Showing posts with label Seo tricks. Show all posts
Showing posts with label Seo tricks. Show all posts

Tuesday, September 4, 2018

বেশি বেশি ভিজিটর পাওয়ার জন্য যেসব Search Engine গুলোতে আপনার ওয়েব সাইট সাবমিট করা অতি প্রয়োজন

আসসালামু আলাইকুম, শুধু Google এ ব্লগ বা ওয়েব সাইট কে Submit করলেই হবে না অধিক ভিজিটর পাওয়ার জন্য এবং সফল ব্লগিং করতে হলে আপনাকে নাম করা Search Engine গুলোতে অবশ্যই আপনার ব্লটির জন্য আলাদা ভাবে সাবমিট করতে হবে।




আপনাকে অবশ্যই ভালো ও শক্তিশালী ব্যকলিংক (Backlink) তৈরি করতে হবে এবং তা না হলে কোন সার্চ ইঞ্জিন এ আপনার সাইট এর জন্য অবস্থান হবে না। তাই ভালোভাবে প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এ আপনার সাইটকে সাবমিট করতে হবে এবং পাশাপাশি নাম করা বড় বড় ওয়েব সাইট এ আপনার ব্লগ বা সাইট এর জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে।

নিচে কিছু সার্চ ইঞ্জিন এর লিংক দেওয়া হলো এবং Google এ যে ভাবে সাবমিট করেছেন টিক একই ভাবে এই সাইট গুলোতেও করতে হবে।

সাইট সাবমিট এর পূর্বে কয়েকটি বিষয় মনে রাখতে হবে।সার্চ ইঞ্জিন এ সাইট সাবমিট করার জন্য কোনো টাকা লাগে না এবং আর টাকা দিয়ে কোন সাইট এর জন্য কাজ করলে সেইট কাজ ভালো হয় না বরং সাইট এর জন্য ক্ষতি বয়ে আনে। তাই নিজের সাইট এর জন্য নিজে কষ্ট করুন। এবার নিচের লিংক গুলোতে এ গিয়ে সাইটটি ভালোভাবে সাবমিট করুন।

http://submit.search.yahoo.com

http://www.bing.com/toolbox/submit-site-url

http://webmaster.yandex.com/addurl.xml

http://zhanzhang.baidu.com/sitesubmit/index

প্রতিটি সাইট সাবমিট করার দুই সপ্তাহ পার হওয়ার পর যদি কোন সার্চ ইঞ্জিন Indexing না করে তবে আপনার সাইটটি সাবমিট এর চার সপ্তাহ পর পুনরাই সাবমিট করবেন এর আগে না কিন্তু। কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন।

আল্লাহ হাফেজ।

ব্লগে Custom Robots txt এবং Custom robots header tags করার উপায়




কিভাবে আপনার ব্লগার ব্লগ এর Custom Robots txt এবং Custom robots header tags যুক্ত করবেন?

আসসালামু আলাইকুম, ব্লগার ব্লগ এর Custom Robots txt এবং Custom robots header tags খুব দরকারি একটা জিনিস Seo এর ক্ষেত্রে। তাহলে আর দেরি না করে নীচে থেকে দেখে নিন কিভাবে কাজ টি করবেন।

 User-agent: *
Disallow: /search
Allow: /

Sitemap: http://netpriyo.blogspot.com/atom.xml?redirect=false&start-index=1&max-results=500

বি.দ্র: netpriyo এর জাগায় আপনার সাইটের নাম দিন।

উপরের কোড গুলোকে কপি করে নিন।

এবার ব্লগ এর ড্যাশবোর্ড থেকে Settings এ ক্লিক করে Search Preferences এ ক্লিক করে Custom Robots txt এ ক্লিক করুন তারপর উপরে কপি করা কোডটি সেখানে পেস্ট করুন। নীচের চিত্রে দেখুন।




এবার সেভ করুন। এর পর তার নিচের Custom robots header tags সেটিং নিচের চিত্রের মত করে দিন।


সেভ করে বেরি আসুন। ব্যাস হয়ে গেল।


  1. আজ এ পর্যন্তই! আল্লাহ হাফেজ।

SEO - CSS Sitemap তৈরি করুন আপনার ব্লগ সাইটে

আসসালামু অলাইকুম বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন আশাকরি আল্লাহর রহমতে সবাই খুব ভালো ও সুস্থ আছেন। যাই হোক আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো দারুন একটি সাইট ম্যাপ ওয়েডগেট ব্লগার ব্লগের জন্য । অনেকে আবার ভেবে বসতে পারেন এটা আবার সার্চ ইঞ্জিন সাইট ম্যাপ নাকি ? তাদের জন্য বলে রাখি এটি সেই সাইট ম্যাপ না । এটার কাজ আপনার ব্লগের বিভিন্ন বিভাগ এর পোস্ট গুলোকে ভাগ ভাগ করে ম্যাপ আকারে দেখানো । আজকে এই সাইট ম্যাপ টি সম্পূর্ণ JavaScript and CSS দিয়ে তৈরি । আমি নিজেও এটা ব্যবহার করি আপনারা আমার ব্লগের সাইট ম্যাপ ট্যাবে ক্লিক করলেই বুঝতে পারবেন । তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে আপনার ব্লগে সাইট JavaScript and CSS সাইট ম্যাপ ব্যবহার করবেন।





☞ এটা খুবি মজার এবং কার্যকারী একটি ওয়েডগেট বিশেষ করে ব্লগার ব্লগের জন্য । কারন অনেক সময় ব্লগার তার দরকারি পোস্ট আপনার ব্লগে পাচ্ছে না এমন কি সার্চ দিয়েও না তখুন সেই ভিজিটর এই পথ অবলম্বন করে খুব সহজে খুজে পাবেন এক কথাই ভিজিটর ধরে রাখতে এটা খুবি দরকারি । তাহলে নীচে থেকে দেখে নিন কিভাবে এই Site map আপনার ব্লগার ব্লগে অ্যাড করবেন ।

কিভাবে এই সাইট ম্যাপ আপনার ব্লগার ব্লগে যুক্ত করবেন নীচের স্টেপ গুলো দেখুনঃ-



১// আপনার ব্লগার ব্লগ লগইন করুন ড্যাশবোর্ড থেকে Pages অপশনে ক্লিক করুন ।

২// এবার New page এ ক্লিক করুন । পেইজের নাম দিন Sitemap. নীচের চিত্রে দেখুন ।




৩// এবার যে পেজ আসবে সেখান থেকে HTML ট্যাবে ক্লিক করুন । নীচের চিত্র দেখুন ।




এবার HTML বাটনে ক্লিক করে নিচের কোড টুকু কপি করে পেষ্ট করে দিন এবং পেইজ টি পাবলিশ করে দিন?


<style type="text/css">
#toc{
width:99%;
margin:5px auto;
border:1px solid #15C1F9;
-webkit-box-shadow:4px 4px 8px 2px rgba(0,0,0, 0.2);
-moz-box-shadow:4px 4px 8px 2px rgba(0,0,0, 0.2);
box-shadow:4px 4px 8px 2px rgba(0,0,0, 0.2);
}
.labl{
color:#15C1F9;
font-weight:bold;
margin:0 -5px;
padding:1px 0 2px 11px;
background:-moz-linear-gradient(right,#15C1F9 0%,#15C1F9 40%);
background:-webkit-gradient(linear,left 10,right 80,color-stop(0.20,#152AF9),color-stop(1,#152AF9));
border:1px solid #2D96DF;
border-radius:4px;-moz-border-radius:4px;
-webkit-border-radius:4px;box-shadow:3px 3px 1px #bbb;
-moz-box-shadow:3px 3px 1px #BB15F9;-webkit-box-shadow:3px 3px 1px #BB15F9;display:block;
}
.labl a{
color:#fff;
}
.labl:first-letter{t
ext-transform:uppercase;
}
.new{
color:#BB15F9;
font-weight:bold;
font-style:italic;
}
.postname{
font-weight:normal;
background:-moz-linear-gradient(right,#EC15F9 0%,#fff 40%);
background:-webkit-gradient(linear,left 80,right 10,color-stop(0.60,#fff),color-stop(1,#EC15F9));
}
.postname li{
border-bottom: #F915BB 1px dotted;
margin-right:5px
} </style>

<br />
<div id="toc">
<script src="https://googledrive.com/host/0ByNodV_m9cVLR0pmWFgwZ1NmdW8/" type="text/javascript"></script>
<script src="http://www.netpriyo.blogspot.com/feeds/posts/default?max-results=9999&amp;alt=json-in-script&amp;callback=loadtoc">

</script></div>
তারপর Publish বাটনে ক্লিক করুন । ব্যাস এবার View তে ক্লিক করে দেখে আসুন কেমন হয়েছে ।

তারপর আপনার এই পেজের লিংক আপনার সাইটে Sitemap নামে যোগ করে দিন। ব্যস, কাজ শেষ।

☞ আপনি চাইলে এই সাইট ম্যাপ টিকে আপনার মেনু বারেও ব্যবহার করতে পারেন ঠিক যেমন আমি ব্যবহার করছি এর জন্য আপনাকে View তে ক্লিক করে লিঙ্ক টিকে কপি করে নিতে হবে এবং সেই লিঙ্ক আপনি আপনার মেনু বারে ব্যবহার করতে পারবেন ।



☞ তাহলে আজকের মতো এই পর্যন্ত পোস্টটি বুজতে কোন সমস্যা হলে আমাকে যানাবেন আমি আছি হেল্প করবো । ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন । ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং আমার জন্য আল্লাহ্‌ এর কাছে একটু দোয়া করবেন । আল্লাহ্‌ হাফেজ ।

SEO - Meta Tags কী? যেভাবে আপনার ব্লগে মেটা ট্যাগ যোগ করবেন?

Meta Tag কি? এর প্রয়োজনীয়তা? কিভাবে ব্লগার এ META TAG যোগ করবেন?



আসসালামু আলাইকুম, SEO জন্য Meta Tag অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। মেটা ট্যাগ হল একধরনের HTML কোড। যার মাধ্যমে আপনার ব্লগ কি সম্পর্কে তা সার্চ ইঞ্জিন ও ভিসিটর জানতে পারে। মেটা ট্যাগে অনেকগুলা বিষয় জড়িত থাকে যেমনঃ- ব্লগের বিবরন, ব্লগের কি ওয়ার্ড, ব্লগের মালিকের নাম, robots ইত্যাদি।

Meta Tag এর প্রয়োজনীয়তা:


মেটা ট্যাগ এর সাহায্যে সার্চ ইঞ্জিন একি সাথে ভিসিটর আপনার ব্লগ সম্পর্কে জানতে পারে।আমরা সকল ব্লগার দের একটাই চাওয়া বেশি বেশি ভিসিটর, কারন বেশি ভিসিটর মানে বেশি বেশি আয়। আমরা সকলেই চাই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিসিটর আসুক যেমন গুগল।
আপনার সাইট কি সম্পর্কে এটা গুগলকে না জানালে গুগল কিভাবে আপনার সাইটে ভিসিটর পাঠাবে? meta tag এর সাহায্যে গুগল সহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট সম্পর্কে অবগত হবে, তাই যখন কোন ভিসিটর কিছু সার্চ করে। আপনার সাইটে যদি এই বিষয়ে লিখা থাকে, তাহলে সার্চ ইঞ্জিন ওই ভিসিটর কে আপনার সাইটে পাঠিয়ে দিবে। আশা করি meta tag এর প্রয়োজনীয়তা বুঝাতে পেরেছি।

কিভাবে ব্লগার এ META TAG যোগ করবেন?

মেটা ট্যাগ কি? প্রয়োজনীয়তা বুঝেছেন এখন যোগ করার পালা। নিচের দাপ গুলা দেখে যোগ করে ফেলুন :

প্রথমে আপনার ব্লগার একাউন্টে লগিন করুন।

তারপর চলে যান blogger dashboard>>template>>edit template

কোন কিছু পরিবর্তন করার পূর্বে টেমপ্লেট ডাউনলোড করে রাখুন।

বর্তমানে সব template এ মেটা ট্যাগ এর কোড দেয়া থাকে। দেখুন আপনার টেমপ্লেটে নিচের কোড আছে কিনা।description ও keyword


যদি থাকে ভাল। না থাকলে নিচের কোড কপি করে <head> এই কোড এর নিচে পেস্ট করে দিন এই কোড এর নিচে পেস্ট করে দিন

<b:if cond='data:blog.url == data:blog.homepageUrl'>
<META NAME="Description" CONTENT="আপনার ব্লগারের বিবরন দিন" />
</b:if>
<META NAME="Keywords" CONTENT=" আপনার কি ওয়ার্ড গুলা কমা দিয়ে লিখুন" />
<META NAME="Author" CONTENT="আপনার  নাম " />
<META NAME="Robots" CONTENT="All" /> 


 আপনার ব্লগার বিবরন দিন = এখানে আপনার ব্লগ কি সম্পর্কে তা আলোচনা করুন, তবে খেয়াল রাখবেন ১৫০ ওয়ার্ড এর বেশি যেন না হয়। সুবিদার জন্য আমার ব্লগের বিবরন দেখুন?

আপনার কি ওয়ার্ড গুলা কমা দিয়ে লিখুন  = এখানে আপনার ব্লগের কি ওয়ার্ড বসাতে হবে।কি ওয়ার্ড বলতে আপনার ব্লগ কি সম্পর্কে তা সংক্ষেপে কি ওয়ার্ড আকারে লিখতে হবে। ব্লগের জন্য কি ওয়ার্ড অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি বিভিন্ন কি ওয়ার্ড রি সার্চ টুল ব্যাবহার করতে পারেন। সুবিদার জন্য আমার কি ওয়ার্ড দেখতে পারেন।

প্রত্যেকটা কি ওয়ার্ড এর মাঝে কমা দিয়ে আলাদা করে দিন। বেশি কি ওয়ার্ড ব্যাবহার করবেন না।

ব্যাস এবার  save template এ ক্লিক করুন। আপনার কাজ শেষ।

করতে গিয়ে কোন সমসসা হলে কমেন্টে জানাবেন। 


প্রয়োজনীয় কিছু Meta Tag:

keywords- Meta Tag

SEO জন্য এই মেটা ট্যাগটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থকে।এই Meta Tag এর মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিন গুলোকে আপনার সাইটের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানাতে পারেন।চমৎকার ও সুন্দর কী-ওয়ার্ড বাছাইয়ের মাধ্যমে আপনি আপনার SEO তে কাংখিত ফলাফল পেতে পারেন।keywords- Meta Tag টি এমন
< meta name="keywords" content="some keyword,another keyword" />
এক একটি কী-ওয়ার্ড এর পর কমা, ব্যবহার করুন।

Description- Meta Tag

এই মেটা ট্যাগটিও ওয়েব সাইটের জন্য গুরুত্বপূর্ন।এটি সার্চ ইন্জিন এ আপনার সাইটের মুল বিষয়গুলোকে তুলে ধরে।মুলত আপনার সাইটে কি আছে তা বুঝানোর জন্য এ ট্যাগটি ব্যবহার করা হয়।Meta Tag টি এমন
< meta name="description" content="A blurb to describe the content of the page appears here"/>
author- Meta Tag
এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনি ভিজিটরদের জানাতে পারেন সাইটটি কে করেছে বা লিখেছে।Meta Tag টি এমন
<meta name="author" content="your name" />

Revisit-After- Meta Tag

এই মেটা ট্যাগ টি ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট একটি নিদিষ্ট্ সময় অন্তর অন্তর আপনার সাইট ভিজিট করে ইনডেক্স করবে।
<meta name="revisit" content="15 days"/>
যেমন এই ট্যাগটি ব্যবহার করলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট আপনার সাইটটি ১৫ দিন পর পর রিভিজিট করবে। আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী সময় পরির্বতন করে দিতে পারেন।

Refresh- Meta Tag

এই মেটা ট্যাগটিও বেশ প্রয়োজনীয়। যারা প্রতি মিনিটে মিনিটে সাইট আপডেট করে তারা এই মেটা ট্যাগটি থেকে উপকার পাবে। ভিজিটররা এরকম সাইট বার বার রিফ্রেশ করতে বিরক্ত বোধ করে। তাই এই ট্যাগের মাধ্যমে আপনিই অটো রিফ্রেশ এর সময় বেধে দিতে পারেন। এই মেটা ট্যাগ ব্যবহার করলে একটা নিদির্ষ্ট সময় পর পর আপনার সাইট অটো রিফ্রেশ হবে
<meta http-equiv="refresh" content="600">
এ ট্যাগটি সাইটে যোগ করার ফলে ৬০০ সেকেন্ড পর পর মানে ৫ মিনিট পর পর সাইট অটোরিফ্রেশ হবে।

Robots- Meta Tag

এই মেটা ট্যাগটি সার্চ ইন্জিন এর জন্য অনেক বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। এই ট্যাগের মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিন এর রোবট কে জানতে পারেন আপনার সাইটকে সে ইনডেক্স করবে কি করবে না। যদি আপনি এ ট্যাগটি
<META NAME="ROBOTS" CONTENT="INDEX,FOLLOW">
ব্যবহার করেন তাহলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট বুঝবে আপনার সাইট তারা ইনডেক্স করতে পারে। আর যদি এ ট্যাগটি
<META NAME="ROBOTS" CONTENT="NOINDEX, NOFOLLOW">
ব্যবহার করেন তাহলে সার্চ ইন্জিন এর রোবট বুঝবে আপনি আপনার সাইটকে ইনডেক্স না করার জন্য বলছেন।
robots এর আর কিছু প্রয়োজনীয় মেটা ট্যাগ রয়েছে। যেমন:

ARCHIVE- Meta Tag

এ ট্যাগের মাধ্যমে আপনি সার্চ ইন্জিনে আপনার সকল ডাটা আর্কাইভ আকারে রাখতে পারেন। আর্কাইভ আকারে রাখতে চাইলে এই ট্যাগটি <meta name=”robots” content=”ARCHIVE” /> আর তা যদি না চান তাহলে ><meta name=”robots” content=”NOARCHIVE” /> ট্যাগটি ব্যবহার করুন।

ODP/YDIR- Meta Tag

ODP মানে হল DMOZ ওপেন ডিরেক্টরি প্রজেক্ট। যখন একটি সাইট থেকে গুগল সার্চ ইন্জিন এর রোবট কোন description ট্যাগ পায়না তখন তারা DMOZ এর সাহায়্য নেয়। তারা DMOZ থেকে ত্য নিয়ে সাইটের description দেয়।আপনি যদি মনে করেন গুগলকে এ ধরনের কাজ হতে বিরত রাখতে তাহলে <meta name=”robots” content=”NOODP” />
এই ট্যাগটি দিতে পারেন। আর যদি মনে করেন তারা কাজটি করুক তাহলে <meta name=”robots” content=”ODP” /> দিয়ে দিন।
গুগলের মত ইয়াহু ও এ কাজ করে থাকে।তবে এক্ষেত্রে ইয়াহুর তাদের নিজেস্ব ওপেন ডিরেক্টরি প্রজেক্ট (YDIR) ব্যবহার করে থাকে।তাই ইয়াহুর ক্ষেত্রে
<meta name=”robots” content=”NOYDIR” />
ও<meta name=”robots” content=”YDIR” />
কোড গুলো দিতে পারেন।
ইন্টারনেটে বিভিন্ন সার্চ ইন্জিন রয়েছে বিশেষ কিছু সার্চ ইন্জিন এর জন্য আলাদা আলাদা robots মেটা ট্যাগ ব্যবহার করা হয় যেমন
গুগলের জন্য <meta name="googlebot" content=”index">
ইয়াহুর জন্য <meta name="Slurp" content=”index">
MSN এর জন্য <meta name="msnbot" content=”index">

Language META Tag

এই মেটা ট্যাগের মাধ্যমে আপনি আপনার সাইট টি কোন ভাদায় লেখা তা জানাতে পারেন। সাধারণত বেশীর ভাগ সাইটটে ইংরেজী ভাষা ব্যবহার করা হয়। এই ট্যাগটি এমন
<META HTTP-EQUIV="Content-Language" content="EN">

আজ এ পর্যন্তই! আল্লাহ হাফেজ।

Monday, September 3, 2018

SEO - ব্লগে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য ১০টি Off Page Optimization টিপস





ব্লগে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য সেরা ১০টি অফ-পেজ এস.ই.ও টিপস !

ব্লগ বা সাইট এর ভিজিটর বাড়ানোর জন্য এস.ই.ও. (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন) খুবই গুরুত্বপূর্ণ যার কারনে অনেক নতুন ব্লগাররাই ব্লগিং এ সফল হতে পারেন না। এস.ই.ও. কে মুলত দুইটা ভাগে ভাগ করা হয়েছে, অন-পেজ এস.ই.ও. এবং অফ-পেজ এস.ই.ও.। আপনার ব্লগের পরিপূর্ণ এস.ই.ও. এর জন্য দুইটাই খুবই গুরুত্ব বহন করে। যদি একটি ভালো-ভাবে করেন আর অন্যটি না করেন তাহলে আপনে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভালো ভিজিটর পাবেন না।



১. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করুন:

সার্চ ইঞ্জিন থেকে অনেক পরিমান ট্রাফিক এবং ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। জনপ্রিয় কিছু সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমন ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, পিন্টারেস্ট ইত্যাদি সাইটগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই অনেক রেফারেল ট্রাফিক পাওয়া যায়। আপনি শুধু মাত্র এই সাইটগুলাতে ভালোভাবে প্রোফাইল তৈরী করুন এবং আপনার প্রোফাইলকে ভালোভাবে সাজান। অন্যান্য ব্লগারদের সাথে যুক্ত হোন এবং তাদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলুন। তাদের মতামত জানার চেষ্টা করুন। প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগ এর নতুন নতুন পোষ্ট এর লিঙ্কগুলো শেয়ার করুন।

২. ব্লগ কমেন্টিং:

মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক এবং সেই সাথে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য ব্লগ কমেন্টিং একটি কার্যকর উপায়। আপনি খুব সহজেই ব্লগ কমেন্টিং এর মাধ্যমে অনেক মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক করতে পারবেন যা আপনার ব্লগ এর কীওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করতে অনেক সাহায্যে করবে। সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ এর সিমিলার কিছু ব্লগ খুঁজে বের করুন যাদের পেজ র‍্যাঙ্ক, এলেক্সা রেঙ্ক, ডোমেইন অথরিটি ভালো; তারপর নিয়মিত সেই ব্লগ গুলাতে কমেন্ট করুন। মনে রাখবেন, কমেন্ট করার সময় স্পাম করবেন না, সবসময় গঠনমূলক কমেন্ট করবেন, তাহলেই আপনার কমেন্ট এপ্রুভ হবে।

৩. ডিরেক্টরি সাবমিশন:

আপনার ব্লগ এর কীওয়ার্ড র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য এবং মানসম্মত ব্যাকলিঙ্ক পাবার জন্য ডিরেক্টরি সাবমিশন এখনো অনেক গুরুত্ব বহন করে। ডিরেক্টরি সাবমিট করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যাতে ডিরেক্টরি গুলার এলেক্সা র‍্যাঙ্ক, পেজ র‍্যাঙ্ক এবং ডোমেইন অথরিটি যাতে ভালো হয় (ডোমেইন অথরিটি যাতে ২০ এর কম না হয়)। যদি সম্ভব হয় তাহলে প্রতিটা ডিরেক্টরি এর জন্য ভিন্ন-ভিন্ন মেটা-ডিসক্রিপসন, মেটা কীওয়ার্ড আর ডিসক্রিপশন ব্যবহার করবেন। তাহলে খুব তাড়াতাড়ি আপনার লিঙ্ক এপ্রুভ হবে এবং সার্চ ইঞ্জিন থেকে দ্রুত ভালো ভিজিটর পাবেন।

৪. সোশ্যাল বুকমার্কিং:

ব্লগে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল বুকমার্কিং আরেকটি জনপ্রিয় উপায়। এর মাধ্যমে খুব সহজে এবং দ্রুত আপনে কোয়ালিটি ব্যাকলিঙ্ক পাবেন এবং সাথে সাথে আপনি অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন। ভালোমানের কিছু সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইট এর রেজিস্ট্রেশন করুন এবং সম্ভব হলে আপনার ব্লগ এর প্রতিটা পোষ্ট শেয়ার করুন।

৫. ফোরাম পোষ্টিং:

ফোরাম পোষ্টিং একটি পুরাতন অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা এখনো অনেক জনপ্রিয়। ফোরাম পোষ্ট এবং সিগনেচার থেকে খুব সহজেই ব্যাকলিঙ্ক পাওয়া যায় যা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়াতে সাহায্য করে। অনেকেই বলে সিগনেচার লিঙ্ক স্পাম হিসেবে গণ্য করা হয়, কিন্তু আপনি যদি গঠনমূলক পোষ্ট এবং ফোরামে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন তাহলে সিগনেচার লিঙ্ক স্পাম হিসেবে ধরা হয় না।

৬. আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাবমিশন:

আর্টিকেল ডিরেক্টরি সাবমিশন ও একটি পুরাতন টেকনিক, এটি যদি আপনি ঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে এখনো ভালো কাজে দেয়। আর্টিকেল সাবমিশন এর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক এবং অনেক রেফারেল ভিজিটর পাবেন।

৭. গেষ্ট পোষ্টিং:

গেষ্ট পোষ্টিং নতুনদের জন্য কিছুটা কঠিন হলেও একটি অনেক কার্যকরী একটি উপায়। এই সাহায্যে অনেক ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক এবং সেই সাথে অনেক রেফারেল ভিজিটর পাওয়া যায়। গেষ্ট পোষ্টিং এর সময় অবশ্যই মনে রাখবেন, আপনে যে ব্লগে গেষ্ট পোষ্ট করবেন সেই ব্লগ যাতে আপনার ব্লগ নিচে এর অনুরূপ হয়।

৮. আর.এস.এস. ফিড ডিরেক্টরি সাবমিশন:

আর.এস.এস. ফিড ডিরেক্টরি ভালোমানের ব্যাকলিঙ্ক এর জন্য ভালো একটি উৎস। সার্চ ইঞ্জিন এর সাহায্যে ভালো পেজ র‍্যাঙ্ক এবং এলেক্সা র‍্যাঙ্ক এর কিছু ফিড ডিরেক্টরি খুঁজে বের করুন তারপর সেই ডিরেক্টরিগুলোতে আপনার ব্লগ এর ফিড লিঙ্ক অথবা ব্লগ লিঙ্ক সাবমিট করুন। আপনার ব্লগে যখন নতুন পোষ্ট প্রকাশ করবেন তখন ফিড ডিরেক্টরি সয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পোষ্ট তাদের ডিরেক্টরিতে প্রকাশ করবে।

৯. লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ:

লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ আরেকটি পুরাতন অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা এখনো কার্যকরি যদি আপনি ঠিকমত করতে পারেন। কিছু থার্ড-পার্টি সাইট আছে যেগুলার সাহায্যে আপনি অন্যান্য ব্লগ/সাইট এর সাথে লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন। লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ এর সময় মনে রাখবেন, আপনে যেই সাইট/ব্লগ এর সাথে লিঙ্ক একচেঞ্জ করতেছেন সেটা যাতে আপনার ব্লগ এর সিমিলার হয়।

১০. ভিডিও মার্কেটিং:

ভিডিও মার্কেটিং বর্তমান সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি অফ-পেজ এস.ই.ও. টেকনিক যা দিয়ে সহজেই সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বাড়ানো সম্ভব। আপনার ব্লগ রিলেটেড কিছু ভিডিও তৈরি করুন তারপর সেইগুলা ইউটিউভ, ভিমো বা অন্যান্য ভিডিও শেয়ারিং সাইট এ পাবলিশ করুন। এতে করে আপনে মান-সম্মত ব্যাকলিঙ্ক ও পাবেন সাথে সাথে রেফারেল ভিজিটর ও পাবেন।

১০০টি SEO সাইটে সাবমিট করুন আপনার ওয়েব সাইটকে





আসসালামু আলাইকুম কেমন আছেন সবাই? আসা করছি ভাল আছেন আজকে আমি আপনাদের কাছে কিছু সাইট নিয়ে এলাম যেসব সাইটে আপনি খুব সহজে Seo করতে পারেন। এখানে ৭৯ টি সাইট লিষ্ট আছে ……!! আর যদি আপনাদের আরো লাগে তাহলে coments দিয়েন জানানোর চেষ্টা করব……। তাহলে আর কথা না বারাই চলুন দেখে আসি সাইটা গুলো………।।

→ প্রথমে দেখে নিন সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ ৪টি সাইটের লিস্ট।

http://submit.search.yahoo.com

http://www.bing.com/toolbox/submit-site-url

http://webmaster.yandex.com/addurl.xml

http://zhanzhang.baidu.com/sitesubmit/index


1 freeprwebdirectory.com
2 sitepromotiondirectory.com
3 archivd.com
4 britainbusinessdirectory.com
5 dirsharp.com
6 jayde.com
7 phantis.com
8 sumodirectory.com
9 ukinternetdirectory.net
10 usalistingdirectory.com
11 somuch.com
12 marketinginternetdirectory.com
13 submissionwebdirectory.com
14 vlshoura.com
15 alistsites.com
16 amray.com
17 busybits.com
18 domaining.in
19 littlewebdirectory.com
20 onemission.com
21 onlinesociety.org
22 operationuplink.org
23 rapidenetwork.eu
24 surfsafely.com
25 thetortellini.com
26 tsection.com
27 webworldindex.com
28 zensearch.com
29 1abc.org
30 1websdirectory.com
31 a1webdirectory.org
32 cruxdirectory.com
33 directory.classifieds1000.com
34 illumirate.com
35 uwab.org
36 baikalglobal.com
37 a-flat.org 5
38 obln.org
39 directory.edu.vn
40 livepopular.com
41 sercm.org
42 bestseodirectory.net
43 evolvingcritic.com
44 directory.org.vn
45 pakranks.com
46 movethewebforward.com
47 mfrancisco.com
48 seanwise.com
49 webxtend.com
50 247webdirectory.com
51 777media.com
52 viesearch.com
53 9sites.net
54 acewebdirectory.com
55 addsitelink.com
56 addurlguide.com
57 alistdirectory.com
58 allstatesusadirectory.com
59 amidalla.com
60 ananar.com
61 aoldir.com
62 arcaderocks.com
63 ausdirectory.org
64 babelea.org
65 bahiacar.com
66 businessseek.biz
67 cipinet.com
68 concasida2010.org
69 cyberwebsearch.com
70 digabusiness.com
71 directory4u.org
72 directorybin.com
73 directoryvault.com
74 diroo.org
75 e-migra.org
76 eliteweb.cc
77 ezistreet.com
78 fat64.net
79 freetoprankdirectory.com

ধন্যবাদ সাথেই থাকবেন………।।

ওয়েবসাইটের রেংকিং বাড়ানোর জন্য ৩০ টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস




সবাই গুগলে ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করাতে চায়। এই ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করার জন্য আমরা কত কিছুই না করি। অনেক কিছু করার পরও অনেকে র্যাঙ্ক করতে পারে না। কারণ তাদের কাজের মধ্যে অনেক ভুল থাকে। এই ভুল গুলো হওয়ার অন্যতম কারণ হল অনেকেই ওয়েবসাইট এসইও করার কাজ শুরু করে কিন্তু গুগল এর গুরুত্বপূর্ন র্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর গুলো না জেনেই। সে জন্য কোন কোন বিষয় গুলোর উপর গুরুত্ব দিলে বা কি কি করলে একটি ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করবে তা আগে জানতে হবে।
১. ডোমেইনের বয়স গুগল র্যাকিং এর একটি ফ্যাক্টর। যদিও একটি খুব বড় বিষয় নয় কিন্তু এটিও বিবেচনা করতে হবে।
২. ডোমেইনের মধ্যে কীওয়ার্ড থাকা একটি রিলেভেন্সি সিগন্যাল হিসেবে কাজ করে তাই ডোমেইন কেনার সময় কীওয়ার্ড যুক্ত ডোমেইন কেনার চেষ্টা করুন।
৩. ডোমেইনের মধ্যে যদি কোন দেশের এক্সটেনশন থাকে (যেমনঃ .bd, .cn, .pt. তাহলের সেই ডোমেইনটি ঐ দেশের জন্য ভালো র্যাঙ্ক করবে কিন্তু ওয়াল্ড ওয়াইড র্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে।
৪. একটি ওয়েবসাইটের URL ওয়েবসাইট র্যাঙ্কিং এ ভুমিকা রাখে। URL যদি বেশি লম্বা হয় তা র্যাঙ্কিং এর জন্য ঝুকিপূর্ন।
৫. URL এ কীওয়ার্ড ব্যবহার র্যাঙ্কিং এর জন্য ভালো। এটি রিলেভেন্সি সিগন্যাল প্রকাশ করে।
৬. টাইটেলে কীওয়ার্ড একটি ওয়েবসাইটকে র্যাঙ্কিং করতে সাহায্য করে। এটি হল একটি পেজের ২য় গুরুত্বপূর্ন বিষয়। যে টাইটেলটি কীওয়ার্ড দিয়ে শুরু হয় তা অন্য যে টাইটেলের শেষে কীওয়ার্ড থাকে তার থেকে রাঙ্কিং এ এগিয়ে থাকে।
৭. H1 ট্যাগ হল ২য় গুরুত্বপূর্ন ট্যাগ যা গুগল এর কাছে রেলিভেন্সি সিগন্যাল পাঠায়। তাই অবশ্যই H1 ট্যাগে কীওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।
৮. একটি কন্টেন্ট কতটুকু বড় তার উপর নির্ভর করে একটি ওয়েবসাইটের র্যাঙ্কিং। গুগল বড় কন্টেন্ট গুলো বেশি পছন্দ করে কারণ বড় কন্টেন্ট গুলোর মধ্যে কোন একটি বিষয়ের অনেক গুলো দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। পিলার আর্টিকেল এর ভ্যালু বেশি গুগল এর কাছে। পিলার আর্টিকেল বলতে ৩০০০ শব্দের আর্টিকেলকে বোঝানো হয়ে থাকে।
৯. কন্টেন্টের মধ্যে LSI কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। LSI কীওয়ার্ড হলো কীওয়ার্ডের সাথে সমার্থক বা সম্পর্কিত শব্দ। যেমনঃ SEO কীওয়ার্ডের সাথে সম্পর্কিত SEO Optimization, On page optimization ইত্যাদি সবগুলোই LSI কীওয়ার্ড। র্যাঙ্কিং এর জন্য কন্টেন্টে LSI কীওয়ার্ডের ব্যবহার করতে হবে।
১০. গুগল র্যাঙ্ক করার ক্ষেত্রে পেজ লোডিং স্পীডকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে। ওয়েব পেজের প্রত্যেকটি HTML কোড এবং ফাইল সাইজ গুগল র্যাঙ্কিং এ প্রভাব ফেলে।
১১. একজনের কন্টেন্ট কপি করে আরেকজন ব্যবহার করা গুগল এর কাছে একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য। ডুপ্লিকেট কন্টেন্টের ওয়েবসাইট গুগল র্যাঙ্ক করে না।
১২. ইমেজ অপ্টিমাইজেশন গুগল র্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্র একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ন ফ্যাক্টর। ইমেজের ফাইল নাম, Alt Tag, টাইটেল, ডেসক্রিপশন এবং ক্যাপশন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে গুগল এর কাছে রেলিভেন্সি সিগন্যাল যায়।
১৩. কীওয়ার্ড প্রমিনেন্স হল কন্টেন্টের প্রথম ১০০ ওয়ার্ডের মধ্যে কীওয়ার্ড থাকা কে বুঝায়। আপনার কীওয়ার্ড যদি কন্টেন্টের প্রথম ১০০ ওয়ার্ডের মধ্যে থাকে তাহলে র্যাঙ্কিং এর জন্য ভালো।
১৪. যখন কোন কীওয়ার্ড অর্ডার অর্থাৎ কীওয়ার্ড ফ্রেজের ওয়ার্ডগুলো গুছানো থাকে তখন সেই কীওয়ার্ড অগোছালো কীওয়ার্ডের তুলনায় ভালো র্যাঙ্ক করবে। যেমনঃ “Graphic Design Tutorial” এবং “Tutorial of Graphic Design” কীওয়ার্ড নিয়ে কাজ করলে “Graphic Design Tutorial” কীওয়ার্ডটি ভালো র্যাঙ্কিং করবে।
১৫. অথরিটি সাইটের সাথে ওয়েবসাইটে আউটবাউন্ড লিঙ্ক থাকলে তা র্যাঙ্কিং এ গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখে।
১৬. একটি ওয়েবসাইটের কন্টেন্টে গ্রামার এবং স্পেলিং সঠিকভাবে থাকেলে তা কোয়ালিটি সিগন্যাল প্রকাশ করে।
১৭. ওয়েবসাইটে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার গুগল র্যাঙ্কিং এ প্রভাব ফেলে মাল্টিমিডিয়া যেমনঃ ইমেজ, ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক্স এবং অডিও। ইউটিউব ভিডিও বিগ প্লাস হিসেবে কাজ করে।
১৮. একটি পেইজের মধ্যে অন্যান্য পেইজের সাথে কতগুলো ইন্টারনাল লিঙ্ক থাকে তা একটি র্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর। কারণ সেই লিঙ্ক গুলো অন্যন্য পেইজের সাথে সম্পর্ক এবং গুরুত্ব প্রকাশ করে।
১৯. একটি ওয়েবসাইটে অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক থাকবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি ওয়েবসাইটে অনেক বেশি অ্যাফিলিয়েট লিঙ্ক ব্যবহার করা হয় তাহলে সেই ওয়েবসাইট র্যাঙ্ক করা কঠিন হয়ে পড়বে।
২০. বুলেট এবং নাম্বার লিস্ট একটি ওয়েবসাইটের কন্টেন্টকে ভিজিটরের জন্য সহজ করে তুলে। সে জন্য বড় বড় মার্কেটারদের মতে কন্টেন্টে বুলেট এবং লিস্ট ব্যবহার করা গুগলের পছন্দ।
২১. একটি ওয়েবসাইটের অনেকটি কীওয়ার্ড র্যাঙ্ক হলে তা ভালো ওয়েবসাইটের লক্ষন। তাই কিছু কীওয়ার্ড র্যাঙ্ক করলে তা আপনার নতুন কীওয়ার্ডের র্যাঙ্ক করতে সাহায্য করবে।
২২. ওয়েবসাইট কতদিনে আপডেটেড হয় তাও গুগল র্যাঙ্কিং এর প্রভাব ফেলে। প্রতিনিয়ত আপডেটেড বা নতুন কন্টেন্ট যোগ হলে তার ওয়েবসাইটের ফ্রেশনেস প্রকাশ করে।
২৩. সাইটমেপ গুগলকে সহজে ইনডেক্স করতে সাহায্য করে এবং ভিজিবিলিটি বাড়ায়। তাই র্যাঙ্কিং এর সুবিধার্থে সাইট মেপ ব্যবহার করা উচিত।
২৪. ওয়েবসাইটের জন্য কোন রকম ডুপ্লিকেট মেটা ডেসক্রিপশন ব্যবহার করা যাবে না।
২৫. গুগল এর র্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি ফ্যাক্টর হলো, আপনার ওয়েবসাইট মোবাইল অপ্টিমাইজড হতে হবে। যেহতু এখন মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক এবং প্রতিনিয়ত বাড়ছে তাই মোবাইল অপ্টিমাইজড ওয়েবসাইটকে গুগল প্রাধান্য দিচ্ছে ।
২৬. পুরোনো ওয়েবসাইট থেকে তৈরি হওয়া ব্যাকলিঙ্ক র্যাঙ্কিং এর জন্য ভালো কাজ করে।
২৭. কন্টেন্ট এর মধ্যে আপনার মেইন কীওয়ার্ড যেনো একবার বোল্ড, একবার ইটালিক এবং একবার আন্ডারলাইন করা থাকে।
২৮. পুরো কন্টেন্ট এর মধ্যে ০.৭% কীওয়ার্ড রাখা উত্তম, এর বেশি নয়।
২৯. আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে ব্লগিং করে থাকেন তাহলে অবশ্যই Yoast প্লাগিনটি ব্যবহার করবেন।
৩০. আর্টিকেলটি পাবলিশ করার পর Google Plus এ শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Friday, August 31, 2018

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন for bloggers (এসইও গাইড ২০১৮)

আপনি যদি আপনার সাইট থেকে ট্রাফিক পেতে এবং কন্টেন্ট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার ব্যবসা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুতর হন, তাহলে আপনাকে অবশ্যই ব্লগারদের জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের মূল কথাগুলি সম্পর্কে নিখুঁতভাবে জানাতে হবে। এই মেগা-গাইডে, আমি আপনাকে অনুসন্ধানের জন্য আপনার ব্লগের সর্বোত্তম রূপে সাজাতে আপনাকে যা যা প্রয়োজন তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিতে যাচ্ছি।
1) ডোমেইন :-
Building a trust with audience
আপনি যদি একটি ফ্রি ডোমেইন ব্যবহার করেন উদাহরণ: www.example.blogspot.com তাহলে আপনার সাইটে যতই মুল্যবান কন্টেন্ট থাক না কেন ভিজিটর তা গ্রাহ্য করবে না। উদাহরণস্বরূপ: আপনি আপনার সাইটে অপ্টিমাইজ করার একটি নতুন উপায় পেয়েছেন যেটি রাতারাতি কাজ করেছে এবং আপনি এটি আপনার সাইটে পোস্ট করবেন যেটি ভাইরাল করা উচিত কিন্তু এটি হবে না।

কেন ??

তারা মনে করেন আপনি আরো দর্শকদের পেতে মজা করার চেষ্টা করছেন, এমনকি তারা আপনার সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়তেও চাইবে না। শ্রোতা এবং ডোমেনের সাথে  ট্রাস্ট একটি একটি বিশাল প্রভাব তৈরি করে।

Buying the domain includes


কম অক্ষর আছে এমন একটি ডোমেন কিনতে চেষ্টা করুন, ডোমেন অক্ষর যত কম হবে,  তত এটি ভাল  হবে ।
সর্বদা ইউনিক ডোমেইন নাম কিনতে চেষ্টা করুন এবং এটি আপনার ওয়েবসাইট এর সাথে যেন সম্পর্কিত থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। উদাহরণস্বরূপ: যদি আপনার সাইট " এসইও" সম্পর্কে হয়ে থাকে তবে  " এসইও " যেন আপনার ডোমেইন নামের অন্তর্ভুক্ত   থাকে এরকম একটি ডোমেন কেনার চেষ্টা করুন।

2.META DESCRIPTION

মেটা বিবরণ হলো আপনার পোস্ট বা সাইটের সংক্ষিপ্ত বিবরণ।

সাইটের জন্য মেটা বিবরণ আপনার সাইটের সামগ্রিক রুপকে সংক্ষিপ্ত রুপে ইঙ্গিত করে, এটা SEO মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে

স্বতন্ত্র পোস্টগুলির জন্য মেটা বিবরণটি সেই পোস্টের সংক্ষিপ্ত বিবরণকে ইঙ্গিত করে ।

মনে রাখবেন। বেশীরভাগ সময় সার্চ ইঞ্জিনটি আপনার সাইটকে মেটা-বিবরণ ভিত্তিক হিসাবে শ্রেণিতে ভাগ করে, তাই সকল পোস্টগুলিতে একটি মেটা ট্যাগ যোগ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Thursday, August 30, 2018

এসইও (SEO) সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) কি? কেন করা হয়...??? SEO নিয়ে বিস্তারিত.....



আসসালামু আলাইকুম!
কেমন আছেন...??? আশা করি সবাই ভালো আছেন।
এখন আমি এসইও (SEO) সম্পর্কে কিছু আলোচনা করবো যা আপনাদের অনেক উপকারে আসবে ইনশাআল্লাহ । পোস্টা একটু বড় হতে পারে, কিন্তু আপনারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। না পড়ে কমেন্ট করবেন না।
 তো চলুন শুরু করা যাক.....
 চলুন শুরু করি।
 (SEO) Search Engine Optimization আসলে কি....???
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) কথাটির মধ্যে প্রধানত দুইটি অর্থপূর্ণ অংশ রয়েছে। যার একটি হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন ( Search Engine) এবং অপরটি হচ্ছে অপটিমাইজেশন (Optimization)  অর্থাৎ এসইও (SEO) বলতে বুঝায় সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine) কে অপটিমাইজেশন করার এক ধরনের প্রযুক্তিগত ওয়েব কৌশল।
এটিকে অন্যভাবেও বলা যায়- বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন হতে কোন একটি ব্লগ/ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের ভাল অবস্থানে অথবা প্রথম পাতায় নিয়ে আসার কৌশল বা প্রক্রিয়াকেই Search Engine Optimization (SEO) বলা হয়।
এটিকে সার্চ ইঞ্জিন হতে ভাল ফলাফল পাওয়ার এক ধরনের নিয়মতান্ত্রিক চালাকিও বলতে পারেন।
Search Engine কি?
সহজ ভাষায় বলা যায় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে ইন্টারনেটে কীয়ার্ডের মাধ্যমে কোন কিছু খোঁজার এক ধরনের সফটওয়ার বা এপ্লিকেশন। যেখানে কোন কিছু লিখে সার্চ দিলেই চোখের পলকে যে

কোন বিষয়ে হাজার হাজার তথ্য আপনার সামনে হাজির করবে। সম্প্রতি সময়ের সবচাইতে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে Google. এ ছাড়াও জনপ্রিয়তার তালিকায় রয়েছে Bing, Yahoo, Ask ও Yandex সার্চ ইঞ্জিন।
কেন SEO করা হয়?
একটি ব্লগ/ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের ভাল

অবস্থানে বা প্রথম পাতায় নিয়ে আসার জন্য এবং সার্চ ইঞ্জিন হতে ভাল র্যাংকিং পাওয়ার জন্য বা সার্চ ইঞ্জিন হতে সাইটে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর পাওয়ার জন্য মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) করা হয়।
একজন লোক যখন তার ওয়েবসাইটকে সঠিকভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করবে তখন সার্চ ইঞ্জিন হতে তার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর বাড়তে থাকবে। কারণ Search Engine Optimization করার ফলে সার্চ ইঞ্জিন তার ব্লগের কনটেন্টের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা পাবে। কাজেই যে কোন ওয়েবসাইট-কে সফল করতে হলে বা ওয়েবসাইট হতে আয় করার জন্য প্রতিনিয়তই সঠিকভাবে তার ওয়েবসাইটটিকে Search Engine Optimization করতে হবে। ট্রিকবিডি এটা করে থাকে।
SEO কত প্রকার ও কি কি?
কাউকে যদি জিজ্ঞেস করেন SEO কত প্রকার,

তাহলে যে কেউ On Page SEO ও Off Page SEO এর কথা বলবে। এসইও দুই প্রকারের কথাটি ঠিক আছে। তবে On Page ও Off Page নয়।
SEO হচ্ছে মূলত দুই প্রকারের। যথাঃ
০১. অর্গানিক এসইও

০২. পেইড এসইও।
অর্গানিক এসইও আবার দুই ধরনের। একটি হচ্ছে On Page SEO এবং অন্যটি হচ্ছে Off

Page SEO.
অর্গানিক SEO এবং পেইড SEO কি?
অর্গানিক ‍এসইও বলতে বুঝায় সার্চ ইঞ্জিন

অপটিমাইজেশনের সকল নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করে সার্চ রেজাল্টের পাতায় অবস্থান নেয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়া। অন্যদিকে পেইড SEO হচ্ছে গুগল কোম্পানির নিকট টাকার বিনিময়ে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় চলে আসা। আপনারা ভালভাবে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে, কোন একটি বিষয় সার্চ দেয়ার পর সার্চ রেজাল্টের সবার উপরের কিছু ওয়েবসাইট থাকে যেগুলিতে ছোট করে Ad লিখা থাকে। সেগুলিই Paid SEO এর মাধ্যমে সবার উপরে এসেছে। অন্যদিকে এগুলির নিচে সে সমস্ত ওয়েবসাইটগুলি থাকে সেগুলিই অর্গানিক এসইও অর্থাৎ কোন টাকা না দিয়ে গুগলের পাতায় অবস্থান নিয়েছে।
আজ এখানে শেষ করছি, পরে আবার দেখা হবে। পরে আবার একটা SEO নিয়ে পোস্ট করব।