Thursday, August 30, 2018

গল্প- বাসর, পার্ট-০২


.
.
প্রিতি রেগেমেগে নিচে গেলো। সাফা প্রিতিকে দেখে বলে ওইযে ভাবি আসছে।। মা আর সাফা সোফায় বসে ছিলো।মা আমাকে দেখে বলে
মা :ঘুম হয়েছে মা??
প্রিতি:হে হয়েছে।। ( মা তোমাকে যদি বলতে পারতাম 😖😖)
মা আমাকে খাবার টেবিলে নিয়ে গেলো। বসো মা খেয়ে নাও।। আমি বসলাম।।
মা:জিহান উঠেনি এখনও??
প্রিতি: হে উঠেছে। বসে আছে।।
মা: ওকে ডাকনি যে??
প্রিতি:ডেকেছিলাম।। বলছে পরে আসবে
মা: আচ্ছা তুমি খেয়ে নাও।।
প্রিতি খেতে পারছে না। বার বার সিঁড়িটার দিকে তাকাছে।। জিহানের অপেক্ষায়।।প্রিতি উঠে দাঁড়ালো।।
প্রিতি: আমি সবাইকে ভাত তুলে দি আমি একটু পরে খাবো।।
সাফা : বুঝেছি ভাইয়ার জন্য অপেক্ষা।। 😜😜
প্রিতি আর কিছু বললো না।। সবাই খেয়ে যে যার রুমে চলে গেছে আধঘণ্টা হয়ে গেছে জিহানের কোন খবর নাই।। সিঁড়িটা দিয়ে কে যেন নামছে জিহান হবে প্রিতি তাড়াতাড়ি এক প্লেট ভাত নিয়ে খেতে বসে যায় যাতে না লাগে সে জিহানের জন্য অপেক্ষা করছে।।
জিহান: আর কত খাবি?? কাল থেকে এক প্লেটের বেশি খাবিনা।। তোরে খাওয়ার জন্য রাখিনাই।। কষ্ট দেওয়ার জন্য রাখছি।
এই বলে প্রিতির খাবার প্লেটে পানি দিয়ে দিলো।। প্রিতি তো মাত্র খেতে বসেছে।। সে রেগেমেগে আগুন।। জিহানের দিকে এমনে তাকাই আছে যে এখন তাকে খেয়ে ফেলবে।। উঠে দাঁড়ালো প্রিতি। জিহানের পায়ে তার পা দিয়ে শক্ত করে চাপা দিলো আর উপরে উঠে যাচ্ছিলো।।
জিহান: আহহ!! এই মেয়ে তোর সাহস তো কম না।।
প্রিতি: এখনও সাহসের কি দেখলে??😜😜
প্রিতি রুমের বারান্দায় থাকা চেয়ারটাতে বসে বসে ভাবছে তার বাপেরবাড়িতে কিছু বলা যাবে না।। তার বাবা অনেক সখ করে তাকে বিয়ে দিয়েছে আর তারা।অনেক কষ্ট করে চলে তাদের বলে আর কষ্ট দেওয়া যাবেনা।।
প্রিতি তো বেশি কিছু চাই নি একটা সুখি পড়িবার চেয়েছিলো তা কি তার অপরাধ?? তার সাথে এমন কেন হলো।।
হটাৎ প্রিতির হাত ধরে টান দিয়ে জিহান দেয়ালের সাথে শক্ত করে ধাক্কা দিলো।।
প্রিতির খুব বেশি লেগেছে। তার চোখে পানি চলে আসছে।।
জিহান:কি মনে হয় তোর আমি এখানে তোকে আদর করার জন্য আনছ? সপ্নে থাকিস না।। তুরে আমি কষ্ট দিতে বিয়ে করছি।। বেশি চালাকি করলে বাড়িতে থাকার জায়গা পাবিনা।।l😡😡
প্রিতি কিছু বলছে না। তার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে।। জিহান তার চোখে পানি দেখে ছেড়ে দিয়ে রুম থেকে বাইর হয়ে গেলো।
প্রিতি ব্যাথার জন্য নড়তে পারতেছ। তাই আস্তে আস্তে ওই জায়গাই বসে পড়লো।। কান্না করছে শুধু।। সারারাত কান্না আর সকালে কিছু না খাওয়ার কারনে তার ক্লান্ত লাগছে প্রিতির ঘুমিয়ে গেলো।।
এক গ্লাস পানি দিলো তার মুখে জিহান।। চমকে উঠলো প্রিতি।। তার নাকে পানি ডুকে গেছে।। রেগেমেগে ফুলছে প্রিতি।।
জিহান :- তোরে এখানে ঘুমানোর জন্য রাখছি আমি?? উঠ আজকে থেকে আমার কথা ছাড়া ঘুমাবিনা
। যা আমার জন্য চা করে নিয়ে আয়।।
প্রিতির এতো রাগ লাগছিলো যে।সে পারছেনা জিহানের চুল গুলা টেনে দিতে।।
মনে মনে বলছে আমার জনাব চা খাবে তাইনা?? অনেক সখ চা খাওয়ার।। 😂😂😂 ওয়াইট খাওয়াচ্ছি।।
১০মিনিট পর প্রিতি হাতে একটা চায়ের কাপ এনে জিহানের হাতে দিলো।। জিহান তার হাত থেকে চায়ের কাপটা নিয়ে খাওয়া শুরু করলো।।
প্রিতি আয়নার সামনে বসে চুল ঠিক করছে আর গুন গুন করে গান করছে।। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে।।
জিহানের চা একটু গরম ছিলো তাই সে চায়ের কাপে ফু দিচ্ছে প্রিতির গান শুনে বলে এই চুপ কর।। তোরে গান করতে কে বলছে??
প্রিতি: আচ্ছা সরি।। বলে গান অফ করে দিলো।। 😎😎
জিহানের চা ঠান্ডা হতেই এক সিপে সব চা খেয়ে ফেললো।। তারপর............................😰😰😰😰
জিহান লাফাতে লাফাতে: এই হারামজাদি কি দিয়েছিস চায়ে?? ঝাল কেন??
প্রিতি: কেন?? ঝাল যখন হয়েছে মরিচই হবে।। 😎😎
জিহান: চায়ে মরিচ দেয়!! 😡 এই ম*গি তোরে চা বানানো কে শিখাইছে??
প্রিতি: ভাষা ঠিক করেন।। 😒😒
জিহান বিছানার পাশে থাকা টেবিল থেকে পানির গ্লাসটা হাতে নিয়ে দেখে এতে পানি নাই।। উফফফ! একটু আগে তো এই পানি এই হারামজাদিটার মুখে মারছিলাম।।
জিহান: যা আমার জন্য পানি নিয়ে আয়।। তাড়াতাড়ি যা।। এক প্রকার লাগাছে জিহান।।
প্রিতি হাসছে জিহানের অবস্থা দেখে তারপর বিছানার নিচ থেকে পানির গ্লাসটা জিহানের হাতে দিলো জিহান পানি তাড়াহুড়া করে পানি তা খেলো।। যুদ্ধ করে শেষ করলো সে পানি
জিহানের মুখ দিয়ে কথা আসছে না।। এতো ঝাল সে।আর কোনদিন খাই নি।। বিছানাই বসে পড়লো।।
প্রিতি: এখনও শুরু জনাব।। এখনও শুরু।। 😎😎 এই বলে রুম থেকে বের হয়ে গেলো।।
জিহান তাকিয়ে আছে প্রিতির চলে যাওয়ার দিকে।। এই মেয়েকে সে কষ্ট দেওয়ার জন্য আনছে?? 😲😲😲 গ্রামের মেয়ে সহজ সরল হবে কিন্তু এই মেয়ে এমন কেনো?? 😲😲😲 কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো জিহান।। তারপর ভাবে না এই মেয়েরে আমি ছাড়বো না।। এই মেয়ের শেষ দেখে ছাড়বো।।
জিহান ভাবতে রইলো প্রিতিরে জব্দ করার কথা এই খেয়ালে সে আজকে সারাদিন নেশা করেনি।। তার খিয়ালই নেই যে সে একজন মাদকাসক্ত ছেলে।।
প্রিতির ব্যাথা এখনও আছে।।তাও সে কাউকে বলেনি।। 😖😖
সন্ধায় সবার জন্য চা বানালো।। সবাই বাইরের বাগানের চেয়ারে বসেছে।। গিয়ে দেখি জিহানও ওখানে বসেছে।। দেখে একটু বাকা হাসি দিলাম সে রেগেমেগে দেখেতে রাক্ষাসের মত লাগছে।। এমনে সাদা তার উপর রেগে একদম লাল হয়ে গেছে।। দেখতে বেশভালোই লাগছে প্রিতির।।
সবাইকে চা দিলো।। সবাই চা খাচ্ছে।। জিহানকেও দিতে চাইলাম সে খাচ্ছে না।😂😂😂
প্রিতি: আরে নিন নিন কিছু হবেনা।।
জিহান : নো থ্যাংকস।। আমি খাবো না।।
মা: আরে খেয়ে নে।। অনেক ভালো হয়েছে।। বউ মা তো খুব ভালো চা বানায়।। মাশাল্লাহ।।
😊😊
সাফা: আরে ভাই খা খা অনেক ভালো হয়েছে।। না খেলে মিস করবি।।
প্রিতি: ভয় নেয় খান খান।। 😂😂😂
জিহান একপ্রকার টেনে নিলো চায়ের কাপটা।। 😡😡
খাচ্ছেনা তাকায় আছে চায়ের দিকে।। 😂😂
প্রিতির এই সিনটা দেখতে কত হাসি পাচ্ছে।। 😁😁
প্রিতি জিহানের কাছে গিয়ে আস্তে আস্তে বললো: জিহান সাহেব খেয়ে নিন ভয় নেই।। চা বানিয়েছি।।😆l😆
জিহান: একটু আগেও চা বানিয়েছিলি।। 😡😡
অনেক ভয় নিয়ে খেলো জিহান।। তারপর যখন দেখলো যে এইটা তখন যেন শান্তি পেলো।। 😂😂
প্রিতি দেখে যে কি মজা নিচ্ছে। 😁😁
রাত হয়ে গেছে আর কি করা যায় সাহেবের সাথে ভাবছে প্রিতি😂😂তারপর ভাবলো না আজকে ছেড়ে দি।। আবার কালকে দেখা যাবে।। 😂😂
রাতে খাবার টেবিলে জিহান ভয় পাচ্ছিলো 😰😰 প্রিতি তাকে ভাত দিলো।। ভয়ে ভয়ে খেলো সে যদি ভাতে কিছু থাকে।। 😫😫 কোন জালায় পড়লাম আমি 😫😫😫
প্রিতি জিহান আসার আগেই তার বালিশটা নিয়ে মাটিতে শুয়ে পড়লো।।
জিহান রুমে ডুকে যখন দেখলো প্রিতি আরাম করে ঘুমাচ্ছে তখন রাগে তাকে একটা লাথি মারতে গিয়ে আর মারলো না।। 😡😡😡
সে নিজের জায়গাই এসে ঘুমিয়ে গেলো।।
সকালে প্রিতি উঠে দাঁড়িয়ে আছে জিহানের বিছানার সামনে হাতে তার এক মগ পানি।। 😁😁 আমাকে পানি মেরে ঘুম থেকে তুলা তাইনা?? এখন বুঝো ঠেলা।।
কয়েকবার আস্তে আস্তে জিহান সাহেব জিহান সাহেব বলে ডাকলো যাতে বলতে পারে যে তাকে ডাকছিলো সে যখন উঠে নাই তাই তার এই কাজ করতে হইছে।। 😂😂😂
যেই কথা সেই কাজ দিলো মেরে।। 😆😆
লাফাইয়া উঠছে জিহান।। একটু হলে যেনো heart attack করতো।। 😱😱😱।।
জিহান: প্রিতিইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইই..!!!!!!!!!!!!!!!!!
প্রিতি: 😰😰😰😜😜😜😎😎😎
( চলবে)

গল্প- বাসর, পার্ট-০১


.
.
.
খুব লজ্জা লাগছে আজ। আমার বাসর হবে। আমার ওনার কিছু বোন আমাকে রুমে এনে বসিয়ে রাখলো সেই এক ঘন্টা ধরে। কিন্তু আমার ওনার কোন খবর নেই।বসে আছি লেহেঙ্গাটা গোল করে বিছানায় সাজানো রয়েছে অনেকক্ষণ। আর ভালো লাগছে না বসে থাকতে উঠে দাড়ালাম। হেটে বারান্দার দিকে গেলাম। বারান্দার চেয়ারটাতে একটু বসলাম। চোখটা একটু লেগে গেছিলো হঠাৎ দরজাটা নড়ে উঠলো আর আমার বুকটাও মোচড় দিয়ে উঠে মনে হয় জিহান আসছে।আমি তাড়াতাড়ি চেয়ার থেকে উঠে রুমের দিকে গেলাম ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত তখন ৩:৫০মিনিট। বাইরে আলো উঠে গেছে হালকা। প্রিতির অভিমান হচ্ছে তার বাসরের দিন তো শেষ তাহলে তাও কিছু বললোনা। জিহান ধাপ করে বিছানায় পড়ে গেলো। প্রিতির বুঝতে বাকি নেয় যে সে নেশা করেছে।
প্রিতি: আপনি নেশা করেন??
জিহান: কেন ম*গি তোরে বলেনাই কেউ??
প্রিতি: না। আজকে আমাদের বাসর ছিলো।
জিহান: এইসব আদিক্ষেতা আমি জানিনা। বাসর করবি,তাই না?? চল তাহলে আমরা বাসর করি।
( জিহান একটা বাজে গান দিলো )
জিহান: এইবার নাচ তুই আমি দেখি। নাচ নাচ এই বলে একটা সিগারেট ধরালো
প্রিতি: এই আপনি কি বলছেন?? আমি নাচবো আর এই গানে??
জিহান: চুপ!! আরেকটা কথা না।। তোরে কে বলছে আমাকে বিয়ে করতে?? আমাকে দেখছিলি তুই?? তোরেও আমি দেখিনাই।। যাহ এখান থেকে।। ঘৃনা করি আমিমি মেয়েদের।।
প্রিতি: তো আপনি করছেন কেন আমাকে বিয়ে?? আপনি ওতো বিয়েটা আটকাতে পারতেন।।
জিহান: তোরে কষ্ট দিতে।। তুই একটা মেয়ে তাই তোরে কষ্ট দিবো।।
( জিহান প্রিতির বালিশটা মাটিতে ফেলে দিলো।। ওইখানে ঘুমা আর একটা কথা আমার সাথে বলবি না। এই বলে জিহান মুখ ফিরিয়ে শুয়ে পড়লো।। আর প্রিতি মাটিতে বসে গেলো।। কত সপ্ন ছিলো তার বিয়ে নিয়ে বাসর নিয়ে।। সব এক নিমিসে শেষ হয়ে গেলো। প্রিতি তো বেশি কিছু চাই নি জীবনে। সে তো একটা ভাল পরিবার চেয়েছে এইটা কি তার ভুল। সব মেয়ের একটা সপ্ন থাকে বিয়ে নিয়ে তাহলে কি আমার সপ্নটা শেষ হয়ে গেলো। তার চোখ দিয়ে পানি পড়তেই আছে। সে আর ঘুমালো না তার বাসরে।। )
প্রিতি একজন গরিব ঘরের মেয়ে। তার বাবা কেবল একটা গ্রামের স্কুলের একজন সহকারি শিক্ষক। যেমনে পারে তারা কষ্ট করে তাদের সংসার চালাই। অনেক আসা নিয়ে প্রিতিকে বিয়ে দিয়েছিলো এক বড় কোম্পানির মালিকের ছেলের সাথে। প্রিতি খুবই সুন্দরী ছিলো তার আচার আচরণ ছিলো তার চেয়ে আরো সুন্দর।। সে অনেক গুনের অধিকারী।। জিহানের মা তার এক মামাতো ভাইয়ের বাসাই প্রিতিকে দেখে আর তার ছেলের জন্য তাকেই পছন্দ করে।। এমন ঘরে কন্যা বিয়ে দেওয়ার খুশিতে প্রিতির বাবা যেন আত্তহারা হয়ে গেছে। কোন কিছু নআ দেখে প্রিতির জন্য হ্যা করে দিলো। বাবার এমন হাসি মাখা মুখ দেখে প্রিতিও অমত করেনি। সেও রাজি হয়ে গেছে। ১০ জানুয়ারি তাদের বিয়েটা সম্পন্ন হলো। এইদিনটা ছিলো প্রিতির জীবনের সবচেয়ে খুশির দিন কিন্তু মনে হচ্ছে এইদিনটাই তার জীবনের এক অভিশাপ্ত দিন। তার বাসর যে বাসরঘর কিনা লাল ফুল দিয়ে সাজানো সে ঘরে প্রিতি লাল রক্ত দেখতে পাচ্ছে। তার রক্ত তার সপ্নের। যে সপ্নকে খুন করেছে আজ জিহান।। সে রাত জেগে কান্না করলো। )
জিহান সকালে প্রিতির মুখে একগ্লাস পানি ছোড়ে মারলো। প্রিতি চমকে উঠলো হটাৎ।
প্রিতি: কি সমস্যা আপনার?? ঘুমালেও প্রব্লেম আপনার?? ঘুমানো কি যাবে না??
জিহান: রাগ কাকে দেখাচ্ছিস?? বাড়ির বাইরে বের করে দিবো আরেকটা কথা বললে। বাথরুমের দরজাই ঘুমাইলে কি আমিমি তোর মাথার উপর দিয়ে যাবো?? সরে বস হারামজাদি।।
প্রিতি: সরি।। বলে উঠে গেলো প্রিতি। চোখের পানিতে তার কাজলগুলা ছড়াই গেছে একদম।। জিহান বাথরুম থেকে আসা পর্যন্ত প্রিতি টিস্যু দিয়ে চোখের কাজল ঠিক করছিলো। আধঘণ্টা হয়ে গেছে এখনও আসছে না আপদটা।। মরে টরে গেলো নাকি আবার।। প্রিতি দরজাই ধাক্কা দিতে গেলো সাথে সাথে জিহান দরজা খুললো আর প্রিতি গিয়ে জিহানের গায়ে পড়লো।। প্রিতি জিহানের হাতে।। চোখ ২টা একসাথে তাদের।। জিহান তাকিয়ে আছে প্রিতির দিকে আর ভাবছে এতো সুন্দর তার চোখগুলা।। প্রিতি যেন জিহানের চোখে ডুবে গেলো আর বলে কই তার চোখে কত মায়া এই মানুষটা কেন এমন করছে আমারর সাথে। তাকে কাছ থেকে দেখলে তো লাগেনা যে সে এমন খারাপ মানুষ। মনে হচ্ছে সে যেন এক ফেরেশতা।।
সাফা ( জিহানের ছোট বোন ): ভাবি ঘুম ভেগেছে।। আহহ!! আমি কিছু দেখিনি।। বলে চোখে হাত দিয়ে দিছে।।
(তার কথায় আমরা নড়ে দারালাম জিহান একপ্রকার ঠেলা মারলো আমাকে।)
প্রিতি: হে ভেগেছে।। এসো ভিতরে এসো।
সাফা: সরি। আসলে আমার এইভাবে আসাটা ঠিক হইনি।।
প্রিতি:না না। তেমন কিছুনা।
সাফা:নাও এই শাড়িটা পরে নিচে আসো আম্মা দিয়েছে।।
প্রিতি : আচ্ছা।। ( লাল রঙের উপর সাদা সুতার কাজ করা)
প্রিতি শাড়িটা পড়ে বের হললো বাথরুম থেকে তাকে খুব সুন্দর লাগছে। প্রিতির গায়ের রঙ এমনেতেই সাদা তার উপর এই রঙের শাড়ি দারুণ মানিয়েছে তাকে। জিহান বিছানাই বসে সিগারেট খাচ্ছিলো প্রিতিকে দেখে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো।।
জিহান: এই এদিকে শুন। আমার পা টিপে দে।।।
প্রিতির এমন রাগ লাগছিলো যে পাশের টেবিলে থাকা পানির গ্লাসটা নিয়ে দিলো জিহানের মুখে পানিগুলা আর রুম থেকে বের হয়ে গেলো ।।
জিহান তো আগুন হয়ে আছে।।
( চলবে)
গল্পটা তানভীর ভাইয়ের লেখা।গল্পটা ভাল লাগছে তাই পোস্ট করলাম।পড়ার ইচ্ছা থাকলে পড়তে পারেন।

রোমান্টিক ভালবাসার গল্প Gangster পার্ট-২


.
.
-অধরা ছেলেটি মনে হয় খুব বোকা।যা বলা যায় তাই করে।(অন্য একটি মেয়ে)
বুঝতে পারলাম মেয়েটির নাম অধরা।
--আমারো তাই মনে হয়(অধরা)
.
অধরা আর তার বান্ধবীর কথা শুনে হাসতে হাসতে ক্লাসের দিকে চলে এলাম।
ক্লাসে বসে আছি এমন সময় স্যার আসলেন।
কিছুক্ষন ক্লাস চলার পর মেয়েটি মানে অধরা উঠে দারালো আর বলতে লাগলো...
.
--স্যার আপনার মেয়েকে যদি কেউ প্রেমপত্র দেয় তাহলে তাকে কি করবেন?(অধরা)
--পিটিয়ে গায়ের ছাল তুলে ফেলব।(স্যার)
--ক্লাসের মেয়েরা মানে আমরাতো আপনার মেয়েরি মতোই তাইনা?(অধরা)
--হুম(স্যার)
.
আমি অধরার কথার মানে কিছুই বুঝতে পারছিনা।মেয়েটি কি বলছে এসব?
.
--স্যার আবির নামের ছেলেটি আমাকে এই প্রেমপত্র দিয়েছে।(অধরা)
.
এইরে আমি আবার কখন এই প্রেমপত্র দিলাম?পাঠকগন আপনাদের কি মনে আছে?
--আবির এগুলো কি সত্যি কথা?(স্যারল
আমি উঠে দারালাম।
--না মানে স্যার....(আমি)
--তোমাকে আমি ভাল মনে করেছিলাম।আর তোমার মাঝে এমন শয়তানি?যাও বেরিয়ে যাও ক্লাস থেকে।(স্যার)
.
কি আর করার ক্লাস থেকে বেরিয়ে আসতে হলো।
আমি বুঝতে পারছিনা অধরা আমাকে কেন ফাসাবে?আমিতো তার কোন ক্ষতি করিনি।
তাছাড়া অধরা আমার নামে মিথ্যা কথাই বা কেন বলবে?হয়তো কেউ আমাকে ফাসিয়েছে।
আজকে আর ক্লাস করা হলোনা তাই কলেজ থেকে ক চলে এলাম।
.
--আজকে এতো সকাল সকাল বাসায় কেন ক্লাস কর নাই?(ভাবি)
--ভাল লাগছেনা তাই চলে এলাম।(আমি)
--ওহ
.
#পরেরদিন_সকালবেলা
অনিকাকে স্কুলে দিয়ে কলেজে চলে এলাম।
--সরি আবির(অধরা)
--সরি কিসের জন্য?(আমি)
--কালকে শুধু শুধু তোমাকে স্যারের কাছে বকা শুনতে হলো। আসলে কালকের কাজটা অন্য কেউ করেছিল।(অধরা)
.
অধরাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে ক্লাসে চলে এলাম।
.
কালকের মতো আজও একই কাজ হলো।
--স্যার আবির আজকেউ আমাকে প্রেম...(অধরা)
--বুঝতে পেরেছি আর বলতে হবেনা।আবির তুমি কলেজে আসতে না আসতেই এমন কাজ শুরু করে দিয়েছ?আবার যদি এমন কর তাহলে কলেজ থেকে বের করে দেব।(স্যার)
--স্যার আসলে বোঝার চেস্টা করেন।(আমি)
-- আমি বাচ্চা নই, আমার যা বোঝার তা বোঝা হয়ে গেছে (স্যার)
.
আমি বুঝতে পারছিনা এই মেয়ে আমার পিছনে কেন লাগলো?
.
--এই মেয়েটি এমনি নতুন যারা আসে তাদের সাথে এমন মজা করে থাকে।(সুমন)
--তার মানে অধরা নামের মেয়েটি আমাকে শুধু শুধু ফাসাচ্ছে?(আমি)
--হুম।তুমি এদের থেকে একটু দূরে দুরেই থেক। (সুমন)
.
আমি সুমনের কথা বলে অনুযায়ী অধরা ও তার মেয়েলী গ্যাং থেকে দূরে দূরে থাকার চেস্টা করলাম।
এমনি চলছিল কিছুদিন।
একদিন হঠাৎ করে.....
--এই ছেলে এদিকে আয়।(অধরা)
--কিছু বলবেন?(আমি)
--তুই এতো হাবা গুবা কেন?(অধরা)
--এমনি(আমি)
আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই তাদের কাছ থেকে সরে এলাম।
.
আরও কিছু কেটে গেল।
.
---কালকে থেকে তোমাদের পরিক্ষা শুরু তা কে কি প্রিপারেশন নিলে?(স্যার)
সবাই একসাথে বলে উঠলো ভাল।
--অধরা তুমিতো ক্লাসের মধ্যে সবসময়ই প্রথম হও তা তোমার প্রিপারেশন কি?(স্যার)
--ভাল স্যার।(অধরা)
--ভাল হয়াই ভাল আমি যানি তুনি এইবারও প্রথম স্থান দখল করবে।(স্যার)
.
অত:পর পরেরদিন থেক এক্সাম শুরু হয়ে গেল।
কয়েকদিনের মধ্যে এক্সাম শেষ হয়ে গেল।
আজকে রেজাল্ট দেয়ার পালা।
স্যার একে একে সবার রেজাল্ট দিয়ে দিল।
.
--এবার ২য় স্থান দখল করেছে অধরা।(স্যার)
.
সবাই স্যারের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে।স্যারের মুখ থেকে এমন কথা বের হবে কেউ কল্পনাও করতে পারছেনা।যে মেয়ে প্রত্যেকবার ১ম স্থান দখল করে সে এবার ২য় স্থান দখল করলো কিভাবে?
.
--আর এবার ১ম হয়েছে আবির।(স্যার)
.
সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে।সবাই হয়তো ভাবছে আমার মতো একটা হাবা গুবা কি করে ১ম হলো।
.
--Thank you sir.( আমি)
- You are most welcome.আশা করি পরবর্তীতে আরও ভাল করার চেস্টা করবে।(স্যার)
--হুম স্যার।(আমি)
.
"ক্লাস ছুটির পর"
--এই ছেলে এদিকে আয়।(অধরা)
--জ্বী বলুন।(আমি)
--এই কলেজ ছেড়ে চলে যা।(অধরা)
--কেন?(আমি)
--কেন বুঝতে পারছিস না?আমি প্রত্যেকবার ১ম হই তোর জন্য এইবার ২য় হয়েছি।আমি চাইনা আমাকে টপকে কে ১ম হক।তাই বলছি চলে যা নাহলে পস্তাতে হবে।তুই হয়তো যানিস না আমার বাবা এই শহরের ডন।(অধরা)
.
আমি মনে মনে ভাবছি মাস্তানের উপর মাস্তানি।
--আমি কাউকে ভয় পাইনা চলি।(আমি)
--ভাল কথা বললাম শুনলিনা দেখতে থাক আমি কি করি।(অধরা)
.
"পরেরদিন কলেজে"
ক্লাসে ঢুকতেই দেখি ক্লাস পুরো ফাঁকা। শুধু অধরা বসে আছে।আমি ক্লাসে ঢুকতেই অধরা বসা থেকে উঠে আমার কাছে চলে এলো।
--কেমন আছিস মিস্টার আবির?(অধরা)
--আমি সর্বদাই ভাল থাকি।(আমি)
--কালকের কথা মনে আছে নিশ্চয়ই? মনে থাকারি কথা।এখনো সময় আছে চলে যা নইলে....(অধরা)
--নইলে কি?(আমি)
--কিছুনা দেখ তাহলে আমি কি করি।(অধরা)।
.
অধরা নিজের জামা-কাপড় নিজেই ছিড়ে নিল।কি করছে মেয়েটি কিছু বুঝছিনা।
অধরা তার শার্টের বোতাম গুলো টেনে ছিড়ে নিল।
.
--কি করছেন কি আপনি?(একটু ভয় পেয়ে বললাম)
--এখনো কিছুই করিনি কিন্তু এখন করবো দেখ।(অধরা)
অধরা বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতে লাগলো।আমি এখনো কিছুই বুঝছিনা।
চায় কি মেয়েটা?

এদিকে একে একে সবাই ক্লাস চলে আসছিল অধরার চিৎকার শুনে।স্যারও চলে এলেন।
--কি হয়েছে অধরা?(স্যার)
--স্যার দেখুন আবির আমার কি সর্বনাশ করতে চাইছিল।(অধরা)
অধরার চাল আমি এখন বুঝতে পারছি।কেন সে এমন করছিল।
--তোমাকে আমি খুব ভাল ভেবেছিলাম। তুমি ভাল ছাত্রও বটে কিন্তু তুমি এতো বড় একটা খারাও কাজ করতে পারবে আমি ভাবতে পারছিনা।(স্যার)
--স্যার আমি কিছুই করিনি। এগুলো সব সাজানো নাটক।(আমি)
--চুপ আমি আর একটাও কথা শুনতে চাইনা।তুমি এই মুহুর্তে কলেজ থেকে বেরিয়ে যাও।তোমাকে এই কলেজ থেকে suspend
করা হলো। I say get out(স্যার)
.
আমার আর কিছু করার নেই তাই বেরিয়ে আসছিলাম।
আসার সময় অধরার দিকে তাকালাম।অধরার চোখের দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারলাম আমাকে কলেজ থেকে তারিয়ে সে খুব খুশি।
তবে তার এই খুশি খুব অল্প সময়ের হয়তো সে বুঝতে পারছেন।
চোখের ইশারায় অধরাকে বুঝিয়ে দিলাম সাবধানে থাকতে।সেউ চোখের ইশারায় বুঝিয়ে দিল আমি তাকে কিছু করতে পারবো না।
.......
চলবে..........
গল্পটিতে হালকা কিছু ১৮+ ছিল যার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি।.
পরবর্তী পর্ব আগামী বুধবার পাবেন।
(#Waiting_for_next_part)

আমাদের সমাজে প্রচলিত ৮১টি কুসংস্কার....!!!


১) পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পূর্বে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরীক্ষায় ডিম (গোল্লা) পাবে।
২) নতুন স্ত্রীকে স্বামীর দুলাভাই কর্তৃক কোলে করে ঘরে আনতে হবে।
৩) দোকানের প্রথম কাস্টমার ফেরত দিতে নাই।
৪) নতুন স্ত্রীকে নরম স্থানে বসতে দিলে মেজাজ নরম থাকবে।
৫) বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবন দিতে হবে।
৬) ঔষধ খাওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বললে রোগ বেড়ে যাবে।
৭) জোড়া কলা খেলে জোড়া সন্তান জন্ম নিবে।
৮) রাতে নখ, চুল ইত্যাদি কাটতে নাই।
৯) চোখের পাতা ফোলা রোগ হলে তাতে ছোট বাচ্চাদের লজ্জাস্থান লাগালে সুস্থ হয়ে যায়।
১০) ভাই-বোন মিলে মুরগী জবাই করা যাবে না।
১১) ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলা যাবে না।
১২) ঘর থেকে কোন উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পেছন থেকে ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হবে।
১৩) ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হবে।
১৪) কুরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল দিতে হবে।
১৫) ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে ইঁদুরের গর্তে দাঁত ফেলে দিয়ে বলতে হয়, “ইঁদুর ভাই! ইঁদুর ভাই! তোর চিকন দাঁত টা দে, আমার মোটা দাঁত টা নে।” যা ছোটদের দাঁত ফেলার সময় বলতে শিখানো হয়।
১৬) মুরগীর মাথা খেলে মা-বাবার মৃত্যু দেখতে পারবে না।
১৭) কেউ ঘর থেকে বের হলে পিছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ। তাতে নাকি যাত্রা ভঙ্গ হয় বা যাত্রা অশুভ হয়।
১৮) ঘরের ভিতরে প্রবেশকৃত রোদে অর্ধেক শরীর রেখে বসা যাবে না। (অর্থাৎ শরীরের কিছু অংশ রৌদ্রে আর কিছু অংশ বাহিরে রাখা যাবে না) তাহলে জ্বর হবে। তবে একটি হাদীসে শরীরের কিছু অংশ রোদ, আর  কিছু অংশ ছায়ায় রেখে অবস্থান করতে নিষেধ করা হয়েছে।
১৯) রাতে বাঁশ কাটা যাবে না।
২০) রাতে গাছের পাতা ছেঁড়া যাবে না।
২১) ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারীর চোখে চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হবে।
২২) ঘরের চৌকাঠে বসা যাবে না।
২৩) মহিলাদের মাসিক অবস্থায় সবুজ কাপড় পরিধান করতে হবে। আর তাদের হাতের কিছু খাওয়া যাবে না।
২৪) বিধবা নারীকে সাদা কাপড় পরিধান করতে হবে।
২৫) ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবে না। তাতে চেহরা নষ্ট হয়ে যাবে।
২৬) ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে। আর বাম হাতের তালু চুলকালে বিপদ আসবে।
২৭) নতুন কাপড় পরিধান করার পূর্বে আগুনে ছেক দিয়ে পড়তে হবে।
২৮) নতুন কাপড় পরিধান করার পর পিছনে তাকাতে হয় না।
২৯) বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে বলা হয় শিয়ালের বিয়ে।
৩০) আশ্বিন মাসে নারী বিধবা হলে আর কোন দিন বিবাহ হয় না।
৩১) খাবার শেষ করে যদি কেউ গা মোচড় দেয়, তবে বলা হয় খানা না কি কুকুরের পেটে চলে যায় (তবে কাজটি স্বস্থ্যসম্মত নয়)।
৩২) রাতের বেলা কাউকে সুঁই-সূতা দিতে নাই।
৩৩) গেঞ্জি ও গামছা ছিঁড়ে গেলে সেলাই করতে নাই।
৩৪) খালি ঘরে সন্ধ্যার সময় বাতি দিতে হয়। না হলে ঘরে বিপদ আসে।
৩৫) গোসলের পর শরীরে তেল মাখার পূর্বে কোন কিছু খেতে নেই।
৩৬) মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটা-কাটি বা জবেহ করা যাবে না।
৩৭) পাতিলের মধ্যে খানা থাকা অবস্থায় তা খেলে পেট বড় হয়ে যাবে।
৩৮) কোন ব্যক্তি বাড়ি হতে বাহির হলে যদি তার সামনে খালি কলস পড়ে যায় বা কেউ খালি কলস নিয়ে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করে তখন এই বলে সে যাত্রা বন্ধ করে দেযো যে,  ‘আজ আমার আর যাত্রা আজ শুভ হবে না’।
৩৯) ছোট বাচ্চাদের হাতে লোহা পরিধান করাতে হবে।
৪০) রুমাল, ছাতা, হাত ঘড়ি ইত্যাদি কাউকে ধার স্বরূপ দেয়া যাবে না।
৪১) হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে ভাগ্যে দুর্ভোগ আছে।
৪২) হাত থেকে প্লেট পড়ে গেলে মেহমান আসবে।
৪৩) নতুন স্ত্রী কোন ভাল কাজ করলে তা শুভ লক্ষণ।
৪৪) পাখি ডাকলে বলা হয় ইষ্টি কুটুম(আত্মীয়) আসবে।
৪৫) কাঁচা মরিচ হাতে দিতে নাই।
৪৬) তিন রাস্তার মোড়ে বসতে নাই।
৪৭) খাবার সময় যদি কারো ঢেকুর আসে বা খাবার মাথার তালুতে উঠে যায়, তখন একজন আরেকজনকে বলে, দোস্ত তোকে যেন কেউ স্মরণ করছে, বা এরূপ বলা যে, হয়ত কেউ তোকে গালি দিচ্ছে।
৪৮) কাক ডাকলে বিপদ আসবে।
৪৯) শকুন ডাকলে মানুষ মারা যাবে।
৫০) পেঁচা ডাকলে বিপদ আসবে।
৫১) তিনজন একই সাথে চলা যাবে না।
৫২) দু’জনে ঘরে বসে কোথাও কথা বলতে লাগলে হঠাৎ টিকটিকির আওয়াজ শুনা গেলে একজন অন্যজনকে বলে উঠে “দোস্ত তোর কথা সত্য। কারণ,  টিকটিকি যে ঠিক ঠিক বলে সাক্ষ্য দিচ্ছে”।
৫৩) একজন অন্য জনের মাথায় টোকা খেলে দ্বিতীয় বার টোকা দিতে হবে, একবার টোকা খাওয়া যাবে না। নতুবা মাথায় ব্যাথা হবে/শিং উঠবে।
৫৪) ভাত প্লেটে নেওয়ার সময় একবার নিতে নাই।
৫৫) নতুন জামাই বাজার না করা পর্যন্ত একই খানা খাওয়াতে হবে।
৫৬) নতুন স্ত্রীকে স্বামীর বাড়িতে প্রথম পর্যায়ে আড়াই দিন অবস্থান করতে হবে।
৫৭) পাতিলের মধ্যে খেতে বসলে মেয়ে সন্তান জন্ম নিবে।
৫৮) পুড়ে যাওয়া খাবার খেলে সাঁতার শিখবে।
৫৯) পিপড়া বা পোকায় খাওয়া ফল খেলে সাঁতার শিখবে।
৬০) দাঁত উঠতে বিলম্ব হলে সাত ঘরের চাউল উঠিয়ে তা রান্না করে কাককে খাওয়াতে হবে এবং নিজেকেও খেতে হবে।
৬১) সকালে ঘুম থেকে উঠেই ঘর ঝাড়ু দেয়ার পূর্বে কাউকে কিছু দেয়া যাবে না।
৬২) রাতের বেলা কোন কিছু লেন-দেন করা যাবে না।
৬৩) সকাল বেলা দোকান খুলে যাত্রা (নগদ বিক্রি) না করে কাউকে বাকী দেয়া যাবে না। তাহলে সারা দিন বাকীই যাবে।
৬৪) দাঁড়ী-পাল্লা, মাপার জিনিস পায়ে লাগলে বা হাত থেকে নিচে পড়ে গেলে সালাম করতে হবে, না হলে লক্ষ্মী চলে যাবে।
৬৫) শুকরের নাম মুখে নিলে ৪০দিন মুখ নাপাক থাকে।
৬৬) রাতের বেলা কাউকে চুন ধার দিলে চুন না বলে দই বলতে হয়।
৬৭) বাড়ি থেকে বের হলে রাস্তায় যদি হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে যাত্রা অশুভ হবে।
৬৮) কোনও ফসলের জমি বা ফল গাছে যাতে নযর না লাগে সে জন্য মাটির পাতিল সাদা-কালো রং করে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
৬৯) বিনা ওযুতে বড় পীর (!!) আবদুল কাদের জিলানীর নাম নিলে  শরীরের আড়াইটা পশম পড়ে যাবে।
৭০) নখ চুল কেটে মাটিতে দাফন করতে হবে, কেননা বলা হয় কিয়ামতের দিন এগুলো খুঁজে বের করতে হবে।
৭২) মহিলাগণ হাতে বালা বা চুড়ি না পড়লে স্বামীর অমঙ্গল হবে।
৭৩) স্ত্রীগণ তাদের নাকে নাক ফুল না রাখা স্বামীর বেঁচে না থাকার প্রমাণ।
৭৪) দা, কাঁচি বা ছুরি ডিঙ্গিয়ে গেলে হাত-পা কেটে যাবে।
৭৫) গলায় কাটা বিঁধলে বিড়ালের পা ধরে মাপ চাইতে হবে।
৭৬) বেচা কেনার সময় জোড় সংখ্যা রাখা যাবে না। যেমন, এক লক্ষ টাকা হলে তদস্থলে এক লক্ষ এক টাকা দিতে হবে। যেমন, দেন মোহর (কাবীন) এর সময় করে থাকে, একলক্ষ এক টাকা ধার্য করা হয়।
৭৭) বন্ধু মহলে কয়েকজন বসে গল্প-গুজব করছে, তখন তাদের মধ্যে অনুপস্হিত কাউকে নিয়ে কথা চলছে, এমতাবস্থায় সে উপস্থিত হলে, কেউ কেউ বলে উঠে “দোস্ত তোর হায়াত আছে।” কারণ একটু আগেই তোর কথা বলছিলাম।
৭৮) হঠাৎ বাম চোখের পাতা কাঁপলে বিপদ আসে।
৭৯) বাড়ী থেকে কোথাও যাওয়ার উদ্দেশে বের হলে সে সময় বাড়ির কেউ পেছন থেকে ডাকলে অমঙ্গল হয়।
৮০) স্ত্রীদের স্বামীর নাম বলা যাবে না, এতে তার অমঙ্গল হয়।
৮১) বাছুর এর গলায় জুতার টুকরা ঝুলালে কারো কু-দৃস্টি থেকে বাঁচা যায়।

প্রিয় ভাই ও বন্ধুগণ! আমাদের দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে এধরনের বহু কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। যা প্রতিনিয়ত মানুষ কথায় ও কাজে ব্যবহার করে থাকে। এগুলোর প্রতি বিশ্বাস করা ঈমানের জন্য মারাত্মক হুমকী। কিছু কিছু হল সুস্পষ্ট শিরক এবংজাহেলিয়াত। কিছু কিছু সাধারণ বিবেক বিরোধী এবং অনেকটাই হাস্যকর। মূলত বাজারে ‘কী করিলে কী হয়’ মার্কা কিছু বই এসবের সরবরাহকারী। অশিক্ষিত কিছু মানুষ অন্ধবিশ্বাসে এগুলোকে লালন করে। তাই এ ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরী। মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সমাজে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য কুসংস্কার থেকে এখানে কয়েকটি মাত্র উল্লেখ করা হয়েছে। আপনাদের নিকট যদি কিছু থাকে তবে মন্তবের ঘরে সংযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। জাযাকুমুল্লাহু খাইরান।

যে দেশে দোতলা থেকে নিচতলায় পোঁছাতে ২০ টাকা ১০ টাকা হয়ে যায়....!!!

নিজের ক্ষেতের সবজি নিয়ে এক কৃষক গেলেন বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে। বাড়ির কেয়ারটেকার তাকে বসিয়ে সবজি গুলো নিয়ে গেলেন দোতলায়। বঙ্গবন্ধু টেলিফোনে কথা বলছিলেন। কথা বলা অবস্থায় কেয়ারটেকার তাঁকে সবজির কথা বললেন। বঙ্গবন্ধু পাঞ্জাবীর পকেট থেকে ২০ টাকা বের করে দিলেন।
সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় কেয়ারটেকার ভাবলো সামান্য কিছু সবজির জন্য ২০ টাকা দেয়ার কী দরকার? সে ১০ টাকা রেখে দিয়ে বাকী ১০ টাকা দিলো কৃষকের হাতে। টাকা পেয়ে কৃষক অবাক হলো এবং দৌড়ে দোতলায় উঠে গেলো। ততোক্ষণে টেলিফোন রাখলেন বঙ্গবন্ধু।
কৃষক বঙ্গবন্ধুর কাছে ১০ টাকা ফেরত দিয়ে বললেন, " এগুলো আমার ক্ষেতের সবজি,আমি আপনার জন্য এমনি এনেছি, টাকা লাগবেনা। "জবাবে বঙ্গবন্ধু বললেন," কিন্তু আমিতো ২০ টাকা দিয়েছিলাম।" কৃষক জবাব দিলো, " উনি তো আমাকে ১০ টাকা দিলেন।
একথা শুনে বঙ্গবন্ধু বললেন,"যে দেশে দোতলা থেকে নিচতলায় নামতেই ২০ টাকা ১০ টাকা হয়ে যায়, সে দেশে কত টাকার বাজেট প্রনয়ণ করলে তা জনগণের নিকট পৌঁছুবে ........???
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
#Collected

এসইও (SEO) সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) কি? কেন করা হয়...??? SEO নিয়ে বিস্তারিত.....



আসসালামু আলাইকুম!
কেমন আছেন...??? আশা করি সবাই ভালো আছেন।
এখন আমি এসইও (SEO) সম্পর্কে কিছু আলোচনা করবো যা আপনাদের অনেক উপকারে আসবে ইনশাআল্লাহ । পোস্টা একটু বড় হতে পারে, কিন্তু আপনারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। না পড়ে কমেন্ট করবেন না।
 তো চলুন শুরু করা যাক.....
 চলুন শুরু করি।
 (SEO) Search Engine Optimization আসলে কি....???
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (Search Engine Optimization) কথাটির মধ্যে প্রধানত দুইটি অর্থপূর্ণ অংশ রয়েছে। যার একটি হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন ( Search Engine) এবং অপরটি হচ্ছে অপটিমাইজেশন (Optimization)  অর্থাৎ এসইও (SEO) বলতে বুঝায় সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine) কে অপটিমাইজেশন করার এক ধরনের প্রযুক্তিগত ওয়েব কৌশল।
এটিকে অন্যভাবেও বলা যায়- বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন হতে কোন একটি ব্লগ/ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের ভাল অবস্থানে অথবা প্রথম পাতায় নিয়ে আসার কৌশল বা প্রক্রিয়াকেই Search Engine Optimization (SEO) বলা হয়।
এটিকে সার্চ ইঞ্জিন হতে ভাল ফলাফল পাওয়ার এক ধরনের নিয়মতান্ত্রিক চালাকিও বলতে পারেন।
Search Engine কি?
সহজ ভাষায় বলা যায় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে ইন্টারনেটে কীয়ার্ডের মাধ্যমে কোন কিছু খোঁজার এক ধরনের সফটওয়ার বা এপ্লিকেশন। যেখানে কোন কিছু লিখে সার্চ দিলেই চোখের পলকে যে

কোন বিষয়ে হাজার হাজার তথ্য আপনার সামনে হাজির করবে। সম্প্রতি সময়ের সবচাইতে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে Google. এ ছাড়াও জনপ্রিয়তার তালিকায় রয়েছে Bing, Yahoo, Ask ও Yandex সার্চ ইঞ্জিন।
কেন SEO করা হয়?
একটি ব্লগ/ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের ভাল

অবস্থানে বা প্রথম পাতায় নিয়ে আসার জন্য এবং সার্চ ইঞ্জিন হতে ভাল র্যাংকিং পাওয়ার জন্য বা সার্চ ইঞ্জিন হতে সাইটে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর পাওয়ার জন্য মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) করা হয়।
একজন লোক যখন তার ওয়েবসাইটকে সঠিকভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করবে তখন সার্চ ইঞ্জিন হতে তার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর বাড়তে থাকবে। কারণ Search Engine Optimization করার ফলে সার্চ ইঞ্জিন তার ব্লগের কনটেন্টের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা পাবে। কাজেই যে কোন ওয়েবসাইট-কে সফল করতে হলে বা ওয়েবসাইট হতে আয় করার জন্য প্রতিনিয়তই সঠিকভাবে তার ওয়েবসাইটটিকে Search Engine Optimization করতে হবে। ট্রিকবিডি এটা করে থাকে।
SEO কত প্রকার ও কি কি?
কাউকে যদি জিজ্ঞেস করেন SEO কত প্রকার,

তাহলে যে কেউ On Page SEO ও Off Page SEO এর কথা বলবে। এসইও দুই প্রকারের কথাটি ঠিক আছে। তবে On Page ও Off Page নয়।
SEO হচ্ছে মূলত দুই প্রকারের। যথাঃ
০১. অর্গানিক এসইও

০২. পেইড এসইও।
অর্গানিক এসইও আবার দুই ধরনের। একটি হচ্ছে On Page SEO এবং অন্যটি হচ্ছে Off

Page SEO.
অর্গানিক SEO এবং পেইড SEO কি?
অর্গানিক ‍এসইও বলতে বুঝায় সার্চ ইঞ্জিন

অপটিমাইজেশনের সকল নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করে সার্চ রেজাল্টের পাতায় অবস্থান নেয়ার যাবতীয় প্রক্রিয়া। অন্যদিকে পেইড SEO হচ্ছে গুগল কোম্পানির নিকট টাকার বিনিময়ে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় চলে আসা। আপনারা ভালভাবে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে, কোন একটি বিষয় সার্চ দেয়ার পর সার্চ রেজাল্টের সবার উপরের কিছু ওয়েবসাইট থাকে যেগুলিতে ছোট করে Ad লিখা থাকে। সেগুলিই Paid SEO এর মাধ্যমে সবার উপরে এসেছে। অন্যদিকে এগুলির নিচে সে সমস্ত ওয়েবসাইটগুলি থাকে সেগুলিই অর্গানিক এসইও অর্থাৎ কোন টাকা না দিয়ে গুগলের পাতায় অবস্থান নিয়েছে।
আজ এখানে শেষ করছি, পরে আবার দেখা হবে। পরে আবার একটা SEO নিয়ে পোস্ট করব।

Wednesday, August 29, 2018

ফেসবুকে যেভাবে অটো লাইক নিবেন... how to get auto likes on Facebook

হ্যালো ফ্রেন্ডস....
সবাই কেমন আছো....???
আশা করি ভালোই আছো... আমি মো: রেজাউল ইসলাম এই সাইটের এডমিন।আজ আপনাদের শিখাবো কিভাবে আপনার ফেসবুকের ছবি,পোস্টে অটো লাইক+ কমেন্ট নিতে পারবেন। তার আগে বলি নতুন নতুন টিপস ট্রিকস পেতে আমাদের NetPriyo.Ooo ওয়েব সাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন।আশা করি নতুন কিছু শিখতে পারবেন।
তো,,,, আর দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক......
আপনি যাতে করে সিকিউরড ভাবে অটো লাইক নিতে পারেন এজন্ন্য আমি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপে ধাপে  আলোচনা করবো।

প্রথমে আপনার ফেসবুক আইডিতে লগিন করুন। তারপর setting এ যান,,,এখানে public post এ ক্লিক করুন তারপর সবগুলোই পাবলিক (Public)  করে দিন।
এখন এখানে ক্লিক করে অটো লাইক কমেন্ট নেওয়ার ওয়েবসাইটে যান। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে নিচের স্ক্রিনশট এর মতো একটা পেজ দেখতে পাবেন। সেখানে Click Hear To Genarate Token এ ক্লিক করুন।দেখুন স্ক্রিনশটে গোল দাক দিয়ে মার্ক করা আছে।
এখন ৫ সেকেন্ড পর একটা এড আসবে তারপর Click Haer To Continue এ ক্লিক করুন নিচের স্ক্রিনশটের মতো করে...।।।
তারপর আপনার ফেসবুক ইমেইল বা ফোন নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে Get Token এ ক্লিক করুন।
তারপর নিচে টোকেন বক্সে কিছু লেখা (টোকেন) দেখতে পাবেন তা কপি (Copy) করুন।
এখন এই লিংকে ক্লিক করে আবার হোম পেজে যান এবং কপি করা টোকেনটি বক্সে past করে Login এ ক্লিক করুন। আপনার বুঝার স্বার্থে নিচের স্ক্রিনশটে গোল করে মার্ক করে দেওয়া হয়েছে।
তারপর নিচের মতো সিকিউরিটি কোড আসলে তা বক্সে লিখে  সাবমিটে (Submit) এ ক্লিক করুন।
এখন আপনার কাজ শেষ। নিচের মতো বক্স আসবে আপনার যেটা দরকার সেটাতে ক্লিক করুন।এখানে desired commenter এ ক্লিক করে আপনার ইচ্ছে মতো কমেন্ট নিতে পারবেন।মানে আপনি যেটা লিখবেন সেটা দিয়েই অটো কমেন্ট হবে। তারপর Language Commenter এ ক্লিক করে অটো কমেন্ট নিতে পারবেন এবং Auto Like এ ক্লিক করে অটো লাইক নিতে পারবেন আর Auto Followers এ ক্লিক করে অটো followers নিতে পারবেন।
এখানে অটো কমেন্ট এ ক্লিক করে দেখাচ্ছি।

  • উপরের মতো ইন্টারফেস আসবে এখানে আপনি যেই পোস্টে কমেন্ট নিতে চান তার বাম পাশে সাবমিট নামে একটি অপশন পাবেন সেখানে ক্লিক করলেই অটো কমেন্ট শুরু হবে।

Tuesday, August 28, 2018

সর্বসময়ের সেরা হ্যাকিং অ্যাপ (Hacking App) Lucky Patcher দিয়ে কি কি কাজ করা যায়....??? A টু Z স্ক্রিনশট সহ দেখুন। এসব features এখন আপনি ও ব্যবহার করুন।


আসসালামু আলাইকুম.....।।। সবাই কেমন আছেন....??? আশা করি ভালোই আছেন। আমি NetPriyo.Ooo এর এডমিন মোঃ রেজাউল ইসলাম। আজ আপনাদের সামনে নতুন একটি ট্রিক নিয়ে হাজির হলাম। আপাদের সবাই হয়তো lucky patcher এর নাম শুনেছেন। কিন্তু অনেই এর সম্পর্কে কিছু জানেন না বা জানলেও সামান্য।তাই আমি আজ lucky patcher সম্পর্কে যতটা বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা যায় চেষ্টা করবো।
So, Let's start.... 
চলুন দেখে নেয়া এই lucky patcher এ যাক কি কি আছে...???

প্রথমে lucky patcher অ্যাপটি ডাউনলোড  করে ইন্সটল করুন। অথবা গুগল প্লে স্টোরে lucky patcher নামে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন। এবার lucky patcher অ্যাপটি ওপেন করুন। আর হ্যা,, অ্যাপটি ওপেন করলেই Warning মেসেজ আসবে,এতে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নাই,আপনি No করে দিবেন।  Yes করলে গুগল অ্যাপটিকে ক্ষতিকারক বা হ্যাকিং অ্যাপ বলে মনে করবে। 
এখন  আপনার ফোনে থাকা অ্যাপ/সফটওয়্যার গুলো দেখতে পাবেন  সেখান থেকে যে অ্যাপটি ক্লোন/মোড করবেন সেটি সিলেক্ট করুন।তারপর নিচের মতো ইন্টারফেস আসবে।

app info তে পাবেন app এর – name, package, size সহ আরো শত শত তথ্য
launch app এ চাপ দিলে app এ প্রবেশ করবেন
Menu of patches থেকে – যেকোনো app patch, mod ও hack করতে পারবেন
(কিভাবে patch – mod – hack করবেন তা ভিডিও তে বিস্তারিত দেয়া আছে)
★ Tools থেকে – যেকোনো app clone করে একাধিক app এ পরিনত করতে পারবেন

menu of patches থেকে modify এ চাপলে এমন আসবে
apk with multi patch – এটা এমন একটা feature যা বলতে গেলে একের ভিতর চার।
এটাতে licence verify, ads remove, emulation & permission change এই চারটা একসাথে আছে
licence verify হচ্ছে – app এর licence credit ছাড়াই hack করা
ads remove – বিরক্তিকর ads হতে মুক্তি
permission change – অনেক app আছে যেগুলো নিয়ে সন্দেহ থাকে, যদি কোনো হ্যাকার এটা হ্যাক করার জন্য বানায় তাহলে আপনার ক্ষতি হবে
সেক্ষেত্রে permission off করে দিবেন
tools – এ clone করার system আছে

netpriyo.cf