Thursday, September 20, 2018

যে (১০ দশটি) আযকার যিকির প্রতিদিন করা উচিত



(১) প্রতিদিন ১০০ বার সুবহান আল্লাহ্ পাঠ করলে ১০০০ সাওয়াব লিখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ মাফ করা হয়।[সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৩]

(২) 'আলহামদুলিল্লাহ' মীযানের পাল্লাকে ভারী করে দেয় এবং সর্বোত্তম দোআ’। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২]

(৩) 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' সর্বোত্তম যিকর। [তিরমিযী-৫/৪৬২,ইবনে মাযাহ-২/১২৪৯,হাকিম-১/৫০৩,সহীহ আল জামে’-১/৩৬২]

(৪) 'সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর' এই কালিমাগুলি আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় এবং নবী (সঃ) বলেনঃ পৃথিবীর সমস্ত জিনিসের চইতে আমার নিকট অধিক প্রিয়। [ সহীহ মুসলিম -৩/১৬৮৫, ৪/২০৭২]

(৫) যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী' প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান (সগীরা) গুনাহ থাকলে ও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে। [সহীহ আল-বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭১]

(৬) নবী (সঃ) বলেনঃ 'সুবহানাল্লাহি ওয়াবি হামদিহী সুবহানাল্লিল আযীম' এই কালীমাগুলি জিহ্বায় উচ্চারনে সহজ , মীযানের পাল্লায় ভারী ,দয়াময় আল্লাহর নিকট প্রিয় । [সহিহ আল- বুখারী-৭/১৬৮,সহীহ মুসলিম-৪/২০৭২]

(৭) যে ব্যক্তি 'সুবহানাল্লাহিল আযীমি ওয়াবি হামদিহী' পাঠ করবে প্রতিবারে তার জন্য জান্নাতে একটি করে (জান্নাতী) খেজুর গাছ রোপন করা হবে । [আত-তিরমিযী-৫/৫১১,আল-হাকীম-১/৫০১, সহীহ আল-জামে’-৫/৫৩১, সহীহ আত-তিরমিজী-৩/১৬০]

(৮) নবী (সঃ) বলেনঃ 'লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' হচ্ছে জান্নাতের গুপ্তধন সমুহের মধ্যে একটি গুপ্তধন। [ সহীহ আল-বুখারী -১১/২১৩, সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৬]

(৯) নবী (সঃ) বলেনঃ 'সুবহান আল্লাহ ওয়াল হামদুলিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ' এই কালীমাগুলি হচ্ছে “অবশিষ্ট নেকআ’মল সমুহ” । [ আহমাদ (সহীহ)-৫১৩, মাজমাউজ জাওয়াঈদ-১/২৯৭ ]

(১০) নবী (সঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দুরুদ পাঠ করবে আল্লাহ তাআ’লা তার প্রতি দশ বার রহমত বরষন করবেন- "আল্লাহুম্মা সাল্লি ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা সাল্লায়তা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ আল্লাহুম্মা বারিক ’আলা মুহাম্মাদিঁওয়া ’আলা আলি মুহাম্মাদিন্ কামা বারাকতা ’আলা ইব্রাহীমা ওয়া ’আলা ’আলি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজিদ এবং তিনি (সঃ) আরো বলেনঃ যে ব্যক্তি আমার প্রতি সকালে দশবার এবং বিকেলে দশবার দুরুদ পাঠ করবে সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আমার শাফায়াত পাবে ।" - [তাবারানী, মাজময়াউজ জাওয়াঈদ-১০/১২০, সহীহ আত-তারগীব ওয়াত তারহীব-১/২৭৩]

Saturday, September 15, 2018

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয়




একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে,দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে শরীরে মারত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয় আসুন তা জেনে নেওয়া যাক-

• দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো মূত্রথলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে মূত্রথলিতে চাপ লাগে, ফলে সহজেই এসব দূষিত পদার্থ শরীর থেকে তা বেরিয়ে যায়।

• দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

• দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপরের অংশে কোনও চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু স্বাভাবিকভাবে বের হতে পারে না। উল্টো তা শরীরের উপর দিকে উঠে যায়। এর ফলে শরীরের অস্থিরতা, রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের গতি বৃদ্ধি পায়।

• দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো শরীর থেকে ঠিক বেরিয়ে যেতে পারে না। সেগুলো মূত্রথলির নীচে গিয়ে জমা হয়। দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে এই দূষিত পদার্থগুলো জমতে জমতে কিডনিতে পাথর সৃ্ষ্টি করে।

• একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে,যাঁরা নিয়মিত দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন, তাঁরা শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস বা মারাত্মক কিডনির অসুখে আক্রান্ত হন। সুতরাং, বদলে নিন অভ্যাস, সুস্থ শরীরে বাঁচুন দীর্ঘদিন। (সূত্রঃ জি২৪)

Wednesday, September 12, 2018

প্রিয় নবীজি (স:) দরবারে একটি গাছ আগমনের অবিস্মরণীয় ঘটনা



মদীনার বুকে একজন জনসন্মুখ্যে, প্রিয় নবীজি হুজুর পাক (স.) কে অপদস্থ করার এক কু বাসনা নিয়ে, নবীজির কাছে এসে বললেন, ‘হে মুহাম্মদ, তুমি দাবী করেছো, তুমি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নবী, এবং তোমার কাছে নাকি আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহী ( আল্লাহর বাণী) আসে। তুমি যদি তোমার দাবীতে সত্য হও, তাহলে এমন কিছু করে দেখাও যা সাধারণ কারো পক্ষে সম্ভব না।’

এই কথা শুনে তখন নবীজি (স.) বললেন, ঠিক আছে কি দেখতে চাও তুমি-ই বল। তখন সেই ইহুদী দুরের একটা গাছ কে দেখিয়ে বললো, দেখি এক মুহুর্তে কোন হাতের স্পর্স ছাডা গাছটিকে এইখানে হাজির করে দেখাও তো। তখন নবীজি (স.) মুচকি হেসে বললেন,আমি কোন কিছুই বলবো না, তুমি-ই সেই গাছটির কাছে গিয়ে এতটুকু বল যে,আল্লাহর প্রেরিত রাসুল (স.) তোমাকে ডাকছেন।

কথামত সেই ইহুদী,তার মনের সেই কুবাসনা পূর্ণ হওয়ার আশা নিয়ে নিশ্চিন্ত মনে,গাছটির কাছে গিয়ে বললো, তোমাকে আল্লাহর প্রেরিত রাসুল (স.) ডাকছেন। ইহুদী এই কথাটি বলার সাথে সাথেই,গাছটি কম্পন করতে আরম্ভ করে দিলো, এবং মাটির সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্ক বিচ্ছেদ করে,লাফিয়ে লাফিয়ে নবীজির (স.) সামনে উপস্থিত হয়ে বললেন, আসলাতু আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ। গাছের এই অবস্থা দেখে সেই ইহুদী অবাক হয়ে আবার বললো, দেখি গাছটিকে আবার তার সেই আগের জায়গায় প্রতিস্থাপন করে দেখান।

তখন নবীজি (স.) গাছটিকে বললেন, যাও তুমি তোমার নিজের স্থানে ফিরে যাও। সাথে সাথে গাছটি আবার তার পূর্বের স্থানে ফিরে গেলো। নবীজির এই অলৌকিক মোজেজা দেখে ইহুদী লোকটি সাথে সাথে উচ্চস্বরে কলিমা পড়ে মুসলমান হয়ে গেলো। এবং পরে তার পরিবার কে ও মুসলমান করালো। আবু দাউদ- নুজহাতুল মাজালিছ- হুজ্জাতুল্লাহে আলাল আলামিন- ৪৫৮ পৃষ্ঠা)

হযরত মুসা (আঃ) এর জামানার চমৎকার একটি ঘটনা।

হযরত মুসা (আঃ) এর জামানার চমৎকার একটি ঘটনা।



হযরত মুসা (আঃ) এর জামানার চমৎকার একটি ঘটনা।

হযরত মুসা(আঃ) একবার আল্লাহ্ তায়া'লা কে জিজ্ঞেস করলেন,হে আল্লাহ্!
জান্নাতে আমার সাথে কে থাকবে?
জবাবে বলা হলো,ওমুক কসাই ! 
জবাবে কসাইয়ের নাম শুনে মুসা (আঃ) খুবই আশ্চর্য হলেন। অনেক খোঁজ করার পর মুসা (আঃ) তাকে বের করলেন।

দেখলেন, কসাই গোস্ত বিক্রিতে ব্যস্ত! সবশেষে কসাই একটুকরো গোস্ত একটি কাপড়ে মুড়িয়ে নিলেন । অতঃপর বাড়ির দিকে রওয়ানা হলেন। মুসা (আঃ) তাঁর সম্পর্কে আরো জানার জন্যে অনুমতি নিয়ে পিছুপিছু তাঁর বাড়ি গেলেন। কসাই বাড়ি পৌঁছে গোস্ত রান্না করলেন। অতপর রুটি বানিয়ে তা গোস্তের ঝোলে মেখে নরম করলেন। তারপর ঘরের ভিতরের কামরায় প্রবেশ করে শয়নরত এক বৃদ্ধাকে উঠিয়ে বসালেন । তারপর তার মুখে টুকরো টুকরো রুটি পুরে দিতে লাগলেন।

খাওয়ার পর বৃদ্ধা কি যেন কানেকানে বললেন। অমনি কসাই মুচকি হাসলেন। 

দূর থেকে মুসা (আঃ) সব-ই দেখছিলেন।

কিন্তু, কিছুই বুঝলেন না। মুসা (আঃ) বৃদ্ধার পরিচয় এবং মুচকি হাসার বিষয়টি কসাইকে জিজ্ঞেস করলেন। 
কসাই বললেন, ওনি আমার মা আমি বাজার থেকে আসার পর সর্বপ্রথম আমার মাকে রান্না করে খাওয়াই। 
আর, মা খাওয়ার পর খুশি হয়ে আমার কানের কাছে এসে আল্লাহ্ তায়া'লার কাছে এই বলে দোআ করেন,
"আল্লাহ্ তায়া'লা তোমাকে বেহেস্ত দান করুক এবং মুসা (আঃ) এর সাথে রাখুক"! আমি এই দোআ শুনে এই ভেবে মুচকি হাসি যে, কোথায় মুসা (আঃ)আর কোথায় আমি।

ইয়া আল্লাহ আমাদের মন মানষিকতা, সেই কসাইয়ের মত করে দাও, আল্লাহ তায়া'লা যেন আমাদের মা বাবার খেদমত করার তাওফীক দান করেন ।

আমীন।
#সংগ্রহীত

পায়খানা-প্রস্রাবের সময় যা করা নিষেধ



রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতের প্রতিটি কাজের আদব, নিয়ম-কানুন, শিষ্টাচারসহ যাবতীয় শিক্ষা দিয়েছেন। যাতে রয়েছে মানুষের বহুবিধ কল্যাণ ও উপকারিতা।

পায়খানা-পেশাবের সময় মানুষের দৈহিক পবিত্রতা লাভ এবং ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকতেও প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিষ্টচার শিক্ষা দিয়েছেন।

পায়খানা-প্রস্রাবে গোপনীয়তা রক্ষা করা
হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মলত্যাগ করার প্রয়োজন মনে করতেন, তখন তিনি মাটির কাছাকাছি না হওয়া পর্যন্ত বস্ত্র তুলতেন না।’ (তিরমিজি, আবু দাউদ)

ডান হাতে ইসতেঞ্জা করা নিষেধ
‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কোনো ব্যক্তিকে ডান হাত দ্বারা নিজের লজ্জাস্থান স্পর্শ করতে নিষেধ করেছেন।’ (বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)

হজরত আবদুর রহমান ইবনে ইয়াজিদ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলা হল, আপনাদের নবি প্রতিটি বিষয়ে আপনাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন; এমনকি পায়খানা-পেশাবের শিষ্টাচারও। সালমান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘হ্যাঁ’, তিনি আমাদের-

-কিবলামুখী হয়ে পায়খানা-পেশাব করতে;
- ডান হাত দ্বারা ইসতিনজা করতে;
- ৩টি ঢিলার কম দ্বারা ইসতিনজা করতে এবং
- শুকনো গোবর অথবা হাড় দ্বারা ইসতিনজা করতে নিষেধ করেছেন।’ (বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে পায়খানা-পেশাবের উল্লেখিত শিষ্টাচারগুলো যথাযথ মেনে চলার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক পবিত্রতা অর্জন করে ইবাদত-বন্দেগি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সূত্রঃ জাগো নিউজ

হাততালি ও শিস দেওয়া কি হারাম?



প্রশ্ন : হাততালি ও শিস দেওয়া কি হারাম?

উত্তর : কোরআনে কারিমে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, কাফেররা আল্লাহর ঘরের কাছে যে নামাজ আদায় করত, তার মধ্যে শিস ছিল, উলুধ্বনি ছিল, এমনকি হাততালি দেওয়াও ছিল। আরবদের মধ্যে এই প্রচলন ছিল।

যেহেতু এটি কাফেরদের একটি আচরণ এবং নবীর (সা.) মাধ্যমে আল্লাহতায়ালা সেগুলোকে বাতিল করে সঠিক পদ্ধতি আমাদের শিখিয়ে দিয়েছেন, মুবারকবাদ, আলহামদুলিল্লাহ, সুবহানাল্লাহ ইত্যাদি শিখিয়ে দিয়েছেন, আমরা সেই পদ্ধতি অবলম্বন করব।

তারপরও ইবাদত হিসেবে না নিয়ে ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে যদি কেউ পালন করে, তাহলে সেটি হারামের পর্যায়ে যাবে না। কারণ এগুলো ইবাদতের অংশ নয়।

নবীর (সা.) আমলে যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেটি ছিল নামাজ। অর্থাৎ ইবাদত জাতীয় কোনো অংশে কেউ যেন শিস, উলু না দেয় বা হাততালি না দেয়।

ব্যক্তিগত পর্যায়ে একে অপরকে খুশি হয়ে হাততালি দিলে তাকে হারাম বলার কোনো সুযোগ নেই। এটি ব্যক্তিগত আদাত, অভ্যাসের মধ্যে পড়বে। সেগুলোকে কোনো কঠিন পর্যায়ে না নেওয়াই ভালো। কোনো অনুষ্ঠানে যদি হাততালি দেওয়া হয়, মারহাবা বলা হয়, শিস দেওয়া হয় তাহলে সেগুলো কোনো দোষের মধ্যে পড়বে না।

সূত্রঃ এনটিভি "আপনার জিজ্ঞাসা"

আজানের জবাব না দিলে ৪০ বছরের নেকি নষ্ট হয়?



প্রশ্ন : আজান দেওয়ার ও শোনার সময় দুনিয়ার কথা বললে, আজানের জবাব আদায় ও মোনাজাত না করলে যেকোনো স্থানে থাকুন না কেন, ৪০ বছরের নেকি নষ্ট হয়ে যাবে—এমন কথা বলা হয়ে থাকে। এটি কি ঠিক?

উত্তর : আসলে আজানের জবাব দিতে হয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, যেই ব্যক্তি আজানের দোয়াটি পড়বে, তার জন্য আমার সুপারিশ হালাল হয়ে যাবে। অর্থাৎ আপনি যদি আজানের জবাব দেন ও দোয়াটি পাঠ করেন, আপনার জন্য রাসুলের সুপারিশ হালাল হয়ে যাবে।

এটি অনেক বড় একটি নেয়ামত। যারা কথা বলে, তারা এই নেয়ামত থেকে মাহরুম হয়ে যায়। আমাদের শেখ আবদুল আজিজ বিন বাজকে (রা.) জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, কিছু মানুষ আজানের সময় কথা বলে। তখন তিনি বলেছেন, এইভাবে মাহরুম হওয়ার চেয়ে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি।

এ জন্য যখনই আজান হবে, তখন আমরা অন্য কোনো কিছু না করে শুধু আজানের জবাব দেব, প্রস্তুত হব। আপনি কথা না বলে প্রস্তুতি নিতে পারবেন, কিন্তু কথা বলতে পারবেন না। এটি হলো মূল কথা। আজানের সময় আপনি পড়ালেখাও করতে পারবেন না। এটি হচ্ছে সঠিক তথ্য।

কিন্তু আপনি যে কথাটি বলেছেন, ৪০ বছরের ইবাদত নষ্ট হয়ে যাবে, এটি একেবারেই শুদ্ধ নয়। এগুলো সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। তবে আজানের সময় কথা বলা বা ভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকা, আজান না শোনা, আজানের জবাব না দেওয়া, নামাজের জন্য প্রস্তুতি না নেওয়া, এটি অন্যায় কাজ। 

কিন্তু আপনি যেই হাদিসটির কথা বলেছেন সেটি সঠিক নয়। খুবই প্রয়োজনীয় কোনো কথা হলে চুপিসারে আজানের আদব রক্ষা করে কথা বলতে হবে। -সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন

সুন্নতে খাতনায় অনুষ্ঠান করা যাবে?




প্রশ্ন : ছেলের সুন্নতে খাতনায় অনুষ্ঠান করা যাবে কি? উপহার দেওয়া যাবে কি?

উত্তর : খাতনা সুন্নাহ। কিন্তু এখানে কোনো অনুষ্ঠান ইসলামে নেই। আমরা তো আনন্দ করতে করতে সব জায়গায় আনন্দ খুঁজে বেড়াচ্ছি। আকিকার সঙ্গে সঙ্গে খাতনায়ও অনুষ্ঠান করতে চলে যাই। অনুষ্ঠান করতে পারলেই যেন আমরা আলাদা মজা পাই। অথচ এখানকার যে ফরজটা, সেটা অনেক সময়ই অপচয়ে রূপ নেয়। এর চেয়ে গরিবদের দান করলেও কিন্তু সওয়াব বেশি হতো।

ইসলামে খাতনার কোনো সুন্নাহ অনুষ্ঠান নেই, এমনকি আকিকাতেও একই কথা। আলাদা করে কোনো সুন্নাহ অনুষ্ঠান নেই, ইসলামে এটি ছিল না যে লোকজনদের দাওয়াত দিয়ে সেখানে অনুষ্ঠান করতে হবে।

সুতরাং, এই অনুষ্ঠানগুলো পরিহার করাই শ্রেয়। আকিকাতে যে ছেলের জন্য দুইটা বকরি, মেয়ের জন্য একটা বকরি জবাই করা হয়, সেই বকরি নিজেরা খাবে, অন্যদের খাওয়াবে তাতে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু এখন সেটা অনুষ্ঠানে রূপ নিয়েছে।

আনুষ্ঠানিকতা এ ক্ষেত্রে বাহুল্য। আবার এই অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় উপহারও নিয়ে যেতে হবে, নয়তো দাওয়াতকারী কিছু মনে করবে, এমনটাও ঘটে থাকে। এই যে আকিকা এবং খাতনায় কিছু একটা নিয়ে আসা, এটা কিন্তু একটা পর্যায়ে লজ্জায়ও রূপ নেয়। অনেক সময় দেখা যায়, উপহার দেওয়ার সামর্থ্য না থাকায় সে অনুষ্ঠানেও অনেকে আসেন না। এটি একদিকে সমস্যার সৃষ্টি করে, আবার বাড়াবাড়িও হয়ে যায়। 

এই জন্য এটির প্রয়োজন নেই। সুন্নতে খাতনা করবেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।

সূত্রঃএনটিভি "আপনার জিজ্ঞাসা"

শুধু জুমার নামাজ আদায়কারীকে বেনামাজি বলা যাবে কি?





যারা শুধু জুমার নামাজ এবং রমজান মাসে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, তাদের কি বেনামাজি বলা যাবে? এমন অদ্ভুত প্রশ্ন প্রায়ই করে বসেন কেউ কেউ।

তাদের জন্য উত্তর হলো: কোনো সন্দেহ নেই, এরা বেনামাজি। নামাজ আসলে তারা আদায় করেননি। কেননা, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তো নামাজ ফরজ করেছেন পাঁচ ওয়াক্ত।

হাদিসের মধ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে, আল্লাহ তায়ালা দিন ও রাতের মধ্যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে ফরজ করেছেন। এখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যেটি ফরজ, সেটি যদি কেউ আদায় না করে থাকেন, তাহলে তো তিনি কুফরি করলেন। 

তার সব ইবাদত, সব আমল আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে কিচ্ছু না; কোনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না এবং কেয়ামতের দিন আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে এগুলোর কোনো মূল্য হবে না। এমনকি মিজানের পাল্লার মধ্যে এর কোনো ওজন দেওয়া হবে না।

তাই শুধু জুমার নামাজ বা ঈদের নামাজ যারা লোক দেখানোর জন্য পড়েন, তাদের এটি লৌকিক নামাজ বলে গণ্য হবে। এই লৌকিকতা শুধু যে অন্যায়, তা নয়। বরং এ ব্যাপারে কোরআনে কারিমের মধ্যে আল্লাহ পাক বলেছেন, ‘ফাওয়াইলুল্লিল মুসাল্লিন। 

আল্লাজিনাহুম আং সলাতিহিম সাহুন। আল্লাজিনাহুম ইউরাউন’। অর্থাৎ লোকদের দেখানোর জন্য, অমনোযোগীভাবে শুধু লৌকিক সালাত যারা আদায় করে থাকে, তাদের ব্যাপারে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেছেন, ‘এ ধরনের মুসুল্লি যারা আছে, তাদের জন্য ধ্বংস।’ (সুরা মাউন: আয়াত ৪-৬)

তাই বেনামাজি বলতে মূলত বোঝায়, যে ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ পরিহার করে বা তরক করে। সেটি যদি এক ওয়াক্ত কেউ তরক করে থাকে, তাহলেও সে বেনামাজি। কিন্তু ধরেন, যদি ওজরের কারণে কেউ আজকে নামাজ পড়তে পারলেন না, তাই আগামীকাল আদায় করে নিলেন, তাহলে তাকে বেনামাজি বলা হবে না।

সূত্রঃ অনলাইন

হুজুর (সা.) এর ইন্তেকালের পর জিবরাঈল (আ.) যে কয়বার দুনিয়াতে আসবেন





হযরত জিবরাঈল (আ.) ২৪ হাজার বার দুনিয়াতে হুজুর (সা.) এর দরবারে এসেছিলেন। এক সাক্ষাতে হুজুর (সা.) জিবরাঈল (আ.) কে জিঙ্গাসা করেছিলেন, হে জিবরাঈল ! আমার ইন্তেকালের পরে তুমি কতবার দুনিয়াতে আসবে?

তিনি বললেন, ১০ বার আসব এবং প্রতিবারই একটি করে জিনিস তুলে নেব । দশম জিনিসটা তুলে নেওয়ার পর ঈসরাফিল (আ.) সিঙ্গায় ফুঁ দিবেন এবং কেয়ামত আরম্ভ হবে।

দশটি জিনিস হল
১. বরকত তুলে নেব
২.এবাদত থেকে মজা তুলে নেব
৩. পরস্পর মহব্বত তুলে নেব
৪. লজ্জা তুলে নেব
৫.হক বিচার তুলে নেব।
৬. ছবর (ধর্য্য) তুলে নেব
৭. আলেম থেকে সত্য কথা তুলে নেব। অর্থাৎ একদল আলেম জানা সত্ত্বেও হক কথা বলবে না
৮. ধনীদের সৎ সাহস উঠিয়ে নেব
৯. ঈমানদার থাকবে না। ঈমান উঠে যাবে।
১০.ক্বারীদের কাছ থেকে কোরআনের তেলোয়াত তুলে নেব। অর্থাৎ কোরআনকে উঠিয়ে নেব

হজ করে নিজেকে আলহাজ বলা কি জায়েজ?



প্রশ্ন : হজ করে নিজেকে আলহাজ বলা যাবে কি? 

উত্তর : না, এটা ঠিক না। আমরা এটি করবো না। আপনি কি নামাজ পড়ে আল-মুসল্লি বলেন? বা রোজা করার পরে আস-সাঈম বলা হয় নাকি? হজ, আল্লাহর ইবাদত। কোরআন কারিমে এসেছে, ‘আল্লাহর জন্য হজ আদায় করবে।’ 

যদি মনে মনে এটা ভাবেন যে, আমি হজ আদায় করার পর লোকে আমাকে হাজি বলবে আর আমিও নিজেকে হাজি বলে বেড়াবো, তাহলে এই হজের সওয়াব আর আখিরাতের জন্য থাকবে না। বরং দুনিয়াতে আপনাকে হাজি বলে ডাকবে, আপনি হাজি উপাধি পেয়েছেন, ব্যাস এই পর্যন্তই আপনার হজের ফজিলত।

এই জন্য এটি করবেন না। মানুষ যদি আপনাকে বলে যে, হাজি সাহেব কেমন আছেন? এটি মানুষের ব্যাপার। কিন্তু আপনি নিজেকে আলহাজ অমুক এবং আলহাজ বলার জন্যই আমি হজ করতে যাচ্ছি- তাহলে কিন্তু এই হজ আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। 

অথবা সামনে নির্বাচন আসছে পোস্টারে আলহাজ লিখবো, তাহলে সেটি নির্বাচনের পোস্টার পর্যন্তই শেষ। আখিরাতে এর জন্য কোনো সুফল পাওয়া যাবে না এবং আপনি আশাও করবেন না।

হাদিসের মধ্যে তিনজনের কথা এসেছে। একজনকে জিজ্ঞাসা করা হবে, তুমি আমার জন্য কী করেছো? উত্তরে বলবে, শহীদ হয়েছি। তাহলে বলা হবে, তোমাকে বীর বিক্রম উপাধি দুনিয়াতে দেওয়া হয়ে গিয়েছে, সেটা এখন আর নেই।

হাফেজ, ক্বারি সাহেব যারা সুন্দর তেলাওয়াত জানেন তাঁদের বলা হবে আপনি কী করেছেন? উত্তরে বলবে, আমি কোরআন শিক্ষা দিয়েছি। তখন বলা হবে, আপনি তো কোরআন শিক্ষা দিয়েছেন নিজেকে ক্বারি বলার জন্য ইত্যাদি।

সুতরাং, আলহাজ উপাধি পাওয়ার জন্য বা পোস্টারে আলহাজ লেখার উদ্দেশ্য যদি কারো থাকে তাহলে সেটির সওয়াব এখানেই শেষ। এই সওয়াব আর আখিরাতের জন্য থাকবে না। এজন্য আমরা এগুলো করবো না। আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন, আমিন।

সূত্রঃ আপনার জিঙ্গাসা, এনটিভি অনলাইন

খারাপ স্বপ্ন দেখার পর কী করতে হয় ?



আবূ কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সুস্বপ্ন (অন্য এক বর্ণনায় আছে) সুন্দর স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে এবং কুস্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে (দেখানো) হয়। অতএব যে অপ্রীতিকর কিছু দেখবে, সে যেন তার বাম দিকে তিনবার হাল্কাভাবে থুতু মারে ও শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে। তাহলে তা তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। [বুখারি ২৩৯২, ৫৭৪৭,
৬৯৮৪, ৬৯৮৬, ৬৯৯৫, ৬৯৯৬, ৭০০৫, ৭০৪৪, মুসলিম ২২৬১, তিরমিযি ২২৭৭, আবু দাউদ ৫০২১, ৩৯০৯, আহমদ ২২০১৯, ২২০৫৮,
২২০৭৭, ২২০৭৮, ২২০৯২,
২২১২৯, ২২১৩৮, মুওয়াত্তা মালিক
১৭৮৪, দারেমি ২১৪১,
২১৪২]

মৃত ব্যক্তির নামে কোরবানি, ইসলাম কি বলে?



কোরবানি’ শব্দটি আরবি ‘কোরবান’ শব্দ থেকে আগত। যার অর্থ উৎসর্গ করা। অন্যদিকে কোরবান শব্দটি কুরবু ধাতু থেকে উৎপন্ন, যার অর্থ নব তথা নিকটবর্তী হওয়া। হজরত যায়েদ বিন আরক্বাম (রা.) বলেন, রাসূল (স.)-এর সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এই কোরবানিটা কী? রাসূল (স.) জবাবে বললেন, তোমাদের পিতা ইব্রাহিম (আ.)-এর সুন্নত বা আদর্শ।

তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন, এতে আমাদের জন্য কী ফায়েদা রয়েছে হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন, (কোরবানির পশুর) প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি করে নেকি রয়েছে। সাহাবিরা আবার জানতে চইলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ভেড়া-দুম্বার পশমের ব্যাপারে কী কথা? তিনি বললেন, এর প্রতিটি পশমের বিনিময়েও এক একটি নেকি রয়েছে। (ইবনু মাজাহ)।

আর কিছুদিন পরই কোরবানির ঈদ। আর এই কোরবানি নিয়ে আমাদের মাঝে নানা ধরনের ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। যেমন- অনেকের ধারণা কোরবানি শুধু মৃত ব্যক্তিদের জন্য বা তাদের পক্ষ থেকে করা হবে। এ ধারণা মোটেই ঠিক নয়। মৃত ব্যক্তির তরফ থেকে পৃথক কুরবানি করার কোন দলীল নেই। তবে মৃত ব্যক্তিদের জন্য কুরবানী করা জায়েয ও একটি সওয়াবের কাজ। 

কোরবানি একটি সাদকা। আর মৃত ব্যক্তির নামে যেমন সদকা করা যায় তেমনি তার নামে কোরবানিও দেয়া যায়। মৃতব্যক্তি এর দ্বারা উপকৃত হবে, ইনশাআল্লাহ। উপরন্তু, মৃতব্যক্তি এ ধরনের পূণ্যকর্মের মুখাপেক্ষীও থাকে। যেমন, মৃত ব্যক্তির জন্য সাদকার বিষয়ে হাদীসে এসেছে

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (রা.) এর কাছে এসে জিজ্ঞের করল, ‘হে রাসূল! আমার মা হাঠাৎ ইন্তেকাল করেছেন। কোন অসিয়ত করে যেতে পারেননি। 

আমার মনে হয় তিনি কোন কথা বলতে পারলে অসিয়ত করে যেতেন। আমি যদি এখন তার পক্ষ থেকে সদকা করি তাতে কি তার সওয়াব হবে? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৩৩৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০০৪)।

মৃত ব্যক্তির জন্য এ ধরনের সদকা ও কল্যাণমূলক কাজের যেমন যথেষ্ট প্রয়োজন ও তেমনি তার জন্য উপকারী। যদি কোন কারণে মৃত ব্যক্তির জন্য কুরবানী ওয়াজিব হয়ে থাকে তাহলে তার জন্য পূর্ণ একটি কোরবানি করতে হবে।

অনেক সময় দেখা যায় ব্যক্তি নিজেকে বাদ দিয়ে মৃত ব্যক্তির জন্য মৃত ব্যক্তির পক্ষে কোরবানি করেন। এটা মোটেই ঠিক নয়। ভাল কাজ নিজেকে দিয়ে শুরু করতে হয় তারপর অন্যান্য জীবিত ও মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে করা যেতে পারে ।

যেমন হাদিসে এসেছে- আয়েশা (রা.) ও আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) যখন কোরবানি দিতে ইচ্ছা করলেন তখন দু‘টো দুম্বা ক্রয় করলেন। যা ছিল বড়, হৃষ্টপুষ্ট, শিংওয়ালা ,সাদা-কালো বর্ণের এবং খাসি। 

একটি তিনি তার ঐ সকল উম্মতের জন্য কোরবানী করলেন; যারা আল্লাহর একত্ববাদ ও তার রাসূলের রিসালাতের সাক্ষ্য দিয়েছে, অন্যটি তার নিজের ও পরিবারবর্গের জন্য কোরবানী করেছেন। (ইবনে মাজা, হাদিসটি সহীহ)

সূত্রঃ অনলাইন