩৯৯) আনতারা লাবিবা= 
বীরাঙ্গনা জ্ঞানী
৪০০) আনতারা মালিহা= 
বীরাঙ্গনা রূপসী
৪০১)  আনতারা মাসুদা= 
বীরাঙ্গনা সৌভাগ্যবতী
৪০২)  আনতারা মুকাররামা =
বীরাঙ্গনা সম্মানীতা
৪০৩)  আনতারা মুরশিদা= 
বীরাঙ্গনা পথ প্রদর্শিকা
৪০৪) আনতারা রাইদাহ =
বীরাঙ্গনা নেত্রী
৪০৫) আনতারা রাইসা= 
বীরাঙ্গনা রানী
৪০৬)  আনতারা রাশিদা=
বীরাঙ্গনা বিদূষী
৪০৭)  আনতারা সাবিহা =
বীরাঙ্গনা রূপসী
৪০৮) আনতারা শাহানা= 
বীরাঙ্গনা রাজকুমারী
৪০৯) আনতারা শাকেরা =
বীরাঙ্গনা কৃতজ্ঞ
৪১০) আনতারা সামিহা= 
বীরাঙ্গনা দানশালী
৪১১) আতকিয়া বাশীরাহ= 
ধার্মিক সুসংবাদদানকারীনী
৪১২) আসমা আফিয়া = অতুলনীয়
পুণ্যবতী
৪১৩)  আসমা আনিকা = অতুলনীয়
রূপসী
৪১৪) আসমা আনিসা = অতুলনীয়
কুমারী
৪১৫) আসমা আকিলা=  অতুলনীয়
বুদ্ধিমতী
৪১৬) আসমা আতেরা = অতুলনীয়
সুগন্ধী
৪১৭) আসমা আতিকা = অতুলনীয়
সুন্দরী
৪১৮) আসমা আতিয়া = অতুলনীয়
দানশীল
৪১৯) আসমা গওহার = অতুলনীয় মুক্তা
৪২০) আসমা হোমায়রা=  অতুলনীয়
সুন্দরী
৪২১) আসমা মালিহা=  অতুলনীয়
রূপসী
৪২২) আসমা মাসুদা = অতুলনীয়
সৌভাগ্যবতী
৪২৩) আসমা নাওয়ার=  অতুলনীয় ফুল
৪২৪) আসমা রায়হানা = অতুলনীয়
সুগন্ধী ফুল
৪২৫) আসমা সাবিহা=  অতুলনীয়
রূপসী
৪২৬) আসমা সাদিয়া=  অতুলনীয়
সৌভাগ্যবতী
৪২৭) আসমা সাহেবী = অতুলনীয়
বান্ধবী
৪২৮) আসমা সাহানা = অতুলনীয়
রাজকুমারী
৪২৯) আসমা তাবাসসুম = অতুলনীয়
হাসি
৪৩০) আসমা তারাননুম = অতুলনীয় গুন
গুন শব্দ
৪৩১) আসমা উলফাত = অতুলনীয়
উপহার
৪৩২) আতেরা  =  সুগন্ধী
৪৩৩) আতিকা  =  সুন্দরী
৪৩৪) আতিকা তাসাওয়াল=  সুন্দর
সমতা
৪৩৫) আতকিয়া ফারিহা = ধার্মিক
সুখী
৪৩৬) আতিয়া আদিবা = দালশীল
শিষ্টাচারী
৪৩৭) আতিয়া আফিয়া = দানশীল
পূর্নবতী
৪৩৮) আতিয়া আফিফা=  দানশীল
সাধবী বান্ধবী
৪৩৯) আতিয়া আয়েশা = দানশীল
সমৃদ্ধিশালী
৪৪০) আতিয়া আনিসা=  দালশীলা
কুমারী
৪৪১) আতিয়া আজিজা = দানশীল
সম্মানিত
৪৪২) আতিয়া বিলকিস=  দানশীল
রানী
৪৪৩) আতিয়া ফিরুজ = দানশীল
সমৃদ্ধিশীলা
৪৪৪) আতিয়া হামিদা = দানশীল
প্রশংসাকারিনী
৪৪৫) আতিয়া হামিনা=  দানশীল
বান্ধবী
৪৪৬) আতিয়া ইবনাত=  দানশীল
কন্যা
৪৪৭) আতিয়া যয়নব = দানশীল রূপসী
৪৪৮) আতিয়া মাহমুদা = দানশীল
প্রসংসিতা
৪৪৯) আতিয়া মাসুদা=  দানশীল
সৌভাগ্যবতী
৪৫০) আতিয়া রাশীদা=  দানশীল
বিদূষী
৪৫১) আতিয়া সাহেবী = দানশীল
রূপসী
৪৫২) আতিয়া সানজিদা = দানশীল
বিবেচক
৪৫৩) আতিয়া শাহানা = দানশীল
রাজকুমারী
৪৫৪) আতিয়া শাকেরা = দানশীল
কৃতজ্ঞ
৪৫৫) আতিয়া তাহিরা = দানশীল
সতী
৪৫৬) আতিয়া উলফা = সুন্দর উপহার
৪৫৭) আতিয়া ওয়াসিমা = দানশীল
সুন্দরী
৪৫৮) আতকিয়া গালিবা= 
ধার্মিক বিজয়ীনি
৪৫৯) আতকিয়া আবিদা = ধার্মিক
ইবাদতকারিনী
৪৬০) আতকিয়া আদিবা=  ধার্মিক
শিষ্টাচারী
৪৬১) আতকিয়া আদিলা = ধার্মিক
ন্যায় বিচারক
৪৬২) আতিয়া আফিয়া = ধার্মিক
পুণ্যবতী
৪৬৩) আতকিয়া আয়েশা = ধার্মিক
সমৃদ্ধিশালী
৪৬৪) আতকিয়া আমিনা = ধার্মিক
বিশ্বাসী
৪৬৫) আতকিয়া আনিকা = ধার্মিক
রূপসী
৪৬৬) আতকিয়া আনিসা = ধার্মিক
কুমারী
৪৬৭) আতকিয়া আনজুম = ধার্মিক
তারা
৪৬৮) আতকিয়া আনতারা = ধার্মিক
বীরাঙ্গনা
৪৬৯) আতিয়া আকিলা=  ধার্মিক
বুদ্ধমতী
৪৭০) আতকিয়া আসিমা = ধার্মিক
কুমারী
৪৭১) আতকিয়া আতিয়া= ধার্মিক
দানশীল
৪৭২) আতকিয়া আয়মান = ধার্মিক
শুভ
৪৭৩) আতকিয়া আজিজাহ =
ধার্মিক সম্মানিত
৪৭৪) আতকিয়া বাসিমা = ধার্মিক
হাস্যোজ্জ্বল
৪৭৫) আতকিয়া বিলকিস = ধার্মিক
রানী
৪৭৬) আতকিয়া বুশরা=  ধার্মিক শুভ
নিদর্শন
৪৭৭) আতকিয়া ফাবলীহা =
ধার্মিক অত্যন্ত ভাল
৪৭৮) আতকিয়া ফাহমিদা =
ধার্মিক বুদ্ধিমতি
৪৭৯) আতকিয়া ফাইরুজ = ধার্মিক
সমৃদ্ধিশালী
৪৮০) আতকিয়া ফাইজা=  ধার্মিক
বিজয়ীনি
৪৮১) আতকিয়া ফাখেরা =
ধার্মিক মর্যাদাবান
৪৮২) আতকিয়া ফান্নানা= 
ধার্মিক শিল্পী
৪৮৩) আতকিয়া ফারজানা =
ধার্মিক বিদূষী
৪৮৪) আতকিয়া ফাওজিয়া =
ধার্মিক সফল
৪৮৫) আতকিয়া হামিদা = ধার্মিক
প্রশংসাকারিনী
৪৮৬) আতকিয়া হামিনা=  ধার্মিক
বান্ধবী
৪৮৭) আতকিয়া জালিলাহ= 
ধার্মিক মহতী
৪৮৮) আতকিয়া জামিলা =
ধার্মিক রূপসী
৪৮৯) আতকিয়া লাবিবা = ধার্মিক
জ্ঞানী
৪৯০) আতকিয়া মাদেহা=  ধার্মিক
প্রশংকারিনী
৪৯১) আতকিয়া মাহমুদা = ধার্মিক
প্রশংসিতা
৪৯২) আতকিয়া মায়মুনা = ধার্মিক
ভাগ্যবতী
৪৯৩) আতকিয়া মালিহা=  ধার্মিক
রূপসী
৪৯৪) আতকিয়া মাসুমা = ধার্মিক
নিষ্পাপ
৪৯৫) আতকিয়া মোমেনা =
ধার্মিক বিশ্বাসী
৪৯৬) আতকিয়া মুকাররামা =
ধার্মিক সম্মানিত
৪৯৭) আতকিয়া মুনাওয়ারা =
ধার্মিক দীপ্তিমান
৪৯৮) আতকিয়া মুরশিদা = ধার্মিক
প্রশংসিতা
৪৯৯) আতকিয়া সাদিয়া=  ধার্মিক
সৌভাগ্যবতী
৫০০) আতকিয়া সাঈদা = ধার্মিক পুণ্যবতী