Monday, February 11, 2019

পালিয়ে যাওয়া মেয়ের প্রতি বাবার চিঠি






মা'রে
শুরুটা কিভাবে করবো বুজে উঠতে পারছিলাম না। যেদিন তুই তোর মায়ের অস্তিত্ব ছেড়ে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলি সেদিন থেকে তোকে মা বলে ডাকতে শুরু করলাম। তোকে মা ডাকতে গিয়ে নিজের মা হারানোর ব্যাথা ভুলেই গিয়েছিলাম। তোর মাকেও কোনদিন মা ছাড়া অন্য নামে ডাকেতে শুনিনি। স্কুলে প্রথম দিন শিক্ষক তোর নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন। তোকে মা বলে ডাকতে ডাকতে তোর ডাক নামটাও ভুলে গিয়েছিলাম। আমি তোর নাম বলতে না পারায় সবাই আমাকে নিয়ে হাসতে ছিলো। তাই চিঠির উপরে তোর নামের জাগায় মা লিখেছি। হঠাৎ করে তুই এভাবে চলে যাবি আমি তা বুজতেই পারিনি। ছেলেটা যেদিন বাইরে ব্যাগ হাতে তোর জন্য অপেক্ষা করছিল কখন তুই দরজা খুলে বাইরে বের হয়ে আসবি। আমি তখন ভেতরে বসে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছিলাম আর কতটা ভালবাসতে পারলে তুই আমাকে ছেড়ে চলে যাবি না। তুই ঘরে বসে ভাবছিলি আজ যেতে না পারলে ছেলেটার কাছে ছোট হয়ে যাবি। আর আমি ভাবছিলাম তুই চলে গেলে সমস্ত পিতৃজাতীর কাছে কি করে মুখ দেখাব। জানিস মা তুই তোর তিন বছরের ভালবাসা খুজে পেয়েছিস। কিন্তু আমার জীবন থেকে বিশ বছরের ভালবাসা হারিয়ে গেছে। মা'রে প্রত্যেকটা বাবা জানে রক্ত পানি করে গড়ে তোলা মেয়েটা একদিন অন্যের ঘরে চলে যাবে। তারপরও একটুও কৃপণতা থাকেনা বাবাদের ভেতরে। বাবাদের ভালবাসা শামুকের খোলসের মতো মা, বাহিরটা শক্ত হলেও ভেতরটা খুব নরম হয়ে থাকে। বাবারা সন্তানদের কতটা ভালবাসে তা বুঝাতে পারেনা, তবে অনেকটা ভালবাসতে পারে। জানি মা আমার লেখাগুলো পড়ে তোর খারাপ লাগতে পারে। কি করবো বল? তোরা তো যৌবনে পা রাখার পর চোখ, নাক, কান সবকিছুর প্রতি বিবেচনা করে প্রেম করিস। কিন্তু যেদিন জানতে পারলাম তুই তোর মায়ের গর্ভে অবস্থান করেছিস সেদিন বুজতে পারিনি তুই কালো না ফর্সা হবি, ল্যাংড়া না বোবা হবি,কোন কিছুর অপেক্ষা না করেই তোর প্রেমে পরেছিলাম তাই এতকিছু লিখলাম। আমি জানি মা তোদের সব সন্তানদের একটা প্রশ্ন বাবারা কেন তাদের ভাললাগাটাকে সহজে মানতে চায় না। উত্তর টা তোর ঘাড়ে তোলা থাকলো,তুই যেদিন মা হবি সেদিন নিজে নিজে উত্তর টা পেয়ে যাবি।তোরা যখন একটা ছেলের হাত ধরে পালিয়ে যাস তখন ওই ছেলে ছাড়া জীবনে কারও প্রয়োজন বোধ করিস না। কিন্তু একটা বাবা বুঝে তার জীবনে নিজের মেয়েটার কতটা প্রয়োজন। যেদিন তোর দাদুর কাছ থেকে তোর মাকে গ্রহন করেছিলাম সেদিন প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে, যদি মেয়ে হয় তাহলে, নিজের মেয়েটাকে তার স্বামীর হাতে তুলে দিয়ে কণ্যাদানের দায়িত্ব থেকে নিজেকে হালকা করবো। তাই তোর প্রতি এত অভিমান। মারে বাবার উপর রাগ করিসনা। তোরা যদি অল্প দিনের ভালবাসার জন্য ঘর ছেড়ে পালাতে পারিস, তবে আমরা বিশ বছরের ভালবাসার জন্য বেপরোয়া হব না কেন? বাবারা মেয়ে সন্তানের জন্মের পর চিন্তা করতে থাকে নিজের মেয়েটাকে সুপাত্রের হাতে তুলে দিতে পারবে তো। আর যৌবনে পা রাখার পর চিন্তা করে কোন প্রতারনার ফাঁদে পরে পালিয়ে যাবে না তো। তাই মেয়েদের প্রতি প্রত্যেকটা বাবার এতটা নজরদারী। যদি মন কাঁদে চলে আসিস বুক পেতে দেব। হয়তো তোর মায়ের মতো তোকে পেটে ধরিনি, তবে পিঠে ধরার যন্ত্রণাটা সহ্য করতে পারছিনা।

ইতি
তোর জন্মদাতা "পিতা"






















Mother
I could not start how to get started. From the day you left the existence of your mother, I started calling you mother. You forgot the pain of losing your mother while you were calling your mother. Your mother never heard of a call other than mother. The teacher asked your name on the first day at school. I forgot your nick name to call you mother. I did not have to say your name, so everyone laughs about me. So your mother's name was written on the letter's name. Suddenly, I could not live up to this. The day the boy was waiting for you in the bag outside when you opened the door and you came out. I was praying to God sitting inside and how much you love, you will not leave me. If you could not go today, you were sitting in the house, it would have been shortened to the boy. And I was thinking about how you would face your father's family when you left. I know you have found love for your three years. But my life has lost 20 years of love. Mother knows every father knows how to build blood water, she will go to someone else's house one day. Still there is nothing stinginess in the father's house. Father's love is like a snail's mother, but the outside is tough, but the inside is very soft. Parents can not understand how much they love children, but they can love a lot. You know, my mother may feel bad about reading my writings. What do you say? If you are young, you will love the eyes, the nose, the ears, and everything else. But on the day that you know that you have stayed in your mother's womb, you did not know that you will not be black or white, you will not be dumb or dumb, without waiting for anything, I was in love with you so I wrote so much. I know mother is a question to all your children why do not they want to accept their well being easily. The answer was taken on your neck, on the day you mother, on the day itself, she will get the answer herself. When she gets away with the hand of a boy, then no one lives in life without the boy. But a father understands how much his girl needs in her life. On the day you received your mother from your grandfather, I promised that if she is a girl, I will lighten myself with the responsibility of giving her daughter to her husband. So so proud of you. Do not be angry with my father. If you can leave the house for a little love, but we will not be desperate for love for twenty years? Baba, after the birth of a baby girl, will be able to give up his daughter in a handsome manner. After thinking of youth, after thinking of the trap of cheating, they will not run away. So every father has so much surveillance towards girls. If you go crying, let's get it. Maybe your mother did not like you in your stomach, but I can not bear the pain on the back.

Yours
Your father "Father"

Saturday, February 9, 2019

কবিতা : ব্যাথাতুর হৃদয়ের স্পন্দন










আকাশে বাতাসে আজি কানাকানি,
জাগে বনে বনে নব
যাতনার বাণী
কাঁদিছে তব আমাদের স্কুল প্রাংগনালয়,,
জোছনার লাগি যেমনি কাঁদে চাঁদের হৃদয়।
করুণ সুরে মুখরিত কুঞ্জে বাজিছে আজ বেণু
বিদায়ের আমেজে সজল যেনো সহস্র ফুলের রেণু…

প্রষ্ফুটিত ফুল গুঞ্জনরত অলিকুলেরা
বিদায়েরি সুরে প্রিয়জনের অংগনে মোরা
আজি বিদায় জাগ্রত দ্বারে
তব অব কুঞ্চিত কুন্ঠিত জীবনে করিয়োনা হেলা তারে,,
আজি খুলিও হৃদয়দল খুলিও
আজি ভুলিয়ো,
বিষাদ বেদনা ভুলিয়ো।

যদি সেদিন চোখে আসে জল
লুকাতে সে জল করিয়োনা ছল
হৃদয়ের বেদনামথিত সুর বাজে মনে প্রাণে,
ব্যাথাতুর মনে তোলে চলে যাও দীর্ঘশ্বাসের ঝড়
যে নামে ডাকিতে মোদের
সে নামে বারেক ডাকিয়ো
চাহিতে যামন আগেরো দিনে
তেমনি মোদের চোখে চাহিও
অনন্ত বেদনা বাজে
তব হও রে আগুয়ান
ডাকছে আগামী তব শুনরে পাতিয়া কান
বাজুক তব তোমার জীবনে সুন্দর যতো গান

আনস্মার্ট সেই ছেলেটি বিদেশে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক







কে, কি বলছে এতে কিছু যায় আসে না। তোমার রেজাল্ট খারাপ কিংবা জিপিএ কম, এজন্য তুমি হয়ত ভাবছ, তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না! হয়ত নামী-দামী কোন স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছ না তুমি। এজন্য তোমার মনে হচ্ছে, আমারতো কোন ভবিষ্যৎ নেই! তোমার কথা বলার ধরনে হয়ত আঞ্চলিকতা আছে। পুরোপুরি শুদ্ধ করে হয়ত কথা বলতে পারছ না। বন্ধু-বান্ধবরা তোমাকে নিয়ে হাসাহাসি করছে। তুমি হয়ত ভাবছ- নাহ, আমাকে দিয়ে কিছু হবে না! তুমি হয়ত ক্লাসের অন্য বন্ধু-বান্ধবরা যেভাবে ইংরেজদের মতো করে ইংরেজিতে কথা বলে, সেভাবে ইংরেজি বলতে পারছ না। তাই তোমার মনে হচ্ছে-আমি আসলে কোথাও মানানসই না!

অন্য বন্ধু-বান্ধবদের মতো তুমি হয়ত একেক দিন একেক ব্র্যান্ডের হাল ফ্যাশনের জামা-কাপড় পড়তে পারছ না; তোমার হয়ত মনে হচ্ছে- আমি একটা ক্ষেত, আমার কোন ভবিষ্যৎ নেই!

এক ছেলে আমাকে টেক্সট করে লিখেছে,
– স্যার আমার রেজাল্ট খারাপ। জিপিএ কম, ক্লাসের কেউ আমার সঙ্গে ভালোভাবে মিশে না! আমার আজকাল প্রায়ই মনে হয়- আমার কোন ভবিষ্যৎ নেই! পড়াশোনা করে আর কী হবে! এই ছেলেটা যে কথগুলো লিখেছে, আমি মোটামুটি নিশ্চিত স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলে অনেক ছাত্র-ছাত্রী তাদের পড়াশোনার কোন না কোন পর্যায়ে হয়ত এমন চিন্তা ভাবনার মাঝ দিয়ে গিয়েছে। আর কেউ গিয়েছে কিনা জানি না, অন্তত আমি এমন চিন্তার মাঝ দিয়ে গিয়েছি।

আমি বরং আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি।
স্কুলে থাকতে যেই ছেলে-পেলেগুলো ক্লাসে প্রথম দশ জনের মাঝে থাকতো, এদের মাঝে অন্তত চার জনের কথা আমি জানি! এদের কেউ ইন্টারমিডিয়েট অর্থাৎ এইচএসসি পাশ করতে পারেনি! অথচ এসএসসিতে এরা সবাই অনেক ভালো নাম্বার পেয়ে ভালো ভালো কলেজেই ভর্তি হয়েছিল!

কিন্তু ভালো কলেজে ভর্তি হওয়ার পর হয় এদের মাঝে- “আমি বিশাল কিছু” এমন একটা ভাব চলে এসছিল কিংবা এদের অনেকে’ই নানা সব “বাজে অভ্যাসের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়াতে শেষমেশ আর পড়াশোনাটাই আর শেষ করতে পারেনি।

আমি যখন ইন্টারমিডিয়েটে পড়ি, যেই ছেলে-পেলেগুলো ক্লাসে সব সময় প্রথম দিকে থাকতো, এদের অনেকেই ভালো কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে’ই চান্স পায়’নি! অথচ এদের রেজাল্ট কিন্তু ভালো ছিল।

কারণ, এরা হয়ত ভেবে বসেছিল ভালো রেজাল্টতো করেছিই, চান্স হয়ে যাবে! এমনকি দুই-এক জনকে জানি, যারা ইন্টারমিডিয়েটের পর আর পড়াশোনাই করেনি!

আর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার পর, যেই ছেলে-পেলেগুলো রেজাল্ট প্রথম দিকে ছিল, যারা ক্লাসে নানা উপায়ে ভাব নেয়ার চেষ্টা করত, নিজেদের স্মার্ট দাবি করে! তাদের সবার স্মার্টনেস পরবর্তী জীবনে আর দেখা যায়নি!

এই যেমন কেউ হয়ত ভালো ইংরেজি বলে, কারো হয়ত রেজাল্ট ভালো, কেউ হয়ত দেখতে শুনতে ভালো কিংবা একেক দিন একে জামা কাপড় পড়ে আসে; কারো হয়ত স্যারদের সঙ্গে বিশাল ভাব! উঠতে বসতে অমুক স্যার, তমুক স্যারের রেফারেন্স দিয়ে বেড়ায়!

দেখা গেলো এদের অনেকেই ঠিক সময়ে পড়াশোনা শেষ করতে পারেনি কিংবা শেষ করলেও চাকরি পাচ্ছে না। কিংবা কোন ভাবে একটা চাকরি জুটিয়ে এদের দিন চলছে!
আমি আমার কথা বলি, আমার ক্লাসে একটা গ্রুপ ছিল, এদেরকে দেখলে মনে হত- এদের মাটিতে পা পড়তে চায় না!

আমি মোটামুটি ভালোই বাস্কেটবল খেলতাম! এখনও খেলি এবং সেটা মোটামুটি বেশ ভালো লেভেলের! তো, ইউনিভার্সিটিতে ইন্টার-ডিপার্টমেন্টাল বাস্কেটবল খেলা হচ্ছে। অর্থাৎ সবগুলো ডিপার্টমেন্ট একে-অপরের সঙ্গে বাস্কেটবল খেলবে। স্বাভাবিকভাবে আমার বিভাগ থেকে আমার খেলা নিশ্চিত হওয়ার কথা। কারণ সেই অর্থে আমাদের ডিপার্টমেন্টে কেউ বাস্কেট বল খেলা পারতই না।

তো খেলার দিন হঠাৎ অবিস্কার করলাম, সেই স্মার্ট গ্রুপের সবাই খেলতে নেমে গেছে! এদের কেউ হয় রাজনীতি করে, কারো হয়ত স্যারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক কিংবা কেউ হয়ত গায়ের জোরেই নেমে গিয়েছে খেলতে! অথচ অনেকেই হয়ত সেই অর্থে কোন দিন বাস্কেটবলই খেলেনি! তারা হয়ত অন্য খেলায় ভালো হতেই পারে, কিন্তু তাই বলে সব খেলায় তারা ভালো হবে, ব্যাপারটা তো এমন না! কিন্তু এরা গায়ের জোরেই খেলতে নেমে গেল! আর আমি থেকে গেলাম সাইড লাইনে! কি অবাক কাণ্ড!

এই উদাহরণটা এই কারণে দিলাম- এই স্মার্ট গ্রুপের এরা সবাই কিন্তু তাদের পরবর্তী জীবনে স্মার্ট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি! শুধু আমার ডিপার্টমেন্টে না, বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকতে আমি মোটামুটি সব ডিপার্টমেন্টে’র সব ছেলে-পেলের সঙ্গেই মেলামেশা করতাম। অন্তত আমার ব্যাচে সকল ডিপার্টমেন্টের এমন কোন ছেলে পেলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে পাওয়া যাবে না, যারা আমাকে চিনবে না!

আমি নানান ক্লাব (টুরিস্ট ক্লাব, ডিবেট ক্লাব ইত্যাদি) করতাম, ঘুরে বেড়াতাম, খেলাধুলা করতাম, গান-বাজনা করতাম। অর্থাৎ, আমি নিজেও কিন্তু খানিকটা স্মার্ট গ্রুপেরই সদস্য ছিলাম!

আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি, আমার ক্লাসে কিংবা অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের যেই ছেলে-পেলে গুলোর হয়ত খুব একটা ভালো রেজাল্ট ছিল না, ভালো করে হয়ত শুদ্ধ করে কথাও বলতে পারত না, স্মার্ট বলতে আমাদের যেই তথাকথিত সংজ্ঞা আছে, সেই সংজ্ঞা অনুযায়ী তারা হয়ত তেমন স্মার্টও ছিল না!

অথচ অবাক হয়ে আবিষ্কার করেছি বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করার পর এরাই কেউ বিসিএস পাশ করে বড় বড় ক্যাডার হয়েছে, কেউ নামী-দাবী ব্যাংকে চাকরি করছে কিংবা ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের উঠবস এখন!

আমি নিজে ঢাকা শহরের নামী-দামী স্কুল কলেজে পড়াশোনা করেছি, রেজাল্টও হয়ত ভালোই ছিল, পারাবারিকভাবেও হয়ত মোটামুটি বেশ প্রতিষ্ঠিত, চেনা-জানা পরিবার থেকেই উঠে এসছি; কিন্তু কখনো সেটা প্রকাশ করতে যাইনি কিংবা জাহির করে বেড়াইনি! কারণ আমার বাবা-মা ছোট বেলা থেকেই আমাদের ছয় ভাই-বোনকে একটা বিষয় খুব ভালো করে শিখিয়ে দিয়েছেন- দিন শেষে আমরা সবাই মানুষ! সবাইকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

তখন ক্লাস ফাইভ কি সিক্সে পড়ি, একদিন আমাদের বাসায় কাজের ছেলেটার সঙ্গে একটু উঁচু গলায় কথা বলেছিলাম, আমার বাবা সেটা শুনতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে এসে আমাকে বলেছেন,
-তুমি ওর সঙ্গে এভাবে কথা বলতে পারো না। এক্ষুনি ওর কাছে ক্ষমা চাও!
ওই বয়েসে কাজের ছেলের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, ব্যাপারটা আমার কাছে ভালো লাগেনি। আমি ক্ষমা চাইনি!
আমার বাবা আমাকে কিছু না বলে দীর্ঘ এক মাস আমার সঙ্গে কোন কথা বলেননি!
আমার জন্মদিন কাছে চলে আসায়, এরপর আমি ভাবলাম এই জন্মদিনে তো তাহলে কোন অনুষ্ঠান হবে না! বাবাতো আমার সঙ্গে কথাই বলছে না!

শেষমেশ আমি বাবাকে গিয়ে বলেছি,
-আমি এই ছেলের কাছে ক্ষমা চাইব!
আমি ক্ষমা চাওয়ার পরই কেবল আমার বাবা আমার সঙ্গে কথা বলেছেন। সেদিন আমার বাবা আমাকে বলেছিলেন,
-এই ছেলের ভাগ্য খারাপ, এই জন্য তাকে বাসায় কাজ করতে হচ্ছে! ওর জায়গায় তোমার ভাগ্যও এমন হতে পারত! তাই কারো সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করা যাবে না!
সেই দিনের পর আজ পর্যন্ত আমার মনে হয় না, আমি খুব একটা কারো সঙ্গে উঁচু গলায় কথা বলেছি! কোন দিনও না। সেদিন যেই শিক্ষা আমি নিয়েছি, বাদ বাকী জীবনে সেটা মেনে চলেছি।

যার কারণে আমি কখনোই জীবনের কোন পর্যায়ে নিজের আর্থিক, সামাজিক কিংবা অন্য যে কোন অবস্থানের জন্য আশপাশের অন্য মানুষকে ছোট করে দেখেছি বলে মনে হয় না। পারলে নিজেই ছোট হয়ে চলার চেষ্টা করি। তবে সবাই তো আর এমন হবে না। সমাজে বেশির ভাগ মানুষ’ই নিজেদের স্মার্ট মনে করে অন্যদের ছোট করার কাজে মহা ব্যস্ত।

এইতো বিদেশেই আমি যেই শহরে থাকি, সেখানে সব মিলিয়ে চারটা ইউনিভার্সিটি আছে। এর মাঝে আমি যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই, সেটি অন্য আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চাইতে ছোট এবং হয়ত কিছুটা কম পরিচিত। তো বাংলাদেশ থেকে পড়তে আসা ছাত্র-ছাত্রী যারা ওই বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে, তারা এই একই শহরে থাকা অন্য ছোট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের উঠতে বসতে ছোট করে বেড়ায়।

ভাবখানা এমন- এরা হচ্ছে জগতের সব চাইতে স্মার্ট! মজার বিষয় হচ্ছে- আমি আবার ওই বড় বিশ্ববিদ্যালয়েও পার্ট টাইম শিক্ষক হিসেবে পড়াই এবং আমার অভিজ্ঞতা আমাকে জানান দিচ্ছে এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে খুব একটা কোন তফাত নেই!

আমারতো ধারণা এরা সবাই দেশ-বিদেশের নানা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ারই যোগ্যতা রাখে!
কিন্তু আমারা বাংলাদেশি বলে কথা। ভাব নিতে হবে না। আমি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি, এটা বলে আলদা একটা ভাব না নিলে চলবে কেন?

এখন ব্যাপারটা হচ্ছে- এই যে আলাদা ভাব কিংবা স্মার্টনেস, বাস্তব জীবনে এসবের কোন মূল্য নেই। আমার ক্লাসে যে ছেলেটা ভালো করে ইংরেজি বলতে পারত না, সে এখন কোর্টের বিচারক হিসেবে উঠতে-বসতে ইংরেজি বলছে।

যে ছেলেটাকে দেখতাম রোজ এক কাপড় পড়ে কলেজে আসছে, সেই ছেলেটা এখন নামী একটা পোশাক কোম্পানির বড় ম্যানেজার। একেক দিন একেক ড্রেস পড়ে ছবি তুলছে!
যেই ছেলেটার কথার মাঝে আঞ্চলিকতা ছিল, সব সময় চুপচাপ থাকতো- পাছে না বন্ধু-বান্ধবরা ওকে নিয়ে হাসাহাসি করে; সেই ছেলেটা এখন বড় একটা ব্যাংকের কর্তা হয়ে দিন রাত মানুষের সঙ্গে কথা বলছে।

যে ছেলেটার জিপিএ খুব একটা ভালো ছিল না; সে ছেলেটাই দেখছি এখন বিসিএস দিয়ে বড় ক্যাডার হয়ে গিয়েছে। এই যে আমি, যেই আমাকে স্মার্ট ছেলের দল ডিপার্টমেন্টর হয়ে বাস্কেটবল খেলতে দেয়নি, সেই আমিই দেশে বিদেশে নানান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি ও পড়াচ্ছি এবং এইসব বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে বাস্কেটবলও খেলেছি।

এমনকি বিদেশে এসে যেই ছেলে-পেলেগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছে বা দেশের বড় কোন ইউনিভার্সিটিতে পড়ে এসছে বলে ভাব নিত; এদের অনেককেই এখন দেখি হোটেল-রেস্টুরেন্টে কাজ করছে (কোন কাজই খারাপ না, জাস্ট উদাহরণ দেয়ার জন্য বললাম)

সুতরাং জীবনে কোন পর্যায়েই এটা ভাবা যাবে না- আমাকে দিয়ে কিছু হবে না!
মানুষ হিসবে জন্মানোর সুবিধা হচ্ছে- আমরা যদি খুব করে চাই, তাহলে যে কোন কিছু অর্জন করা সম্ভব। যেই ছেলেটাকে তোমার আজ স্মার্ট মনে হচ্ছে, পাঁচ বছর পর তাকেই হয়ত তোমার ব্যাক-ডেটেড মনে হবে। কারণ এই পাঁচ বছরে তুমি যা অর্জন করেছে, সে হয়ত তার কিছুই অর্জন করেনি, স্রেফ নিজের স্মার্টনেসটা জাহির করে বেড়িয়েছে!

তাই নিজের কাজটা স্রেফ করে যেতে হবে! কে কি বলছে, তাতে কিছু’ই যায় আসছে না!

আমিনুল ইসলাম
শিক্ষক, ইউরোপ
সাবেক শিক্ষার্থী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ইংরেজি ২য় পত্র




প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুগণ, গত পর্বগুলোতে আমরা ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের fill in the blanks with articles (Question No ১) –এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করেছি। আজ আমরা উদাহরণ অনুশীলন করব। আশা করি পূর্বে আলোচিত নিয়মের সঙ্গে মিলিয়ে সহজেই বুঝতে পারবে।

Example-1:

My brother is (a) — army officer. He is working in (b) —UN mission in (c) —African Country. He is (d) —physician. He is not only (e) —MBBS but also. (f) —FRCS. We (g) —family members are looking for (h) —suitable bride for him. Primarily, we have chosen two girls. Now we will finalize of (i) —two, who is (j) —better.

Example-2:

It was (a) —unlikely friendship, for (b) —two boys should have been enemies. Amyntas, was from (c) —ancient Greek city-state of Athens, while Leon was (d) —son of Sparta, and Athens and Sparta were old enemies. Only last year, after a brief, (e) —uneasy peace, (f) —long, weary war had broken out again. But now it was time for (g) —Great games at Olympus. (h) —Olympics and the Truce of the games had been proclaimed throughout (i) —Greece: safe conduct through all lands and all seas. From Greek state and colony of (j) —Mediterranean Sea the athletes came to compete.

Example-3:

There was (a) —time when (b) —people of Arabia forgot (c) —Almighty Allah. They use to commit (d) —sins. They did not like (e) —female issues. If ever (f) —girl child born to them, they used to bury her to death. In such (g) —condition Hazrat Muhammad (sm), (h) —great prophet came with (i) —message of peace for mankind and reestablished (j) —order and discipline in the society.

Example-4:

I recently discovered that (a) —money doesn’t buy as much as it used to. I’d been living in

(b) —dormitory for two years and hadn’t had to buy my own food for (c) —whole time. Then, I moved into (d) —apartment where I needed to buy (e) —food for myself. The first day I wanted to get juice, meat and bread. I went to (f) —grocery store and put everything into (g) —cart. When I went to pay, I found that the things I had chosen were costly.

(h) —money I had brought with me was not enough, and I had to replace the juice on (i) —shelf where I got it. Now, when I go (j) —shopping, I take more money.

এবার তোমার উত্তরের সঙ্গে নিচের উত্তরগুলো মিলিয়ে নাও।

Answer: Example-1: (a) an; (b) the; (c) an; (d) a; (e) an; (f) an; (g) the; (h) a; (i) the; (j) the

Answer: Example-2: (a) x; (b) the; (c) the; (d) the; (e) x; (f) a; (g) the; (h) x; (i) x; (j) the

Answer: Example-3: (a) a; (b) the; (c) the; (d) x; (e) the; (f) a; (g) a; (h) a; (i) the; (j) x

Answer: Example-4: (a) x; (b) the; (c) the; (d) an; (e) x; (f) a; (g) the; (h) the; (i) the; (j) x

বিঃদ্রঃ x’ চিহ্নিত স্থানে কোনো Article বসবে না

এইচএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ৩য় অধ্যায়। বিষয়ঃ লজিক গেট



লজিক গেটের সজ্ঞাঃ

লজিক গেট বিশেষ ধরণের ইলেকট্রনিক সার্কিট যার এক বা একাধিক ইনপুট থাকে ও কেলমাত্র একটি আউটপুট থাকে এবং ইনপুটসমূহের লজিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে আউটপুট প্রদান করে। লজিক গেটসমূহ লজিক হাই ‘1’ এবং লজিক লো ‘0’ এই দুটি বাইনারী লজিক নিয়ে কাজ করে।

প্রকারভেদঃ

লজিক গেটসমূহ মূলতঃ দুই ধরণের হয় যেমনঃ (১) মৌলিক গেট এবং (২) যৌগিক গেট।

মৌলিক গেটঃ

যে লজিক গেট একক এবং যাকে বিশ্লেষণ করলে অন্য কোন গেট পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক গেট বলা হয়। উল্লেখ্য যে, মৌলিক গেটসমূহ ব্যবহার করে অন্য সকল যৌগিক গেটসমূহ তৈরী করা সম্ভব। মৌলিক গেট তিনটি। যেমনঃ

(১) অর গেট (OR Gate)
(২) এন্ড গেট (AND Gate)
(৩) নট গেট বা ইনভার্টার (NOT Gate)

নট গেটকে কখনো কখনো ইনভার্টার বলা হয়।

যৌগিক গেটঃ

যে গেট একক নয় এবং যাকে বিশ্লেষণ করলে এক বা একাধিক মৌলিক গেট পাওয়া যায় তাকে যৌগিক গেট বলা হয়। যেমনঃ

(১) নর গেট (NOR Gate)
(২) ন্যান্ড গেট (NAND Gate)
(৩) এক্স-অর গেট (X-OR Gate)
(৪) এক্স-নর গেট (X-NOR Gate)

ছবিসহ বিস্তারিত আসছে পরবর্তী টিওটোরিয়ালে…।।

Thursday, February 7, 2019

K.G.F মুভির এইচডি প্রিন্ট চলে এসেছে। তাড়াতাড়ি ডাউনলোড করে নিন। সাথে থাকছে আমার ছোট্ট রিভিউ


সিনেমার নাম: K.G.F (Kolar Gold Field):Chapter 1
পরিচালক : Prashanth Neel

Stars: Yash, Srinidhi Shetty, Ramachandra Raju
Genres : Action, Drama
Imdb rating: 8.8/10
কান্নাড়া মুভির ইতিহাসে সবচেয়ে বিগ বাজেটের এবং সবচেয়ে আলোচিত মুভি হিসেবে সারা ইন্ডিয়ান ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে KGF Chapter 1. মাস্টারপ্রিন্টে দেখবো দেখবো বলে দেখেই ফেললাম অবশেষে । সত্য কথা বলতে কেজিএফ এর ট্রেইলার যেদিন প্রথম দেখেছিলাম তব্দা খেয়ে গেছিলাম ভেবে যে এ কি দেখলাম !!
মুভির স্পয়লারবিহীন কাহিনী সংক্ষেপে !!
স্বামীছাড়া এক মা অনেক কষ্টে পালন করে তার আদরের টুকরো কে কিন্তু অভাবের তাড়নায় এবং অসুস্থতায় সে নিজের ছেলে কে একা করে দেয়ার আগে বলে যায় দুনিয়ার সব থেকে ক্ষমতাধর মানুষ হওয়ার প্রেরনা । কিন্তু সেই ছোট্ট রকি কি পারবে সেই লক্ষ্যে পৌছাতে! দেখা যায় এক বড় গ্যাংস্টার তাকে টাস্ক দেয় এক পাওয়ারফুল মানুষ (গারোরা) কে মারা লাগবে! এ যেন তেন খেলোয়াড় না ১৯৫১ সালে আবিষ্কার হওয়া ভারতের কর্নাটক রাজ্যের Kolar Gold Field এর একচ্ছত্র অধিপতি !! রকি কি পারবে ৪-৫ স্তর নিরাপত্তায় ঘেরা সেই শয়তান কে মারতে !! যে শত শত গ্রামবাসীর সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে তাদের জীবনকে এই স্বর্নের খনিতে দাস হিসেবে ব্যাবহার করে তাদের জীবনে নরক এর মত অবস্থা সৃষ্টি করেছে। সে পারবে একাই মনস্টার হয়ে সেই গ্যাংস্টারকে রুখতে ??
বুঝাই যাচ্ছে  ভিন্ন ধরনের একটা চিত্রনাট্য এবং প্লট ।
কান্নাড়া ফিল্ম এর ইতিহাসে কেজিএফ সবথেকে বিগ বাজেটের ফিল্ম আগেই বলেছি। মোট পাঁচ ভাষায় শুট ডাবিং করা সহ সকল প্রোডাকশন হাউজ মিলিয়ে খরচ হয়েছে ৮০ কোটি রুপির মত। যদিও মাত্র দুই সপ্তাহে সারা ভারতে ১৪০ কোটি রুপির মত ব্যাবসা করেছে।
কেজিএফ এর চিত্রনাট্য চ্যাপ্টার ১ এ শেষ হয় নি !! কিন্তু আমার রিভিউ আপাতত শেষের পথে !!
মুভিটির এইচডি প্রিন্ট চলে এসেছে। নিচে ডাউনলোড লিংক দেয়া আছে। লিংক এ ক্লিক করবেন এবং Download এ ক্লিক করবেন। ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে। কোনো প্রকার এড এর ঝামেলা নেই।
আপনাদের সুবিধার জন্য (480p,720p,1080p) সব রকমের প্রিন্ট যুক্ত করেছি। আশা করি পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে। ডাউনলোড করতে কোনো সমস্যা হলে কমেন্টে জানাবেন। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।

::Screenshots::



::Hindi (Cleaned)::

 

👇::Download Link For 1080p::👇

 

Download 1080p [2.2Gb]



👇::Download Link For 720p ::👇

 

Download 720p [1.4Gb]



👇::Download Link For 480p::👇

 

Download 480p [400Mb

বিয়ার গ্রিলসের জীবনের হার না মানা একটি ছোট গল্প...

চ্যানেলে ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড অনুষ্ঠানটি দেখেননি এমন লোক কমই পাওয়া যাবে । অনুষ্ঠানটি
যার কারণে সারা বিশ্বে এতো
জনপ্রিয়তা পেয়েছে তিনি হচ্ছেন
এডওয়ার্ড মাইকেল বিয়ার গ্রিলস
(Bear Grylls) । সবার কাছে
বিয়ার গ্রিলস নামেই পরিচিত।
.

.
তিনি একাধারে একজন লেখক,
টেলিভিশন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক,
সাবেক সেনা কমান্ডো ও বর্তমানে
বিশ্ব স্কাউট সংস্থার চীফ অব
স্কাউট । শুধু টিভির পর্দায়ই নন,
ডিসকভারি তার ব্যক্তিগত জীবনের সংগ্রামও হার মানায় ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ডের রোমাঞ্চকে ।
.
পাই ফিঙ্গার্স মোটিভেশনের
এবারের আয়োজনে থাকছে বিয়ার
গ্রিলসের হার না মানা জীবনের
গল্প । বিয়ার গ্রিলস ১৯৭৪
সালের ৭ জুন নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা স্যার মাইকেল গ্রিলস ছিলেন কনজারভেটিভ পার্টির রাজনীতিবিদ এবং মা লেডি গ্রিলস ।
.

.
তিনি ইটন হাউস, লুগ্রোভ স্কুল এবং ইটন কলেজে পড়াশোনা করেছেন। ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন । গ্রিলস ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ইউনাইটেড কিংডম স্পেশাল
ফোর্স রিজার্ভে কাজ করেন
ছেলেবেলা থেকেই বিয়ার গ্রিলস
ছিলেন ডানপিটে। বাবার কাছ থেকে নৌকা চালানো আর
পাহাড়ে চড়া শিখেছেন একেবারে
ছোটবেলায়। যখন তার বয়স আট তখনই তিনি কাব স্কাউট হন। সেই সময়েই বেয়ারের বাবা মাউন্ট এভারেস্টের ছবি দেখিয়ে বলেছিলো, এর চুড়ায় উঠতে পারবে তুমি? ছেলেটি বুঝেই
হোক আর না বুঝেই হোক, সেদিন
বলেছিলো সে পারবে ।
.
তখন থেকেই স্বপ্ন দেখতেন এভারেস্ট জয়ের । এই স্বপ্ন থেকেই
অ্যাডভেঞ্চারের বীজ বপন হয় তার মনে । কিন্তু এর ভেতরই একদিন ঘটে গেলো একটি দুর্ঘটনা।
.
জাম্বিয়াতে ফ্রি ফল প্যারাশুটিং
করার সময় মারাত্মক আঘাত পায় সে, শিরদাঁড়ার তিনটা কশেরুকা ভেঙে যায় । ডাক্তার জানিয়ে দেয়, এজীবনে আর সে হাঁটতে পারবেনা কোনোদিন। হুইলচেয়ারে কাটিয়ে দিতে হবে বাকিটা জীবনটা । তখন
আর্মির চাকরিও চলে যায় তার ।
.

.
সামনে তখন বাকিটা জীবনটা
পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে কাটিয়ে
দেয়ার অপেক্ষা । কিন্তু মনের ভেতর হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে দাঁড়িয়ে বিজয়ীর চিৎকার দেয়ার ইচ্ছেটা তখনো দমে যায়নি ।
স্রেফ অদম্য ইচ্ছাশক্তি থেকে
ছেলেটা ১ বছরের ভেতর হুইলচেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ায়, হাঁটতে শুরু করে সে । এরপর দৌঁড়ানো শুরু করে। ডাক্তারদের সব ভবিষ্যৎবাণী মিথ্যে প্রমাণ করে দেয় । উঠে দাঁড়ানোর মাত্র ৬ মাসের মাথায় তার ২৩ বছর বয়সে ছেলেটি মাউন্ট এভারেস্ট জয় করে ফেলে । সেই ছেলেটিকে আমরা সকলেই চিনি তুমুল জনপ্রিয় Man Vs Wild
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে । প্রতিনিয়ত বন বাদাড়ে, সমুদ্রে, আকাশ চষে বেড়িয়ে দেখাচ্ছেন এই কশেরুকা ভেঙে যাওয়া বেয়ার গ্রীলস । স্যালুট তাকে । আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন, জীবনে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য শুধুমাত্র অদম্য ইচ্ছাশক্তিই যথেষ্ঠ ।
.

.
আর জীবনে একটি দুইটি ঝড় এসে সব ভেঙ্গে চুরে আপনাকে ব্যর্থতার
আস্তাকুরে ছুঁড়ে ফেলে দিল? আপনি খড়কুটোর মতো উড়ে গেলেন । মানুষ ভাঙতে ভাঙতে গড়ে, পড়তে পড়তে হাটতে শিখে- এটাই মানুষকে অন্য সব প্রাণী থেকে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে দাঁর করিয়েছে । চাকরি পাচ্ছেন না, ব্যবসা করতে গিয়ে সর্বশান্ত হয়ে গেছেন, গার্লফ্রেন্ড ছেড়ে গেছে, বউ ডিভোর্স দিয়েছে, ব্যাস এটুকুতেই কাত হয়ে গেলেন আপনি ? আহত বাঘের মত শেষ একটা থাবা বসান নিজের লক্ষ্যে আবারো । একটা মানুষ হুইলচেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ানোর ৬ মাসের মাথায় মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছে । আর আপনি শুধু বুদ্ধিমানের মত ঠান্ডা মাথায় নিজের সমস্যার সমাধান করে আবারো জীবনে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন না নতুন করে ?

ইংরেজি উচ্চারণ শেখার ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ রুল




ইংরেজি উচ্চারণ শেখার ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ রুল
➤Rule-1
⇨শব্দের শুরুতে KN থাকলে তার উচ্চারণ হবে “ন” এক্ষেত্রে K অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Knowledge (নলেজ) – জ্ঞান
☞Knight (নাইট) – অশ্ব।
☞Knee (নী) – হাটু।
➤Rule-2
⇨W এর পরে h/r থাকলে w উচ্চারণ হয় না।
উদাহরণ:
☞Write (রাইট) – লেখা।
☞Wrong (রং) – ভুল।
☞Who (হু) – কে।
☞Wrestling (রেস্টলিং) – কুস্তি।
➤Rule-3
⇨শব্দের শেষে “e” থাকলে “e” এর উচ্চারণ হয়না।
উদাহরণ:
☞Name (নেইম) – নাম।
☞Come (কাম) – আসা।
☞Take (ঠেইক) – নেওয়া।
☞Fake (ফেইক) – ভূয়া।
➤Rule-4
⇨M+B পর পর থাকলে এবং B এর পর কোন Vowel না থাকলে B উচ্চারিত হয় না।
উদাহরণ:
☞Bomb (বম) – বোমা।
☞Comb (কৌম) – চিরুনি।
☞Thumb (থাম) – হাতের বুড়ো আঙ্গুল।
☞Thumbnail (থামনেল) – ছোট।
➤Rule-5
⇨Word এর শেষে I G N থাকলে তার উচ্চারণ “আইন” হয়। এ ক্ষেত্রে G অনুচ্চারিত থাকে।
☞Design (ডিজাইন) – আকা।
☞Resign (রিজাইন) – পদত্যাগ করা।
☞Reign (রেইন) – রাজত্ব।
☞Feign (ফেইন) – উদ্ভাবন করা।
➤Rule- 6
⇨L+ M পর পর থাকলে এবং পরে vowel না থাকলে L অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Calm (কাম) – শান্ত।
☞Alms (আমজ) – ভিক্ষা।
☞Palm (পাম) – তালগাছ।
➤Rule- 7
⇨শব্দে T থাকলে T এর পরে U থাকলে T এর উচ্চারণ “চ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Lecture (লেকচার) – বক্তৃতা।
☞Century (সেঞ্চুরী) – শতক।
☞Furniture (ফার্নিচার) – আসবাবপত্র।
☞Structure (স্ট্রাকচার) – গঠন।
➤Rule-8
⇨Consonant+ I A+ Consonant এভাবে Word গঠিত হলে, I A এর উচ্চারণ (আইঅ্যা) মত হয়।
উদাহরণ:
☞Dialogue (ডায়ালগ) – কথোপকথন।
☞Diamond (ডায়ামন্ড) – হীরক।
☞Liar (লায়ার) – মিথ্যাবাদী।
☞Liability (লাইয়াবিলিটি) – দায়।
➤Rule-9
⇨I+ R+ Consonant এভাবে Word গঠিত হলে “I” এর উচ্চারণ “আই” না হয়ে “অ্যা” হয়।
উদাহরণ:
☞First (ফার্স্ট) – প্রথম।
☞Birth (র্বাথ) – জন্ম।
☞Bird (বার্ড) – পাখি।
☞Circle (সার্কেল) – বৃত্ত।
➤Rule-10
⇨৩ বর্ণ বিশিষ্ট Word এ Consonant+ I+ E এভাবে ব্যবহৃত হলে তার উচ্চারণ “আই” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Mice (মাইস) – ইদুর।
☞Rice (রাইস) – চাউল।
☞Wise (ওয়াইস) – বিজ্ঞ
☞Size (সাইজ) – আয়তন।
➤Rule-11
⇨Consonant+ U+ Consonant এভাবে word গঠিত হলে U এর উচ্চারণ “আ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Null (নাল) – বাতিল
☞But (বাট) – কিন্তু।
☞Nut (নাট) – বাদাম
☞Cut (কাট) – কাটা।
➤Rule-12
⇨I G H এর উচ্চারণে G উচ্চারিত হয় না। সেই অংশটুকুর উচ্চারণ “আই” হবে।
উদাহরণ:
☞Night (নাইট) – রাত্র।
☞Sight (সাইট) – দৃশ্য।
☞Might (মাইট) – হতে পারে।
➤Rule-13
⇨“I O” এর উচ্চারণ সাধারণত “আইয়” হয়।
উদাহরণ:
☞Violet (ভাইয়লেইট) – বেগুনী রঙ।
☞Biology (বাইয়োলজি) – জীব বিদ্যা।
☞Biography (বাইয়োগ্রাফি) – জীবনী।
☞Violation (ভাইয়লেশন) – ভঙ্গ।
➤Rule-14
⇨Consonant এর পর “AI” এর উচ্চারণ সবসময় “এই” বা “এয়্যা” হয়।
উদাহরণ:
☞Rail (রেইল) – রেলের লাইন।
☞Nail (নেইল) – পেরেক
☞Straight (স্ট্রেইট) – সোজা।
➤Rule-15
⇨O+ consonant+ U+ consonant+ A/E/I এভাবে word গঠিত হলে, U এর উচ্চারণ “ইউ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Document (ডকিউমেন্ট) – দলিল।
☞Procurement (প্রকিউরমেন্ট) – চেষ্টা দ্বারা পাওয়া।
➤Rule-16
⇨I+ R+ E এর ক্ষেত্রে যদি বর্ণ তিনটি word এর শেষে থাকে তবে এর উচ্চারণ “আয়্যা” হয়।
উদাহরণ:
☞Dire (ডায়্যার) – ভয়ংকর।
☞Mire (মায়্যার) – কাদা।
☞Admire (এ্যাডমায়্যার) – তারিফ করা।
➤Rule-17
⇨U I + consonant এরপর vowel না থাকলে U I এর উচ্চারণ “ই” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Guilty (গিল্টি) – দোষী।
☞Guilt (গিল্ট) – দোষ।
☞Build (বিল্ড) – নির্মাণ করা।
➤Rule-18
⇨E A+ R এভাবে ব্যবহৃত হলে এবং R যদি word এর শেষ বর্ণ হয় তাহলে E A এর উচ্চারণ “ঈঅ্যা” হবে।
☞Dear (ডিয়্যার) – প্রিয়।
☞Fear (ফিয়্যার) – ভয়।
☞Bear (বিয়্যার) – বহন করা।
➤Rule-19
⇨EA+ R+ consonant এভাবে word গঠিত হলে, EA এর উচ্চারণ “অ্যা” হবে।
উদাহরণ:
☞Heart (হার্ট) – হৃদয়।
☞Earth (আর্থ) – পৃথিবী।
☞Earn (আর্ন) – আয় করা।
➤Rule-20
⇨Consonant+ EA+ consonant (R ছাড়া) এভাবে ব্যবহৃত হলে EA এর উচ্চারণ ঈ হবে।
☞Feather (ফেদার) – পালক।
☞Tread (ট্রেড) – পদদলিত করা।
☞Leader (লিডার) – সর্দার।
➤Rule-21
⇨শব্দস্থিত EE+ R এভাবে ব্যবহৃত হলে R যদি word শেষ অক্ষর হয় তাহলে EE এর উচ্চারণ “ইঅ্যা” হবে।
উদাহরণ:
☞Peer (পিয়্যার) – সমকক্ষ।
☞Steer (স্টিয়্যার) – হাল ধরা।
☞Deer (ডিয়্যার) – হরিণ।
➤Rule-22
⇨P+ S পরপর থাকলে এবং P এর আগে কোন vowel না থাকলে P অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Psyche (সাইকি) – আত্মা
☞Psycho (সাইকো) – মন।
☞Psora (সৌরা) – খোসপাচঁড়া।
➤Rule-23
⇨শব্দস্থিত STL এর উচ্চারণ হয় “সল্” এখানে T অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Bustle (বাসল্) – অতিশয় কর্ম ব্যস্ততা।
☞Rustle (রাসল) – খসখস শব্দ।
☞Nestle (নেসলে) – বাসা বাঁধা
➤Rule-24
⇨ইংরেজি শব্দের শেষে TCH থাকলে এর উচ্চারণ হয় “চ”।
উদাহরণ:
☞Batch (ব্যাচ) – ক্ষুদ্রদল।
☞Match (ম্যাচ) – ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
☞Scratch (স্ক্র্যাচ) – আচঁড়ের দাগ।
➤Rule-25
⇨শব্দস্থিত OA+ R থাকলে, OA এর উচ্চারণ হবে “অ্য”।
উদাহরণ:
☞Board (বোর্ড) – মোটা শক্ত কাগজ।
☞Boar (বোর) – শূকর।
☞Boat (বোট) – নৌকা।
☞Road (রোড) – রাস্তা।
➤Rule-26
⇨E+ consonant (R ছাড়া) + E এভাবে ব্যবহৃত হলে এবং তার পর আর কিছু না থাকলে প্রথম E এর উচ্চারণ হয় “ঈ” এবং দ্বিতীয় E অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Complete (কমপ্লীট) – সম্পূর্ণ।
☞Mete (মীট) – অংশ ভাগ করে দেয়া।
➤Rule-27
⇨শব্দস্থিত OE এর উচ্চারণ হয় “ঈ”।
উদাহরণ
☞Phoenix (ফীনিক্স) – রুপ কথার পাখি বিশেষ।
☞Amoeba (এ্যামিবা) – ক্ষুদ্র এক কোষী প্রাণী।
➤Rule-28
⇨Consonant এরপর OI এর উচ্চারণ হয় “অই”।
উদাহরণ:
☞Coin (কইন) – মুদ্রা।
☞Foil (ফইল) – পাত।
☞Join (জইন) – যোগদান করা।
➤Rule-29
⇨শব্দস্থিত OA+ Consonant এভাবে ব্যবহৃত হলে OA এর উচ্চারণ হয় “ঔ”।
উদাহরণ:
☞Road (রৌড) – রাস্তা।
☞Loan (লৌন) – ঋণ।
☞Toad (টৌড) – ব্যাঙ।
➤Rule-30
⇨UI+ consonant+ A/E/O এভাবে word গঠিত হলে সচরাচর UI এর উচ্চারণ হয় ইংরেজি “আই” এর মত।
উদাহরণ:
☞Guide (গাইড) – পথ প্রদর্শক।
☞Guile (গাইল) – ছলনা, ফাঁকি।
☞Misguidance (মিসগাইড্যান্স) – বিপথগামীতা।
➤Rule-31
⇨শব্দের মাঝে E+ R ছাড়া অন্য consonant এভাবে ব্যবহৃত হলে E এর উচ্চারণ সাধারণত “এ” বা “ই” হয়।
উদাহরণ:
☞Rent (রেন্ট) – ভাড়া।
☞Comet (কমিট) – ধূমকেতু।
☞Comment (কমেন্ট) – মন্তব্য।
➤Rule-32
⇨EE+ consonant (R ছাড়া) এভাবে ব্যবহৃত হলে, EE এর উচ্চরণ “ঈ” হয়।
উদাহরণ:
☞Need (নীড) – প্রয়োজন।
☞Feel (ফীল) – অনুভব করা।
☞Steel (স্টীল) – ইস্পাত।
☞Meek (মীক) – বিনম্র
➤Rule-33
⇨R+ vowel+ CH এভাবে ব্যবহৃত হলে CH এর উচ্চারণ হবে “চ”।
উদাহরণ:
☞Approach (অ্যাপ্রোচ) – অভিগমন।
☞Branch (ব্রাঞ্চ) – শাখা।
☞Crunch (ক্র্যাঞ্চ) – গুড়ানো।
➤Rule- 34
⇨C এর পরে যদি I, E, Y থাকে তাহলে তার উচ্চারণ “স” হবে।
উদাহরণ:
☞Center (সেন্টার) – কেন্দ্র।
☞Cyclone (সাইক্লোন) – ঘূর্ণিঝড় ।
☞Cell (সেল) – কোষ।
☞Circle (সার্কেল) – বৃত্ত।
➤Rule- 35
⇨Y সাধারণত One-syllable এর শব্দে Y, (আই) হিসেবে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ:
☞Fly (ফ্লাই) – উড়া।
☞Shy (শাই) – লজ্জা।
☞Buy (বাই) – ক্রয় করা।
☞Toy (টই) – খেলনা।
☞Joy (জয়) – আনন্দ।
⇨Two-syllable এর শব্দে Y (ই) হিসেবে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ
☞City (সিটি) – শহর।
☞Funny (ফানি) – আনন্দ করা।
☞Happy (হ্যাপি) – খুশি।
☞Policy (পলিসি) – নীতিমালা।
➤Rule-36
⇨শব্দের শেষে MN এর পরে কোন vowel না থাকলে এবং MN পরপর থাকলে N অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Solemn (সলেম) – গুরুগম্ভীর।
☞Condemn (কনডেম) – দোষারোপ করা।
☞Damn (ড্যাম) – অভিশাপ দেয়া ।
➤Rule-37
⇨ইংরেজি শব্দের শেষে gh থাকলে তার উচ্চারণ হয় “ফ” অথবা কখনো তা অনুচ্চারিত থাকে । কিন্তু এরপর T, N বা M থাকলে gh উচ্চারিত হয় না।
উদাহরণ:
☞Tough (টাফ) – কঠিন।
☞Enough (ইনাফ) – যথেষ্ট।
☞Mighty (মাইটি) – বলশালী।
☞High (হাই) – উচ্চ।
➤Rule-38
⇨IGH এর উচ্চারণ “আই”। “augh” এবং “ough” এর উচ্চারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই “অ” বা “আ” তাছাড়া eigh এর উচ্চারণ হয় এই কিন্তু Height এর উচ্চারণ ব্যতিক্রম।
উদাহরণ:
☞Night (নাইট) – রাত্র।
☞Dight (ডাইট) – সাজানো।
☞Fight (ফাইট) – লড়াই।
☞Tight (টাইট) – টানটান।
➤Rule-39
⇨Consonant এরপর BT এর উচ্চারণ “ট” এক্ষেত্রে “B” অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Doubt (ডাউট) – সন্দেহ।
☞Debt (ডেট) – ঋণ।
☞Doubtful (ডাউটফুল) – সন্দিহান।
➤Rule-40
⇨শব্দের শেষে que এর উচ্চারণ “ক”।
উদাহরণ:
☞Cheque (চেক) – কিস্তি, হুন্ডি।
☞Baroque (ব্যারক) – বলিষ্ঠ।
☞Clique (ক্লীক) – ক্ষুদ্রদল।
➤Rule-41
⇨LK এর আগে E বা U না থাকলে LK এর উচ্চারণ হবে “ক” এবং “L” অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Talk (টক) – আলাপ।
☞Walk (ওয়াক) – হাটা।
☞Chalk (চক) – খড়ি।
➤Rule-42
⇨KN বা GN এর আগে vowel থাকলে K ও G উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ:
☞Agnostic (এ্যাগনষ্টিক) – অজ্ঞেয়
☞Acknowledge (এ্যাকনলেজ) – স্বীকার করা
☞Acknowledgement (এ্যাকনলেজমেন্ট) – স্বীকৃতি।
➤Rule- 43
⇨কোন শব্দে CC+ OU/ consonant থাকলে CC এর উচ্চারণ হবে “ক”।
উদাহরণ:
☞Accuse (এ্যাকিউজ) – অভিযুক্ত করা।
☞According (এ্যাকর্ডিং) – অনুযায়ী।
☞Accurate (এ্যাকিউরেট) – যথার্থ।
➤Rule- 44
⇨কোন শব্দে U এরপর consonant+ vowel+….. থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “ইউ” হয়।
উদাহরণ:
☞Mute (মিউট) – স্তব্ধ, নির্বাক।
☞Tube (টিউব) – নল।
☞Duteous (ডিউটিয়াস) – অনুগত , বাধ্য।
➤Rule- 45
⇨কোন শব্দে U এর পূর্বে consonant+ R/L+…… থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “উ” হয়।
উদাহরণ:
☞Blue (ব্লু) – নীল।
☞Glue (গ্লু) – শিরিসের আঠা।
☞True (ট্রু) – সত্য।
➤Rule- 46
⇨কোন শব্দে U+E এর পূর্বে consonant + R বা L না থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “ইউ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Sue (স্যু) – আদালতে অভিযুক্ত করা।
☞Hue (হিউ) – রং।
☞Imbue (ইমবিউ) – অনুপ্রানিত করা।
➤Rule-47
⇨কোন শব্দে U এর পূর্বে R বা L একক ভাবে থাকলে তার পরে E বা consonant+ E/L থাকা স্বত্তেও তার উচ্চারণ সাধারণত “উ” হয়।
উদাহরণ:
☞Nude (নুড) – নগ্ন, ন্যাংটা।
☞Lunacy (লুনাসি) – পাগলামি, বকা আচরণ।
☞Lutanist (লূটানিস্ট) – বীণা-বাদক।
➤Rule- 48
⇨U এর পর যদি এমন দুটি Consonant থাকে যাদেরকে আলাদাভাবে উচ্চারণ করতে হয় (ফলে প্রথমটিতে একটি syllable শেষ হয় এবং পরেরটিতে আরেকটি syllable শুরু হয়) তাহলে ঐ দুটি consonant এর পর E/I/A থাকা স্বত্তেও U এর উচ্চারণ বাংলা “আ”- এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Incumbent (ইনকামবেন্ট) – বাধ্যতামূলক।
☞Number (নাম্বার) – সংখ্যা।
☞Constructive (কনস্ট্রাকটিভ) – গঠনমূলক।
☞Nudge (নাজ) – কনুয়ের মৃদু ঠেলা দেয়া।
➤Rule- 49
⇨LM এর আগে কোন vowel অর্থাৎ “ই”, “ঈ” বা “এ” ধ্বনি থাকলে L উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ:
☞Film (ফিল্ম) – চলচ্চিত্র।
☞Elm (এল্ম) – দেবদারু জাতীয় গাছ।
☞Filmy (ফিল্মি) – মেঘাচ্ছন্ন।
➤Rule- 50
⇨UI+ consonant+ I কিংবা consonant+ L/R+ UI এভাবে গঠিত হলে UI এর উচ্চারণ “ইউই” বা “উই” হয়।
উদাহরণ:
☞Perpetuity (প্যারপিচিউইটি) – চিরস্থায়ীত্ব।
☞Ingenuity (ইনজিনিউইটি) – অকপটতা।
☞Liquidity (লিকুইডিটি) – তারল্য, তরল অবস্থা।
.................... .................

Saturday, February 2, 2019

paragraph on mobile phone


Mobile Phone

04 August 2013: The recent research eport is that the vibration of gravity from the mobile-phone-tower pollutes the environment. These towers are harmful to man and animals. Again, when we recharge mobile-phone, the vibration of its gravetic ray irritates our brains and does a lot of harms. It is also reported that random using of mobile phone causes brain cancer and different kinds of hearing diseases. Mobile phone is one among the superb inventions of modern science. Communication and messing system become easier for the invention of mobile phone. Mobile phone makes the world smaller and smaller. Besides it is a cordless easy caring cell-phone. It adds many facilities. It includes e-mail, internet, calculator, camera, video and audio facilities. The business world, trade and commerce are using this phone. Now it is not luxury rather inseparable trustful company of every moment. It saves time and money. We come to know within a second what is happening in the furthest corner of the country, even in the world.
But the dishonest men are using it for malpracticing, blackmailing and trapping. Yet it is truly a. blessing for our modern information civilisation. And the use of three-G mobile phone will help to minimise corruption.

Paragraph about The Life Of A Farmer






The Life Of A Farmer


Farmers means the people who cultivates the land or who does any kind of farming activities. In a general sense, we see that farmer ploughs the lands, grow the crops, rip the crops and sells it or preserve it for him.
He is the most important person in our socity. He work very hard to produce crops. He supplies the food that we need to live. He works hard, till all day long. Though he works very hard yet he is very poor. He is not educated or literate. Since he is poor his standard of living is below than the expectation. He lives from hand to mouth. He does not have any land. He mainly works under a landlord and gets salary. Or he ploughs the land as borgha. He does not
get the appropriate price what he should get. So we should try to do something to improve the farmer's financial condition. We can make him educated, we can also provide the Technical Training and modern farming instruments for him properly. We should introduce him with the hybrid food. For this government should take proper measures.

Paragraph on My Parents




My Parents


I have come of a noble family and my parents are like an ideal to me. Though they are not very rich in money but mindly l think very rich. They are belonging to the poor middle-class society. My father Nurul Islam is a government empioyee. He is a teacher of govt. High School. His mind is very deep in knowiedge and of good qualities, simple minded, and lover of wisdom and knowledge is in one hand and the religious like saint and perfect man in other hand. My father is the only earning
member of our family and with his meagre income he maintains our family with contentment and happiness. He is not ambitious man and his wants are little. So we have no sorrow of getting unnecessary something. My mother Momena Begum is a house wife and the symbol of love and patience. She is an ideal mother. She is also very pious woman. She becoes satisfied with what my father provides. She has contentment also with her own conditions and so peace and love stir always in his heart. She performs the entire volume of household work all by herself and never feels bothered and vexed. I have only a sister elder in respect of age. She sometimes helps mother in house-hoid work. She studies in the University in Bangla literature. My parents want us to be religious and wise. They take care of us very decently and wisely. They always try heart and soul to fulfil our wants. If we fall ill they spare no pains for our early recovery. Their faith in Allah is like a mountain and never they fill frustrated. They always become contented with their situation that is rarely seen. My parents are not only the ideal parents but also the best friends. They can understand understand our mind and behave according to this. We are highly proud of our parents and we thank Allah for bestowing us such kind and generous parents. Whenever they fall ill I take their proper care.

Paragraph on How to use Internet





How To Use Internet



The Internet is a complex space. It is a chic set of helpful options and functions. When we square measure on the web, our laptop is connected to others by a combination of phonephone wires cables and satellites. This allows folks to exchange massive amounts of data, pictures, video and audio quickly. The Inter-net is easy to use. An important a part of the web is that the World Wide internet (WWW). This comprises millions of pages containing information on almost any subject we can think of. A group of interlinked pages is understood as a website'. To get to a website we either need to know its address or loók for it using a 'se ARCHITECTURE engine'. It is very important to observe the placing of the full stops and forward slashes in these addresses. Search engines are websites which find things for us when we give them a 'key word or words to look for. An example of a search engine is Google. We enter key words-such as .dhaka board, _ and press·Enter' or"Google Search. we will soon find out that a site may come up on our search just because the words 'dhaka' and board appear in the same sentence somewhere on that site. However, search engines do provide information on how to 'refine' our search. As with most things, practice improves our skills.

★ General Knowledge ★

# নিউইয়র্ক কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- হাডসন নদী

- # লন্ডন কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- টেমস্ নদী

- # প্যারিস কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- সীন নদী

- # আগ্রা কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- যমুনা নদী

- # মস্কো কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- মস্কোভা নদী

- # কলকাতা কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- হুগলী নদী

- # করাচি কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- সিন্ধু নদী

- # বেইজিং কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- হোয়াংহো নদী

- # বাগদাদ কোন নদীর তীরে অবস্থিত ?

- টাইগ্রীস নদী

> বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচিত্র - মুখ ও মুখোশ ।

> উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র - জামাই ষষ্ঠী ।

> সর্ব প্রথম চলচ্চিত্র নির্মান করা হয় - ১৮৯৫ সালে ।

> উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক - হীরালাল সেন ।

> বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জনক - আব্দুল জব্বার খান ।

> বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রকার -জহির রায়হান ।
■■■■■■■■■■■■■■■■■